প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   বাস্তব সমস্যার সমাধান কীসে?

বাস্তব সমস্যার সমাধান কীসে?

৩১ জানুয়ারি ২০২৩ ১১:৩৬ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে অন্যায় অপশক্তির জয়জয়কার। পরাশক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর অন্যায্য আবদার-দাবি জানমাল দিয়ে মিটিয়ে যেতে হচ্ছে অনুন্নত, দুর্বল, পিছিয়ে পড়া রাষ্ট্রগুলোকে। তাদের যেন কিছুই করার নেই। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা যাদের লক্ষ্যই ছিল শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর শোষণের হাত থেকে দুর্বল রাষ্ট্রগুলোকে রক্ষা করার, তাদের অধিকার সমুন্নত রাখা। কিন্তু বাস্তবে তা তো হচ্ছেই না বরং জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ ইত্যাদি বড় বড় সংস্থারগুলো কাজই যেন হয়ে দাঁড়িয়েছে পরাশক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর হুকুমের তাবেদারি করা। অথচ প্রতিষ্ঠাকালে এসব সংস্থাগুলোর লক্ষ্য ছিল সদস্যভুক্ত সকল রাষ্ট্রের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আইন, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ মানবাধিকার সমুন্নত রেখে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণ একটি বিশ্ব নির্মাণ করা। কিন্তু সেই সংস্থাগুলো এখন বিশ্বের বড় বড় সুপার পাওয়ার পরাশক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর হাতে মুঠোয় বন্দি, তাদের চাওয়া পাওয়া গণ্ডিতে আবদ্ধ। এর বাইরে এদের ভূমিকা নীরব দর্শকের মতই নির্বিকার, নিষ্ক্রিয়। এসব পরাশক্তিধর যেকোনো একটি রাষ্ট্রের ভেটো বা বাধাপ্রদান ক্ষমতা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর যেকোনো ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও আইন বাস্তবায়নে বাধা প্রদান করতে পারে। বাকি সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রগুলোর মতামত সেখানে অগ্রহণযোগ্য। ন্যায়-অন্যায়ের তো প্রশ্নই আসে না।

কথা হচ্ছে, পরাশক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর এই বিশেষ ক্ষমতা কেন? তাদের হাতের মুঠোতে পুরো বিশ্বের ভালোমন্দ নির্ভর করছে কেন? বিশ্বের পিছিয়ে পড়া রাষ্ট্রগুলো তাদের মুখাপেক্ষী কেন? এর কারণ, বিশ্বের মোঁ সম্পদের সিংহভাগই তাদের হাতে। বিশ্বের বড় বড় ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রতিষ্ঠান, অর্থ-সম্পদ, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, আবিষ্কার, জ্ঞান-বিজ্ঞানে উৎকর্ষতা সকলকিছুই এই গুটিকয়েক রাষ্ট্রের হাতের মুঠোয়। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর সর্বশেষ (২০১৭-২০২১) রিপোর্ঁ অনুযায়ী বৈশ্বিক অস্ত্র উৎপাদন ও রপ্তানিতে শীর্ষ ১০ দেশের তালিকার প্রথম দিকেই রয়েছে জাতিসংঘের ভেটোপ্রদানকারী পাঁচটি দেশ। বাকি রাষ্ট্রগুলো নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী বিভিন্ন রাষ্ট্রগুলোর সাথে গড়ে তুলেছে অর্থনৈতিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন জোঁ। এটাতো স্পষ্টই যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে হুকুমদাতারা হুকুম দেয় স্বেচ্ছাচারিতায়, বাকি রাষ্ট্রনেতাদের গুরুত্ব দেয় শক্তিমত্তার ভিত্তিতে।

এত গেল, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক রাষ্ট্রের সাথে আরেক রাষ্ট্রের ক্ষমতার লড়াইয়ের কথা। এছাড়া প্রতিটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, অস্থিরতা, সংকট প্রতিনিয়ত লেগেই আছে। ক্ষমতাসীন ও বিরোধীদলের ক্ষমতার ভাগাভাগিতে নিষ্পেষিত হচ্ছে সাধারণ মানুষগুলো। যত দিন যাচ্ছে তত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার রাজনৈতিক সিস্টেমের প্রতিটি স্তর ধসে পড়ছে। সমাজ ততবেশি দুর্নীতিগ্রস্ত আর অন্যায়ের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে। কঠিন থেকে কঠিনতর, স্বল্প থেকে দীর্ঘতর কলরবে রচিত-পরিমার্জিত-পরিবর্ধিত আইন-সংবিধান-প্রটোকল কোনোকিছুই বন্যার মত উপচে পড়া অন্যায়ের ঢলকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। দুর্নীতি, ক্ষমতা ও রাজনীতির অপপ্রয়োগ, সন্ত্রাস, খুনসহ সকল অপরাধ ধাঁই ধাঁই করে বেড়েই চলেছে। রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতির সয়লাব। সরকার, প্রশাসন, সচেতন মহলের কপালে আজ চিন্তার ভাঁজ, ‘সর্বাঙ্গে ব্যথা, ওষুধ দেব কোথা’?

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

এমন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের অভিভাবকগণের সময় এসেছে নতুন করে ভাবার, সিদ্ধান্ত নেবার। এই চ্যালেঞ্জ শুধু নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের বা রাষ্ট্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বরং বিশ্বব্যবস্থার। যেখানে ন্যায়-অন্যায়, ন্যায্য-অন্যায্যের কোন বিচার চলে না। সেখানে আইন পরিমাপ হয়ে শক্তিমত্তার ভিত্তিতে। বাংলায় যেটাকে বলে ‘শক্তিমানের কথাই ঠিক’। বিশ্বজুড়ে হাজারো তন্ত্র-মন্ত্র, বাদ-মতবাদ, শাসনব্যবস্থা চালু রয়েছে। মানুষ একটার পর একটা জীবনব্যবস্থা তাদের সামগ্রিক জীবনে প্রয়োগ করছে। কখনো গণতন্ত্রের স্বাদ আস্বাদন করছে তো কখনো সমাজতন্ত্রের। কিন্তু ফলাফল শূন্য। কোনো ব্যবস্থাই মানুষের আত্মিক, সমাজের চূড়ান্ত অবক্ষয়কে রুখতে পারছে না। এ যেন ফুটন্ত কড়াই থেকে জ্বলন্ত চুলায় লাফ দেওয়ার মতো অবস্থা। মানুষ দিশেহারা। শান্তির জন্য হাহাকার করছে মানুষ। তারা প্রতিনিয়ত সংবিধান সংশোধন করছে, কঠোর থেকে কঠোরতর আইন তৈরি করছে, প্রশিক্ষিত সামরিক বাহিনী প্রস্তুত করছে, শান্তির জন্য সভা-সেমিনার করছে কিন্তু তাতে থেমে থাকেনি অপরাধপ্রবণতা। মানবসৃষ্ট গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, রাজতন্ত্র ইত্যাদি সিস্টেমের ব্যর্থতা এখানেই। তারা রাষ্ট্রের কল্যাণের জন্য যথেষ্ট আইন তৈরি করেছে ঠিকই কিন্তু সেগুলোর সমানভাবে প্রয়োগ ঘটাতে পারেনি। সেগুলো শুধু কাগজের পাতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ফলে বস্তুগত উন্নতি মানুষের আত্মিক উন্নতি করতে পারেনি। তার আদর্শিক ও নৈতিক গুণাবলীর বিকাশ ঘটাতে পারেনি। তার সমাজে ন্যায়, সুবিচার, সাম্য প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। তাই প্রচণ্ড অন্যায়ের ঢেউয়ে প্লাবিত মানুষের সমাজ, তার জীবন, পুরো সিস্টেম। এখন যদি মানুষ চায় এই পচা ভিত্তিমূল উপড়ে ফেলে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ, রাষ্ট্র ও বিশ্বব্যবস্থা নির্মাণ করতে তাহলে লাগবে একটি সঠিক আদর্শ। যে আদর্শ হবে নিখুঁত এবং নির্ভুল। যে আদর্শের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হবে ক্ষুদ্র সমাজ থেকে শুরু করে পুরো বিশ্ব। তাহলেই মানুষ অন্যায়পূর্ণ সমাজব্যবস্থাকে পরিবর্তন করে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ নির্মাণ করতে সক্ষম হবে।

