প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ফিলিস্তিন সমস্যার টেকসই সমাধান

ফিলিস্তিন সমস্যার টেকসই সমাধান

১২ এপ্রিল ২০২৫ ১০:৩২ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

রিয়াদুল হাসান:
আমরা বাংলাদেশে মুসলমানরা যখন ঈদের আনন্দ করছি, নামাজ-রোজা করছি, ব্যবসা-বাণিজ্য করছি, অফিস-আদালতে কাজ করছি, ঠিক সেই মুহূর্তে আমাদের থেকে মাত্র ছয় হাজার কিলোমিটার দূরে পবিত্র আরব ভূমির ফিলিস্তিনি মুসলমানদের জীবনে যেন মহাপ্রলয় নেমে এসেছে। ১৯৪৮ সাল থেকে শুরু হয়ে আজ পর্যন্ত ৭৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ফিলিস্তিনের মুসলমানরা ইসরায়েলি বাহিনীর নির্যাতন, হামলা ও দখলদারিত্বের শিকার হয়ে আসছে। ২০২৩ সাল থেকে এই সহিংসতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। জাতিগতভাবে মুসলমানদেরকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার জন্য এখন সেখানে প্রতি মুহূর্তে চলছে বোমাবর্ষণ। ঘরবাড়ি, স্কুল, কলেজ, হাসপাতালসহ সকল স্থাপনা গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। লক্ষ নিরপরাধ মানুষকে নির্মমভাবে প্রাণ হারাতে হয়েছে। শুধু গত এক বছরে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার শিশু ইতোমধ্যে প্রাণ হারিয়েছে। এখন পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, নিহতদের কবর দেওয়ারও লোক নেই। উদ্বাস্তু শিবিরে এক বোতল পানির জন্য ছুটে গেলে, সেখানেও বোমা মেরে হত্যা করা হচ্ছে মানুষকে। সোজা কথা, ইসরাইলি সেনাবাহিনীর নির্মমতা, নিষ্ঠুরতার ফলে যে অমানবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তা ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়।

৭৫ বছরের হত্যাযজ্ঞের পরে এবার ইসরাইল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এই ভূমিতে আর কোনো একজন মুসলমানকেও থাকতে দেওয়া হবে না। হয় তাদেরকে সেখান থেকে উৎখাত করে উদ্বাস্তু হিসাবে অন্যান্য দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে, অথবা তাদেরকে হত্যা করতে হবে। এ হৃদয়বিদারক, ন্যাক্কারজনক ও পৈশাচিক ঘটনার সাক্ষী সমগ্র বিশ্ব। এমন একটি পরিস্থিতিতেও গোটা মুসলিম বিশ্বের সরকারগুলো, বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা, জাতিসংঘ, ওআইসি, আরব লীগ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানগুলো নীরব। প্রতিবেশী আরব রাষ্ট্রগুলোরও যেন চোখে ঠুলি পরে আছে। কিছুদিন আগে ঠিক একইভাবে মিয়ানমারে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলমানকে হত্যা করা হয়েছে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারা এখন আমাদের দেশে উদ্বাস্তু হয়ে জীবন কাটাচ্ছে।

প্রশ্ন হলো- ফিলিস্তিনসহ বিশ্বময় মুসলমানদের ওপর এত নির্যাতন-নিপীড়ন ও হত্যাযজ্ঞের প্রকৃত কারণ কী? এই প্রশ্নের জবাবে বিশ্লেষকরা কেউ রাজনৈতিক, কেউ ভৌগোলিক, কেউ ঐতিহাসিক, কেউ ধর্মীয়, কেউ অর্থনৈতিক কারণ উল্লেখ করবেন। প্রকৃত সত্য হচ্ছে, এগুলো কোনোটাই কারণ নয়, এগুলো ফলাফলমাত্র। মূল কারণ হলো আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, তওহীদ থেকে বিচ্যুতি অর্থাৎ ঈমান থেকে সরে যাওয়া। এই বিচ্যুতির ফলে তারা ঐক্যহীন ও দুর্বল হয়ে গেছে, আল্লাহর সাহায্য হারিয়ে পরাজিত হয়েছে।

আরও পড়ুন

যোদ্ধাজাতির পাঠ: বাঁচতে হলে মরতে শিখো -এম আর হাসান

যোদ্ধাজাতির পাঠ: বাঁচতে হলে মরতে শিখো  এম আর হাসান

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাঁর প্রিয় রসুল হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে প্রেরণ করে তওহীদের ভিত্তিতে এক অনন্য ‘উম্মতে মোহাম্মদী’ জাতি গঠন করেছিলেন; যার মূল কথা ছিল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ  অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া আর কারো হুকুম-বিধান মানবো না। এই জাতি  (উম্মাহ) একসময় আল্লাহর হুকুমের উপরে, তওহীদের উপরে একজন নেতার (ইমাম) নেতৃত্বে ইস্পাতের মত ঐক্যবদ্ধ ছিল। তারা আল্লাহর সাহায্য পেয়েছিল। ফলে তারা এতটাই সমৃদ্ধ হয়েছিল যে জ্ঞান-বিজ্ঞান, শৃঙ্খলা, শিক্ষা-দীক্ষা, সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে পৃথিবীর সকল জাতির শিক্ষকের আসনে আসীন ছিল। সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তিতে তারা এতটাই বলীয়ান ছিল যে কোনো জাতি তাদের দিকে চোখ তুলে তাকানোর সাহস করত না। আল্লাহ কোর’আনে এই জাতিকে সর্বোত্তম জাতি হিসেবে অভিহিত করেছেন। এই জাতির আকিদা ছিল- গোটা জাতির নেতা বা ইমাম হবেন একজন; আল্লাহ সেই নেতার আদেশ পালনের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, ‘হে মো’মেনগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রসুলের আনুগত্য কর এবং তোমাদের আদেশদাতা নেতার (আমির) আনুগত্য কর। (সুরা নিসা ৫৯)।’ তারা একমাত্র আল্লাহর দেওয়া জীবনব্যবস্থার অনুসরণ করবে; তারা মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা প্রত্যাখ্যান করে কেবল তওহীদের উপর অটল থাকবে; এবং দুনিয়াতে আল্লাহর খেলাফত বা প্রতিনিধিত্ব করবে। সর্বাবস্থায় আল্লাহ তাদের সাহায্য করবেন। এ সত্যের উপর শেষ রসুল মোহাম্মদ (সা.) তাঁর উম্মাহকে মজবুত করে দাঁড় করিয়ে দিয়ে গেলেন।

কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক বাস্তবতা হচ্ছে, আমরা শত শত বছর থেকে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, তাঁর দেওয়া জীবনব্যবস্থা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছি। পরিবর্তে আমরা ইউরোপীয়দের তৈরি করা সুদভিত্তিক পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা, দণ্ডবিধি, রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ইত্যাদি সবকিছুকে আমাদের রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক জীবনে আলিঙ্গন করে নিয়েছি। ফলে ঈমানের রশি কেটে গিয়েছে। আল্লাহ কোর’আনে মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, তোমরা সবাই আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করো এবং পরস্পর বিভক্ত হয়ো না (সুরা ইমরান ১০৩)। অথচ আমরা আজ ধর্মীয়ভাবে অসংখ্য ফেরকা, মাজহাব, তরিকায় এবং রাজনৈতিকভাবে বিভিন্ন মতবাদে বিভক্ত হয়ে টুকরো টুকরো হয়ে গেছি। নিজেরা নিজেরা ছোটখাটো ধর্মীয় মতবিরোধ নিয়ে দ্বন্দ্ব সংঘাত, হানাহানি ও সংঘর্ষে জড়িয়ে আমরা হাজার বছর থেকে জাতির ঐক্য ধ্বংস করছি। রসুল (সা.) যেখানে সতর্ক করে বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ঐক্য, শৃঙ্খলা, আনুগত্য, হেজরত ও জেহাদ এই পাঁচ দফার ঐক্যবন্ধনী থেকে এক বিঘত পরিমাণও বহির্গত হল, সে নিশ্চয় তার গলা থেকে ইসলামের রজ্জু (বন্ধন) খুলে ফেলল- যদি না সে আবার ফিরে আসে (তওবা করে) এবং যে ব্যক্তি অজ্ঞানতার যুগের (কোনও কিছুর) দিকে আহ্বান করল, সে নিজেকে মুসলিম বলে বিশ্বাস করলেও, নামায পড়লেও এবং রোযা রাখলেও নিশ্চয়ই জাহান্নামের জ্বালানি পাথরে পরিণত হবে [আল হারিস আল আশয়ারী (রা.) থেকে আহমদ, তিরমিযি, বাব উল এমারাত, মেশকাত]। কিন্তু আমরা আল্লাহর রসুলের সতর্কবার্তা ভুলে গিয়ে, ঐক্য, শৃঙ্খলা, আনুগত্য, হেজরত ও জেহাদ সব পরিত্যাগ করেছি।

আমরা যখন জাতীয় জীবনে আল্লাহর হুকুম বিধান থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছি, দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম থেকে সরে গিয়েছি, তখন আল্লাহ আমাদের উপর ক্রুদ্ধ হয়েছেন। এটা স্বীকার করতেই হবে। না হলে শত শত বছর থেকে কেন আমরা মুসলিম জাতি এই ভয়াবহ পরিণাম ভোগ করছি? আল্লাহ সুরা আল বাকারার ৮৫ নম্বর আয়াতে আরও বলেছেন, যারা তাঁর কিতাবের কিছু অংশ মানে আর কিছু অংশ অবিশ্বাস করে, তাদের জন্য ইহজগতে রয়েছে লাঞ্ছনা ও অবমাননা এবং কিয়ামতের দিন রয়েছে কঠিন শাস্তি। বর্তমানে আমরা এ আয়াতের বাস্তবতাই দেখতে পাচ্ছি। দুনিয়ার জীবনে আমাদের এই লাঞ্ছনার কারণ আমরা ব্যক্তি জীবনে আল্লাহর উপাসনা করছি, কিন্তু জাতীয় জীবনে আল্লাহর বিধানকে পুরোপুরি অস্বীকার করে ইহুদি-খ্রিস্টান জাতির তৈরি করা জীবনব্যবস্থা গ্রহণ করে নিয়েছি। ফলে দুনিয়ার জীবনে আমরা আজ লাঞ্ছিত, অপমানিত হচ্ছি।

পবিত্র কোর’আনের সুরা তওবার ৩৯ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, ‘তোমরা যদি (জেহাদের) অভিযানে বের না হও তবে তোমাদের কঠিন শাস্তি দেব এবং তোমাদের বদলে অন্য জাতিকে স্থলাভিষিক্ত করব। তোমরা আল্লাহর কোনো ক্ষতি করতে পারবে না, আল্লাহ সর্বশক্তিমান।’ এটি আল্লাহর একটি সুস্পষ্ট ও অটল ওয়াদা। আমরা যখন তওহীদ ত্যাগ করেছি এবং জেহাদ ছেড়ে দিয়েছি, তখনই আল্লাহ আমাদের শক্তি ও মর্যাদা কেড়ে নিয়েছেন এবং শাস্তি হিসাবে অন্যান্য জাতিকে মুসলিম জাতির ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন। তারা আমাদেরকে বিশ্বজুড়ে শাসন, শোষণ, নিধন ও বাস্তুচ্যুত করছে।

এই হলো ফিলিস্তিনসহ মুসলিম বিশ্বের করুণ বাস্তবতার মূল কারণ। আমাদের স্বার্থপরতা, আদর্শচ্যুতি, জেহাদ ত্যাগ, নিজেদের মধ্যে হানাহানি, দীন থেকে সরে আসা, এ সকল পাপের মূল্য দিতে হচ্ছে আমাদের নিষ্পাপ শিশুদের, গর্ভবতী মায়েদের, নিরপরাধ মেয়েদের। জনপদগুলো শ্মশানে পরিণত হচ্ছে। বসনিয়ায় দুই লক্ষ নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, কোনো বিচার হয়নি। সিরিয়ায় লক্ষ লক্ষ মুসলমান উদ্বাস্তু, পাঁচ লক্ষাধিক মানুষ নিহত হয়েছে, কোনো বিচার হয়নি। ইরাকে দশ লক্ষ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, কোনো বিচার হয়নি। লিবিয়ায় গণকবর হয়েছে; কোন বিচার হয়নি। আফগানিস্তান ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে; কোন বিচার হয়নি। এভাবে জিনজিয়াং, কাশ্মির, ফিলিপাইন, কম্বোডিয়াসহ বিশ্বের বহু প্রান্তে আট কোটির বেশি মুসলমান আজ বাস্তুচ্যুত হয়ে উদ্বাস্তু জীবন কাটাচ্ছেন। এ এক ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়।

প্রশ্ন হচ্ছে, এ থেকে পরিত্রাণের পথ কী? 
আমরা বিক্ষিপ্তভাবে বিক্ষোভ, মানববন্ধন, মিছিল, প্রতিবাদ সভা, লংমার্চ করছি, পণ্য বয়কট করছি, ভাঙচুর করছি, এমনকি কেউ কেউ আত্মঘাতী হামলাও করছি। কিন্তু এই সমস্ত কিছু দুর্গতি থেকে মুক্তি লাভের সঠিক ও টেকসই পন্থা নয়। এই বিপর্যয় থেকে মুক্তির উপায় হচ্ছে, প্রথমত, জাতির মধ্যে বিরাজিত সকল ফেরকা, মাজহাব, দলাদলি এই মুহূর্ত থেকে বাদ দিয়ে আমাদেরকে আল্লাহর তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এই ঘোষণা দিতে হবে যে, আমরা আমাদের সামগ্রিক জীবনে আল্লাহ ছাড়া আর কারো দেওয়া জীবনব্যবস্থা, হুকুম মানা হবে না। দ্বিতীয়ত, ঐক্যবদ্ধ হয়ে একজন নেতার নেতৃত্বে সংগ্রাম করে জাতীয় জীবনে আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তৃতীয়ত, ঐক্যবদ্ধ মোমেনদের সমগ্র জ্ঞান, শিক্ষা, সম্পদ, জীবন দীন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে উৎসর্গ করতে হবে। আল্লাহ বলেছেন, তোমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠা করো এবং এ নিয়ে কোনো মতভেদ করো না (সুরা শুরা ১৩)। সেই দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম না করে শুধু নিন্দা-প্রতিবাদ জানালে তা কোনো বাস্তব ফল বয়ে আনবে না। এর মাধ্যমে আমরা হয়ত নিজেদের দায়মুক্ত করার চেষ্টা করছি, কিন্তু এতে সাম্রাজ্যবাদী দাজ্জালীয় শক্তির কিছুই যায়-আসে না। এভাবেই তারা একের পর এক মুসলিম দেশ ধ্বংস করে দিচ্ছে।

আজ বাংলাদেশকে নিয়েও গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। বাস্তবতা হচ্ছে, এখানেও যদি এমন পরিস্থিতির উদ্ভব হয় তাহলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসবে না। তাই এই পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে হলে আমাদেরকেই একমাত্র আল্লাহর উপর নির্ভরশীল হয়ে জাগতে হবে- জাগাতে হবে। আমাদের শ্লোগান হবে- হুকুম চলবে আল্লাহর, আমাদের জাতি হবে একটি, নেতা হবেন একজন, সমগ্র জাতির জ্ঞান, সম্পদ, জীবন সব কিছু দিয়ে আমরা দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করব। তবেই এই জুলুম বন্ধ হবে ইনশাল্লাহ।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিন, বিলম্বে ক্ষতি বাড়বে: জামায়াত আমির!

শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিন, বিলম্বে ক্ষতি বাড়বে: জামায়াত আমির!
পোশাকশ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করতে সরকারকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, শ্রমিক বাঁচলে শিল্প…
 ৪ নভেম্বর ২০২৬    নির্বাচিত

চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি!

চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি!
ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ভাঙচুরের মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমনির জামিন বাতিল করে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বুধবার (৪…
 ৪ নভেম্বর ২০২৬    বিনোদন

রিপাবলিকানদের নির্বাচনী বিপর্যয়, ‘স্পেস লেজার’ নিয়ে মাস্কের ব্যঙ্গ!

রিপাবলিকানদের নির্বাচনী বিপর্যয়, ‘স্পেস লেজার’ নিয়ে মাস্কের ব্যঙ্গ!
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের বড় পরাজয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক। নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ ঘিরে প্রচলিত ‘স্পেস লেজার’…
 ৪ নভেম্বর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

জীবননগরে রেলপথ অবরোধ, ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম!

জীবননগরে রেলপথ অবরোধ, ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম!
জীবননগর, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ‎‎চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আনসারবাড়ীয়া রেলস্টেশনের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালু, স্টেশন মাস্টারসহ প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগ এবং আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে ট্রেন থামিয়ে রেলপথ অবরোধ করেছেন…
 ৪ নভেম্বর ২০২৬    খুলনা

আদালত প্রাঙ্গণে মামলার বাদীকে মারধর, জামিন বাতিল করে কারাগারে নারী!

আদালত প্রাঙ্গণে মামলার বাদীকে মারধর, জামিন বাতিল করে কারাগারে নারী!
জামালপুরে নাশকতার মামলার বাদীকে আদালত প্রাঙ্গণে মারধরের অভিযোগে জান্নাতুল হুমায়রা ওরফে জেমি নামে এক নারীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার মামলার শুনানি শেষে বাদীকে…
 ৪ নভেম্বর ২০২৬    ময়মনসিংহ

তাহসিফ হত্যা মামলা: ফের ৩ দিনের রিমান্ডে তরুণী দিশা!

তাহসিফ হত্যা মামলা: ফের ৩ দিনের রিমান্ডে তরুণী দিশা!
বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার জেরিকা তাসনীম দিশাকে আবারও তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। নিহত তাহসিফের সঙ্গে ঘটনার…
 ৪ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুন কমিশনার আশিক সাঈদ!

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুন কমিশনার আশিক সাঈদ!
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) নতুন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. আশিক সাঈদ। তিনি সদ্য সাবেক কমিশনার ইসরাইল হাওলাদারের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩…
 ৪ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

গাজীপুরে তৌফিকের গায়েবানা জানাজায় পুলিশের ধাওয়া, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ!

গাজীপুরে তৌফিকের গায়েবানা জানাজায় পুলিশের ধাওয়া, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ!
গাজীপুরে পোশাকশ্রমিক তৌফিক হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় গায়েবানা জানাজার আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা। তবে নগরীর চান্দনা চৌরাস্তা মোড়ে কর্মসূচি চলাকালে তাদের ধাওয়া দিয়ে…
 ৪ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা

আমির হামজার হলফনামায় সম্পদের তথ্যে অসংগতি, তদন্ত চেয়ে ইসিতে আবেদন!

আমির হামজার হলফনামায় সম্পদের তথ্যে অসংগতি, তদন্ত চেয়ে ইসিতে আবেদন!
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মো. আমির হামজার নির্বাচনী হলফনামা, আয়কর রিটার্ন ও আর্থিক তথ্যে একাধিক অসংগতির অভিযোগ উঠেছে। নগদ অর্থ, ব্যাংক জমা, কৃষিজমি, আবাসিক…
 ৪ নভেম্বর ২০২৬    নির্বাচিত

‘আমাদের লোকেরা ভোট দিলেই বিপুল ভোটে জিতব’, বললেন ট্রাম্প!

‘আমাদের লোকেরা ভোট দিলেই বিপুল ভোটে জিতব’, বললেন ট্রাম্প!
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পক্ষে ভোট দিতে সমর্থকদের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, দলের সমর্থকেরা যদি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন,…
 ৪ নভেম্বর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

শ্রমিক আন্দোলনে হামলার ভিডিও করতে গিয়ে প্রাণ হারানো তৌফিকের মরদেহ পৌঁছাল গাইবান্ধায়!

শ্রমিক আন্দোলনে হামলার ভিডিও করতে গিয়ে প্রাণ হারানো তৌফিকের মরদেহ পৌঁছাল গাইবান্ধায়!
গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনের সময় হামলার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে মারধরের শিকার তৌফিক শেখের (২২) মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার…
 ৪ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

মিরপুরে বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নারীসহ নিহত ৪!

মিরপুরে বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নারীসহ নিহত ৪!
রাজধানীর মিরপুর বেড়িবাঁধে যাত্রীবাহী বাস ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ চারজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শাহ আলী থানার নবাবেরবাগ…
 ৪ নভেম্বর ২০২৬    রাজধানী

শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি ও অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগে ৩ শ্রমিক নেতা আটক!

শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি ও অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগে ৩ শ্রমিক নেতা আটক!
পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে চলমান আন্দোলনে উসকানি দিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির অভিযোগে তিন শ্রমিক নেতাকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।…
 ৪ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা

রাফিনিয়ার জোড়া গোলে অ্যাস্টন ভিলাকে উড়িয়ে বার্সেলোনার দাপুটে জয়!

রাফিনিয়ার জোড়া গোলে অ্যাস্টন ভিলাকে উড়িয়ে বার্সেলোনার দাপুটে জয়!
চ্যাম্পিয়নস লিগে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা অ্যাস্টন ভিলার জয়ের ধারায় ছেদ টানল বার্সেলোনা। নিজেদের মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে ইংলিশ ক্লাবটিকে ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে কাতালান জায়ান্টরা।…
 ৪ নভেম্বর ২০২৬    খেলাধুলা

গার্মেন্টসে মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনের ভিডিও করায় মারধর, চিকিৎসাধীন শ্রমিকের মৃত্যু!

গার্মেন্টসে মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনের ভিডিও করায় মারধর, চিকিৎসাধীন শ্রমিকের মৃত্যু!
গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে সহকর্মীদের হামলার শিকার হন ২১ বছর বয়সী পোশাকশ্রমিক তৌফিক হোসেন। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে…
 ৪ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা