প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   মানবজাতি কষ্টে আছে

মানবজাতি কষ্টে আছে

১৬ জুন ২০১৮ ০১:১৫ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম:
মানবজাতি সামগ্রিকভাবে কষ্টে আছে এ কথাটি নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। যে সমাজ-সভ্যতায় স্বার্থ হাসিলই মানবজীবনের একমাত্র লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় সে সভ্যতায় প্রতিনিয়ত মানুষে মানুষে, গোষ্ঠীতে-গোষ্ঠীতে সংঘাত-সংঘর্ষ চলতে থাকে। বর্তমানে মানবজাতি আত্মাহীন, স্রষ্টাহীন, বস্তুবাদী একটি সভ্যতাকে আঁকড়ে ধরে আছে। এই প্রযুক্তিনির্ভর সভ্যতার নিদারুণ কুফল হলো এটি এর অনুসারীদেরকেও যান্ত্রিক বানিয়ে ফেলছে। মানবিক অনুভূতিগুলো মানুষের মধ্য থেকে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। দিন দিন জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেই সঙ্গে সমানুপাতিক হারে বাড়ছে দারিদ্র্য। আজ পৃথিবীর চারদিক থেকে আর্ত মানুষের হাহাকার উঠছে- শান্তি চাই, শান্তি চাই। দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচারে, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনায়, শোষণে, শাসিতের উপর শাসকের অবিচারে, ন্যায়ের উপর অন্যায়ের বিজয়ে, সরলের উপর ধূর্ত্তের বঞ্চনায়, পৃথিবী আজ মানুষের বাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। নিরপরাধ ও শিশুর রক্তে আজ পৃথিবীর মাটি ভেজা। এ অবস্থা বিনা কারণে হয়নি। অন্য কোন গ্রহ থেকে কেউ এসে পৃথিবীতে এ অবস্থা সৃষ্টি করেনি। মানুষ নিজেই এই অবস্থার স্রষ্টা। তাই পৃথিবীতে শান্তির জন্য এত চেচামেচি, এত লেখা, এত কথা, এত শান্তির প্রচার- কিছুই হচ্ছে না। শুধু হচ্ছে না নয়, সমস্ত রকম পরিসংখ্যান (Statistics) বলে দিচ্ছে যে, একমাত্র যান্ত্রিক উন্নতি ছাড়া আর সমস্ত দিক দিয়ে মানুষ অবনতির পথে যাচ্ছে- এবং দ্রুত যাচ্ছে। পরিসংখ্যান বলছে, পৃথিবীর প্রতিটি দেশে খুন, হত্যা, চুরি, ডাকাতি, রাহাজানি, ধর্ষণ ইত্যাদি সর্বরকম অপরাধ প্রতি বছর বেড়ে চলেছে বরং বেড়ে চলেছে লাফিয়ে লাফিয়ে। এমন কোন দেশ নেই যেখানে অপরাধের সংখ্যা কমছে। এর শেষ কোথায়? এর পরিণতি চিন্তা করে সুস্থ মস্তিষ্ক মানুষ আজ দিশাহারা। এর উপর আবার ভয়াবহ বিপদ দাঁড়িয়েছে পারমাণবিক অস্ত্রের। এই অবস্থাই প্রমাণ করছে যে মানব জাতি আজ পর্যন্ত এমন একটা জীবনব্যবস্থা তার নিজের জন্য সৃষ্টি বা প্রণয়ন করতে পারেনি যেটা পালন করলে যান্ত্রিক উন্নতি সত্তে¡ও মানুষ এই পৃথিবীতে শান্তিতে বাস করতে পারে।