এমনিই একটি আদর্শের প্রস্তাব করছে হেযবুত তওহীদ। হেযবুত তওহীদের মাননীয় এমাম জনাব হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম, যিনি এই বৈশ্বিক সংকট মোকাবেলায় একটি সুনিপুণ আদর্শ ও ঐক্যের দিকে মানুষকে আহ্বান করে আসছে। তিনি এমন একটি নির্ভূল আদর্শ ও জীবনব্যবস্থার দিকে মানুষকে ডাকছেন যা আজ থেকে ১৪০০ বছর জাজিরাতুল আরবসহ অর্ধ পৃথিবীতে অকল্পনীয় শান্তি, ন্যায়, সুবিচার ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিল।

তিনি এমন একটি আদর্শের দিকে মানুষকে আহ্বান করছেন, যে আদর্শ মানুষকে বাস্তব সমস্যার বাস্তব সমাধান দিতে সক্ষম। যে আদর্শ পারে মানুষের যাবতীয় সংকট মোকাবেলা করে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে। তিনি ১৪০০ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া সেই আদর্শ পুনরায় প্রতিষ্ঠা করতে প্রতিনিয়ত মাঠে-ময়দানে, পথে-ঘাটে, প্রান্তরে ছুটে বেড়াচ্ছেন। হাজার হাজার সভা সেমিনার, আলোচনা ও পথসভা তিনি করে যাচ্ছেন। বই-পুস্তক প্রকাশনা, অনলাইন-অফলাইন সর্বত্র তিনি তওহীদের ভিত্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একক জাতিসত্তা গড়ে তুলতে মানুষকে আহ্বান করছেন। তার এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রতিনিয়ত অসংখ্য মানুষ হেযবুত তওহীদের সাথে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে। তারা হারিয়ে যাওয়া ইসলামের প্রকৃত রূপ সম্পর্কে জানতে পারছে। একটি নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণে হেযবুত তওহীদের সাথে অঙ্গীকারাবদ্ধ হচ্ছে। ইনশাল্লাহ অচিরেই হেযবুত তওহীদের আদর্শ বুকে ধারণ করে একটি সমাজ থেকে শুরু করে পুরো বিশ্বকে একটি শান্তিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা উপহার দিতে সক্ষম হবে। এমন একটি সমাজব্যবস্থা নির্মাণ করতে সক্ষম করবে যা ক্ষুদ্র পরিবার থেকে শুরু করে পুরো বিশ্বের সকল সমস্যাকে মোকাবেলা করে মানবজাতিকে একক জাতিসত্তার ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ করে গড়ে তুলবে ইনশাল্লাহ। সে সময়ের অপেক্ষায়…।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

একসময়ের প্রাণচাঞ্চল্য আজ নীরব: আক্কেলপুরের জাফরপুর রেলস্টেশনে দুর্ভোগে এলাকাবাসী

একসময়ের প্রাণচাঞ্চল্য আজ নীরব: আক্কেলপুরের জাফরপুর রেলস্টেশনে দুর্ভোগে এলাকাবাসী
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার জাফরপুর রেলস্টেশন একসময় ছিল আশপাশের গ্রামের মানুষের যাতায়াত ও জীবিকার অন্যতম কেন্দ্র। ট্রেনের অপেক্ষায় যাত্রীদের ভিড়, স্টেশন ঘিরে হোটেল ও দোকানপাটের ব্যস্ততা…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী

সংবাদ প্রকাশের জেরে আমার দেশ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

সংবাদ প্রকাশের জেরে আমার দেশ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
গাজীপুর সংবাদদাতা:সংবাদ প্রকাশের জেরে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন দৈনিক আমার দেশ-এর শ্রীপুর প্রতিনিধি এস এম…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে প্রতিপক্ষের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কালিয়াকৈর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

গাইবান্ধায় ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

গাইবান্ধায় ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
গাইবান্ধা পৌর এলাকার সবুজপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২৪…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, ধামরাইয়ে মন্দির পরিদর্শন শেষে বিভাগীয় কমিশনার

দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, ধামরাইয়ে মন্দির পরিদর্শন শেষে বিভাগীয় কমিশনার
শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কমিটির নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক দলগুলো মাঠপর্যায়ে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিভাগীয়…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে বদলি দুই প্রান্তের দুই বিদ্যালয়ে!

ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে বদলি দুই প্রান্তের দুই বিদ্যালয়ে!
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে একই উপজেলার দুই প্রান্তের দুটি বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। এর আগে সহকারী শিক্ষক আছমা খাতুনকে…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি!

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি!
গাজীপুর প্রতিনিধি:  গাজীপুরের শ্রীপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি ফৌজদারি মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন দৈনিক আমার…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র চালানো ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার মতো: হাসনাত

জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র চালানো ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার মতো: হাসনাত
জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনাকে ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার সঙ্গে তুলনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন,…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

শর্ত মানলেই সাত দিনের মধ্যে খুলবে হরমুজ প্রণালি: আরাগচি

শর্ত মানলেই সাত দিনের মধ্যে খুলবে হরমুজ প্রণালি: আরাগচি
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্ত মেনে নিলে ছয় দিনের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া সাত…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

তিন বছরের অপেক্ষার অবসান, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী!

তিন বছরের অপেক্ষার অবসান, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী!
ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমীর যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পাওয়ার খবর সামনে এসেছে। দীর্ঘ তিন বছরের অপেক্ষার পর দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি হয়েছে তার। তবে গ্রিন…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

মা ইলিশ সংরক্ষণে ৩৮ জেলার ১১১ এমপিকে মন্ত্রীর নির্দেশনা!

মা ইলিশ সংরক্ষণে ৩৮ জেলার ১১১ এমপিকে মন্ত্রীর নির্দেশনা!
মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফল করা এবং জনসচেতনতা বাড়াতে ৩৮ জেলার ১১১ জন সংসদ সদস্যকে ডিও লেটার দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের!

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের!
বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে প্রাথমিকভাবে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন জাপানি বিনিয়োগকারীরা। এ প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হলে দ্রুত…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতির সঙ্গে বাফুফের বৈঠক, মিলল আর্থিক সহায়তার আশ্বাস!

বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতির সঙ্গে বাফুফের বৈঠক, মিলল আর্থিক সহায়তার আশ্বাস!
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়ালসহ চার সহ-সভাপতি। ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় বাংলাদেশের ফুটবলের…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

মাঝ আকাশে দরজা খুলে ঢাকায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জরুরি অবতরণ, রোগীর মৃত্যু!

মাঝ আকাশে দরজা খুলে ঢাকায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জরুরি অবতরণ, রোগীর মৃত্যু!
ভারতের আগরতলা থেকে কলকাতা যাওয়ার পথে মাঝ আকাশে দরজা খুলে যাওয়ায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স। পরে উড়োজাহাজে থাকা…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বর প্লেট লাগানোর নির্দেশ, সময়সীমা ১৫ নভেম্বর!

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বর প্লেট লাগানোর নির্দেশ, সময়সীমা ১৫ নভেম্বর!
সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী মোটরসাইকেল শনাক্ত করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে মোটরসাইকেলের পেছনের পাশাপাশি সামনের অংশেও রেজিস্ট্রেশন নম্বরসংবলিত প্লেট লাগাতে হবে। বাংলাদেশ সড়ক…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়