প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   রসুলাল্লাহর প্রকৃত সুন্নাহ কী?

রসুলাল্লাহর প্রকৃত সুন্নাহ কী?

২৮ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৯:৫৬ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মো. রাশেদুল হাসান:

সুন্নাহ একটি আরবী শব্দ যার আভিধানিক অর্থ রীতি, নিয়ম, পথ, পন্থা, পদ্ধতি, আদেশ ইত্যাদি। সুরা ফাতাহ এর ২৩ নং আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, “এটাই আল্লাহর রীতি (সুন্নাহ), যা পূর্ব থেকে চালু আছে। তুমি আল্লাহর রীতিতে কোন রদবদল পাবে না।” এই আয়াতে আল্লাহ তাঁর নিজের ক্ষেত্রে সুন্নাহ শব্দটি ব্যবহার করেছেন, যার বাংলা অনুবাদ করা হয়েছে, “আল্লাহর রীতি বা ডধু ড়ভ অষষধয। আব্দুল্লাহ ইউসুফ আলী ও মারমাডিউক পিকথল সুন্নাহ শব্দের অনুবাদ করেছেন “The practice (Approved) of Allah” অর্থ আল্লাহর রীতি, চর্চা, কর্ম ইত্যাদি।

রসুলের সুন্নাহ কী?
আদম (আ.) থেকে শুরু করে শেষ নবী মোহাম্মদ (দ.) পর্যন্ত আল্লাহ যতো নবী রসুল (আ.) মানবজাতির পথ প্রদর্শনের জন্য পাঠিয়েছেন তাদের প্রত্যেককেরই মূল-মন্ত্র হচ্ছে তওহীদ, আল্লাহর সার্বভৌমত্ব অর্থাৎ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। স্থান, কাল ও পাত্রের বিভিন্নতার কারণে দীনের অর্থাৎ জীবন ব্যবস্থার আইন-কানুন, দণ্ডবিধি, ইবাদতের পদ্ধতি ইত্যাদি বিভিন্ন হয়েছে কিন্তু ভিত্তি, মূলমন্ত্র একচুলও বদলায় নি। সেটা সব সময় একই থেকেছে- আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, তওহীদ অর্থাৎ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। এই সার্বভৌমত্বের, তওহীদেরই অপর নাম হচ্ছে সিরাতুল মুস্তাকীম, দীনুল-কাইয়্যেমা, চিরন্তন, শাশ্বত, সনাতন জীবন পথ। প্রেরিত প্রত্যেক নবী-রসুলকে আল্লাহ এ একটি দায়িত্ব প্রদান করেছেন যেন তারা তাদের নিজ নিজ জাতিকে এই তওহীদের অর্থাৎ আল্লাহর সার্বভৌমত্বের অধীনে নিয়ে আসে। নবী-রসুলদের এই ধারাবাহিকতায় আল্লাহ যাকে শেষ নবী হিসেবে পাঠালেন তিনিই হচ্ছেন আমাদের শেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ রসুল মোহাম্মদ (দ.)। আল্লাহ তাঁকেও এই একই মূলমন্ত্র দিয়ে প্রেরণ করলেন। পূর্ববর্তী সমস্ত নবী রসুলদের সঙ্গে তাঁর পার্থক্য হল এই যে, পূর্ববর্তী নবীদের দায়িত্ব সীমিত ছিল নির্দিষ্ট একটি জাতি, গোষ্ঠি বা গোত্রের মধ্যে কিন্তু শেষ রসুলের উপর যে দায়িত্ব অর্পন করা হল তা ছিল সমগ্র পৃথিবীর জন্য। আল্লাহ বললেন, “আমি আমার রসুলকে সঠিক পথ প্রর্দশন (হেদায়াহ) এবং সত্য দীন (দীনুল হক) দিয়ে প্রেরণ করলাম এই জন্যে যে তিনি যেন একে (এই হেদায়াহ ও জীবনব্যবস্থাকে) পৃথিবীর অন্যান্য সমস্ত জীবনব্যবস্থার উপর বিজয়ী করেন (সুরা আল ফাতাহ ২৮, সুরা আত তওবা ৩৩ ও সুরা আস সফ ৯)।” অর্থাৎ আল্লাহ তাঁর শেষ রসুলকে দায়িত্ব দিলেন এই দীনুল ইসলামকে সমস্ত পৃথিবীর ওপর বিজয়ী ও প্রতিষ্ঠা করার।

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

কোর’আনের এই তিনটি আয়াত থেকে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে যে, আল্লাহ তাঁর নবীর মাধ্যমে শুধু হেদায়াহ এবং সত্যদীনই দিলেন না, তিনি তাঁর নবীর উপর একই সাথে এই দীন পৃথিবীব্যাপী প্রতিষ্ঠার দায়িত্বও দিলেন। অর্থাৎ পৃথিবীতে, মানব জাতির মধ্যে আল্লাহর রসুলকে প্রেরণের উদ্দেশ্য একটি নয়, দুইটি। একটি রসুলের মাধ্যমে হেদায়াহ ও সত্য দীন পাঠানো, দ্বিতীয়টি সেই হেদায়াহ ও দীনকে সমগ্র মানব জীবনে প্রতিষ্ঠা করা। কারণ সাধারণ জ্ঞানেই বোঝা যায় সে দীন, জীবনব্যবস্থা যদি মানুষের জীবনে কার্যকরই না হয় তবে তা রসুলের মাধ্যমে পৃথিবীতে পাঠানো পুরোপুরি অর্থহীন। একটি সংবিধান সেটি যত সুন্দর, যতো নিখুঁতই হোক না কেন, সেটা একটি জনসমষ্টি বা জাতির ওপর প্রয়োগ ও কার্যকর না করা হলে সেটা যেমন অর্থহীন হয়ে পড়ে, তেমনি তওহীদের ওপর ভিত্তি করা দীনুল ইসলাম, দীনুল হকের সংবিধান কোর’আনকে মানব জীবনের সর্বস্তরে, সর্ব অঙ্গনে প্রয়োগ ও কার্যকর না করতে পারলে সেটাও অর্থহীন। তাই আল্লাহ তাঁর রসুলকে ঐ উভয় দায়িত্ব দিয়েই পৃথিবীতে প্রেরণ করলেন।

এখন প্রশ্ন হল, এই জীবনব্যবস্থাকে সমস্ত পৃথিবীর উপর প্রতিষ্ঠা করার মত বিরাট, বিশাল কাজে সাফল্য অর্জন করার প্রক্রিয়া কী হবে? আল্লাহ তাঁর রসুলকে এত বড় কাজের দায়িত্ব দিলেন কিন্তু এ কাজ কিভাবে করতে হবে সে প্রক্রিয়া কি মহান আল্লাহ প্রেরণ করবেন না? অবশ্যই করবেন কারণ আল্লাহর নামসমূহের মধ্যে একটি নাম হচ্ছে আল্লাহ সোবহান অর্থাৎ তিনি নিখুঁত, ত্রুটিহীন। আল্লাহর রসুল তাঁর একটি হাদিসে বলেছেন, “আমি আদিষ্ট হয়েছি সমগ্র মানবজাতির (মধ্যে বিরাজিত অন্যায়ের) বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সংগ্রাম চালানোর জন্য যে পর্যন্ত না সমস্ত মানুষ আল্লাহকে একমাত্র ইলাহ এবং আমাকে রসুল হিসেবে মেনে না নেয় (হাদীস- আবদাল্লাহ বিন ওমর (রা.) থেকে- বোখারী, মেশকাত)। অর্থাৎ পৃথিবীতে সত্য, ন্যায়, সুবিচার, শান্তি এক কথায় ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে হবে সংগ্রামের মাধ্যমে। এ সিদ্ধান্ত কি রসুলের নিজের? না, তাঁর নিজের নয়, কারণ তিনি বলেছেন “আমি আদিষ্ট হয়েছি।” তিনি আদিষ্ট অর্থাৎ আদেশ প্রাপ্ত হয়েছেন স্বয়ং আল্লাহর থেকে অর্থাৎ স্বয়ং আল্লাহর সিদ্ধান্ত হলো এটা। আল্লাহর রসুল আল্লাহর এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য মানুষকে তওহীদের দাওয়াত দেয়া শুরু করলেন। সাধারণ জ্ঞানেই বুঝা যায় সমস্ত পৃথিবীতে এই শেষ জীবন বিধান প্রতিষ্ঠা করার মত এত বড় বিশাল কাজ এক জীবনে করা সম্ভব নয়। এজন্য তিনি একটি জাতি গঠন করলেন, যে জাতিটির নাম উম্মতে মোহাম্মদী। বিশ্বনবী (দ.) তাঁর নবী জীবনের তেইশ বছরে তাঁর আসহাবদের নিয়ে সর্বাত্মক সংগ্রাম করে সমস্ত আরব উপদ্বীপে এই শেষ জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করলেন অর্থাৎ ইসলামের শেষ সংস্করণ সমস্ত মানবজাতির একটি অংশে কার্যকরী হল। কিন্তু রসুলের প্রতি আল্লাহর দেয়া দায়িত্ব অসম্পূর্ণ রয়ে গেল, কারণ তাঁর উপর শুধু আরব উপদ্বীপের দায়িত্ব ছিল না তাঁর উপর সমগ্র পৃথিবী, সমগ্র মানবজাতির দায়িত্ব ছিল। এর আগে কোন নবীর ওপর এত বড় দায়িত্ব অর্পিত হয় নি। যতদিন সমস্ত পৃথিবীর সমগ্র মানবজাতির ওপর এই শেষ জীবনবিধান সামগ্রিকভাবে প্রতিষ্ঠা না হবে ততদিন মানুষ আজকের মতই যুদ্ধবিগ্রহ, অশান্তি, অবিচারের মধ্যে ডুবে থাকবে- শান্তি আসবে না।

এখানে একটা বিষয় খুব সাবধানের সাথে খেয়াল রাখতে হবে যে, একটা হল দীন, জীবন-ব্যবস্থা আর অপরটা হল সেই জীবন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা (কার্যকরী) করা। নবী করীম (দ.) বিদায় হজ্বের ভাষণে তাঁর আসহাবদের নিকট আল্লাহকে সাক্ষী রেখে জানতে চেয়েছেন তাঁর উপর যে কোর’আন অর্থাৎ জীবনব্যবস্থা নাযেল হলো তা তিনি পূর্ণভাবে পৌছে দিয়েছেন কিনা। উপস্থিত সকল আসহাব সমস্বরে উত্তর দিলেন, হ্যাঁ আল্লাহ সাক্ষী, আপনি পৌঁছে দিয়েছেন। তাহলে আমরা পরিষ্কার বুঝলাম রসুলের উপর দুইটি দায়িত্ব ছিল একটি আল্লাহর দেওয়া জীবন বিধান মানব জাতিকে পৌছে দেওয়া (যেটা তিনি সম্পূর্ণ করেছেন), অন্যটি হল সেই জীবন বিধান মানুষের সামগ্রিক জীবনে প্রতিষ্ঠা করা। বিদায় হজ্জ্বে রসুল প্রথম অংশটির পূর্ণ হওয়ার কথা বলেছেন, কিন্তু দ্বিতীয় যে দায়িত্ব অর্থাৎ সমস্ত পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা (কায়েম) তখনও হয় নি। রসুলের জীবদ্দশায় শুধুমাত্র আরব উপদ্বীপে এই পূর্ণ দীন, জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, রসুল চলে যাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই বাকি দুনিয়ায় এই দীন প্রতিষ্ঠার ভার পড়ল তাঁর উম্মাহর উপর।

রসুল তাঁর আসহাবদের সাথে নিয়ে সমস্ত আরবে শেষ জীবন বিধান প্রতিষ্ঠা করে চলে গেলেন। তাঁর তৈরি করা বহির্মুখী জাতি কিন্তু তাদের নেতার দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন ছিল। তাই ইতিহাসে দেখি বিশ্বনবী (দ.) ওফাতের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর উম্মাহ পৃথিবীর সমস্ত কিছু আল্লাহর রাস্তায় কোরবান করে তাদের মাতৃভূমি আরব থেকে বের হয়ে পড়েছিলেন। ইতিহাসে রয়েছে একটা জাতি তাদের মাতৃভূমি ত্যাগ (migration) করে অন্যত্র চলে যাওয়ার পিছনে যে কারণগুলো ছিল সেগুলো মূলত অন্য জাতির আক্রমণ, দ্বিগ্বিজয়, আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়ে দেশ বাসের অযোগ্য হয়ে যাওয়া, দুর্ভিক্ষ ইত্যাদি। কিন্তু একটা আদর্শ প্রতিষ্ঠা করার জন্য একটা জাতির সমস্ত সদস্য দেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া মানুষের ইতিহাসে বোধহয় আর নেই। আমরা যদি আমাদের মুসলিম জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে চাই, রসুলের সুন্নাহকে বুঝতে চাই তবে ইতিহাসের এই নজীরবিহীন ঘটনাকে আমাদের গভীর ভাবে উপলব্ধি করতে হবে। প্রথম কথা হলো বিশ্বনবীর সঙ্গীরা তাদের নেতার ওফাতের পরপরই এই যে বাড়ি-ঘর, সহায় সম্পদ ইত্যাদি ত্যাগ করে অস্ত্র হাতে আরব তথা তাদের মাতৃভূমি থেকে বের হয়ে পড়লেন।

লক্ষণীয় বিষয় হলো, এ কাজটি সমস্ত জাতি একসাথে শুরু করে দিলেন এবং পাঁচ লক্ষ মানুষের জাতিটির মধ্য থেকে একটি মানুষও এর প্রতিবাদ তো দূরের কথা, সর্ব প্রকারে ঐ কাজে সাহায্য করলেন। বিশ্বনবীর অনেক হাদীস থেকে এটা নিশ্চিত হওয়া যায় যে রসুলের ইন্তেকালের পর তাঁর আসহাবগণ যে কাজ শুরু করলেন ঐ কাজ রসুলের রেখে যাওয়া অসম্পূর্ণ কাজ, শুধু তাই নয় ঐ হাদীসগুলো থেকে পরিষ্কার হয়ে যায় যে, শেষনবী (দ.) নিশ্চিত ছিলেন যে তার আসহাবগণ (রা.) তার দেয়া শিক্ষায় সম্পূর্ণভাবে শিক্ষিত হয়েছিলেন, তার শিক্ষার মর্মবাণী তারা উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন এবং তাদের নেতার বিশ্বনবীর (দ.) প্রকৃত নায়েব, নায়েবে রসুল অর্থাৎ প্রতিনিধি হবার যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন।

যেমন রসুলুল্লাহ (দ.) বলেছেন, “আমার আসহাবরা উজ্জ্বল তারকার মত তাদের যে কাউকে মানুষ অনুসরণ করতে পারে (হাদীস ওমর বিন খাত্তাব (রা.) থেকে রাযিন, মেশকাত)।” এর অর্থ হচ্ছে মহানবী স্বয়ং তার আসহাবদের, তাঁর সঙ্গীদের ইসলাম কী, এর উদ্দেশ্য কী, ঐ উদ্দেশ্য অর্জনের প্রক্রিয়া, সুন্নাহ সবই শিক্ষা দিয়েছেন সুতরাং প্রকৃত ইসলাম কী তা তাঁর সঙ্গী-সাথী, আসহাবদের চেয়ে বেশি কেউ জানতে ও বুঝতে পারে না, তা অসম্ভব। কারণ তারা সর্বদা আল্লাহর রসুলের সঙ্গে থেকে, অবিরত সংগ্রাম করে তাঁর প্রতিটি সুখ-দুঃখে অংশীদার হয়ে প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন। আরেকটি হাদীসে বিশ্বনবী (দ.) বলেছেন, “আমার উম্মাহ ভবিষ্যতে তেহাত্তর ভাগে (ফেরকায়) বিভক্ত হয়ে যাবে। এবং ঐ তেহাত্তর ফেরকার মধ্যে একটি ফেরকা জান্নাতী আর বাকি বাহাত্তর ফেরকাই জাহান্নামী।” ঐ একমাত্র জান্নাতী ফেরকা কোনটা এ প্রশ্নের জবাবে আল্লাহর রসুল (দ.) বললেন, “যার উপর আমি ও আমার সাহাবীরা আছি (হাদীস- আবদুল্লাহ বিন আমর (রা.) থেকে- তিরমিযি, মেশকাত)।” এ ব্যাপারে অগণিত হাদীস উল্লেখ করা যায় যা থেকে প্রমাণ হয়ে যায় যে মহানবী (দ.) তার আসহাবদের প্রকৃত দ্বীন শিক্ষা দিতে সমর্থ্য হয়েছিলেন। (চলবে)

(প্রবন্ধ সম্পাদনা: রাশেদুল হাসান, নগর সম্পাদক, হেযবুত তওহীদ)

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

সৌদির তেলসমৃদ্ধ অঞ্চলসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে একের পর এক ড্রোন হামলা!

সৌদির তেলসমৃদ্ধ অঞ্চলসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে একের পর এক ড্রোন হামলা!
সৌদি আরবের তেলসমৃদ্ধ পূর্বাঞ্চল, দক্ষিণাঞ্চল ও পবিত্র নগরী মদিনার আকাশে একের পর এক ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলার মধ্যে কয়েকটি ড্রোন শনাক্ত করে ভূপাতিত…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

‘তিন-চারটি প্রজন্ম নষ্ট করে দিয়েছেন ড. ইউনূস’: ফজলুর রহমান

‘তিন-চারটি প্রজন্ম নষ্ট করে দিয়েছেন ড. ইউনূস’: ফজলুর রহমান
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কঠোর সমালোচনা করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান। তার অভিযোগ, ড.…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নিয়ে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে সরকার: জামায়াত আমির

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নিয়ে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে সরকার: জামায়াত আমির
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করে বিএনপি সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, সরকার জনগণের…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

‘উপনির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে বিরোধী দলের জনপ্রিয়তায় ধস নেমেছে’: ফরহাদ আজাদ

‘উপনির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে বিরোধী দলের জনপ্রিয়তায় ধস নেমেছে’: ফরহাদ আজাদ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল বিরোধী দলের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার প্রমাণ বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী প্রায় ১…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

‘কলকাতায় গ্যাস ১ হাজার, বাংলাদেশে ২ হাজার ৫০০ টাকা কেন’: আখতার!

‘কলকাতায় গ্যাস ১ হাজার, বাংলাদেশে ২ হাজার ৫০০ টাকা কেন’: আখতার!
কলকাতায় এক হাজার টাকায় এলপিজি গ্যাস পাওয়া গেলে বাংলাদেশে কেন একই গ্যাস ২ হাজার ৫০০ টাকায় কিনতে হবে, এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে!

সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে!
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাকি সাত বাংলাদেশি শ্রমিকের মরদেহ দীর্ঘ অপেক্ষার পর দেশে পৌঁছেছে। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

‘অনিবার্য বিপ্লব দরজায় টোকা দিচ্ছে’, সরকারকে হুঁশিয়ারি শফিকুর রহমানের!

‘অনিবার্য বিপ্লব দরজায় টোকা দিচ্ছে’, সরকারকে হুঁশিয়ারি শফিকুর রহমানের!
অনিবার্য বিপ্লব দরজায় টোকা দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে বৃহত্তর ত্যাগের জন্য…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালান

কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালান
সিয়াম রহমান, ঈশ্বরদী: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য রাশিয়া থেকে আসা ইউরেনিয়ামের তৃতীয় চালান প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৭টা ১৭ মিনিটে…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী

আক্কেলপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে ফেসবুকে হুমকি

আক্কেলপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে ফেসবুকে হুমকি
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার রায়কালী ইউনিয়নের উপর শিয়ালা গ্রামে সংবাদ সংগ্রহকালে বাধা এবং সংবাদ প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সাংবাদিক জামাল উদ্দিনকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।…
 ৩০ অক্টোবর ২০২৬    সারাদেশ

মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে সাংবাদিকদের ওপর বর্বরোচিত হামলা, বাসাজ’র তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে সাংবাদিকদের ওপর বর্বরোচিত হামলা, বাসাজ’র তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ‘বাংলাদেশ সাংবাদিক জোট’। প্রতিবাদ…
 ৩০ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ফেনীতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চুরির রহস্য উদ্ঘাটন, স্বর্ণালংকার ও মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার ২

ফেনীতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চুরির রহস্য উদ্ঘাটন, স্বর্ণালংকার ও মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার ২
ফেনী প্রতিনিধি:ফেনীতে একটি চুরির ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করে চোরাই স্বর্ণালংকার ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত দুই…
 ৩০ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, না হলে মিছিল বড় করার হুঁশিয়ারি নাহিদের!

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, না হলে মিছিল বড় করার হুঁশিয়ারি নাহিদের!
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে আন্দোলন আরও জোরদার করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন,…
 ৩০ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

বিশ্বকাপ ফাইনালের ষড়যন্ত্র তত্ত্ব উড়িয়ে দিলেন এনজো!

বিশ্বকাপ ফাইনালের ষড়যন্ত্র তত্ত্ব উড়িয়ে দিলেন এনজো!
২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার হারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল নানা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব। ম্যাচের ফল নিয়ে তৈরি হওয়া এসব গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে…
 ৩০ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

অফকমের বিরুদ্ধে মামলায় হারল মেটা, টিকটক ও এক্স!

অফকমের বিরুদ্ধে মামলায় হারল মেটা, টিকটক ও এক্স!
যুক্তরাজ্যের অনলাইন নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী তথ্য সরবরাহের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে আইনি লড়াইয়ে হেরেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তিন বড় প্রতিষ্ঠান মেটা, টিকটক ও এক্স। প্রতিষ্ঠানগুলোর করা মামলা…
 ৩০ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব ভারতে ঠেকাতে চেষ্টা করছে সরকার: মোদি

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব ভারতে ঠেকাতে চেষ্টা করছে সরকার: মোদি
পশ্চিম এশিয়ায় ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাব যেন ভারতে না পড়ে, সে জন্য সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র…
 ৩০ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক