প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   আশরাফ গনির সরকার যে শিক্ষা...

আশরাফ গনির সরকার যে শিক্ষা দিয়ে গেল

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৭:৫৫ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোহাম্মদ আসাদ আলী

ধর্মীয় সেন্টিমেন্টের সামনে বড় বড় পরাশক্তিরা যেভাবে ধরাশায়ী হচ্ছে, তা থেকে আমাদের দেশের অনেক কিছু শেখার আছে। বিশেষ করে আমাদের শাসক মহলের কথা বলতে হয়। একটা বিষয় কিন্তু পরিষ্কার হয়ে গেছে ধর্মবিশ্বাসী মুসলিম সমাজে ধর্মের বিপরীতে গিয়ে যতই উন্নয়ন, মানবাধিকার, প্রগতিশীলতা, নারীমুক্তি, অসাম্প্রদায়িকতা, গণতন্ত্র ইত্যাদির গালভরা বুলি আউড়ানো হোক- সেসবের কোনো আবেদন অধিকাংশ জনগণের মধ্যে নেই বললেই চলে। মানুষ অবশ্যই স্বাধীনতা চায়, মানবাধিকার চায়, উন্নয়ন চায়, কিন্তু তার আত্মা বলে একটা বিষয় আছে যার খোরাক এগুলো দিয়ে মেটে না। তার আত্মা চায় স্রষ্টার সান্নিধ্য, স্রষ্টার সন্তুষ্টি। ধর্ম মানুষের এই আত্মার খোরাক মেটাতে পারে। তাই ধর্মের প্রতি মানুষের যে আবেগ-অনুভূতি ও দুর্বলতা, সেটার বিপরীতে অন্য সবকিছুই তুচ্ছ।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের মত আমাদের দেশেও ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে ধর্ম অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হয়ে আছে হাজার হাজার বছর ধরেই। দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় অত্র অঞ্চলের সরকারগুলোকে ধর্ম নিয়ে আরও গভীরভাবে বিশে¬ষণ করতে হবে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে গত কয়েক যুগ থেকে ধর্মই কিন্তু প্রধান ইস্যু হয়ে থেকেছে এবং সময়ের সাথে পাল¬া দিয়ে এই ইস্যু ক্রমশই শক্তিশালী হয়ে উঠছে।
বিগত প্রায় এক যুগ ধরে বাংলাদেশে সরকারবিরোধী রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন, হরতাল, অবরোধের মাধ্যমে দাবি-দাওয়া আদায়ের চেষ্টা করেছে। কোনোটা রাজনৈতিক ইস্যু ছিল, আবার কোনোটা ধর্মীয় ইস্যু ছিল। খেয়াল করলে দেখা যাবে- ধর্মীয় ইস্যুতে তারা যতটা সাড়া পেয়েছে ও জনগণের যতটা সমর্থন পেয়েছে, অন্যান্য রাজনৈতিক ইস্যুতে ততটা পায়নি। (অবশ্য ধর্মীয় ইস্যুগুলোর নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও কাজ করেছে) ফলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমরা বেশি বেশি ধর্মীয় ইস্যুতে আন্দোলন, বিক্ষোভ, সহিংসতা ইত্যাদি ঘটতে দেখেছি। এক্ষেত্রে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, অন্যান্য ইস্যুকে সরকার অনেকটা বেপরোয়াভাবে শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে মোকাবেলা করলেও ধর্মীয় ইস্যুতে সাবধানে পা ফেলার চেষ্টা করেছে। সরকার চেয়েছে ধর্মভিত্তিক দলগুলোকে যথাসম্ভব শান্ত রাখতে এবং তাদের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি করতে যাতে জনগণের ধর্মীয় সেন্টিমেন্ট সরকারের বিরুদ্ধে না যায়। কিন্তু তা শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠেনি। সাম্প্রতিক সময়ে সারাদেশে মোদীবিরোধী আন্দোলনের নামে কার্যত সরকারবিরোধী সহিংস আন্দোলনের জন্ম দেওয়া হলে সরকার কওমী মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের বিরুদ্ধে কঠোর হতে বাধ্য হয়। এই সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের বহু নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। হেফাজতে ইসলামের এই সহিংস আন্দোলন চলাকালেই আমরা দেখতে পেয়েছিলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় হেফাজত নেতা-কর্মীরা স্লোগান দিয়েছিলেন যে, আওয়ামী লীগ কাফের, ছাত্রলীগ কাফের, যুবলীগ কাফের ইত্যাদি। হেফাজত নেতা আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর বরাতে একটি বিবৃতি অনলাইনে ভাইরাল হয়েছিল যেখানে তিনি বলেছিলেন আওয়ামী লীগের কেউ মারা গেলে জানাজা জায়েজ হবে না। ব্যাপক ধর্মীয় উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়লে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে গিয়ে হিমশিম খায়। তার মানে সরকার যা চেয়েছিল অর্থাৎ ধর্মীয় সেন্টিমেন্ট সরকারের পক্ষে রাখা, সেটা ব্যর্থ হয়েছে বললে হয়ত অত্যুক্তি হবে না। এখন প্রশ্ন হলো- সরকার কতদিন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে শক্তি প্রয়োগ করে এই ধর্মীয় ইস্যুগুলোকে মোকাবেলা করতে পারবে? বাংলাদেশের ক্ষমতায় যারাই আসতে চাইবে কিংবা যারা বহাল থাকতে চাইবে তারা উভয়েই ধর্মীয় ফ্যাক্টরকে উপেক্ষা করতে পারছে না। আর এই ফ্যাক্টরটি আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদীদেরও অজানা নয়। এখন যদি অত্র অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক খেলায় কোনো পক্ষ বাংলাদেশের সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় তাহলে তারা প্রথমেই “ধর্মীয় ট্রাম্পকার্ড” খেলতে চাইলে অবাক হবার কারণ নেই। বিশেষ করে তালেবান ইস্যুতে যখন দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের বিরাট সংখ্যক জনগোষ্ঠী প্রকাশ্যে তালেবানকে সমর্থন দিচ্ছে তখন এটা ভাবা স্বাভাবিক যে, আফগানিস্তান থেকে বাংলাদেশ খুব বেশি দূরে নেই। বাংলাদেশে যত তালেবান সমর্থক পাওয়া যাচ্ছে আইএস সমর্থক তার সিকিভাগও ছিল না, তবু আমরা দেখেছিলাম ইরাক-সিরিয়ায় আইএসের উত্থানের পর বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ নতুন মাত্রায় পৌঁছেছিল। তাহলে বর্তমানের তালেবান উত্থানের প্রভাব কতদূর গড়াতে পারে সহজে অনুমেয়।
এ তো গেল ধর্মভিত্তিক “অরাজনৈতিক” দলগুলোর হালত, এবার নজর দেওয়া যাক ধর্মভিত্তিক “রাজনৈতিক” দলগুলোর দিকে। বাংলাদেশের ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো মোটামুটি মূল ধারার গণতান্ত্রিক রাজনীতি থেকে বিতাড়িতই বলা চলে। রাজনৈতিকভাবে তারা বেশিদূর যেতে পারবে না তা বোঝা হয়ে গেছে। তাদের কর্মীদের নৈতিক মনোবল নষ্ট হবার শেষ প্রান্তে চলে এসেছিল আর এরইমধ্যে তালেবানরা আফগানিস্তানের ক্ষমতায় চলে আসায় বাংলাদেশের এই ইসলামপন্থী রাজনীতিতে হতাশ হওয়া তরুণ-যুবকরা প্রবলভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তারা এখন তালেবানকে “হিরো” ভাবছে। অনেকে তালেবান ফ্যান্টাসিতে ডুবে আছে, আবার অনেকে আরও এক ধাপ এগিয়ে তালেবানের বিজয়-অভিযানে শরিক হবার জন্য আফগানিস্তানে পাড়ি জমাচ্ছে (তথ্যসূত্র: পুলিশ)। এর পরিণতি কী হতে পারে তা নতুন করে বলার দরকার পড়ে না।
একটা সেক্যুলার দল ও ধর্মভিত্তিক দলের মধ্যে বাহ্যিক তফাৎ যাই থাকুক শুধু ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণেই ধর্মভিত্তিক দলের কর্মীরা অনেক বেশি এগিয়ে থাকে। যারা ইসলামপন্থী রাজনীতিতে ঢোকে, তারা বিরিয়ানির প্যাকেটের লোভে বা বড় ভাইয়ের অনুগ্রহ পাবার আশায় ঢোকে না। তাদেরকে বোঝানো হয় আল¬াহ-রসুল-কোর’আনের বাণী দিয়ে। তারা আল¬াহ ও রসুলের জন্য সংগ্রাম করছে বলে বিশ্বাস করে, ফলে তাদের নৈতিক শক্তি ও মনোবল থাকে সর্বোচ্চ। রাজনীতিটা তাদের পেশা নয়, বরং স্বপ্ন ও সাধনার বিষয়ে পরিণত হয়। সেই সাধনার জন্য তারা অনায়াসে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করতে পারে। হাসিমুখে জীবন দিতে পারে, নিতেও পারে। প্রশ্ন হলো- এই
এই মহাশক্তিকে নির্মূল করা কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে তো সম্ভব নয়ই, বেতনভুক্ত কোনো সামরিক বাহিনীর পক্ষেও সম্ভব নয়। কারণ সাধারণ জ্ঞানেই বোঝা যায়- পানির তৃষ্ণা পানি দিয়েই নিবারণ করতে হয়, আদর্শের শূন্যতা পূরণ করতে হয় আদর্শ দিয়ে। সে কারণে আমরা দেখতে পাই আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র বা রাশিয়ার মত পরাশক্তিগুলো বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেও জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে পারে না, কারণ তারা ধর্মীয় মতাদর্শকে প্রতিস্থাপন করতে চায় ধর্মহীন মতাদর্শ দিয়ে। এই পদ্ধতি ভুল। তাদেরকে বুঝতে হবে- উগ্রবাদী ইসলামকে মোকাবেলা করতে পারে কেবল প্রকৃত ইসলাম। আফগানিস্তানে আমরা দেখলাম তালেবানরা যখন আফগানিস্তানে ইসলাম কায়েমের বুলি নিয়ে আগাচ্ছিল- তখন সরকারী বাহিনী আমেরিকার মদদ নিয়ে টিকে থাকার প্রয়াসে মত্ত। বৈদেশিক সাম্রাজ্যবাদী শক্তির তাঁবেদারী করা ঠুনকো মনোবল নিয়ে তালেবানকে মোকাবেলা কীভাবে সম্ভব হতে পারে? তালেবান সদস্যরা ভাবছিল তাদের প্রত্যেকটা জীবন যাচ্ছে আল¬াহর রাস্তায়, অন্যদিকে সরকারি বাহিনী কি তা ভাবতে পেরেছে? পারেনি। তারা ভেবেছে তাদের জীবন যাচ্ছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের সাম্রাজ্যবাদী নকশা বাস্তবায়নের পথে। হ্যাঁ, আশরাফ গনি যদি বলতে পারতেন তালেবানরা যে ইসলামের নামে যুদ্ধ করছে সেটা আল¬াহ-রসুলের প্রকৃত আদর্শ না, বরং আল¬াহ-রসুলের ইসলাম নিয়ে আমি দাঁড়িয়েছি, আমার সেনাবাহিনী দাঁড়িয়েছে, তাহলে সেটা হত আদর্শিক মোকাবেলা। তখন তিন লক্ষ সরকারি আর্মিও লড়াই করার মনোবল পেত। কিন্তু সেটা সম্ভব নয় কারণ আসলে তালেবানরা যেমন প্রকৃত ইসলাম নয়, তেমনি আশরাফ গনির সরকারও ইসলামের প্রতিনিধিত্ব করার যোগ্য নয়। ফলে প্রচণ্ড দুর্নীতিগ্রস্ত, জনবিচ্ছিন্ন, বৈদেশিক শক্তির তাঁবেদার সরকারের যা পরিণতি হবার ছিল সেটাই হয়েছে।
ধর্মীয় এই ডামাডোলে আমাদের দেশের সরকারকে মোটামুটি আত্মবিশ্বাসী দেখা যাচ্ছে। তবে সেই আত্মবিশ্বাসের ভিত্তিটা কি শুধুই সামরিক শক্তি? অস্ত্র ও বাহিনী দিয়ে কতটুকু কী অর্জন করা যায় বা প্রয়োজনের সময় এগুলো কতটা কাজে আসে তা আশরাফ গনি সাহেব প্রমাণ করে দিয়েছেন। এমনকি আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক শক্তির সমর্থন বা সহযোগিতাও যে প্রয়োজনের সময় “পরিহাসে” পরিণত হয় সেটারও প্রমাণ পাওয়া গেছে। এখন দেখার বিষয়- বাংলাদেশের সরকার আফগানিস্তানের আশরাফ গনির সরকার থেকে কী শিক্ষা নেয়?
[লেখক: আন্তর্জাতিক সংবাদ বিশ্লেষক; যোগাযোগ: ০১৬৭০১৭৪৬৫১, ০১৭১১৫৭১৫৮১, ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১০০৫০২৫]

asadali0605@gmail.com

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

একসময়ের প্রাণচাঞ্চল্য আজ নীরব: আক্কেলপুরের জাফরপুর রেলস্টেশনে দুর্ভোগে এলাকাবাসী

একসময়ের প্রাণচাঞ্চল্য আজ নীরব: আক্কেলপুরের জাফরপুর রেলস্টেশনে দুর্ভোগে এলাকাবাসী
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার জাফরপুর রেলস্টেশন একসময় ছিল আশপাশের গ্রামের মানুষের যাতায়াত ও জীবিকার অন্যতম কেন্দ্র। ট্রেনের অপেক্ষায় যাত্রীদের ভিড়, স্টেশন ঘিরে হোটেল ও দোকানপাটের ব্যস্ততা…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী

সংবাদ প্রকাশের জেরে আমার দেশ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

সংবাদ প্রকাশের জেরে আমার দেশ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
গাজীপুর সংবাদদাতা:সংবাদ প্রকাশের জেরে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন দৈনিক আমার দেশ-এর শ্রীপুর প্রতিনিধি এস এম…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে প্রতিপক্ষের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কালিয়াকৈর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

গাইবান্ধায় ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

গাইবান্ধায় ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
গাইবান্ধা পৌর এলাকার সবুজপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২৪…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, ধামরাইয়ে মন্দির পরিদর্শন শেষে বিভাগীয় কমিশনার

দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, ধামরাইয়ে মন্দির পরিদর্শন শেষে বিভাগীয় কমিশনার
শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কমিটির নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক দলগুলো মাঠপর্যায়ে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিভাগীয়…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে বদলি দুই প্রান্তের দুই বিদ্যালয়ে!

ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে বদলি দুই প্রান্তের দুই বিদ্যালয়ে!
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে একই উপজেলার দুই প্রান্তের দুটি বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। এর আগে সহকারী শিক্ষক আছমা খাতুনকে…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি!

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি!
গাজীপুর প্রতিনিধি:  গাজীপুরের শ্রীপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি ফৌজদারি মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন দৈনিক আমার…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র চালানো ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার মতো: হাসনাত

জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র চালানো ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার মতো: হাসনাত
জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনাকে ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার সঙ্গে তুলনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন,…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

শর্ত মানলেই সাত দিনের মধ্যে খুলবে হরমুজ প্রণালি: আরাগচি

শর্ত মানলেই সাত দিনের মধ্যে খুলবে হরমুজ প্রণালি: আরাগচি
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্ত মেনে নিলে ছয় দিনের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া সাত…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

তিন বছরের অপেক্ষার অবসান, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী!

তিন বছরের অপেক্ষার অবসান, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী!
ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমীর যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পাওয়ার খবর সামনে এসেছে। দীর্ঘ তিন বছরের অপেক্ষার পর দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি হয়েছে তার। তবে গ্রিন…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

মা ইলিশ সংরক্ষণে ৩৮ জেলার ১১১ এমপিকে মন্ত্রীর নির্দেশনা!

মা ইলিশ সংরক্ষণে ৩৮ জেলার ১১১ এমপিকে মন্ত্রীর নির্দেশনা!
মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফল করা এবং জনসচেতনতা বাড়াতে ৩৮ জেলার ১১১ জন সংসদ সদস্যকে ডিও লেটার দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের!

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের!
বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে প্রাথমিকভাবে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন জাপানি বিনিয়োগকারীরা। এ প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হলে দ্রুত…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতির সঙ্গে বাফুফের বৈঠক, মিলল আর্থিক সহায়তার আশ্বাস!

বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতির সঙ্গে বাফুফের বৈঠক, মিলল আর্থিক সহায়তার আশ্বাস!
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়ালসহ চার সহ-সভাপতি। ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় বাংলাদেশের ফুটবলের…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

মাঝ আকাশে দরজা খুলে ঢাকায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জরুরি অবতরণ, রোগীর মৃত্যু!

মাঝ আকাশে দরজা খুলে ঢাকায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জরুরি অবতরণ, রোগীর মৃত্যু!
ভারতের আগরতলা থেকে কলকাতা যাওয়ার পথে মাঝ আকাশে দরজা খুলে যাওয়ায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স। পরে উড়োজাহাজে থাকা…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বর প্লেট লাগানোর নির্দেশ, সময়সীমা ১৫ নভেম্বর!

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বর প্লেট লাগানোর নির্দেশ, সময়সীমা ১৫ নভেম্বর!
সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী মোটরসাইকেল শনাক্ত করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে মোটরসাইকেলের পেছনের পাশাপাশি সামনের অংশেও রেজিস্ট্রেশন নম্বরসংবলিত প্লেট লাগাতে হবে। বাংলাদেশ সড়ক…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়