আমরা যদি আমাদের এই উপমহাদেশের দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করি তাহলে দেখতে পাবো কী করে আমরা এই অসহনীয় পরিস্থিতির মধ্যে পতিত হলাম। আমি দু’ একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার করতে চাই। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকরা আমাদেরকে মামলাবাজিতে লিপ্ত করে দিয়ে গেছে। সেই থেকে মামলা মোকাদ্দমার সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পেতে মামলা এখন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গে পরিণত হয়েছে। গ্রামীণ মানুষের জীবনও এখন মামলায় জর্জরিত। যে গ্রামের মানুষ আগে কোনদিন পুলিশ দেখে নি সেই গ্রামেও এখন শত শত মামলা। আমি বাংলাদেশের একটি সীমান্তবর্তী জেলায় গিয়েছি। জেলার নাম সুনামগঞ্জ। শহরের ভিতর দিয়ে যাওয়ার সময় দেখলাম সব সুনসান, মনে হলো এখানে কোন মানুষ থাকে না। কিন্তু যখন আমি আদালতের সামনে গিয়েছি তখন আমার ভুল ভাঙল। দেখি হাজার হাজার মানুষ আদালতের প্রাঙ্গণে ভীড় করে আছে। অন্যান্য কর্মব্যস্ততায় মানুষ নেই, সব মানুষ যেন আদালতে গিয়ে বসে আছে। সবাই মামলায় জর্জরিত। কারো রাজনৈতিক মামলা, কারো জায়গা-জমির মামলা, কারো শত্রুতামূলক মিথ্যা মামলার বোঝা বহন করতে হচ্ছে। একটি জাতির প্রাণশক্তি হচ্ছে তার ঐক্যের বন্ধন। বর্তমানে আমরা যে জীবনব্যবস্থা অনুসরণ করছি সেটা আমাদের এই ঐক্যের বন্ধনকে শত-সহস্র উপায়ে কেটে দিচ্ছে। তারপরে এই সিস্টেমগুলোকে পরিচালনা করতে সরকারকে বহন করতে হচ্ছে অকল্পনীয় ব্যয়। সরকারের কাছে জনগণের দাবি আকাশসমান। সরকারের সার্বক্ষণিক মনযোগ ব্যয়িত হচ্ছে শত্রু পক্ষ অর্থাৎ বিরোধীদলকে শায়েস্তা করতে। তারা বিরোধীদলকে যেমন নাস্তানাবুদ করতে চাচ্ছে তেমনি জনগণেরও মনঃতুষ্টি সাধন করতে চাচ্ছে। এটা করতে যেয়ে সরকারকে সেই ব্রিটিশদের তথা পাশ্চাত্যের রাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে হাতি পোষার মতো ব্যয়বহুল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। যার ফলে যে সাবানের দাম ছিল ৫ টাকা, সেই সাবানের দাম এখন ৩৬ টাকা। যে দুধের লিটার ছিল ১৫ টাকা, সেই দুধের লিটার এখন ৮০ টাকা। দুধ খেতে পারছে না সাধারণ মানুষ, পারছে না শিশুরা। তাহলে এখন কি করণীয়?
একটি পরিবারে জমি ছিল এক বিঘা। বাপ-চাচা ছিলেন। তাদের পরের প্রজন্মের কারণে সেই জমি এখন টুকরো টুকরো হয়ে গেছে। তাই এখন চাষ করা তো দূরে থাক, ঘর তোলবার জন্য এক খণ্ড জমি নেই। সেই ঘর তোলার বেড়া নিয়ে লাগে মারামারি, খুনোখুনি, মামলা-মোকাদ্দমা। উপায়ন্তর না পেয়ে প্রায় এক কোটি তরুণ-তরুণী বিদেশে অলিখিত দাসত্বের শৃঙ্খল টানে। কী অবর্ণনীয় কষ্টের মধ্য দিয়ে শ্রমিকরা যাচ্ছেন তারা জানেন। খুব সুখে থাকলে এভাবে এ দেশের বহু নারীকে এত ভয়ংকর, কালো বিভীষিকাময় পথ বেছে নিতে হতো না। আমরা জেনে শুনে আমাদের নারীদেরকে সেই আরব পিশাচদের হাতে তুলে দিচ্ছি। কাজেই আমার কথা হচ্ছে, হে মানুষ, এখন আমাদের ভাবতে হবে। আমাদের বাঁচার কোন পথ নেই। আমরা চারিদিক থেকে ঘেরাও হয়ে গেছি। আমাদের এখন নতুন যে বাজেট তাতে ৫০ হাজার কোটি টাকা কেবল সুদ। আমরা সরকারকে যে ট্যাক্স দিব তাতে শতকরা ১৮ টাকা যাবে সুদ বাবদ। জাতীয়ভাবে আমরা আকণ্ঠ সুদে নিমজ্জিত। তাই এখন আমাদের নামাজ, রোজা, তাহাজ্জুদের কোন মূল্য নেই। আমরা এক মাস রোজা রেখে তৃপ্তির ঢেকুর তুলে ভাবছি আমরা জান্নাত যাব, আমরা আল্লাহর রহমত, বরকত কিনে ফেলেছি। এগুলা সব আমাদের ভুল ভাবনা। আমরা প্রতারিত হয়েছি। মহাপ্রতারক শয়তান আমাদেরকে প্রতারিত করেছে। ৫০ হাজার কোটি টাকা আমাদের সরকার সুদ দিচ্ছে, সে সুদের ভার আমাদেরকেই বহন করতে হচ্ছে। আমাদের প্রদত্ত করের প্রতি ১০০ টাকার ১৮ টাকা যাবে সুদে। দিন দিন আমাদের উপর অর্থনৈতিক অবিচার বাড়বে বৈ কমবে না। মুখে যতই স্বাধীনতার বুলি আওড়াই না কেন আমরা এখন কার্যত পাশ্চাত্যের কেনা দাসমাত্র।
কাজেই আমরা নিজেরা যদি বাঁচতে চাই তাহলে আমে আমাদের সমাজকে রক্ষা করতে হবে, মানবজাতিকে রক্ষা করতে হবে। সামষ্টিক সংকটের আঘাত থেকে ব্যক্তিগতভাবে বেঁচে থাকা যায় না। মানবজাতিকে রক্ষা করতে হলে পৃথিবীতে আল্লাহর সত্য দ্বীন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তা নাহলে আমরা কেউ বাঁচব না। এখন এখানে মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা নির্মাণ আর সেগুলোতে রং পালিশ করা অর্থহীন। কারণ মানুষের চেহারাই বিবর্ণ ও ক্লিষ্ট হয়ে গেছে। মানুষ প্রচণ্ড কষ্টে আছে। মানুষের সাথে কথা বলা যায় না। বাসে উঠলে ঝগড়া, মসজিদে গেলে ঝগড়া, মন্দিরে গেলে ঝগড়া, কলেজ-ভার্সিটিতে গেলে ঝগড়া, এক শিক্ষক আরেক শিক্ষককে শ্রদ্ধা করে কথা বলেন না। মানুষ বড়ই অশান্তির মধ্যে আছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বন্ধুত্ব ও প্রেম নেই, তারা আর ভালোবাসার গল্প বলে না। এখন তাদের সব গল্প হয়ে গেছে দুঃখের, কষ্টের, অনটন আর টানাটানির। দাদা-দাদী, নানা-নানী এখন আর নাতিদেরকে রূপকথার গল্প শুনায় না। অত সময় নেই কারো, আর ভাঙনের ঢেউ এসে সব যৌথ পরিবারকে একক পরিবারে পরিণত করে গেছে। পূর্বপুরুষ আর উত্তর পুরুষের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে বিরাট দূরত্ব। আগের একান্নবর্তী পরিবারে কত পিতা-মাতাহীন ছেলেপেলে একসঙ্গে থেকে খেয়ে খেলে বড় হয়ে যেত, এখন আর সে সুযোগ নেই। আত্মীয়তার বন্ধনগুলো হয়ে গেছে লোক দেখানো, কেউ কারো জন্য ত্যাগস্বীকার করতে প্রস্তুত নয়। ফলে নতুন প্রজন্ম বেড়ে উঠছে এক ভয়ংকর রাগ, ক্ষোভ নিয়ে আর নিরাপত্তাহীনতার ভীতি নিয়ে। তাদের সেই ক্ষোভের প্রকাশ হচ্ছে রাস্তা-ঘাটে। ইন্টারনেটের অদৃশ্য জালে আটকা পড়ে গেছে তোমাদের সন্তানেরা। অকালপক্কতার সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। তাদের নিষ্পাপ মুখশ্রী হারিয়ে যাচ্ছে, সেখানে ছায়া বিস্তার করছে পাপ। তারা স্মার্ট ফোনে আর ল্যাপটপে দেখছে পর্নগ্রাফি, তারা অশ্লীলতার জোয়ারে ভেসে যাচ্ছে। অশ্লীলতা গোটা সমাজকে ভিতরে ভিতরে শেষ করে দিয়েছে। সুযোগ পেলেই কে যে কখন কাকে ধর্ষণ করবে, কে বুকে ছুরি ঠেকাবে বলাও যাচ্ছে না। সবাই আছে নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে। কাজেই মানুষ, তুমি এবং তোমার সমাজ ধ্বংস হয়ে গেছে। তোমার ভিতরও শেষ, তোমার বাহিরও শেষ।
এখন এখানে আর উপসানালয় বানিয়ে লাভ নেই। অনেক উপসানলায় হয়েছে। আর ধর্মব্যবসায়ীদেরকে আশ্রয় করে লাভ নেই। আমরা যদি মনে করি ধর্মব্যবসায়ীকে ডাব খাওয়ালে, মুরগির রান খাওয়ালে আমাদের সওয়াব হবে তাহলে আমাদের সেই ভাবনা ভুল। এতে আমাদের কোনো সওয়াবই হবে না। সওয়াবের খাতা বন্ধ হয়ে গেছে বহু আগেই। তাঁর প্রিয় সৃষ্টি বনি আদম, যার মধ্যে তাঁর রুহ আছে সেই আদম সন্তানেরা নিজেরা মারামারি, রক্তপাত, যুদ্ধ-বিগ্রহ করে দুনিয়াটাকে নরক বানিয়ে রেখেছে। তাই আল্লাহ, ভগবান, স্রষ্টা, ঈশ্বর এখন ক্রোধের দৃষ্টি দিয়ে রেখেছেন পৃথিবীর দিকে। তাঁর এখন ক্রোধ বর্ষিত হচ্ছে আমাদের উপর।
আমাকে গালি দিতে কোন কসুর করে না ধর্মব্যবসায়ীরা, অসম্ভব গালি দিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। আমাকে হত্যা করার জন্য যেহেতু ফতোয়া দিয়েছে, সেহেতু আমাকে গালি দিলে তো আর গুনাহ হবে না, বরং ইসলামের কাজ করা হবে, সওয়াব হবে। তাদেরকে এই গালি কোথায় শিখিয়েছে, কে শিখিয়েছে, কে তাদের গুরু আমি জানি না। চোখের সামনে আমরা আমাদের আপনজনকে মরে যেতে দেখব, চোখের সামনে আমাদের মা-বোন-স্ত্রী-কন্যাকে তুলে নিয়ে যাবে, চোখের সামনে আরও পৈশাচিক দৃশ্য দেখতে হবে যেমন দেখেছে সিরিয়া, ইরাক আর রোহিঙ্গার লোকেরা। আমরা আর্তনাদ করব, চিৎকার করব, নিজের চামড়া ছিঁড়ে ফেলব, নিজের গায়ে নিজে আগুন ধরিয়ে দিব। আরো বহুভাবে প্রতিবাদ জানাবো কিন্তু কোনো লাভ হবে না। সব প্রতিবাদ ব্যর্থ হয়েছে। আমরা যদি গায়ে ধরিয়ে মরেও যাই তবুও কারো কিছু হবে না।
ইবলিস এটাই চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল, এখানেই সে মানবজাতিকে নিয়ে এসেছে। এখন কি তারা এখান থেকে ফিরবে নাকি ফিরবে না? সেই ফেরার জন্যই আমি প্রাণান্তকরভাবে আহ্বান করছি। আমার যত চিৎকার, যত আর্তনাদ শুধু এটার জন্য। আপনারা আমার লেবাসের দিকে তাকাবেন না। আমার শিক্ষা, বংশের দিকে তাকাবেন না। আপনারা আমার আর্তনাদ শুনুন, আমার কথা শুনুন।
একটা মেথরও যদি আপনাকে বলে যে, ‘সামনে যেও না, সামনে ডাকাত আছে। আমি নিজে দেখেছি।’ আপনারা কি সে মেথর বলে তাকে অবজ্ঞা করবেন? না, আপনারা অবশ্যই সতর্ক হয়ে যাবেন।
আমি পাগল নই, আমি উন্মাদ নই। আমি বক্তাও নই যে আমি বক্তৃতা দিয়ে মানুষের মন জয় করব। মানুষ আমাকে বেশি বেশি করে দাওয়াত দিয়ে খাওয়াবে। সামনের মৌসুমে আমার আরো বড় ওয়াজ হবে। আমার টাকার অঙ্ক বাড়বে। না! আমি কথাগুলো বলছি সমাজের প্রয়োজনে, সবার প্রয়োজনে। এ সমাজকে পরিবর্তন করতে, ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে বলছি। তা নাহলে আমরা কেউই বাঁচব না। বাঁচার এ পথটি ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া, ফিলিস্তিনে, রাখাইনে, ইয়েমেনে, আফগানিস্তানে আসে নি, ফলে তারা ধ্বংস হয়ে গেছে। আমাদের কাছে সেই পথ এসেছে, আমরা কি তাহলে একবার বাঁচার চেষ্টা করে দেখব না?

[লেখক: এমাম, হেযবুত তওহীদ, ফেসবুক পেইজ: facebook.com/emamht/, ফোন: ০১৬৭০-১৭৪৬৪৩, ০১৬৭০-১৭৪৬৫১]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

চকবাজারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিএনপি ও যুবদল নেতৃবৃন্দ

চকবাজারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিএনপি ও যুবদল নেতৃবৃন্দ
শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে ঢাকার চকবাজারে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা। এ সময় তারা পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

চকবাজারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিএনপি ও যুবদল নেতৃবৃন্দ

চকবাজারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিএনপি ও যুবদল নেতৃবৃন্দ
শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে ঢাকার চকবাজারে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা। এ সময় তারা পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

এনসিপি চোরদের আশ্রয়স্থল, জামায়াত আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন কেন্দ্র: রাশেদ খাঁন!

এনসিপি চোরদের আশ্রয়স্থল, জামায়াত আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন কেন্দ্র: রাশেদ খাঁন!
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের আশ্রয় দেওয়া এবং আওয়ামী লীগের সাবেক নেতাকর্মীদের পুনর্বাসনের অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে সোচ্চার থাকতে তরুণদের আহ্বান রাষ্ট্রপতির!

সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে সোচ্চার থাকতে তরুণদের আহ্বান রাষ্ট্রপতির!
সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে তরুণ প্রজন্মকে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গুজব, অপপ্রচার ও ধর্মীয় উগ্রতার মাধ্যমে বিভেদ…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

মেহেদির রং মুছতে না মুছতেই নববধূর মৃত্যু, আটক স্বামী-শাশুড়ি!

মেহেদির রং মুছতে না মুছতেই নববধূর মৃত্যু, আটক স্বামী-শাশুড়ি!
বিয়ের মাত্র ছয় দিনের মাথায় শ্বশুরবাড়িতে মৃত্যু হয়েছে নববধূ লিমা আক্তারের (২০)। বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোররাতে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়নের পাইখাতলা গ্রামে এ ঘটনা…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

সাভারে ৪৭ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

সাভারে ৪৭ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি:ঢাকা জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। গত মঙ্গলবার (২০…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

কালাইয়ে ১৪৬ দুস্থ মানুষের মাঝে আর্থিক সহায়তা বিতরণ

কালাইয়ে ১৪৬ দুস্থ মানুষের মাঝে আর্থিক সহায়তা বিতরণ
জয়পুরহাটের কালাইয়ে দরিদ্র, অসহায় ও নিম্ন আয়ের ১৪৬ জন মানুষের মাঝে বিশেষ বরাদ্দের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে কালাই…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী

নালিতাবাড়ীতে বিয়ের ৬ দিনেই গৃহবধূ হত্যার অভিযোগ, স্বামী-শাশুড়ি আটক

নালিতাবাড়ীতে বিয়ের ৬ দিনেই গৃহবধূ হত্যার অভিযোগ, স্বামী-শাশুড়ি আটক
এখনো হাতের মেহেদীর রং মুছেনি। বিয়ে হয়েছে মাত্র ৬ দিন। এরই মধ্যে শ্বশুর বাড়ি থেকে পাঠানো তৈজসপত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম পছন্দ না হওয়ায় শারিরিক নির্যাতন…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

শ্রীপুরে জমি লিখে না দেওয়ায় ১৩৫ বছরের বাবাকে হাসপাতালে নিতে বাধা!

শ্রীপুরে জমি লিখে না দেওয়ায় ১৩৫ বছরের বাবাকে হাসপাতালে নিতে বাধা!
গাজীপুরের শ্রীপুরে জমি নিজের নামে লিখে না দেওয়ায় ১৩৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ বাবাকে হাসপাতালে নিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছোট ছেলে আব্দুল কাদিরের বিরুদ্ধে। তার…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ছেড়ে গানের অনুষ্ঠানে, পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত এএসআই!

পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ছেড়ে গানের অনুষ্ঠানে, পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত এএসআই!
পূজামণ্ডপে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় পুলিশের পোশাক পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশনের ঘটনায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    সারাদেশ

জামায়াত মানুষকে যে পথ দেখাতে চায়, সেটা দাজ্জালের জান্নাত: রাশেদ খাঁন

জামায়াত মানুষকে যে পথ দেখাতে চায়, সেটা দাজ্জালের জান্নাত: রাশেদ খাঁন
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ‘জান্নাতে যাওয়ার পথ দেখিয়ে দেওয়া’ সংক্রান্ত বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি অভিযোগ করেছেন, মিথ্যা ও…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

রিল বানাতে ব্যস্ত দম্পতি, সাগরের ঢেউয়ে বিপদে শিশু!

রিল বানাতে ব্যস্ত দম্পতি, সাগরের ঢেউয়ে বিপদে শিশু!
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিল তৈরিতে ব্যস্ত এক দম্পতির পাশে সমুদ্রের ঢেউয়ে পড়ে বিপদে পড়ে একটি শিশু। শিশুটি পানিতে ছটফট করলেও দম্পতি ভিডিও ধারণে ব্যস্ত ছিলেন বলে…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

সুন্দরবন, মোংলা বন্দর ও এলএনজি টার্মিনাল, বৃহস্পতিবার খুলনা সফরে প্রধানমন্ত্রী!

সুন্দরবন, মোংলা বন্দর ও এলএনজি টার্মিনাল, বৃহস্পতিবার খুলনা সফরে প্রধানমন্ত্রী!
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, মোংলা বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং প্রস্তাবিত এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের সম্ভাব্যতা পর্যালোচনায় বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) খুলনা ও মোংলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার স্ট্যান্ড রিলিজ, নেপথ্যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রটোকল ভঙ্গের অভিযোগ!

রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার স্ট্যান্ড রিলিজ, নেপথ্যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রটোকল ভঙ্গের অভিযোগ!
রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলীকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ও শিষ্টাচার ভঙ্গের চেষ্টার অভিযোগ…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী

অস্ট্রেলিয়ার নারী এমপির এক পা কাটার পর বিচ্ছিন্ন করতে হলো অন্যটিও!

অস্ট্রেলিয়ার নারী এমপির এক পা কাটার পর বিচ্ছিন্ন করতে হলো অন্যটিও!
অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল পার্লামেন্টের স্বতন্ত্র সদস্য হেলেন হেইন্সকে গাড়িচাপা দিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় তাঁর দুই পা-ই বিচ্ছিন্ন করতে হয়েছে। হামলার পর প্রথমে একটি পা কেটে…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক