প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   মোহাম্মদ মোস্তফা (সা.) এর কোরবানি

মোহাম্মদ মোস্তফা (সা.) এর কোরবানি

২৩ জুলাই ২০২১ ০৮:৪৯ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

একটা সমাজে যখন অন্যায় বিস্তারলাভ করে, মিথ্যা বিজয়ী হয়, মানুষে মানুষে অনৈক্য আর হানাহানি চলতে থাকে, অন্যায়ভাবে মানুষকে হত্যা করা হয়, ক্ষমতাবানদের কথাই সঠিক বলে গণ্য হয়, সুদ, ঘুষ, দুর্নীতি আর প্রতারণা স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়, ধর্ষণ, ব্যভিচার নিত্য-নৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে যায়, ধর্ম যখন ব্যবসার হাতিয়ারে পরিণত হয়ে যায় তখন বুঝতে হবে ঐ সমাজকে আর সংস্কার করা যাবে না বরং ঐ সমাজ ধ্বংস করে নতুন সমাজ নির্মাণ করতে হবে। নতুন সমাজ বিনির্মাণের জন্যই যুগে যুগে নবী-রসুল এসেছেন। সকল নবী-রসুলের সমাজ পরিবর্তনের মূলসূত্র একই, সেটা হলো- “তোমরা বলো, আমরা আল্লাহর হুকুম ছাড়া কারো হুকুম মানব না অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কোনো হুকুমদাতা নেই।” এই কথা বলার সাথে সাথে সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ, পূর্বের ধর্মের পুরোহিতগণ (আলেমগণ) সেই নবীর চরম বিরোধিতা শুরু করে দিয়েছে। নবীদের উপর, তাদের সঙ্গী-সাথী বা সাহাবাদের উপর অত্যাচার, নির্যাতন হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে নানা মিথ্যাচার হয়েছে, দীনের উপর টিকে থাকাটাই একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পুরাতন, পচা, মিথ্যাচ্ছন্ন ঐ সমাজ ধ্বংস করে নতুন এক সমাজ, নতুন এক সভ্যতা বিনির্মাণের জন্য এমন একদল মানুষের প্রয়োজন হয়েছে যারা সমাজ পরিবর্তনের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজেদের জীবন, সম্পদ, সম্মান, স্ত্রী-পুত্র-পরিজন সর্বস্ব কোরবান দিতে প্রস্তুত। অর্থাৎ সমাজ পরিবর্তনের জন্য, দীন কায়েমের জন্য ত্যাগ, কোরবানি অপরিহার্য। এই কোরবানি মানে ১০ জিলহজে কেবল গরু জবাই করা কোরবানি নয় বরং ইব্রাহিম (আ.) এর মতো নিজের সন্তানকেও আল্লাহর রাস্তায় কোরবান করা লাগতে পারে, ইসমাইল (আ.) এর মতো নিজের গর্দান ছুরির নিচে সোপর্দ করা লাগতে পারে। এ কারণেই মুসলিম উম্মার শিক্ষা দেবার জন্য মহান আল্লাহ পবিত্র হজ অনুষ্ঠানে ইব্রাহিম (আ.) এর সেই কোরবানির ঘটনাকে স্মরণ করে পশু জবাই দেওয়াকে বাধ্যতামূলক করে দিয়েছেন সামর্থ্যবান হাজিদের জন্য।

রসুলাল্লাহ (সা.) ও তাঁর আসহাবগণ কেবল পশু জবাই করার মধ্যেই কোরবানিকে সীমাবদ্ধ রাখেননি বরং তাঁরা তাঁদের জীবন ও সম্পদ পূর্ণরূপে আল্লাহর রাস্তায় কোরবান করে দিয়ে হেদায়াহ ও সত্যদীন কায়েম করেছেন, নতুন এক সমাজ বিনির্মাণ করেছেন, যাবতীয় অন্যায়, অবিচার, অশান্তি দূর করে ন্যায়, সুবিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছেন।

