প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   আশরাফ গনির সরকার যে শিক্ষা...

আশরাফ গনির সরকার যে শিক্ষা দিয়ে গেল

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৭:৫৫ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোহাম্মদ আসাদ আলী

ধর্মীয় সেন্টিমেন্টের সামনে বড় বড় পরাশক্তিরা যেভাবে ধরাশায়ী হচ্ছে, তা থেকে আমাদের দেশের অনেক কিছু শেখার আছে। বিশেষ করে আমাদের শাসক মহলের কথা বলতে হয়। একটা বিষয় কিন্তু পরিষ্কার হয়ে গেছে ধর্মবিশ্বাসী মুসলিম সমাজে ধর্মের বিপরীতে গিয়ে যতই উন্নয়ন, মানবাধিকার, প্রগতিশীলতা, নারীমুক্তি, অসাম্প্রদায়িকতা, গণতন্ত্র ইত্যাদির গালভরা বুলি আউড়ানো হোক- সেসবের কোনো আবেদন অধিকাংশ জনগণের মধ্যে নেই বললেই চলে। মানুষ অবশ্যই স্বাধীনতা চায়, মানবাধিকার চায়, উন্নয়ন চায়, কিন্তু তার আত্মা বলে একটা বিষয় আছে যার খোরাক এগুলো দিয়ে মেটে না। তার আত্মা চায় স্রষ্টার সান্নিধ্য, স্রষ্টার সন্তুষ্টি। ধর্ম মানুষের এই আত্মার খোরাক মেটাতে পারে। তাই ধর্মের প্রতি মানুষের যে আবেগ-অনুভূতি ও দুর্বলতা, সেটার বিপরীতে অন্য সবকিছুই তুচ্ছ।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের মত আমাদের দেশেও ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে ধর্ম অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হয়ে আছে হাজার হাজার বছর ধরেই। দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় অত্র অঞ্চলের সরকারগুলোকে ধর্ম নিয়ে আরও গভীরভাবে বিশে¬ষণ করতে হবে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে গত কয়েক যুগ থেকে ধর্মই কিন্তু প্রধান ইস্যু হয়ে থেকেছে এবং সময়ের সাথে পাল¬া দিয়ে এই ইস্যু ক্রমশই শক্তিশালী হয়ে উঠছে।
বিগত প্রায় এক যুগ ধরে বাংলাদেশে সরকারবিরোধী রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন, হরতাল, অবরোধের মাধ্যমে দাবি-দাওয়া আদায়ের চেষ্টা করেছে। কোনোটা রাজনৈতিক ইস্যু ছিল, আবার কোনোটা ধর্মীয় ইস্যু ছিল। খেয়াল করলে দেখা যাবে- ধর্মীয় ইস্যুতে তারা যতটা সাড়া পেয়েছে ও জনগণের যতটা সমর্থন পেয়েছে, অন্যান্য রাজনৈতিক ইস্যুতে ততটা পায়নি। (অবশ্য ধর্মীয় ইস্যুগুলোর নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও কাজ করেছে) ফলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমরা বেশি বেশি ধর্মীয় ইস্যুতে আন্দোলন, বিক্ষোভ, সহিংসতা ইত্যাদি ঘটতে দেখেছি। এক্ষেত্রে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, অন্যান্য ইস্যুকে সরকার অনেকটা বেপরোয়াভাবে শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে মোকাবেলা করলেও ধর্মীয় ইস্যুতে সাবধানে পা ফেলার চেষ্টা করেছে। সরকার চেয়েছে ধর্মভিত্তিক দলগুলোকে যথাসম্ভব শান্ত রাখতে এবং তাদের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি করতে যাতে জনগণের ধর্মীয় সেন্টিমেন্ট সরকারের বিরুদ্ধে না যায়। কিন্তু তা শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠেনি। সাম্প্রতিক সময়ে সারাদেশে মোদীবিরোধী আন্দোলনের নামে কার্যত সরকারবিরোধী সহিংস আন্দোলনের জন্ম দেওয়া হলে সরকার কওমী মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের বিরুদ্ধে কঠোর হতে বাধ্য হয়। এই সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের বহু নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। হেফাজতে ইসলামের এই সহিংস আন্দোলন চলাকালেই আমরা দেখতে পেয়েছিলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় হেফাজত নেতা-কর্মীরা স্লোগান দিয়েছিলেন যে, আওয়ামী লীগ কাফের, ছাত্রলীগ কাফের, যুবলীগ কাফের ইত্যাদি। হেফাজত নেতা আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর বরাতে একটি বিবৃতি অনলাইনে ভাইরাল হয়েছিল যেখানে তিনি বলেছিলেন আওয়ামী লীগের কেউ মারা গেলে জানাজা জায়েজ হবে না। ব্যাপক ধর্মীয় উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়লে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে গিয়ে হিমশিম খায়। তার মানে সরকার যা চেয়েছিল অর্থাৎ ধর্মীয় সেন্টিমেন্ট সরকারের পক্ষে রাখা, সেটা ব্যর্থ হয়েছে বললে হয়ত অত্যুক্তি হবে না। এখন প্রশ্ন হলো- সরকার কতদিন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে শক্তি প্রয়োগ করে এই ধর্মীয় ইস্যুগুলোকে মোকাবেলা করতে পারবে? বাংলাদেশের ক্ষমতায় যারাই আসতে চাইবে কিংবা যারা বহাল থাকতে চাইবে তারা উভয়েই ধর্মীয় ফ্যাক্টরকে উপেক্ষা করতে পারছে না। আর এই ফ্যাক্টরটি আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদীদেরও অজানা নয়। এখন যদি অত্র অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক খেলায় কোনো পক্ষ বাংলাদেশের সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় তাহলে তারা প্রথমেই “ধর্মীয় ট্রাম্পকার্ড” খেলতে চাইলে অবাক হবার কারণ নেই। বিশেষ করে তালেবান ইস্যুতে যখন দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের বিরাট সংখ্যক জনগোষ্ঠী প্রকাশ্যে তালেবানকে সমর্থন দিচ্ছে তখন এটা ভাবা স্বাভাবিক যে, আফগানিস্তান থেকে বাংলাদেশ খুব বেশি দূরে নেই। বাংলাদেশে যত তালেবান সমর্থক পাওয়া যাচ্ছে আইএস সমর্থক তার সিকিভাগও ছিল না, তবু আমরা দেখেছিলাম ইরাক-সিরিয়ায় আইএসের উত্থানের পর বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ নতুন মাত্রায় পৌঁছেছিল। তাহলে বর্তমানের তালেবান উত্থানের প্রভাব কতদূর গড়াতে পারে সহজে অনুমেয়।
এ তো গেল ধর্মভিত্তিক “অরাজনৈতিক” দলগুলোর হালত, এবার নজর দেওয়া যাক ধর্মভিত্তিক “রাজনৈতিক” দলগুলোর দিকে। বাংলাদেশের ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো মোটামুটি মূল ধারার গণতান্ত্রিক রাজনীতি থেকে বিতাড়িতই বলা চলে। রাজনৈতিকভাবে তারা বেশিদূর যেতে পারবে না তা বোঝা হয়ে গেছে। তাদের কর্মীদের নৈতিক মনোবল নষ্ট হবার শেষ প্রান্তে চলে এসেছিল আর এরইমধ্যে তালেবানরা আফগানিস্তানের ক্ষমতায় চলে আসায় বাংলাদেশের এই ইসলামপন্থী রাজনীতিতে হতাশ হওয়া তরুণ-যুবকরা প্রবলভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তারা এখন তালেবানকে “হিরো” ভাবছে। অনেকে তালেবান ফ্যান্টাসিতে ডুবে আছে, আবার অনেকে আরও এক ধাপ এগিয়ে তালেবানের বিজয়-অভিযানে শরিক হবার জন্য আফগানিস্তানে পাড়ি জমাচ্ছে (তথ্যসূত্র: পুলিশ)। এর পরিণতি কী হতে পারে তা নতুন করে বলার দরকার পড়ে না।
একটা সেক্যুলার দল ও ধর্মভিত্তিক দলের মধ্যে বাহ্যিক তফাৎ যাই থাকুক শুধু ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণেই ধর্মভিত্তিক দলের কর্মীরা অনেক বেশি এগিয়ে থাকে। যারা ইসলামপন্থী রাজনীতিতে ঢোকে, তারা বিরিয়ানির প্যাকেটের লোভে বা বড় ভাইয়ের অনুগ্রহ পাবার আশায় ঢোকে না। তাদেরকে বোঝানো হয় আল¬াহ-রসুল-কোর’আনের বাণী দিয়ে। তারা আল¬াহ ও রসুলের জন্য সংগ্রাম করছে বলে বিশ্বাস করে, ফলে তাদের নৈতিক শক্তি ও মনোবল থাকে সর্বোচ্চ। রাজনীতিটা তাদের পেশা নয়, বরং স্বপ্ন ও সাধনার বিষয়ে পরিণত হয়। সেই সাধনার জন্য তারা অনায়াসে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করতে পারে। হাসিমুখে জীবন দিতে পারে, নিতেও পারে। প্রশ্ন হলো- এই
এই মহাশক্তিকে নির্মূল করা কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে তো সম্ভব নয়ই, বেতনভুক্ত কোনো সামরিক বাহিনীর পক্ষেও সম্ভব নয়। কারণ সাধারণ জ্ঞানেই বোঝা যায়- পানির তৃষ্ণা পানি দিয়েই নিবারণ করতে হয়, আদর্শের শূন্যতা পূরণ করতে হয় আদর্শ দিয়ে। সে কারণে আমরা দেখতে পাই আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র বা রাশিয়ার মত পরাশক্তিগুলো বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেও জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে পারে না, কারণ তারা ধর্মীয় মতাদর্শকে প্রতিস্থাপন করতে চায় ধর্মহীন মতাদর্শ দিয়ে। এই পদ্ধতি ভুল। তাদেরকে বুঝতে হবে- উগ্রবাদী ইসলামকে মোকাবেলা করতে পারে কেবল প্রকৃত ইসলাম। আফগানিস্তানে আমরা দেখলাম তালেবানরা যখন আফগানিস্তানে ইসলাম কায়েমের বুলি নিয়ে আগাচ্ছিল- তখন সরকারী বাহিনী আমেরিকার মদদ নিয়ে টিকে থাকার প্রয়াসে মত্ত। বৈদেশিক সাম্রাজ্যবাদী শক্তির তাঁবেদারী করা ঠুনকো মনোবল নিয়ে তালেবানকে মোকাবেলা কীভাবে সম্ভব হতে পারে? তালেবান সদস্যরা ভাবছিল তাদের প্রত্যেকটা জীবন যাচ্ছে আল¬াহর রাস্তায়, অন্যদিকে সরকারি বাহিনী কি তা ভাবতে পেরেছে? পারেনি। তারা ভেবেছে তাদের জীবন যাচ্ছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের সাম্রাজ্যবাদী নকশা বাস্তবায়নের পথে। হ্যাঁ, আশরাফ গনি যদি বলতে পারতেন তালেবানরা যে ইসলামের নামে যুদ্ধ করছে সেটা আল¬াহ-রসুলের প্রকৃত আদর্শ না, বরং আল¬াহ-রসুলের ইসলাম নিয়ে আমি দাঁড়িয়েছি, আমার সেনাবাহিনী দাঁড়িয়েছে, তাহলে সেটা হত আদর্শিক মোকাবেলা। তখন তিন লক্ষ সরকারি আর্মিও লড়াই করার মনোবল পেত। কিন্তু সেটা সম্ভব নয় কারণ আসলে তালেবানরা যেমন প্রকৃত ইসলাম নয়, তেমনি আশরাফ গনির সরকারও ইসলামের প্রতিনিধিত্ব করার যোগ্য নয়। ফলে প্রচণ্ড দুর্নীতিগ্রস্ত, জনবিচ্ছিন্ন, বৈদেশিক শক্তির তাঁবেদার সরকারের যা পরিণতি হবার ছিল সেটাই হয়েছে।
ধর্মীয় এই ডামাডোলে আমাদের দেশের সরকারকে মোটামুটি আত্মবিশ্বাসী দেখা যাচ্ছে। তবে সেই আত্মবিশ্বাসের ভিত্তিটা কি শুধুই সামরিক শক্তি? অস্ত্র ও বাহিনী দিয়ে কতটুকু কী অর্জন করা যায় বা প্রয়োজনের সময় এগুলো কতটা কাজে আসে তা আশরাফ গনি সাহেব প্রমাণ করে দিয়েছেন। এমনকি আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক শক্তির সমর্থন বা সহযোগিতাও যে প্রয়োজনের সময় “পরিহাসে” পরিণত হয় সেটারও প্রমাণ পাওয়া গেছে। এখন দেখার বিষয়- বাংলাদেশের সরকার আফগানিস্তানের আশরাফ গনির সরকার থেকে কী শিক্ষা নেয়?
[লেখক: আন্তর্জাতিক সংবাদ বিশ্লেষক; যোগাযোগ: ০১৬৭০১৭৪৬৫১, ০১৭১১৫৭১৫৮১, ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১০০৫০২৫]

asadali0605@gmail.com

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

ফেনীতে লালপোলে স্টার লাইন কাউন্টারের সামনে থেকে ৭ কেজি গাঁজাসহ ২ নারী গ্রেফতার

ফেনীতে লালপোলে স্টার লাইন কাউন্টারের সামনে থেকে ৭ কেজি গাঁজাসহ ২ নারী গ্রেফতার
ফেনী প্রতিনিধি: ফেনী সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    চট্টগ্রাম

দেশের বাজারে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে টানা তিন দফা স্বর্ণের দাম কমার পর এবার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ৫…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    অর্থনীতি

ইফার মউশিক প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

ইফার মউশিক প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) পরিচালিত ‘নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ (মউশিক) প্রকল্পের পরিচালক (যুগ্মসচিব) এস এম তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে সম্প্রতি একটি…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    জাতীয়

মাদারীপুরে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল গ্রেফতার, পলাতক ভাইয়ের খোঁজে তল্লাশি

মাদারীপুরে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল গ্রেফতার, পলাতক ভাইয়ের খোঁজে তল্লাশি
মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বদরপাশা এলাকা থেকে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল মাতুব্বরকে গ্রেফতার করেছে মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট)…
 ১৫ আগস্ট ২০২৬    ঢাকা

​প্রধানমন্ত্রীর নিকট হেফাজতের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ ও প্রত্যাখ্যান হেযবুত তওহীদের

​প্রধানমন্ত্রীর নিকট হেফাজতের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ ও প্রত্যাখ্যান হেযবুত তওহীদের
​ঢাকা: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিকট হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কর্তৃক হেযবুত তওহীদকে নিষিদ্ধ করার অন্যায্য ও অগণতান্ত্রিক দাবির তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও তা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান…
 ১০ আগস্ট ২০২৬    জাতীয়

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুর জেলার আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)…
 ২১ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর
মাদারীপুর সরকারি কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে…
 ১৪ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ আজ কারখানার…
 ৭ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি