প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   একই সংকট ১৪ শ’ বছর...

একই সংকট ১৪ শ’ বছর আগে ও পরে

২ অক্টোবর ২০১৭ ১১:৩৪ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মসীহ উর রহমান:
একটি জাতির ক্ষুদ্রতম অংশ হচ্ছে ব্যক্তি মানুষ। ভিন্ন ভিন্ন মানুষের চিন্তাধারা, রুচি, অভিরুচির মধ্যে স্বাতন্ত্র্য স্পষ্ট। এই স্বতন্ত্র সত্তার অধিকারী বহুসংখ্যক মানুষকে নিয়ে একটি সমাজ গঠিত হয়। এই সমাজের সংগঠিত, সমন্বিত এবং বিস্তৃত রূপই হলো জাতি। একটি জাতি তৈরির পিছনে বেশ কিছু শর্ত বিদ্যমান থাকে। জাতি মূলত ব্যক্তিরই বৃহত্তর সংস্করণ। অতএব জাতির অস্তিত্বের উপর সমাজের ও ব্যক্তির অস্তিত্ব নির্ভর করে। জাতি হচ্ছে একটি বিল্ডিং-এর মতো এবং ব্যক্তি সেই বিল্ডিং-এর এক একটি কামরা। বিল্ডিংটাই যদি ধ্বংস হয়ে যায় তবে তার কামরার কোন অস্তিত্ব থাকে না।
মানবজাতি তার ক্রমবিকাশের বিভিন্ন স্তরকে অতিক্রম করে আজকের এই জায়গায় এসে উপনীত হয়েছে। কালের পরিক্রমায় শিক্ষা-দীক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি ইত্যাদির চর্চা মানবজাতিকে বর্তমানের অবস্থানে নিয়ে এসেছে। কালের ধারায় বিভিন্ন যুদ্ধ, সংঘর্ষ ইত্যাদির ফলে বিভিন্ন জাতিসত্তা গড়ে উঠেছে। ভাষা, বর্ণ, ধর্ম ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় দুইশতের মতো ভৌগোলিক রাষ্ট্র  এবং জাতিসত্তা গড়ে উঠেছে।
জাতিসত্তা গড়ে উঠলেও সেই জাতিগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ বিদ্যমান। অনেকগুলো জতিসত্তা আজ হুমকির মুখে। ধর্মকে ভিত্তি করে গড়ে উঠা জাতিসত্তার অনেকগুলো আজ বিলীন হয়ে গেছে। বৃহত্তর শক্তির ক্রমাগত চাপে ক্ষুদ্রতর জাতিগুলো তাদের বিশ্বাস, চেতনা, ঐতিহ্য হারিয়ে বিলীন হয়ে গেছে। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাধ্যমে বহু বৃহৎ রাষ্ট্র ভেঙে ক্ষদ্র ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে। পুরাতন পরাশক্তি নতুন পরাশক্তির পদানত হয়েছে, অনেক ভ‚খÐ স্বাধীন হয়েছে। অনেক রাজা রাজ্য হারিয়েছে, অনেক সরকার গদিচ্যুত হয়েছে। জনগণ হারিয়েছে তাদের পরিবার ও সংসার। বিশ্বযুদ্ধের দ্বারা মানুষের সুখ শান্তি সব বিলীন হয়ে গিয়েছে।
আমরা বাংলার মানুষ, তাই আমরা বাঙালি। আমাদের জাতিসত্তাও আজ হুমকির মুখে। আমাদের থেকে শিক্ষা, সামরিক, অর্থনীতি ইত্যাদি দিক দিয়ে পরাশক্তিধর সা¤্রাজ্যবাদী জাতিগুলো অধিক এগিয়ে রয়েছে। শক্তিমান দুর্বলের উপর প্রভাব বিস্তারের প্রয়াস করবেই- যার সাক্ষী ইতিহাস। আমরা আজ এই সংকটের মধ্যে অবস্থান করছি। আমরা অখণ্ড জাতিসত্তা গঠনের লক্ষ্যে আজ পর্যন্ত অগ্রসরই হই নি। বরং যত উপায়ে বিভাজন সৃষ্টি করে গেছি। আজ পর্যন্ত আমরা সেই ঔপনিবেশিক  যুগের দাসত্বের জীবনব্যবস্থাকেই অনুসরণ করে যাচ্ছি। নিজেদের দেশের, জাতির মনমানসিকতা, ধর্ম, নীতিনৈতিকতার মূল্যবোধের সঙ্গে যায় এমন কোনো জীবনব্যবস্থা আমরা আজও গ্রহণ করতে পারি নি। পাশ্চাত্যের অনুসৃত ও তাদের রেখে যাওয়া জীবনব্যবস্থাকেই এদেশের মানুষের জীবনের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। মেয়েদের পোশাক যেমন পুরুষের শরীরে বেমানান হয়, তেমনি পাশ্চাত্যের দর্শন ও জীবনব্যবস্থা প্রাচ্যের মানুষের গায়ে বেমানান। এই সরল বিষয়টি বোঝার জন্য আমরা ৪৬ বছর সময় পেয়েছি, তবু তা আমাদের নীতিনির্ধারকদের বোধগম্য হচ্ছে না।
আমরা এমন কোনো জীবনব্যবস্থা প্রণয়ন করতে পারি নি যা আমাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, ধর্মীয় এবং বৈষয়িক সমস্যার সমাধান করতে পারে। আমরা দুইশ বছর ঔপনিবেশিক শক্তির অধীনে ছিলাম। সেই সময় আমরা বঞ্চিত হয়েছি সকল দিক থেকে। প্রথম একশ বছর তো তাদের বিরুদ্ধে বহু বিদ্রোহ হলো। সিপাহী বিদ্রোহের পর তাদের শাসনের আসন পাকাপোক্ত হলো। পরবর্তীতে তারা যখন শিক্ষা, সাহিত্যের মাধ্যমে তাদের প্রচার প্রসার শুরু করলো তখন আমাদের ধর্মগুরুরা ইংরেজি ভাষাকে হারাম বলে ফতোয়া দিলেন। আমরা তখনই যোগাযোগের দিক থেকে পিছিয়ে গেলাম। একই সাথে আমরা জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত দিক দিয়েও পিছিয়ে গেলাম। আর সামরিক শক্তির কথা বলতে গেলে, সেই শক্তি হারানোর ফলেই তো তাদেরকে গোলাম হতে হলো। ক্রমান্বয়ে মুসলিম জনগোষ্ঠীর উন্নতির আশায় একদল মানুষ মুসলিমদের মধ্যে জাগরণ, রেনেসাঁর সৃষ্টি করার জন্য জাতির মধ্যে শিক্ষা বিস্তারের প্রচেষ্টা করলেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে নবাব আবদুল লতিফ, নবাব স্যার সলিমুল্লাহ, আমির আলি, ওয়াজেদ আলী খান পন্নী, বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন প্রমুখ। এরা জাতিকে শিক্ষিত করার ব্রত নিয়ে নামলেন। কিন্তু ততদিনে মুসলিমরা একশ বছর পিছিয়ে গেছে। তাদের থেকে আমরা নামে মাত্র স্বাধীনতা লাভ করলাম। নামে মাত্র বলার কারণ ভৌগোলিক স্বাধীনতা পেয়েও আমরা তাদেরই রেখে যাওয়া রাজনৈতিক ব্যবস্থা, সমাজব্যবস্থা, শিক্ষব্যবস্থা ইত্যাদিকে আমাদের জীবনে প্রয়োগ করলাম। যার পরিণতিতেই আমাদের বর্তমান করুণ দুর্দশা। কেবল হানাহানী, অসন্তষ্টি, রাজনৈতিক বিদ্বেষ, অনৈক্যই আমাদের জাতীয় পরিচয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বর্তমানের বিশ্বপরিস্থিতির কথা চিন্তা করে জাতিকে এখন শক্তিশালী একটি ভিত্তির উপর দাঁড় করানো অত্যন্ত জরুরি। একদিকে আঞ্চলিক শক্তিগুলি প্রাধান্য বিস্তারে মত্ত অন্যদিকে সাম্রাজ্যবাদী পরাশক্তিগুলো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরিতে প্রচেষ্টা করছে। সাম্রাজ্যবাদী পরাশক্তিগুলোর অর্থনৈতিক কাঠামো নির্ভর করে অস্ত্র ব্যবসার উপর। তারা তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থে বিশ্বজুড়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ, যুদ্ধ-বিগ্রহ লাগিয়ে রাখতে চায়। ধ্বংস করার পর পুনর্গঠনের নামে তারা ইরাক, সিরিয়া, আফগানিস্তান ইত্যাদি বহু রাষ্ট্রে নির্মাণ কাজ করছে। বহুবিধ পথে ধ্বংস হওয়া জাতিটিকেও তারা শোষণ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে জঙ্গিবাদ ইস্যুর মাধ্যমে সংকটে ফেলার প্রচেষ্টায় রয়েছে। বর্তমানের রোহিঙ্গা ইস্যুও বড় ধরনের সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে। আমরা লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে এই দেশকে অর্জন করেছি। বর্তমানে এই জাতিকে শাক্তিশালী করে গড়ে তোলা এবং বিশ্বের দরবারে মর্যদাশীল আসনে অধিষ্ঠিত করা প্রয়োজন। কি করে সম্ভব?
ইতিহাস পর্যালোচনা করলে আমরা দেখতে পারি, আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে আরবের জাতির পরিস্থিতি কেমন ছিল। কোনো একক সমাজব্যবস্থা, রাষ্ট্রব্যবস্থা, সরকার ব্যবস্থা ছিল না। নিজস্ব কোন সংবিধান এবং সরকার প্রধান বা রাষ্ট্র প্রধান ছিল না। পুরো জাতির নির্দিষ্ট কোন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল না। জ্ঞান বিজ্ঞানের উন্নতি ও প্রগতি সম্পর্কে তারা অজ্ঞ ছিল। এই অন্ধত্ব, কূপমণ্ডূকতা, অযৌক্তিক কর্মকাণ্ড, পশ্চাৎপদতার ফলে ইতিহাসে সেই সময়কে আইয়্যামে জাহেলিয়াত বা অন্ধকারের যুগ বলা হয়।
তখন একদিকে রোমান ও পারস্য পরাশক্তির আসনে অসীন। তারা ছিল জ্ঞানে, বিজ্ঞানে, প্রযুক্তিতে, সাহিত্যে ইত্যাদি সকল দিক দিয়ে অগ্রগামী। তারা আরবদের ঘৃণা ও অবজ্ঞার দৃষ্টিতে দেখত। আরবে না ছিল কোন উর্বর কৃষি জমি, না ছিল কোনো খনিজ সম্পদ যার ফলে পরাশক্তিগুলো আরব দখলের কোন ইচ্ছাই প্রকাশ করতো না। আরবের লোকেরা অভ্যন্তরীণভাবে বিভিন্ন গোত্রে বিভক্ত ছিল। এক গোত্র আরেক গোত্রের সাথে মারামারি, দাঙ্গা হাঙ্গামায় লিপ্ত থাকত। সমাজে কোন শান্তি ছিল না। জীবন্ত মেয়ে মানুষকে কবর দেয়া ছিল স্বাভাবিক ব্যাপার। আরবদের চিন্তা চেতনা এতটাই স্থবির হয়ে পড়েছিল যে তারা মূর্তির সামনে বসে থাকত, তারা মনে করতো কাঠ পাথরের এই মূর্তিগুলো তাদের যুদ্ধে ও সংগ্রামের বিজয় দান করবে, তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করবে। তাদের সাহিত্যের মূল উপজীব্য ছিল অশ্লীলতা। এমনকি তারা হজের অনুষ্ঠানও পালন করতো উলঙ্গ হয়ে। এমন একটি জাতি কখনই শ্রেষ্ঠ হওয়ার আশা করতে পারে না যখন তাদের নিজেদের অস্তিত্বই সংকটাপন্ন। পশুর মতো শুধু বেঁচে থাকার জন্য তারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মারামারি ও কামড়াকামড়ি করত।
এমন সময়ে আল্লাহর পক্ষ থেকে এক মহান আদর্শ নিয়ে আবিভর্‚ত হলেন শেষ নবী মোহাম্মদ (স.)। তিনি আরবের এই পরিস্থিতি দেখে ব্যথিত হলেন। তিনি সেই পশ্চাৎপদ সমাজকে রক্ষার জন্য পথের অনুসন্ধান করতে লাগলেন। আল্লাহ তাঁকে হেদায়াহ, পথ প্রদর্শন করলেন। তিনি বুঝতে পারলেন সমাজের সকল মানুষকে একটি কথার উপর ঐক্যবদ্ধ করতে পারলে সমাজকে পুনরায় নতুন কাঠামোয় গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি মানুষগুলিকে এক আল্লাহ ছাড়া আর কারও হুকুম মানি না এই কথার উপর ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহŸান করলেন। সকলকে যাবতীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে বললেন। যদি তারা ঐক্যবদ্ধ হয় তবে তাদের জাতি হবে একটি, নেতা হবেন একজন এবং তাদের লক্ষ্যও হবে একটি। জাতির নেতা যদি সত্যনিষ্ঠ, নির্ভিক, জাতির কল্যাণকামী ও আদর্শবাদী হন তবে তারা অবশ্যই তাদের লক্ষ্য অর্জনে সফল হবে। প্রথমে মহানবী (স.)-এর কষ্ট হলো। কিন্তু তিনি তাদের ঐক্যবদ্ধ করতে সক্ষম হলেন।
এরপর ইতিহাস থেকে আমরা দেখি আরব জাতির অবস্থার আমূল পরিবর্তন সাধিত হলো। তারা সবাই একজন আরেকজনের ভাই হয়ে গেল, কোন শত্রæতা থাকলো না। স্বার্থপরতা, আত্মকেন্দ্রিকতা ইত্যাদি কোন কু-স্বভাব থাকলো না। জাতি পাঁচ দফা কর্মসূচির আওতার মাধ্যমে শৃঙ্খলার মধ্যে চলে আসলো। লক্ষ্যহীন জাতির একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য হলো। আল্লাহর প্রেরীত সত্যদীনকে পুরো মানবজাতির জীবনে প্রতিষ্ঠা করার সংগ্রামে তারা নেমে পড়লেন। ফলে একটি যুগান্তকারী বিস্ময়কর ঘটনা মানবজাতি প্রত্যক্ষ করল। সেই অবজ্ঞাত অজ্ঞান আরবদের মাধ্যমে একটি সুমহান সভ্যতার উন্মেষ ঘটলো। কয়েকশ’ বছরেই তারা জ্ঞানে-বিজ্ঞানে, সামরিক শক্তিতে বিশ্বের শিখরে আরোহণ করলো। কিন্তু গত এক হাজার বছরে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ভুলে যাওয়ায় ও আদর্শকে ত্যাগ করায় জাতি আজ পরাশক্তির গোলাম হয়ে আজকের নিন্দিত নিকৃষ্ট অবস্থায় এসে উপনীত হয়েছে।
অতএব এখন আবার সেই আদর্শের ভিত্তিতে জাতিকে জাগিয়ে তুলে সেই গৌরবের আসনে পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা করা প্রয়োজন। আমরা যেন আমার উন্নত হতে পারি সেই লক্ষ্যে আল্লাহ সেই আদর্শটি দয়া করে পুনরাায় দান করেছেন। যার ফলে নতুন ইতিহাসের জন্ম দেয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব। দিন পাল্টানো যায়, দিন এমনিতেও পাল্টায়। কিন্তু খারাপ দিন পাল্টে সুদিন আনার জন্য প্রয়োজন একটি আদর্শ, একটি উন্নত জীবনপদ্ধতি। আমরা সেই আদর্শ ও জীবনপদ্ধতির চর্চা করছি এবং সকলকে বলছি এর সঙ্গে সামিল হতে। যাচাই করার জন্য আমরা তা জনসাধারণের সামনে উপস্থাপন করছি যেন তারা তা গ্রহণযোগ্য হলে গ্রহণ করতে পারে। আমরা আল্লাহর উপর তাওয়াক্কল রেখে বলতে পারি, আমাদের আদর্শ আমাদের নিজেদের রচনা করা নয়। এটা আল্লাহ দান করেছেন। তাই এটি নির্ভুল। এটি গ্রহণ করলে বাঙালি জাতি যেমন বিশ্বের বুকে মর্যাদাশীল জাতি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করবে। তেমনি মুসলিমরাও তাদের লাঞ্ছনার জীবন থেকে মুক্তি পেয়ে, আল্লাহর গজব ও লানত থেকে মুক্ত হয়ে সমগ্র মানবজাতিকে এক অখণ্ড জাতিসত্তায় পরিণত করতে সক্ষম হবে। কেবল তখনই শুধু রোহিঙ্গা নয় পৃথিবীর যত নিপীড়িত মানুষ আছে তাদের নিপীড়ন বন্ধ করা যাবে। দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা, মজলুমের উপর জালেমের অত্যাচার রুখে দেওয়া সম্ভব হবে।
যোগাযোগ: ০১৭১১০০৫০২৫, ০১৯৩৩৭৬৭৭২৫

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

আওয়ামী লীগকে ‘পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চোরের দল’ বললেন স্পিকার!

আওয়ামী লীগকে ‘পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চোরের দল’ বললেন স্পিকার!
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ‘পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চোরের দল’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম। তাঁর অভিযোগ,…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

পিসিটিতে ঘণ্টায় ৭২ মুভ, নতুন রেকর্ড আরএসজিটি বাংলাদেশের!

পিসিটিতে ঘণ্টায় ৭২ মুভ, নতুন রেকর্ড আরএসজিটি বাংলাদেশের!
পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে (পিসিটি) জাহাজ পরিচালনায় নতুন উৎপাদনশীলতার রেকর্ড গড়েছে আরএসজিটি বাংলাদেশ। সিএমএ সিজিএমের জাহাজ এমভি আমুরো পরিচালনার সময় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭২ মুভ ও ১২২…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

মোদিকে ‘ভারতের সবচেয়ে বড় কাপুরুষ’ বললেন অভিজিৎ দীপকে!

মোদিকে ‘ভারতের সবচেয়ে বড় কাপুরুষ’ বললেন অভিজিৎ দীপকে!
পুলিশি হেফাজত থেকে মুক্তি পাওয়ার একদিন পরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। সোমবার (১৯ অক্টোবর)…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

ডিসেম্বরে প্রথম ইউএনও সম্মেলন, ডিসি সম্মেলন জানুয়ারিতে!

ডিসেম্বরে প্রথম ইউএনও সম্মেলন, ডিসি সম্মেলন জানুয়ারিতে!
প্রথমবারের মতো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) নিয়ে সম্মেলন আয়োজন করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী ডিসেম্বর মাসে এ সম্মেলন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারি…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

কৃষক কার্ডে জানা যাবে আগামীকাল বৃষ্টি হবে কি না: প্রধানমন্ত্রী

কৃষক কার্ডে জানা যাবে আগামীকাল বৃষ্টি হবে কি না: প্রধানমন্ত্রী
দেশের ৪০ লাখ কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, এই কার্ডের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে কৃষকেরা জানতে পারবেন, পরদিন…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

গলাচিপায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নদীতে ইলিশ শিকারের মহোৎসব!

গলাচিপায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নদীতে ইলিশ শিকারের মহোৎসব!
রাতের অন্ধকারে নদীতে জাল ফেলা হচ্ছে। আবার দিনের আলোতেও কোথাও নৌকা নিয়ে চলছে ইলিশ শিকার, কোথাও নির্দিষ্ট ক্রেতার ফোন পেয়ে ব্যাগে ভরে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

উলিপুরে বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা, ৭ ঘণ্টার মধ্যে ঘাতক গ্রেফতার

উলিপুরে বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা, ৭ ঘণ্টার মধ্যে ঘাতক গ্রেফতার
কুড়িগ্রামের উলিপুরে বাচ্চু মিয়া (৬০) নামের এক বৃদ্ধকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার তার চাচাতো নাতি রাব্বিকে (২২) সঙ্গে নিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি উদ্ধার করেছে পুলিশ।…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও দলীয় সভায় যোগ দিতে চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী!

পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও দলীয় সভায় যোগ দিতে চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী!
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

‘সৌদি জেল থেকে ১৫ দিন আগেও ফোন করেছিল সুইটি’!

‘সৌদি জেল থেকে ১৫ দিন আগেও ফোন করেছিল সুইটি’!
প্রায় চার বছর আগে জীবিকার সন্ধানে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের সুইটি আক্তার। সেখানে যাওয়ার পর প্রথম পাঁচ মাস নিয়মিত বাড়িতে টাকা পাঠালেও পরে…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

৭২ ঘণ্টায় দুবার ঢাকায় ফিফা সভাপতি, বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে কী ভাবছেন তিনি?

৭২ ঘণ্টায় দুবার ঢাকায় ফিফা সভাপতি, বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে কী ভাবছেন তিনি?
মাত্র ৭২ ঘণ্টার ব্যবধানে দুবার ঢাকায় এসেছেন আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশনের (ফিফা) সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ভুটান সফর শেষে দোহাগামী ফ্লাইট ধরতে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ঢাকায় যাত্রাবিরতি…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

হুথিদের হামলা ঠেকাতে সৌদিতে টাইফুন যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য!

হুথিদের হামলা ঠেকাতে সৌদিতে টাইফুন যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য!
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা থেকে সৌদি আরবকে সুরক্ষা দিতে টাইফুন যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি আরবের…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

জুলাইয়ে ছাত্র-জনতা লুটেরা ও চাঁদাবাজদের জন্য রক্ত দেয়নি: জামায়াত আমির

জুলাইয়ে ছাত্র-জনতা লুটেরা ও চাঁদাবাজদের জন্য রক্ত দেয়নি: জামায়াত আমির
জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে মানুষ লুটপাট, চাঁদাবাজি ও অন্যায়-অবিচার প্রতিষ্ঠার জন্য রক্ত দেয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা.…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

স্বৈরাচার অর্থ দিচ্ছে, আরেক পক্ষ অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী

স্বৈরাচার অর্থ দিচ্ছে, আরেক পক্ষ অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী
দেশে শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি ও অস্থিরতা তৈরির চেষ্টার পেছনে পলাতক স্বৈরাচারী শক্তি অর্থ সরবরাহ করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ২৭ অক্টোবর বৈঠকে বসছেন তারেক রহমান!

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ২৭ অক্টোবর বৈঠকে বসছেন তারেক রহমান!
বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গভীর করা এবং বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে আগামী ২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর এক ক্লিকেই ৩৮ হাজার আখচাষির অ্যাকাউন্টে ১২ কোটি টাকা!

প্রধানমন্ত্রীর এক ক্লিকেই ৩৮ হাজার আখচাষির অ্যাকাউন্টে ১২ কোটি টাকা!
রাজশাহীর জনসভা থেকে এক ক্লিকেই ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষির জন্য ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর)…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়