মোহাম্মদ (সা.) এর কোরবানি

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

অতীতে যত নবী-রসুল (আ.) এসেছেন তাঁরা সবাই এসেছেন একটা নির্দিষ্ট অঞ্চল, নির্দিষ্ট গোত্র ও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। নির্ধারিত অঞ্চল বা সমাজের বাইরে দীনের দাওয়াত দেওয়াও তাঁদের অনেকের জন্য নিষেধ ছিল। কিন্তু শেষ নবী মোহাম্মদ মোস্তফা (সা.) এবং শেষ দীন ইসলাম এসেছে সমগ্র মানবজাতির জন্য, সমগ্র পৃথিবীর জন্য। কেয়ামত পর্যন্ত আর কোনো নবী-রসুল আসবেন না, আর কোনো দীন আসবে না। কাজেই মহানবী (সা.) এর দায়িত্ব নিঃসন্দেহে বিরাট। মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘আমি আমার আপন রসুলকে প্রেরণ করেছি হেদায়াহ ও সত্যদীন সহকারে, যেন তিনি এটাকে (ঐ হেদায়াহ ও সত্যদীনকে) অন্যান্য সমস্ত দীনের (জীবনব্যবস্থার) উপর প্রতিষ্ঠিত করেন, কায়েম করেন’। (সুরা তওবা- ৩৩; সুরা ফাতাহ- ২৮; সুরা সফ- ৯)। অর্থাৎ আল্লাহ শেষ নবীর উপর দায়িত্ব দিয়েছেন এই শেষ দীনকে সমগ্র পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা করার। বোঝাই যাচ্ছে, এত বড় কাজ করতে কী অপরিসীম ত্যাগ, অপরিসীম কোরবানি লাগবে। মহানবী (সা.) যেদিন নবুয়্যত পেয়েছেন সেদিন থেকেই শুরু হয়েছে তাঁর অপরিসীম কোরবানি, অসম্ভব ত্যাগ স্বীকার করা। নব্যুয়ত পাবার সাথে সাথে তিনি যখন আম্মা খাদিজার মাধ্যমে ওরাকা বিন নওফেলকে জানালেন তখন ওরাকা বিন নওফেল বলেছিলেন, খুব দ্রুতই আপনার আপনজনেরা আপনাকে ত্যাগ করবে, আপনার উপর অত্যাচার নেমে আসবে, আপনার নিজ জন্মস্থান থেকে আপনাকে বিতাড়িত করা হবে। কিছুদিনের মধ্যে সেটাই শুরু হলো। আম্মা খাদিজা (রা.) ছিলেন মক্কার সবচেয়ে ধনী ব্যবসায়ী। কোনো কোনো ঐতিহাস বলেছেন, মক্কার বড় বড় ব্যবসায়ীদের মালামাল একসাথে করলেও আম্মা খাদিজার ব্যবসায়ের সমান হতো না। রসুলাল্লাহর সাথে বিয়ে হবার পর থেকে সেই ব্যবসা দেখাশুনা করতেন রসুলাল্লাহ (সা.) নিজে। তাঁর হাতের বরকতে ব্যবসা আরও বড় হতে থাকে। কিন্তু নব্যুয়তের পর এই ব্যবসাতে তিনি আর তেমন সময় দিতে পারতেন না, ফলে ব্যবসা সংকুচিত হতে থাকে। প্রথম দিকে যারা দীন গ্রহণ করেছেন তাদের বেশিরভাগ ছিল দাস-দাসী, অত্যন্ত দরিদ্র, সমাজের নিগৃহীত শ্রেণির মানুষ। তাদের বিপদ-আপদে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন রসুলাল্লাহ (সা.) ও কয়েকজন বিত্তশালী সাহাবাগণ। দীন প্রচারের কাজে যে অর্থ ব্যয় হতো তারও সিংহ ভাগ বহন করতেন রসুলাল্লাহ (সা.)। এভাবে তিনি একদিকে ধনী থেকে দরিদ্র হতে লাগলেন অপর দিকে সমাজের বেশির ভাগ মানুষ তাকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করতে লাগল। এক পর্যায়ে শুরু হলো নানামুখী অত্যাচার-নির্যাতন।

রসুলাল্লাহ (সা.) একদিকে ছিলেন উচ্চ বংশীয়, ক্বাবার মোতোয়াল্লী পরিবারের সন্তান, অন্যদিকে সফল ও ধনী ব্যবসায়ী। সততা, ন্যায়-নিষ্ঠতা, আমানতদারিতার জন্য তিনি ছিলেন সকলের নিকট সম্মানিত। বয়োজ্যেষ্ঠরাও তাঁকে সম্মান করত। তাঁর মুখের উপর কথা বলে এমন হিম্মত ঐ সমাজের কারো ছিল না। কিন্তু যখনই কলেমার দাওয়াত দেওয়া শুরু করলেন তখনই শুরু হয়ে গেল চরম বিরোধিতা। যারা তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলার হিম্মত রাখত না তারাও শুরু করল উপহাস করা। সালাহরত অবস্থায় তাঁর মাথার উপর উটের নাড়ি-ভুড়ি চাপিয়ে দেওয়া হলো, তাঁকে নানা অকথ্য ভাষায় গালাগাল করা হলো। কিন্তু তিনি সত্যের উপর রইলেন পর্বতের মতো অনড়, অটল। কোনোভাবেই যখন তাঁকে দমিয়ে রাখা যাচ্ছিল না তখন কুরাইশ নেতারা তাঁকে প্রস্তাব দিল- আরবের রাজত্ব, অর্থ-বিত্ত ও সুন্দরী নারী সব দেওয়া হবে যদি তিনি এই কলেমার বালাগ বন্ধ করে দেন। রসুলাল্লাহ (সা.) তাদের এই প্রস্তাবের জবাবে সেদিন বলেছিলেন, “আমার এক হাতে যদি চন্দ্র ও আরেক হাতে সূর্যও এনে দাও তবু মোহাম্মদ এই পথ (কলেমার পথ, সত্যের পথ) ছাড়বে না, হয় আল্লাহর বিজয় হবে না হলে এই রাস্তায় মোহাম্মদ শহীদ হয়ে যাবে।”

নব্যুয়তের সপ্তম বছরে যখন রসুলাল্লাহ (সা.) ও তাঁর আসহাবদের সাথে তাঁর গোত্র বনু হাশিমের লোকদেরকে শিয়াব’এ আবু তালিব-এ বন্দী করে রাখা হয় তখন তাঁদের দিন কেটেছে অনাহারে-অর্ধাহারে। কৃত্রিম দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়তে হয়েছে তাঁদের। এমনও হয়েছে যে, কেবল গাছের লতা-পাতা খেয়ে কাটাতে হয়েছে দিনের পর দিন। পুষ্টিহীনতায় মায়েদের বুকে দুগ্ধ হয়নি, শিশুরা মারা গেছে বাবা-মায়ের চোখের সামনে। এই অবস্থা চলেছে তিন বছর। এই শিয়াব’এ আবু তালিবের বন্দী দশা থেকে মুক্তি পাবার পর আম্মা খাদিজা (রা.) পুষ্টিহীনতার কারণে ইন্তেকাল করেছেন। একই বছরে রসুলাল্লাহর (সা.) চাচা আবু তালিবকেও হারান। এরপর তায়েফে যান দীনের দাওয়াত নিয়ে, কিন্তু সেখানে শুধু প্রত্যাখ্যাতই হননি বরং চরমভাবে তাঁকে অত্যাচার করা হয়। পাথরের আঘাতে আঘাতে তাঁকে রক্তাক্ত করা হয়, বার বার তিনি অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছেন আবার জ্ঞান ফিরে হেঁটেছেন। এভাবে মক্কার ১৩ টি বছর কেটেছে অত্যাচার-নির্যাতন, অভাব-দারিদ্র নিয়ে। কিন্তু একটি মুহূর্তের জন্যও দীনের খেদমত থেকে তিনি পিছপা হননি, শিরক ও কুফরের সামনে মাথা নত করেননি। এরপর যখন তিনি মদীনায় আসলেন তখন তাঁকে মদীনার সমাজের প্রধান হিসাবে সকলে গ্রহণ করে নিল। মদীনাকে তিনি তৈরি করলেন এক আদর্শ ইসলামী রাষ্ট্র হিসাবে। কিছুদিনের মধ্যে শুরু হলো চতুর্দিকে অভিযান, যুদ্ধ, কেতাল। যুদ্ধ মানেই জীবনের ঝুঁকি, যুদ্ধ মানেই জীবন ও সম্পদের অসম্ভব কোরবানি। মাদানী জীবনের ১০ টা বছর রসুলাল্লাহকে (সা.) নিরন্তর কেবল যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হয়েছে, কেননা তাঁর লক্ষ্য ছিল সমগ্র পৃথিবীতে আল্লাহর দেওয়া হেদায়াহ ও সত্যদীন প্রতিষ্ঠা করা। সামান্য ১০ বছরের এই সময়ে তিনি ছোট-বড় দিয়ে ১০৭টি অভিযান পরিচালনা করেন, ২৭ টি যুদ্ধাভিযানে তিনি স্বয়ং উপস্থিত থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, যুদ্ধ করেছেন। উহুদ যুদ্ধে তিনি চরমভাবে আহত হয়েছেন, মাথার মধ্যে হেলমেট ঢুকে গিয়েছে, কয়েকটা দাঁত ভেঙ্গে গেছে, মাটিতে লুটিয়ে পড়েছেন, তাঁর মৃত্যু সংবাদ প্রচার করেছে মোশরেকরা। কিছু নিবেদিতপ্রাণ সাহাবাদের অসম্ভব কোরবানির বিনিময়ে কাফের-মোশরেকরা রসুলাল্লাহ (সা.) কাছে পৌঁছুতে পারেনি। আহযাবের যুদ্ধে পরিখা খননে নিজে অংশগ্রহণ করেছেন, প্রচণ্ড ক্ষুধা নিয়েও কাজ করেছেন পেটে পাথর বেঁধে। তিনি তাঁর জীবদ্দশাতেই ৩২ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার ভূখণ্ডে আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠা করে রেখে গেছেন। এত সংগ্রাম, এত যুদ্ধ জয়, এত ভূখণ্ড জয় করার পরও তাঁর ইন্তেকালের সময় সম্পদ বলতে তেমন কিছুই ছিল না, কেবল ছিল ৯ টি তরবারিসহ কয়েকটা যুদ্ধাস্ত্র আর চাটাইয়ের পাটি, খেজুরের খোসা ভর্তী বালিশ। এ থেকেই বোঝা যায় তাঁর জীবনে তিনি কেমন কোরবানি করেছেন। তিনি নিজের জীবনটাকে কোরবানি করার জন্য এমনভাবে আকাক্সক্ষা করেছেন যে, তিনি বলেন, আমার উপর যদি নব্যুয়তের মহান দায়িত্ব না থাকত তাহলে আমি আল্লাহর রাস্তায় জেহাদ করতে করতে শহীদ হয়ে যেতাম, আবার আল্লাহ আমাকে জীবিত করে দিতেন আমি আবার শহীদ হতাম- এভাবে চারবার শহীদ হবার আকাক্সক্ষা পোষণ করেছেন। এই কোরবানি, এই ত্যাগের মাধ্যমেই তিনি আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত হয়েছেন। জীবন-সম্পদের এই অপরিসীম কোরবানির পাশাপাশি তিনি পশু কোরবানিও করেছেন। আনাস (রা.) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, ‘একদা রসুলাল্লাহ (সা.) দুটি ধুসর বর্ণের শিংওয়ালা দুম্বা কোরবানি করছিলেন। তিনি ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে তা নিজ হাতেই জবাই করেছিলেন। হজরত আনাস বলেন, আমি মহানবীকে (সা.) এর পাঁজরের ওপর পা রাখতে দেখেছি এবং জবাই করার সময়ে ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলতে শুনেছি (সহিহ মুসলিম)।

আমাদের জন্য শিক্ষা

আমরা কোরবানির অর্থ বুঝি কেবল বছরের একটা নির্দিষ্ট দিনে পশু জবাই দেওয়া। সেই পশু জবাই করা কোরবানিটাও রসুলাল্লাহ (সা.) এর সুন্নাহ অনুসারে পালন করি না। তিনি নিজ হাতে পশু কোরবানি করতেন কিন্তু আমরা মোল্লা ভাড়া করে পশু কোরবানি করি। আমাদের সমাজে কোরবানি হয়ে গেছে এক প্রকার শো-আপ, কে কত বড় কোরবানি দিতে পারে তার প্রতিযোগিতা চলে, আর কোরবানির গোস্ত ফ্রিজে রেখে সারা বছর সেটা ভক্ষণ চলে। কিন্তু রসুলাল্লাহ (সা.) এর জীবনী থেকে আমরা দেখতে পাই কীভাবে তিনি নিজের জীবন ও সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় অকাতরে বিলিয়ে গেছেন, কীভাবে তিনি দীনের কাজ করে গেছেন। এখন আমরা যদি সত্যকার অর্থে তাঁর অনুসরণ করতে চাই তাহলে আমাদেরকেও আল্লাহর দীন কায়েমে নিজেদের জীবন ও সম্পদ এভাবেই উৎসর্গ করতে হবে, কোরবানি করতে হবে। এই কোরবানির মাধ্যমে আমরা আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতে পারব, মোর্কারাবুন হতে পারব ইনশাল্লাহ।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো!

রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো!
আগামীকাল রোববার বাংলাদেশে আসতে পারেন বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ভুটানের রাজধানী থিম্পু সফরে যাওয়ার পথে স্বল্প সময়ের জন্য ঢাকায় ট্রানজিট নেওয়ার…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

শ্রীল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন

শ্রীল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার শ্রীভল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন। পরিদর্শনকালে তিনি মন্দির প্রাঙ্গণে সনাতন…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও আর্থিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করতে ভাতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায়…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা

বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা
বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

সাদুল্লাপুরে ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ

সাদুল্লাপুরে ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় একটি ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত নারীর আনুমানিক বয়স ৪০ থেকে ৪৫ বছর।…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

ইপিডিএবি -এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ইপিডিএবি -এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
ইলেকট্রনিক্স পণ্য পরিবেশক সমিতি বাংলাদেশ তথা ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্টস ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইপিডিএবি)-এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মাধ্যমে সংগঠনটির পথচলায় এক…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ফুলবাড়ীতে বিএনপির সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ

ফুলবাড়ীতে বিএনপির সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় বিএনপির সদ্যঘোষিত আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন দলটির একাংশের নেতাকর্মীরা। কমিটিতে ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে ৯০ কেজির বাঘাইড় মাছ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে ৯০ কেজির বাঘাইড় মাছ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের পুটিমারী এলাকায় স্থানীয় এক জেলের জালে ৯০ কেজি ওজনের একটি বিশালাকার বাঘাইড় মাছ ধরা পড়েছে। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) মাছটির ছবি…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

রৌমারীতে ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫

রৌমারীতে ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫
শাহ আলম, কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কর্তিমারী এলাকায় ডিসি সড়কে মালবোঝাই ট্রাক ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর)…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত চিকিৎসক!

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত চিকিৎসক!
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আকস্মিক পরিদর্শনে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের নিজ কক্ষে ধূমপান করতে দেখা যায় সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে। এ সময় কক্ষের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশও…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

কালিয়াকৈর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন

কালিয়াকৈর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন
মোঃ শফিকুল ইসলামকালিয়াকৈর ( গাজীপুর) প্রতিনিধিগাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুরস্থইবনে সিনা  ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড  এর হারবাল শাখায় শনিবার বিকেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ওষুধের মেশিন ও গোডাউনে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, রয়েছে ৩ শিশুও!

নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, রয়েছে ৩ শিশুও!
ভারতের গ্রেটার নয়ডায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃতদের মধ্যে রয়েছে তিন শিশুও। শুক্রবার রাতে নুডলস খাওয়ার পর ঘুমাতে যান পরিবারের সদস্যরা।…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জাহাজ চলাচলে কঠোর হুঁশিয়ারি!

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জাহাজ চলাচলে কঠোর হুঁশিয়ারি!
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সাম্প্রতিক সময়ে এই নৌপথে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, স্ত্রীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় আশিকুল!

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, স্ত্রীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় আশিকুল!
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে স্ত্রীসহ পরিবারের ছয় সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় ভেঙে পড়েছেন আশিকুল ইসলাম। আনন্দঘন ভ্রমণে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!
মধ্য আমেরিকার দেশ পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬টি পরকম্পন বা আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ৯ অক্টোবরের ভূমিকম্পের পর দেশটির…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক