জাতীয় দলের জার্সিতে লিওনেল মেসির গৌরবময় অধ্যায় শেষ হতে চলেছে। ৭ অক্টোবর বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচেই আর্জেন্টিনার হয়ে শেষবার মাঠে নামার কথা বিশ্বকাপজয়ী এই অধিনায়কের। মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সেই বিদায়ী ম্যাচে মেসির পরা আইকনিক আর্মব্যান্ডটি এবার ফুটবল ইতিহাসের বিশেষ এক স্মারক হয়ে উঠতে যাচ্ছে।
মেসির শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচের পর আর্মব্যান্ডটি বিশেষ মর্যাদায় সংরক্ষণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। আর্জেন্টিনার অন্যতম সুরক্ষিত একটি জাদুঘরে স্থান পাবে এটি। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে আর কেউ এই আর্মব্যান্ড পরতে পারবেন না। ফলে মাঠের একটি সাধারণ ক্রীড়া সামগ্রীই হয়ে উঠবে আর্জেন্টিনার অমূল্য জাতীয় স্মৃতিচিহ্ন।
এর আগে আর্জেন্টিনার আরেক বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক দিয়েগো ম্যারাডোনার ব্যবহৃত আর্মব্যান্ডও অবসরের পর সংরক্ষণ করা হয়েছিল। তবে মেসির ক্ষেত্রে জাতীয় পর্যায়ে এটিকে স্থায়ী স্মারক হিসেবে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দানিয়েল পাসারেলা, আন্তোনিও রাত্তিন কিংবা হাভিয়ের মাসচেরানোর মতো কিংবদন্তি অধিনায়কদের ব্যবহৃত আর্মব্যান্ড ব্যক্তিগত সংগ্রহ বা বিভিন্ন প্রদর্শনীতে জায়গা পেলেও জাতীয় জাদুঘরে স্থায়ী স্মারক হিসেবে সংরক্ষণের এমন উদ্যোগ দেখা যায়নি।
বিশ্বকাপ ফাইনালে কী হয়েছিল? এবার মুখ খুললেন মেসি!

মেসির আর্মব্যান্ড সংরক্ষণ শুধু তার গোল, অ্যাসিস্ট কিংবা শিরোপা জয়ের স্বীকৃতি নয়; বরং জাতীয় দলের হয়ে তার নেতৃত্ব ও দীর্ঘ পথচলারও প্রতীক। আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির নেতৃত্বে অর্জিত সাফল্য এবং সমর্থকদের সঙ্গে তার আবেগঘন সম্পর্কের স্মৃতি বহন করবে এই আর্মব্যান্ড।
সমর্থকদের জন্যও এটি হয়ে উঠবে মেসির যুগের একটি স্থায়ী স্মারক। খুব কম ফুটবলারের ব্যবহৃত সামগ্রীই দেশের ক্রীড়া ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে এমন মর্যাদা পায়। তাই মেসির এই আর্মব্যান্ড ভবিষ্যতে আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসের এক স্মরণীয় অধ্যায়ের প্রতীক হয়ে থাকবে।

















