প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   নারী স্বাধীনতা: পাশ্চাত্য ‘সভ্যতা’ বনাম...

নারী স্বাধীনতা: পাশ্চাত্য ‘সভ্যতা’ বনাম ইসলাম

১৬ জুলাই ২০২২ ১০:২২ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

আদিবা ইসলাম:
ব্রিটেনের সাসেক্সের একটি বাজার। একজন পুরুষের হাতে একটি রশি। রশির অপর প্রান্ত একজন নারীর কোমরে বাঁধা। উৎসুক জনতা নারীটিকে আপাদমস্তক দেখছে। কেউ দেখে চলে যাচ্ছে, কেউ বা তামাসা দেখার জন্য দাঁড়িয়ে আছে। সকলেই জানে যে নারীটি পুরুষের স্ত্রী। এ দৃশ্য তাদের কাছে অতি পরিচিত। প্রায়ই কোনো ইংরেজ পুরুষ তার বিবাহিত স্ত্রীকে এভাবে কোমরে বা গলায় বেল্ট পরিয়ে হাটে নিয়ে আসে বিক্রি করে দেওয়ার জন্য। আজকের পুরুষটি তার বৌয়ের দাম হেঁকেছে মাত্র দুই পেনি। কেবল ব্রিটেন নয়, গোটা ইউরোপে এমন দৃশ্য হরহামেশাই চোখে পড়ত মাত্র দেড়শ বছর আগে পর্যন্ত। ১৮৬৯ সাল পর্যন্ত ব্রিটেনে এটা আইনসম্মত একটি প্রথা ছিল যে, পুরুষেরা তাদের স্ত্রীকে বিক্রি করতে পারে। তাই কোনো স্ত্রী যদি আদালতে বিক্রয় হওয়ার বিরুদ্ধে আর্জি জানাত তাহলে বিচারপতিদেরকে স্বামীর পক্ষেই রায় ঘোষণা করতে হত।

প্রখ্যাত ইংরেজ বিচারক স্যার উইলিয়াম ব্ল্যাকস্টোন ১৭৫৩ সালে লিখেছিলেন, বিবাহিত মহিলারা তাদের নিজস্ব সম্পত্তির মালিক হতে পারে না বরং তারাই তাদের স্বামীর সম্পত্তি ছিল। ঞযব খধংি জবংঢ়বপঃরহম ডড়সবহ, ঘধঃঁৎধষ জরমযঃং (১৭৭৭) স্ত্রী বিক্রিকে দরিদ্র স্বামীদের জন্য বিবাহ ভেঙ্গে ফেলার পদ্ধতি হিসেবে দেখা হত। ইউরোপের পুরো মধ্যযুগের ইতিহাস ঘেঁটে দেখলে দেখা যাবে, পুরো সময়টাতেই নারীরা সমাজের কাছে কেবল খেলার বস্তু ছিল। তাদেরকে পশুর চেয়েও মূল্যহীন মনে করা হত। একজন নারীর অবস্থান সমাজে কতটা নিচু, অবমাননাকর হলে তাকে দরদাম হাকিয়ে গরু-বকরির মতো বিক্রি করা যায়? সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, যারা নারী তারাও শতাব্দির পর শতাব্দি সমাজের দ্বারা নিগৃহীত, লাঞ্ছিত হতে হতে, পরাধীনতার শিকলে বন্দি থাকতে থাকতে এমনভাবে আত্মমর্যাদা হারিয়ে বসেছিল যে, নিজেরাও ভুলে গিয়েছিল তারা মানুষ এবং তাদের গলায় লাগাম পরিয়ে বিক্রি করা যায় না। সেই যুগের মানুষের নৈতিক স্খলন এবং বর্বরতা কত সাংঘাতিক পর্যায়ে চলে গিয়েছিল যে তা বুঝাতে “মধ্যযুগীয় বর্বরতা” নামে একটি আলাদা বাগধারাই রচিত হয়ে গিয়েছে।

