প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   নির্বাচনেই কি সমাধান?

নির্বাচনেই কি সমাধান?

২১ নভেম্বর ২০২৫ ০৯:০৪ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক টালমাটাল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে রাজপথ, সর্বত্রই একটাই আলোচনা জাতীয় নির্বাচন। রাজনেতাদের একটি বড় অংশ বিশ্বাস করেন, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়ামাত্রই জাদুর কাঠির ছোঁয়ায় দেশের সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। তাদের ধারণা, নতুন সরকার এলেই অপরাধ কমবে, মানুষ স্বাধীনভাবে চলতে পারবে এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ঘটবে। কিন্তু ইতিহাসের আয়নায় এবং বাস্তবতার নিরিখে যারা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেন, তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। তারা প্রশ্ন তুলছেন, সত্যিই কি নির্বাচন মানুষের মুক্তির চাবিকাঠি, নাকি এটি কেবল ক্ষমতার পালাবদল মাত্র?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, নির্বাচন মানেই এক দলের প্রস্থান এবং অন্য দলের আগমন, কিন্তু সাধারণ মানুষের ভাগ্যের চাকা খুব একটা ঘোরে না। নির্বাচনকে যদি গণতন্ত্রের উৎসব বলা হয়, তবে সেই উৎসবের প্রদীপ নিভে যাওয়ার পরই শুরু হয় সাধারণ মানুষের অন্ধকারের গল্প।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে অনেকগুলো সরকার পরিবর্তিত হয়েছে। ১৯৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের পর মানুষ স্বপ্ন দেখেছিল নতুন এক ভোরের। ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনগুলোর দিকে তাকালে আমরা কী দেখি? প্রতিবারই মানুষ বুকভরা আশা নিয়ে ভোট দিয়েছে, কিন্তু প্রতিবারই বিজয়ী দল রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করেছে নিজেদের বিত্ত-বৈভব গড়ার হাতিয়ার হিসেবে।

আরও পড়ুন

যোদ্ধাজাতির পাঠ: বাঁচতে হলে মরতে শিখো -এম আর হাসান

যোদ্ধাজাতির পাঠ: বাঁচতে হলে মরতে শিখো  এম আর হাসান

একটি উপমা দেওয়া যাক- কোনো একটি ভাঙা গাড়ির ইঞ্জিন নষ্ট, চাকা লক্কড়-ঝক্কড়। এখন আপনি যদি কেবল সেই গাড়ির ড্রাইভার পরিবর্তন করেন, গাড়িটি কি নতুনের মতো চলবে? অবশ্যই না। বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা সেই নষ্ট ইঞ্জিনের মতো হয়ে গেছে। নির্বাচন কেবল ড্রাইভার (সরকার) পরিবর্তন করে, কিন্তু ‘সিস্টেম’ বা ইঞ্জিন সেই পুরাতন ও জরাজীর্ণই থেকে যায়। ফলে যাত্রী বা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমে না, বরং বাড়ে।

নির্বাচন কি অর্থনৈতিক মুক্তির নিশ্চয়তা দেয়? পরিসংখ্যান কিন্তু ভিন্ন কথা বলে। গত দেড় দশকে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু ঋণের বোঝা জ্যামিতিক হারে বেড়েছে। বর্তমানে প্রতিটি শিশু জন্মের সময় প্রায় ১ লাখ টাকার বেশি ঋণের বোঝা নিয়ে জন্মায়। সিপিডি (CPD) এবং বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত এখন খাদের কিনারে। খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে (আইএমএফ-এর হিসাব অনুযায়ী প্রকৃত অঙ্ক আরও অনেক বেশি)।

ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (জিএফআই) তথ্য অনুযায়ী, গত এক দশকে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে হাজার হাজার কোটি ডলার। কানাডার ‘বেগম পাড়া’ কিংবা মালয়েশিয়ার ‘সেকেন্ড হোম’ এগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং প্রচলিত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোর ফসল। নির্বাচন দিয়ে এক দল ক্ষমতায় এসে আগের দলের দুর্নীতির বিচার করার বদলে নিজেরাও একই পথে হাঁটে। কারণ বর্তমান ব্যবস্থায় ক্ষমতায় যাওয়ার মূল উদ্দেশ্যই হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘লুণ্ঠনতন্ত্র’ কায়েম করা। নির্বাচন তাই লুটেরাদের হাতবদল ছাড়া আর কিছুই উপহার দিতে পারছে না।

নির্বাচনের মাধ্যমে কি মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়? অতীতে দেখা গেছে, নির্বাচনের আগে ও পরে সহিংসতা বাড়ে। মানবাধিকার সংগঠন ‘আইন ও সালিশ কেন্দ্র’ (আসক)-এর পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যায়, বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম এবং রাজনৈতিক দাঙ্গায় মৃত্যুর মিছিল কেবল দীর্ঘই হয়েছে। পুলিশ এবং প্রশাসনকে রাজনীতিকরণ করার ফলে তারা জনগণের সেবকের পরিবর্তে দলীয় লাঠিয়ালে পরিণত হয়েছে। সাধারণ অপরাধের চিত্রও ভয়াবহ। হোমিসাইড রেট প্রতি লাখে ২.২-২.৫ এর আশপাশে ঘুরপাক খাচ্ছে বছরের পর বছর। ২০২৪-২৫ সালে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর খুন, ডাকাতি, ছিনতাই বেড়েছে রেকর্ড পরিমাণে। জানুয়ারি ২০২৫-এ এক মাসে ২৯৪টি খুনের মামলা, যা আগের বছরের চেয়ে অনেক বেশি।

বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রিতা এবং রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত। সাগর-রুনি হত্যা মামলা থেকে শুরু করে ত্বকী হত্যা-বছরের পর বছর পার হয়ে গেলেও বিচার মেলে না। যখন রাষ্ট্রযন্ত্র নিজেই অপরাধীদের প্রশ্রয় দেয়, তখন নিছক একটি নির্বাচন করে সেই কাঠামোর পরিবর্তন আশা করা আকাশকুসুম কল্পনা। মানুষ এখনো রাস্তাঘাটে চলতে ভয় পায়, ঘরে ঘুমানোর সময়ও থাকে আতঙ্কে। এই আতঙ্ক কেবল চোর-ডাকাতের নয়, বরং রাষ্ট্রীয় বাহিনীর অপব্যবহারের আতঙ্কও বটে।

এখন প্রশ্ন হলো, কেন বারবার নির্বাচন হওয়ার পরেও মানুষের মুক্তি মিলছে না? এর মূল কারণ নিহিত আছে আমাদের তৈরি করা ব্যবস্থায় (System)। বর্তমান গণতন্ত্র বা প্রচলিত রাষ্ট্রব্যবস্থায় সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক মনে করা হয় জনগণকে বা সংসদকে, যারা নিজেদের খেয়াল-খুশি মতো আইন তৈরি ও পরিবর্তন করতে পারে। এই সুযোগে মানুষ তার নিজের স্বার্থে আইন বানায়। ফলে ধনী আরও ধনী হয়, গরিব আরও নিস্পেষিত হয়। মানবরচিত বিধানের সীমাবদ্ধতা হলো, মানুষ পক্ষপাতদুষ্ট এবং স্বার্থপর। তাই মানুষের তৈরি আইনে কখনোই পরম ন্যায়বিচার (Absolute Justice) প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।

ইতিহাস সাক্ষী, যখনই মানুষ ঐশ্বরিক বা স্রষ্টার দেওয়া বিধান থেকে দূরে সরে গেছে, তখনই সমাজে অনাচার, অবিচার ও জুলুম বেড়েছে। স্রষ্টা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি ভালো জানেন মানুষের জন্য কোন ব্যবস্থাটি কল্যাণকর। বর্তমান যে পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থা ও সেক্যুলার রাষ্ট্রকাঠামো চলছে, তা মূলত শক্তিশালীকে দুর্বলের ওপর ছড়ি ঘোরানোর লাইসেন্স দেয়।

নির্বাচন হলো একটি প্রক্রিয়া মাত্র, কোনো সমাধান নয়। যদি পাত্রটিই ছিদ্রযুক্ত হয়, তবে তাতে যত ভালো পানিই (সরকার) ঢালা হোক না কেন, তা ধারণ করা সম্ভব নয়। তেমনি রাষ্ট্রকাঠামো যদি দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, তবে ভোটের মাধ্যমে কেবল শোষকের মুখ পরিবর্তন হবে, শোষণের অবসান হবে না।

অতএব বর্তমান প্রেক্ষাপটে নির্বাচনকে ‘একমাত্র সমাধান’ ভাবাটা এক ধরণের রাজনৈতিক অন্ধত্ব। বাংলাদেশের ৫৪ বছরের ইতিহাস প্রমাণ করে যে, কেবল ব্যালট পেপারে সিল মেরে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা যায় না। মানুষের মুক্তি, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে হলে প্রচলিত পচা-গলে যাওয়া ব্যবস্থাটির আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন।

আমাদের ফিরে তাকাতে হবে সেই শাশ্বত নীতি ও নৈতিকতার দিকে, যা স্রষ্টা মানুষের কল্যাণের জন্য প্রদান করেছেন। যেখানে বিচারক কারোর মুখের দিকে তাকিয়ে রায় দেবেন না, শাসক নিজের পকেট ভারী করবেন না এবং পুলিশ হবে প্রকৃত অর্থেই জনবন্ধু। যতক্ষণ না আমরা ‘মানুষের তৈরি ত্রুটিপূর্ণ বিধান’ এর পরিবর্তে ‘স্রষ্টার দেওয়া ন্যায়পরায়ণ ব্যবস্থা’র দিকে ফিরে যাব, ততক্ষণ নির্বাচন হবে কেবল একটি প্রহসন এবং ক্ষমতার পালাবদলের নাটক। তাই আজকের দিনে আমাদের স্লোগান হওয়া উচিত কেবল নির্বাচন নয়, বরং ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। একমাত্র তখনই মানুষ তার কাঙ্ক্ষিত শান্তি ও মুক্তি খুঁজে পাবে।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

পুকুরে ‍ডুবে প্রাণ গেল প্রবাসীর একমাত্র ছেলের!

পুকুরে ‍ডুবে প্রাণ গেল প্রবাসীর একমাত্র ছেলের!
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে বাড়ির পাশের পুকুরের পানিতে ডুবে মোহাম্মদ হুজাইফা (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের সেন্দ্রা গ্রামের…
 ৫ নভেম্বর ২০২৬    চট্টগ্রাম

রেমিট্যান্স যোদ্ধারাই সবচেয়ে বেশি হয়রানির শিকার!

রেমিট্যান্স যোদ্ধারাই সবচেয়ে বেশি হয়রানির শিকার!
কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে পরিদর্শনে গিয়ে পাসপোর্ট তৈরি, নবায়ন ও সংশোধনসহ…
 ৫ নভেম্বর ২০২৬    চট্টগ্রাম

প্রতারণা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার, ইস্কাটন থেকে অ্যালিয়ন গাড়ি উদ্ধার

প্রতারণা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার, ইস্কাটন থেকে অ্যালিয়ন গাড়ি উদ্ধার
স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা:রাজধানীর রমনা মডেল থানায় দায়ের করা প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় ফোরকান হোসেন ওরফে মেহেদী (৪৫) নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে…
 ৫ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা

ফকিরহাটে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

ফকিরহাটে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতার উদ্বোধন
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সীদের অংশগ্রহণে ১০টি ইভেন্টে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’ এর উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর)…
 ৫ নভেম্বর ২০২৬    খুলনা

বাগেরহাট থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত হাজার হাজার শিল্পকারখানা গড়ে তুলতে চাই: তারেক রহমান

বাগেরহাট থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত হাজার হাজার শিল্পকারখানা গড়ে তুলতে চাই: তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, খুলনা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত হাজার হাজার শিল্পকারখানা গড়ে তুলতে চায় সরকার। এর মাধ্যমে দেশের তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং দীর্ঘদিন অবহেলিত…
 ৫ নভেম্বর ২০২৬    খুলনা

ফের বাড়ল বিমানে ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের দাম!

ফের বাড়ল বিমানে ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের দাম!
বিমানে ব্যবহৃত জেট ফুয়েলের দাম আবারও সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নভেম্বর মাসের জন্য অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ব্যবহৃত প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ৬…
 ৫ নভেম্বর ২০২৬    অর্থনীতি

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মেসিকে ছাড়িয়ে হালান্ড!

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মেসিকে ছাড়িয়ে হালান্ড!
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আর্লিং হালান্ডের গোল করার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। লাইপজিগের বিপক্ষে ৭৭ মিনিট পর্যন্ত ২-২ সমতা থাকলেও শেষ পর্যন্ত নায়ক হয়ে ওঠেন ম্যানচেস্টার সিটির এই…
 ৫ নভেম্বর ২০২৬    খেলাধুলা

নতুন প্রধানমন্ত্রী বাছাইয়ে ইসরায়েলে দুই দিনের পরামর্শ শুরু!

নতুন প্রধানমন্ত্রী বাছাইয়ে ইসরায়েলে দুই দিনের পরামর্শ শুরু!
ইসরায়েলে নতুন সরকার গঠনের লক্ষ্যে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নিচ্ছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) জেরুজালেমে প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে নবনির্বাচিত নেসেটের…
 ৫ নভেম্বর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

৫০০ টাকার মুচলেকায় জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি!

৫০০ টাকার মুচলেকায় জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি!
আদালত থেকে জামিন পেয়ে বের হওয়ার সময় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। গাড়িতে ওঠার আগে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে তাঁর গায়ে হাত দেওয়ার অভিযোগ তোলেন…
 ৫ নভেম্বর ২০২৬    বিনোদন

এক ম্যাচে ৫৩ লাল কার্ড, আর্জেন্টিনার বিশ্বরেকর্ড ভাঙল ব্রাজিল!

এক ম্যাচে ৫৩ লাল কার্ড, আর্জেন্টিনার বিশ্বরেকর্ড ভাঙল ব্রাজিল!
ফুটবল মাঠে মারামারির জেরে এক ম্যাচেই ৫৩ জনকে লাল কার্ড দেখিয়ে নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েছে ব্রাজিল। দেশটির অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলের একটি ম্যাচে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের মধ্যে সংঘর্ষের…
 ৫ নভেম্বর ২০২৬    খেলাধুলা

খুলনায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান!

খুলনায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান!
এক দিনের সরকারি সফরে হেলিকপ্টারযোগে বাগেরহাটের মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে তিনি মোংলায় পৌঁছান। এর আগে সকাল ৯টায়…
 ৫ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

শিক্ষকের বিরুদ্ধে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ের অভিযোগ!

শিক্ষকের বিরুদ্ধে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ের অভিযোগ!
সিয়াম রহমান, ঈশ্বরদী, পাবনা পাবনার ঈশ্বরদীতে নিজ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে একই বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনা জানাজানি…
 ৫ নভেম্বর ২০২৬    রাজশাহী

নিজের নামে সিম তুলতে গিয়ে বিপাকে সৌদি প্রবাসী!

নিজের নামে সিম তুলতে গিয়ে বিপাকে সৌদি প্রবাসী!
সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তৈরি করেছিলেন আব্দুল মালেক (৫৬)। নিজের নামে একটি মোবাইল সিম কিনতে গিয়ে জানতে পারেন, তাঁর এনআইডির বিপরীতে…
 ৪ নভেম্বর ২০২৬    চট্টগ্রাম

নাগেশ্বরীতে ১ হাজার ১৭০ ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩, একজনের বিরুদ্ধে ২০ মামলা

নাগেশ্বরীতে ১ হাজার ১৭০ ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩, একজনের বিরুদ্ধে ২০ মামলা
শাহ আলম, কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ১ হাজার ১৭০টি ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে মাদক বিক্রির ২৬ হাজার ৭৯০ টাকা, একটি পালসার মোটরসাইকেল ও…
 ৪ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

নৌবাহিনীর সমন্বয়ে উপকূলীয় অঞ্চলভিত্তিক আনসারের উচ্চতর প্রশিক্ষণের সমাপনী

নৌবাহিনীর সমন্বয়ে উপকূলীয় অঞ্চলভিত্তিক আনসারের উচ্চতর প্রশিক্ষণের সমাপনী
পটুয়াখালী প্রতিনিধি:পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘পিপলস ওয়ারফেয়ার ডকট্রিন’ এর আলোকে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপজেলা আনসার উচ্চতর প্রশিক্ষণ-১…
 ৪ নভেম্বর ২০২৬    বরিশাল