দেশের ৪০ লাখ কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, এই কার্ডের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে কৃষকেরা জানতে পারবেন, পরদিন তাঁদের এলাকায় বৃষ্টি হবে কি না। এতে বীজ বপন বা সার প্রয়োগের মতো কৃষিকাজের সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে বিএনপি আয়োজিত জনসভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে, কৃষি ও কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। এ লক্ষ্যেই কৃষকদের জন্য ‘ফার্মার কার্ড’ বা কৃষক কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্ষুদ্র, মাঝারি, প্রান্তিক, ভূমিহীন ও বড় কৃষকদের তালিকা তৈরির কাজ এগিয়ে চলছে। আগামী কিছুদিনের মধ্যে এ কাজ শেষ হলে ধাপে ধাপে কৃষকদের হাতে কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।
ডিসেম্বরে প্রথম ইউএনও সম্মেলন, ডিসি সম্মেলন জানুয়ারিতে!

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো কৃষক বছরে দুই বা তিনটি ফসল উৎপাদন করলে অন্তত একটি ফসলের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সার, বীজ ও কীটনাশকসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। এর মাধ্যমে কৃষকদের কষ্ট কিছুটা কমানো সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
কৃষক কার্ডের সুবিধা তুলে ধরে তারেক রহমান আরও বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা তাঁদের ফসলের বিমা করতে পারবেন এবং ব্যাংক থেকে সহজে ঋণ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি আবহাওয়ার তথ্য জেনে পরদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা নিতে পারবেন। এতে কখন বীজ বপন বা সার প্রয়োগ করতে হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষক কার্ডে এ ধরনের প্রায় ১০টি সুবিধা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
