মধ্যযুগে ইউরোপের সমাজের নারীদের অবস্থান তুলে ধরছি একটি বিশেষ কারণে। তা হলো, আজ একবিংশ শতাব্দিতে এসে পৃথিবীতে সভ্য নামে পরিচিত পাশ্চাত্য সভ্যতার আতুঁড়ঘর খোদ ইউরোপের এমন প্রযুক্তিগত সমৃদ্ধি দেখে যারা ভাবেন যে, এমন উন্নত সমাজ, সভ্য সমাজ, এমন প্রাচুর্য্য, সমৃদ্ধি, সমাজে নারীদের এমন সম্মান, মর্যাদা, অবস্থান, মেধার সাক্ষর আর বুঝি কোনোকালে মানুষ দেখে নি। তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, ১৫০ বছর আগেও যে ইউরোপের সমাজে একজন নারীর মূল্য আর একটি গরু-বকরির চেয়ে বেশি কিছু ছিল না। সেই তথাকথিত শ্রেণিটিই আজ দেড়শো’ বছর পর এসে ইউরোপের নারীদের কথিত স্বাধীনতা ও মান-মর্যাদা দেখে ভক্তিতে গদগদ হয়ে যান, পশ্চিম বন্দনার ভাষা হারিয়ে ফেলেন। তারা প্রশ্ন তোলেন, ইসলাম কি নারীদের এমন স্বাধীনতা ও সম্মান দিতে পেরেছিল?

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

তাদের উদ্দেশে বলছি, আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে ইসলাম নারীদের যে সম্মান, মর্যাদা, স্বাধীনতা দিয়েছিল তা আজও আপনারা কল্পনা করতে পারবেন না। কিন্তু যা আপনারা কল্পনা করতে পারবেন না, তা-ই ইতিহাস। চৌদ্দশ’ বছর আগের আরব সমাজ ছিল অজ্ঞতা, কু-সংস্কার, মূর্খতা, বর্বরতায় পরিপূর্ণ। তারা ছিল বাকি পৃথিবীর চোখে অবজ্ঞাত, অবহেলিত। কারণ সেখানে কোনো ফল-ফসলের আবাদ হত না। মরুভূমির রুক্ষ পরিবেশে তাদের জীবনযাপনও ছিল অত্যন্ত রুক্ষ। এই রুক্ষতা তাদের চরিত্রের উপরও ছাপ ফেলেছিল। মানুষগুলো ছিল নিষ্ঠুর, মানবতাবোধহীন। ছিল না নগর সভ্যতা, ছিল না শিক্ষা। ইব্রাহীম (আ.) এর কোনো শিক্ষাই অবশিষ্ট ছিল না তাদের মধ্যে। সমাজে নীতিনৈতিকতার কোনো বালাই ছিল না। সবচেয়ে করুণ অবস্থা ছিল নারীদের। আরবের গোত্রগুলো খাদ্য সংগ্রহের প্রয়োজনে সুযোগ পেলেই অন্য গোত্রের উপর হামলা চালাতো। পরাজিত করতে পারলে তাদের ঘোড়া, উট ও নারীদেরকে লুট করে নিয়ে যেত। এটা গোত্রের পুরুষদের জন্য ছিল একটা অপমানের বিষয়। এ কারণে তারা কন্যা সন্তান কামনা করত না। ছেলেরা বড় হয়ে যোদ্ধা হবে, গোত্রের জন্য লড়বে। আর নারীরা গোত্রের অসম্মানের কারণ হবে, তাদেরকে অন্য গোত্রের পুরুষরা ভোগ করবে এ চিন্তা থেকে অনেক গোত্রের ঐতিহ্যই ছিল কন্যা সন্তান হলে তাদেরকে বড় হওয়ার আগেই হত্যা করে ফেলা। হত্যা করার পদ্ধতিটা ছিল আরো বর্বরোচিত। পিতা নিজেই তার কন্যাসন্তানকে জীবিত কবর দিয়ে দিত।

যে কোনো তুচ্ছ কারণে স্ত্রী ও সন্তানদের বেঁধে নির্দয়ভাবে মারধর করা অথবা তাদের চুল ধরে টানা হেঁচড়া করাও স্বামীদের অধিকার ছিল। বিবাহের বিভিন্ন প্রথা বিদ্যমান ছিল। এই সময়ে সর্বাধিক প্রচলিত এবং স্বীকৃত প্রথার মধ্যে রয়েছে: চুক্তি দ্বারা বিবাহ, অপহরণের মাধ্যমে বিবাহ, ক্রয় দ্বারা বিবাহ, উত্তরাধিকার দ্বারা বিবাহ এবং মুতাহ বা অস্থায়ী বিবাহ। পুরুষগণ একাধিক স্ত্রী গ্রহণ, ইচ্ছেমত বর্জন, অবৈধ প্রণয় এবং বহু রক্ষিতা রাখতো। নারীগণও একই সঙ্গে একাধিক স্বামী বা বহুপতি গ্রহণ বা ব্যভিচারে লিপ্ত হত। ধর্ষকেরা কবিতা লিখে নিজেদের অপকর্মের বর্ণনা গর্বভরে প্রচার করত। ভাই-বোনে বিয়ে, উত্তরাধিকারসূত্রে বিমাতাকে বিয়ে করার কু-প্রথাও ছিল। পতিতাবৃত্তিও চালু ছিল। ভোগবাদী আরবরা দাস-দাসী এমনকি শত্রু গোত্রের লোকদের সাথে অবর্ণনীয় নিষ্ঠুরতার পরিচয় দিত। বিত্তবানরা খেলাচ্ছলে দ্রুতগামী উট, ঘোড়ার সাথে হতভাগা নারী বা শিশুকে বেঁধে দিত। ফলে এদের অনেকেই মৃত্যু বরণ করত।

আখেরি নবী মোহাম্মদ (সা.) সেই তমসাচ্ছন্ন যুগে এসে আরবের সমাজ চিত্রকে আমূল পাল্টে দিলেন। প্রাক-ইসলামি যুগে, আরব নারীদের বিবাহ বিচ্ছেদের অধিকার ছিল না এবং তাদের উত্তরাধিকার কোন অংশ দেওয়া হতো না; ইসলামে নারীদেরকে পিতার সম্পত্তি, স্বামীর সম্পত্তি, ছেলের সম্পত্তি, অবস্থাবিশেষে ভাইয়ের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী পর্যন্ত করা হয়েছে। কন্যা সন্তানের প্রতি নেতিবাচক মনোভাবের তীব্র প্রতিবাদ করে কোর’আনে বলা হয়েছে, ‘যখন তাদের কন্যাসন্তানের সুসংবাদ দেওয়া হয়, মনঃকষ্টে তাদের চেহারা কালো হয়ে যায়! তাদের যে সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে তার কারণে তারা নিজ সম্প্রদায়ের লোক থেকে মুখ লুকিয়ে রাখে? তারা ভাবে এই সন্তান রাখবে, নাকি মাটিতে পুঁতে ফেলবে, সাবধান! তাদের সিদ্ধান্ত কতই না নিকৃষ্ট। (সুরা নাহল ৫৮-৫৯)

ইসলাম নারীদের সামাজিক অবস্থা পরিবর্তনে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখল। যে নারীরা কিছুদিন আগেও ছিল পরিবারের বোঝা ইসলামের সংস্পর্শে এসে তারা হয়ে গেল পরিবারের সম্মান, সমাজের গৌরব। সকল ক্ষুদ্রতা, সংকীর্ণতা, অন্ধত্ব আর গোড়ামী থেকে বের করে ইসলাম নারীদের বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখালো। যে নারীদের গণ্ডি ছিল চার দেয়াল, সেই নারীদেরকে ইসলাম রণাঙ্গনে নিয়ে গেল। অবলা নারী পরিণত হল দুর্ধর্ষ যোদ্ধানারীতে। ওহুদের মাঠে শত্রুর আঘাতে আহত রসুলাল্লাহ সংজ্ঞা হারিয়ে ফেললে উম্মে আম্মারা (রা.) তলোয়ার হাতে চারিদিক ঘিরে ফেলা শত্রুর হামলাকে প্রতিহত করেন। জ্ঞান ফেরার পর রসুলাল্লাহ মন্তব্য করেছিলেন, আজকে উম্মে আম্মারার মধ্যে যে শক্তি দেখেছি তা ছিল তোমাদের সবার চেয়ে অধিক। ইয়ারমুকের যুদ্ধে খাওলা বিনতে আজওয়ার (রা.) একটি বিশেষ বাহিনীর অধিনায়ক হিসাবে দুঃসাহসী ভূমিকা পালন করেন। রুফায়দাহ আল আসলামিয়া (রা.) ছিলেন মসজিদে নববীতে স্থাপিত যুদ্ধাহত সৈন্যদের হাসপাতালের অধ্যক্ষ। উইকিপিডিয়াতে তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে, রুফাইদা আল-আসলামিয়া ছিলেন একজন মুসলিম চিকিৎসাকর্মী ও সমাজকর্মী যিনি ইসলামের ইতিহাসের প্রথম মহিলা মুসলিম নার্স এবং প্রথম মহিলা সার্জন হিসাবে স্বীকৃত। তিনি বিশ্বের প্রথম নার্স হিসেবে পরিচিত। উম্মে শেফা (রা.) মদিনার বাজার ব্যবস্থাপনার মত গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও রাজস্ব খাতে দায়িত্ব পালন করতেন।

জাহেলিয়াতের যুগে তাদেরকে নিছক শরীর হিসাবে, ভারবহনকারী প্রাণী হিসাবে, শ্রমিক হিসাবে দেখা হত। তাদের যে জ্ঞান মেধা যোগ্যতা প্রতিভা সৃজনশীলতা থাকতে পারে তা বিশ্বাস করা হত না, তার বিকাশেরও সুযোগ ছিল না। ইসলাম তাদের মেধার বিকাশ ঘটানোর সুযোগ সৃষ্টি করে দিল। কীভাবে এটা করল তার বিস্তারিত বিবরণে না গিয়ে এটুকু বলাই যথেষ্ট হবে যে, রসুলাল্লাহ যে নতুন জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করলেন সেই জীবনব্যবস্থার এমন কোনো অঙ্গন ছিল না যেখানে নারীর অংশগ্রহণ ছিল না। হাজার বছরের বঞ্চিত অবহেলিত নারী এই প্রথম নিজেকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসাবে প্রমাণ করার সুযোগ লাভ করল। ইসলাম নামক পরশপাথরের ছোয়ায় মুসলমানরা জ্ঞানে-বিজ্ঞানে, প্রযুক্তিতে, সামরিক বলে শিক্ষকের জাতিতে আসীন হলো। তারা হয়ে গেল সুপার পাওয়ার, অন্যদের অনুকরণীয়, অনুসরণীয়। পরবর্তী সোনালী যুগে নারীরা প্রমাণ দিল যে তাদের মেধা পুরুষদের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। তারা শিক্ষাবিস্তার, গবেষণা, চিকিৎসায়, জোর্তিবিদ্যায়, গণিতে, অর্থনীতিতে, রাজনীতিসহ সকল অঙ্গণে ঈর্ষণীয় অবদান রাখতে সক্ষম হল। জুবায়দা বিনতে জাফর যিনি বাগদাদ থেকে মক্কা পর্যন্ত কূপ খনন প্রকল্পের বাস্তবায়ন করেছিলেন। সুতায়তা ছিলেন একজন গণিতবিদ, দাইফা খাতুন যিনি অসামান্য প্রতিভাধর একজন শাসক ছিলেন, যার হাতেই গড়ে উঠেছিল আলেপ্পোর নান্দনিক স্থাপনা। মরিয়ম আল এস্তোলোবি ছিলেন একজন জোর্তিবিদ যিনি আকাশের গ্রহ-নক্ষত্রের গতিপথ নির্দেশক যন্ত্র এস্ট্রোলেইব আবিষ্কার করেছিলেন। বিশ্বের প্রথম সনদ প্রদানকারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠান করেন একজন মুসলিম নারী যাঁর নাম ফাতিমা আল-ফিহরিয়া। মরোক্কোর ফেইজ শহরের কায়রোয়ান মসজিদকে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করেন। এভাবে বলতে গেলে জীবনের প্রতিটি অঙ্গনে নারী প্রগতির এক বিস্ময়কর অধ্যায় রচনা করেছিল ইসলাম।

ইসলাম শুধু নারীদেরই এমন বিস্ময়কর পরিবর্তন ঘটায় নি, প্রকৃতপক্ষে পুরো সমাজটাকে ইসলাম বদলে দিয়েছিল। বর্বর আরববাসীকে পরিণত করেছিল সোনার মানুষে। সমাজে এমন শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করেছিল যে, দিনে রাতে যে কোনো সময়ে একজন নারী স্বর্ণালংকার পরে সানা থেকে হাদরামাউত পর্যন্ত সাড়ে তিনশো’ মাইল পথ হেঁটে যেত নির্ভয়ে। অথচ সে সমাজে নিয়মিত কোনো পুলিশ বাহিনী ছিল না। এমন সমাজ কি এই আধুনিক প্রযুক্তির যুগেও কল্পনা করা যায়? জাতিসংঘের গবেষণায় পাওয়া তথ্যে ধর্ষণের যে শীর্ষ দশ দেশের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তার শুরুতেই আছে আমেরিকা। তথ্যমতে প্রতি ৬ জন নারীর একজন ও প্রতি ৩৩ জন পুরুষের একজন আমেরিকায় ধর্ষণ এর শিকার হয়। প্রকৃত অবস্থা আরো ভয়াবহতার কারণ মাত্র ১৬% ধর্ষণ কেস রিপোর্ট করা হয় আমেরিকায়। ধর্ষণে এগিয়ে থাকা পরবর্তী নয়টি দেশ হচ্ছে যথাক্রমে ব্রিটেন, দক্ষিণ আফ্রিকা, সুইডেন, ভারত, জার্মানি, ফ্রান্স, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও ডেনমার্ক। (অন্যদিগন্ত)

এই হচ্ছে আমাদের সভ্য সমাজের অভ্যন্তরীণ নারী মর্যাদার চিত্র। অথচ এই সভ্যতার পূজারীরা ইসলামের দিকে আঙ্গুল তুলে বলে যে ইসলাম নারীদেরকে বাক্সবন্দী করে, ভোগ্যবস্তু করে, নারীদের বঞ্চিত করে, নারীদের মানুষ হিসাবে মূল্যায়ন করে না ইত্যাদি। আমরা দেখলাম দেড়শ’ বছর আগে ইউরোপের সমাজ কেমন ছিল, দেখলাম এখন উন্নত বিশ্বের অবস্থা কেমন। পশ্চিমা সভ্যতা নারী স্বাধীনতার নামে নারীদের বানিয়েছে প্রদর্শনীর বস্তু, পণ্যের বিজ্ঞাপন। আধুনিকতার নামে, মুক্তির নামে তাদেরকে অশ্লীলতায় প্ররোচিত করছে। বাস্তবে নারীদের মর্যাদা দিতে পারে নি। দেড়শ’ বছর আগেও পারে নি, আজও পারে নি। কিন্তু ইসলাম পেরেছিল। তাই ইসলামের দিকে আঙ্গুল তোলা তাদের সাজে না।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

এআই দিয়ে হয়রানি বন্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান পরীমনির!

এআই দিয়ে হয়রানি বন্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান পরীমনির!
ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ভুয়া ও বিকৃত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে বিব্রতকর…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

‘পূজার জন্য এক মাস ধরে শাড়ি জমিয়েছি’, জানালেন রুমিন ফারহানা!

‘পূজার জন্য এক মাস ধরে শাড়ি জমিয়েছি’, জানালেন রুমিন ফারহানা!
শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে এক মাস ধরে শাড়ি জমিয়েছেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। পূজার সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী ও দশমীর জন্য আলাদা শাড়ি…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

এক দিনে তিন বিভাগে প্রধানমন্ত্রী, পরিদর্শন করবেন পূজামণ্ডপ

এক দিনে তিন বিভাগে প্রধানমন্ত্রী, পরিদর্শন করবেন পূজামণ্ডপ
শারদীয় দুর্গোৎসবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানাতে এবং পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এক দিনে দেশের তিন বিভাগ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে গিয়ে…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

ভারত বাংলাদেশ নয়, ফ্রান্সও নয়, রিজিজুকে জবাব থারুরের!

ভারত বাংলাদেশ নয়, ফ্রান্সও নয়, রিজিজুকে জবাব থারুরের!
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের তুলনা টেনে রাজনৈতিক বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা ও সংসদ সদস্য শশী থারুর। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

সৌদির পবিত্র স্থান রক্ষায় কোনো আপস নয়: পাকিস্তান সেনাবাহিনী

সৌদির পবিত্র স্থান রক্ষায় কোনো আপস নয়: পাকিস্তান সেনাবাহিনী
সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা রক্ষায় কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলে জানিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। দেশটির আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর)…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

দুর্গোৎসবের নিরাপত্তায় আনসার-ভিডিপির তৎপরতা: ফার্মগেট মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন মহাপরিচালক

দুর্গোৎসবের নিরাপত্তায় আনসার-ভিডিপির তৎপরতা: ফার্মগেট মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন মহাপরিচালক
শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন নির্বিঘ্ন, নিরাপদ ও উৎসবমুখর রাখতে বাহিনীর সদস্যদের নিরাপত্তা দায়িত্ব সরেজমিনে তদারকি করছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

প্রতিষ্ঠান অকার্যকর বলেই প্রতিমন্ত্রীকে রাস্তায় নামতে হয়: হাসনাত

প্রতিষ্ঠান অকার্যকর বলেই প্রতিমন্ত্রীকে রাস্তায় নামতে হয়: হাসনাত
মাদক নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

আশুলিয়ায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ৩ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রেফতার

আশুলিয়ায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ৩ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রেফতার
আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি:ঢাকা জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি ও একটি ম্যাগাজিনসহ তিনজন কুখ্যাত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

দাউদকান্দির গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডে বেপরোয়া পার্কিংয়ে তীব্র যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

দাউদকান্দির গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডে বেপরোয়া পার্কিংয়ে তীব্র যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা
কুমিল্লা প্রতিনিধি:ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট দাউদকান্দির গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডে প্রতিদিন দীর্ঘ ও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। নির্দিষ্ট কিছু পরিবহন কোম্পানির দায়িত্বহীনতা এবং মহাসড়কে দীর্ঘ সময়…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে দুর্গাপূজার আয়োজনে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত!

নারায়ণগঞ্জে দুর্গাপূজার আয়োজনে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত!
বাংলাদেশে প্রথমবার দুর্গাপূজার আয়োজন দেখতে এসে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। সোমবার নারায়ণগঞ্জ শহরের আমলাপাড়া সর্বজনীন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে নৃত্যশিল্পী,…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

জামায়াত নেতার বক্তব্যে ব্যথিত ইশরাক, বললেন ‘জীবন বাজি রেখে গিয়েছি’

জামায়াত নেতার বক্তব্যে ব্যথিত ইশরাক, বললেন ‘জীবন বাজি রেখে গিয়েছি’
জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার বক্তব্যে ব্যথিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন সদ্য পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তিনি বলেছেন, নিজের রাজনৈতিক দল থেকে কোনো ষড়যন্ত্রের শিকার…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

সৌদিতে নিহত প্রবাসীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে সহযোগিতা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা!

সৌদিতে নিহত প্রবাসীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে সহযোগিতা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা!
সৌদি আরবে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি নূরুল হকের পরিবার ক্ষতিপূরণের অর্থ পাওয়ায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। সোমবার (১৯…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

এবার সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করলেন হিরো আলম!

এবার সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করলেন হিরো আলম!
সাবেক স্ত্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, অর্থ আত্মসাৎ, প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে আদালতে মামলার আবেদন করেছেন আলোচিত কনটেন্ট নির্মাতা আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম বাড়ছে, চাপে নিম্ন আয়ের মানুষ!

বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম বাড়ছে, চাপে নিম্ন আয়ের মানুষ!
যুদ্ধের প্রভাবে পণ্য পরিবহনে বিঘ্ন, জ্বালানি ও সারের মূল্যবৃদ্ধি এবং এল নিনোর কারণে খরার আশঙ্কা—সব মিলিয়ে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এতে আগামী কয়েক…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    অর্থনীতি

দুঃখ প্রকাশ করছি, কিন্তু ভুল করিনি, সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক!

দুঃখ প্রকাশ করছি, কিন্তু ভুল করিনি, সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক!
মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে থাকার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করলেও নিজের কোনো ভুল হয়নি বলে দাবি করেছেন সদ্য পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। নিজের…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত