প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   রাষ্ট্রীয় জীবনে চাই ইসলাম ভিত্তি...

রাষ্ট্রীয় জীবনে চাই ইসলাম ভিত্তি হবে তওহীদ -রুফায়দাহ পন্নী

১১ অক্টোবর ২০২৬ ০৮:৪৩ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

বিশ্বের জনসংখ্যা প্রায় ৮০০ কোটি। এর মধ্যে আমরা মুসলমান প্রায় পৌনে ২০০ কোটি। কিন্তু আজকের মুসলমান জাতি ভাগ্যাহত, নিপীড়িত এবং গভীর সংকটে নিমজ্জিত। বর্তমানে ৭ থেকে ৮ কোটি মুসলমান উদ্বাস্তু অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছে। ফিলিস্তিনে ইতিহাসের অন্যতম নির্মম গণহত্যা চলছে আমাদের চোখের সামনে- বিশ্ব চুপ, জাতিসংঘও নিশ্চুপ। মিয়ানমারে প্রায় ২২ লক্ষ মুসলমানকে তাদের নিজ ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে উদ্বাস্তু করে দেওয়া হয়েছে, অথচ বিশ্বসম্প্রদায় নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। বিশ্বের প্রধান ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সবচেয়ে নিপীড়িত, সবচেয়ে অবহেলিত সম্প্রদায় এখন মুসলমানরাই। আমরা বিশ্বের নানা প্রান্তে অধিকার থেকে বঞ্চিত। 

আজ আমরা এমন এক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে এসেছি, যা সরাসরি আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার সঙ্গে জড়িত। আমাদের পতনের প্রধান কারণ হলো- বিভাজন। সেই জাতি, যাদেরকে আল্লাহ পবিত্র কুরআনে ঐক্যের শিক্ষা দিয়েছেন, যাঁদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, “তোমরা সীসা গলানো প্রাচীরের মতো ঐক্যবদ্ধ হও”- আজ সেই জাতিই অসংখ্য দল, মাজহাব, তরীকা ও ফিরকায় বিভক্ত হয়ে চরমভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।

এখন সময় এসেছে ঘুরে দাঁড়ানোর। সময় এসেছে নিজেদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সভ্যতাকে জানার, ধারণ করার এবং নিজ আদর্শে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার। অথচ আমরা অনেকটাই তা ভুলে বসে আছি। আমাদের অন্যতম বড় ব্যর্থতা হলো, আমরা যারা আল্লাহ, তাঁর রাসুল ও কিতাবের প্রতি ঈমান রাখি, তারা এখনো ইসলামের প্রকৃত রূপ বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে পারিনি। অথচ ইসলাম একটি উদার, যৌক্তিক, আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত জীবনব্যবস্থা, যা বর্তমান বিশ্বের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের কার্যকর সমাধান দিতে সক্ষম।

আরও পড়ুন

যোদ্ধাজাতির পাঠ: বাঁচতে হলে মরতে শিখো -এম আর হাসান

যোদ্ধাজাতির পাঠ: বাঁচতে হলে মরতে শিখো  এম আর হাসান

বিশ্বের নানা প্রান্তে লক্ষ লক্ষ আলেম, দাঈ ও গবেষক এখনো ইসলামের দাওয়াতি কাজে নিয়োজিত। তাঁরা মানুষকে ইসলামী জীবনাচারে আহ্বান করছেন এবং নেক আমল ও জান্নাতের দিকে উৎসাহিত করছেন। নিঃসন্দেহে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। তবে আমাদের বড় ঘাটতি রয়েছে ইসলামকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও বাস্তবসম্মত জীবনব্যবস্থা হিসেবে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে। আজ বিশ্বমানবতা যখন রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামরিক সংঘাত ও বৈষম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বিপর্যস্ত, তখন ইসলামই একমাত্র পরিপূর্ণ বিকল্প ব্যবস্থা দিতে পারে। এই বাস্তবতা যথাযথভাবে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা এখন আমাদেরই দায়িত্ব।

জাতিসংঘ মানবাধিকারের একটি ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করেছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই ঘোষণাপত্র কেতাবেই থেকে গেছে, বাস্তবে কিছুই হয়নি। উল্টো জাতিসংঘ গঠনের পর বিশ্বে যুদ্ধ, সহিংসতা ও গণহত্যা আরো বেড়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ যুদ্ধ ও সংঘাতে নিহত হয়েছে। আর এসব সংঘাতের বড় একটি অংশ সংঘটিত হয়েছে মুসলিমপ্রধান দেশগুলোর বিরুদ্ধে। এটা স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, জাতিসংঘ মুসলমানদের নয়- এটি তাদের জন্য। গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, পুঁজিবাদসহ নানা মতবাদ ও আদর্শের আগমন ঘটেছে- যার প্রতিটিই শান্তি ও মানবাধিকারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। জনগণের অধিকার ও স্বায়ত্তশাসনের নামে বিশ্বকে প্রায় ২০০টি রাষ্ট্রে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি দেশ নিজস্ব সংবিধান প্রণয়ন করেছে, করের টাকায় সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গঠন করেছে, এবং একটি নিরাপত্তা কাঠামো দাঁড় করিয়েছে। তবু এতসব কাঠামো ও ব্যবস্থাপনার পরও বিশ্বে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা পায়নি। বরং মানবজাতি আজ এক ভয়াবহ পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে।

আমরা মানবজাতির সামনে গৌরবের সাথে বলতে পারতাম যে, আমাদের কাছে আছে এমন এক ঐশী গ্রন্থ যা শুধু ধর্মীয় অনুশাসনের বই নয়, এটি এক পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। এই কেতাব মানুষের ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থা পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করে। এটি হেদায়াহ (পথপ্রদর্শক), ফুরকান (সত্য-মিথ্যার মানদণ্ড) এবং নূর (আলোকবর্তিকা)- যা মানবজাতিকে যাবতীয় সংকট থেকে মুক্ত করতে পারত। ইতিহাস তার প্রমাণ। রাসূলুল্লাহ এই কোর’আনের আলোকেই এক সুমহান সভ্যতার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। তিনি কেবল তাত্ত্বিকভাবে নয়, বাস্তবেই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এক আদর্শ রাষ্ট্রব্যবস্থা। তাঁর নেতৃত্বে ধ্বংসপ্রায় আরবরা বিশ্বের সেরা জাতিতে পরিণত হয়েছিল। সেখানে দাসপ্রথা বিলুপ্ত হয়, দারিদ্র্য নির্মূল হয়, মানবাধিকারের ভিত্তি স্থাপিত হয়, নারীরা ফিরে পায় মানবিক অধিকার ও মর্যাদা। ‘আইয়্যামে জাহেলিয়াত’-এর প্রতীক সেই আরবরাই বিশ্বমানবতার নেতৃত্বদানকারী জাতিতে পরিণত হয়। 

এই বৈপ্লবিক পরিবর্তনের কারিগর ছিলেন রাসুলুল্লাহ স্বয়ং। তিনি কেবল একজন নবী ছিলেন না- একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক, নির্ভীক সেনাপ্রধান এবং এক রেনেসাঁর মহানায়ক ছিলেন তিনি। তিনি এমন এক শক্তিশালী সামরিক জাতি গড়ে তুলেছিলেন, যার নেতৃত্বে ছিলেন খালিদ ইবনে ওয়ালিদ, দিরার, মুসান্না, হযরত আলী (রা.)-এর মতো বীর যোদ্ধারা। যুদ্ধের ময়দানে তাঁর বক্তব্য মুজাহিদদের হৃদয়ে আগুন ধরিয়ে দিত। সাহাবারা জীবন বাজি রেখে সত্যদীনের প্রতিষ্ঠার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়তেন। তিনি জাতির লক্ষ্য নির্ধারণ করলেন- সারা পৃথিবীতে দীন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ন্যায়, সুবিচার ও মানবাধিকার, এক কথায় শান্তি প্রতিষ্ঠা। রাসূল (সাঃ)-এর পর খোলাফায়ে রাশেদিন, বিশেষ করে হযরত আবু বকর ও হযরত ওমরের (রা.) নেতৃত্বে সেই বিপ্লব অর্ধেক পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু আমরা আজ সেই মহাবিপ্লবী রাসূল ও তাঁর বিপ্লবী চেতনাকে মানবজাতির সামনে সঠিকভাবে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছি। আমরা আমাদের জাতিকে সেই বিপ্লবের মন্ত্রে উজ্জীবিত করতে পারিনি।

আজকের বিশ্বে আমেরিকা ও ব্রিটেন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানবাধিকার রক্ষা সম্ভব বলে দাবি করে। তবে বাস্তবতা হচ্ছে ‘গণতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠার নাম করে তারা বহু দেশকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে, লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। আফগানিস্তান, সিরিয়া, লিবিয়া ও ইরাকের মতো দেশগুলো তাদের তৈরি বোমার আঘাতেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ভিয়েতনাম যুদ্ধে আমেরিকা নিজেদের ৫৮,০০০ সৈন্যের বিপরীতে ভিয়েতনামে ২০ লক্ষ মানুষ হত্যা করেছে। কোথাও তারা মানবাধিকার, ন্যায়, সুবিচার প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়নি। সুতরাং তাদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি ঘোরতর মিথ্যা। সামরিক শক্তি, মিডিয়া, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এই মিথ্যাকেই তারা মানুষকে মেনে নিতে বাধ্য করছে। পক্ষান্তরে রাসুলের আনীত সেই আকাশের মত উদার, বিশ্বজনীন, বিশ্ব পরিচালনায় সক্ষম, গতিশীল ও বিপ্লবী ইসলামকে আমরা বিশ্ববাসীর সামনে যথাযথভাবে উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছি। 

আমাদের ধর্মনেতারা এই ব্যর্থতার দায় কি এড়াতে পারবেন? আজকে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে মতভেদ করে হাজারো ফেরকা মাজহাবে বিভক্ত হয়ে আছি। আমাদের ধর্মীয় বক্তারা একে অপরকে কাফের বলে ফতোয়া দিয়ে বেড়াচ্ছেন। আর জাতিকে লিপ্ত রেখেছেন নানা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয় নিয়ে অন্তবিহীন বিতর্কে। একজন নারী হিসাবে আমি ইসলাম নারীকে যে স্বাধীনতা, অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করে তা তুলে ধরার চেষ্টা করছি। অথচ আমাদের ধর্মগুরুদের ওয়াজ শুনলে মনে হবে যে, ইসলাম এসেছেই নারীকে ঘরের ভিতরে আটকে রাখার জন্য। মেয়েদের চুল দেখা যাবে না, চেহারা দেখা যাবে না, নেইলপলিশ, লিপিস্টিক দেওয়া যাবে না, তাদের কণ্ঠস্বরও শোনা যাবে না, এমন সব বাড়াবাড়ি ফতোয়াবাজির কারণেই আজকে কোটি কোটি মুসলিম নারী প্রগতিশীল ও নারীবাদী চিন্তাধারার নামে ইসলামবিদ্বেষী হয়ে পড়েছে। তারা যখন রাস্তায় মিছিল করে, তখন এমন সব কথা বলে ও শ্লোগান দেয় যা সরাসরি ইসলামের মৌলিক আদর্শকে আঘাত করে। এভাবে মুসলমানদের মনে ইসলামের প্রতি আস্থাহীনতা ও বিদ্বেষ তৈরি করাটাই ছিল পশ্চিমা বিশ্ব ও তাদের মদদপুষ্ট গোষ্ঠীর দীর্ঘমেয়াদি ষড়যন্ত্র। এইসব তুচ্ছ বিতর্কে আমরা জড়িয়ে পড়ে আমাদের বৃহৎ একটি জনগোষ্ঠীকে ইসলামের মূল উদ্দেশ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছে। 

মুসলমানদের মধ্যে যদি আবার ঐক্য ফিরিয়ে আনতে চাই, তাহলে আমাদেরকে আগে ছোটখাটো ও বিতর্কিত বিষয়গুলো থেকে সরে আসতে হবে। স্পষ্ট করে বললে- এসব তুচ্ছ মতপার্থক্য, যা মূলত সুন্নত বা নফল পর্যায়ের এবং ইসলামের মৌলিক বিধান নয়, সেগুলো নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না। আমাদের প্রধান কাজ হওয়া উচিত- আমাদের রাষ্ট্রীয় জীবনে আল্লাহর দীন, আল্লাহর হুকুম-বিধান প্রতিষ্ঠা করা। তুচ্ছ বিষয়ে বিতর্কে লিপ্ত থাকলে এই লক্ষ্য কিয়ামত পর্যন্তও অর্জিত হবে না। আজ আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে। দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে হলে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। এই জায়গাতেই মূল প্রশ্ন- আমরা কি আমাদের জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় জীবনে আল্লাহর বিধান চাই? এই প্রশ্নকে সামনে রেখে আমাদের সবাইকে একত্রিত হয়ে আলোচনায় বসতে হবে।

আমাদের প্রস্তাব হলো: প্রথমেই আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এই ঐক্যের মূলসূত্র হচ্ছে তাওহীদ-  লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। শাসন হবে আল্লাহর, রাষ্ট্র পরিচালিত হবে আল্লাহর বিধান অনুযায়ী। কিন্তু বাস্তবে আজ শাসন চলছে মানুষের তৈরি আইন অনুযায়ী। এখান থেকে আমাদের ফিরে আসতেই হবে।

আজ যখন আমি আমাদের শিক্ষিত এলিট শ্রেণির সামনে পশ্চিমা সভ্যতার অসারতা, গণতন্ত্রের ব্যর্থতা এবং প্রতারণার মুখোশ উন্মোচন করি, তখন তারা অনেকেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান। তারা যেন গণতন্ত্রের অন্ধ পূজারী। এমনকি তারা কোর’আনের বিধানের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেন। অথচ তারা নিজেদের মুসলমান বলে পরিচয় দেন- নামাজ পড়েন, রোজা রাখেন, হজ করেন। এর কারণ ব্রিটিশদের তৈরি ষড়যন্ত্রমূলক শিক্ষাব্যবস্থার প্রভাবে তারা পশ্চিমা দেশগুলোর মানসিক দাসে পরিণত হয়েছেন। এই বিকৃত শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষিত হওয়ার ফলে তারা মন, চিন্তা, সংস্কৃতি- সবদিক থেকেই ইংরেজ হওয়ার সাধনায় লিপ্ত। জীবনব্যবস্থা হিসাবে ইসলামের প্রতি তাদের কোনোই আস্থা নেই। 

আমার প্রশ্ন হলো- যারা কোর’আনের বিধান মানে না, তারা কীভাবে মুসলমান থাকতে পারে? তারা গলা ফাটিয়ে গণতন্ত্রের কথা বলে, বুক ফুলিয়ে ডেমোক্রেসির কথা বলে, গলা চড়িয়ে সমাজতন্ত্রের কথা বলে- তাহলে আমরা কেন গলা তুলে বলতে পারি না, আমরা আল্লাহর হুকুম মানবো? আমাদের শাসন চলবে আল্লাহর দেওয়া বিধান অনুযায়ী? আমরা নামাজ পড়ি, সেজদা করি, যে আল্লাহর সামনে মাথা নত করি, রাষ্ট্র চলবে সেই আল্লাহর বিধানে। আমাদের আদর্শ ওয়াশিংটন নয়, লন্ডন নয়, বেইজিং নয়, মস্কো নয়- আমাদের একমাত্র আদর্শ হল নবী করিম (সা.)। আমাদের কাবা একটি, আমরা সবাই এক কাবার দিকে মুখ করে সেজদা করি, নামাজ পড়ি। আমাদের এক আল্লাহ, এক রাসুল, এক কিতাব- আমরা সবাই মিলে একটি উম্মাহ, একটি জাতি হব। আমরা আল্লাহর আনুগত্য করব। এটাই হচ্ছে আল্লাহর দীনের শাসন। সেই দীনুল হকের সেই সঠিক রূপরেখা আমরা তুলে ধরেছি।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

অপপ্রচারের শিকার উজিরপুরের ‘গয়েশ্বর’ খ্যাত পলাশ কুণ্ডু, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

অপপ্রচারের শিকার উজিরপুরের ‘গয়েশ্বর’ খ্যাত পলাশ কুণ্ডু, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
উজিরপুর (বরিশাল) প্রতিনিধি: বরিশালের উজিরপুরে আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ দুঃশাসনের সময় রাজপথে বিএনপির কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে ‘গয়েশ্বর চন্দ্র রায়’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    বরিশাল

চ্যাটজিপিটির পরামর্শে ওষুধের মাত্রা কমিয়ে মৃত্যু, ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা!

চ্যাটজিপিটির পরামর্শে ওষুধের মাত্রা কমিয়ে মৃত্যু, ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা!
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির পরামর্শে মৃগীরোগের ওষুধের মাত্রা কমানোর পর খিঁচুনিতে মৃত্যু হয়েছে ৩১ বছর বয়সী এক তরুণীর। এ ঘটনায় চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

বড়দিন উদযাপনে ২ কোটির বদলে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী!

বড়দিন উদযাপনে ২ কোটির বদলে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী!
খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন উদযাপনে ৩ কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ জন্য খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে একজোট বিরোধীরা, শুরু জোট গঠনের আলোচনা!

নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে একজোট বিরোধীরা, শুরু জোট গঠনের আলোচনা!
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন দেশটির চারটি বিরোধী দলের নেতা। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) হার্জলিয়ায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে দ্রুত জোট…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

শ্রমিকদের আন্দোলন যৌক্তিক, ষড়যন্ত্র বলে পার পাওয়া যাবে না: নাহিদ

শ্রমিকদের আন্দোলন যৌক্তিক, ষড়যন্ত্র বলে পার পাওয়া যাবে না: নাহিদ
পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনকে যৌক্তিক উল্লেখ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ন্যায্য আন্দোলনকে ষড়যন্ত্র বলে পার পাওয়া যাবে…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    রাজশাহী

শাকিবের নতুন নায়িকা পাকিস্তানের কিনজা হাশমী!

শাকিবের নতুন নায়িকা পাকিস্তানের কিনজা হাশমী!
ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘মহব্বত’-এ নায়িকা হিসেবে দেখা যেতে পারে পাকিস্তানের মডেল ও অভিনেত্রী কিনজা হাশমীকে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সিনেমাটিতে শাকিবের বিপরীতে তার…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    বিনোদন

উলিপুরে অটোরিকশার ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু

উলিপুরে অটোরিকশার ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু
শাহ আলম, কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রামের উলিপুরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় বাবর আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের কদমের…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

৬ ঘণ্টার জন্য টোলমুক্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে!

৬ ঘণ্টার জন্য টোলমুক্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে!
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামী ৭ নভেম্বর ছয় ঘণ্টার জন্য টোলমুক্ত রাখা হবে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। ওই দিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    রাজধানী

ডিসেম্বরে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না: ডিএনসিসি প্রশাসক

ডিসেম্বরে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না: ডিএনসিসি প্রশাসক
পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের নামে রাজধানীর মিরপুরে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    রাজধানী

ধর্মের অপব্যবহার ও রাজনৈতিক ফায়দা লোটার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির!

ধর্মের অপব্যবহার ও রাজনৈতিক ফায়দা লোটার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির!
ধর্মকে পুঁজি করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার অপচেষ্টা এবং ধর্মের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ইসলাম শান্তি,…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি!

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি!
পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে নিয়ে দেওয়া বক্তব্যকে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর দাবি করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    নির্বাচিত

আনসার-ভিডিপির ওমরাহ কাফেলার আনুষ্ঠানিক যাত্রা, ভিসা ও টিকিট বিতরণ

আনসার-ভিডিপির ওমরাহ কাফেলার আনুষ্ঠানিক যাত্রা, ভিসা ও টিকিট বিতরণ
ঢাকা প্রতিনিধি:বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরের অডিটোরিয়ামে পবিত্র ওমরাহ পালনের লক্ষ্যে মনোনীত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সদস্যদের মাঝে ভিসা, বিমান টিকিট ও উপহারসামগ্রী বিতরণ…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা

বোমা হামলার হুমকির পর বুলেটপ্রুফ কাচের ভেতর থেকে ভক্তদের সামনে অমিতাভ!

বোমা হামলার হুমকির পর বুলেটপ্রুফ কাচের ভেতর থেকে ভক্তদের সামনে অমিতাভ!
মুম্বাইয়ের জুহুতে নিজ বাসভবন ‘জলসা’র বাইরে প্রতি রোববার ভক্তদের সঙ্গে দেখা করার দীর্ঘদিনের রীতি রয়েছে বলিউড অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের। তবে গত রোববার সেই চেনা আয়োজনেই…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    বিনোদন

ওয়াই আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর!!

ওয়াই আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর!!
দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, দ্বিতীয় যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্যে দ্বিতীয় পদ্মা সেতুতে ওয়াই…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

অ্যাম্বুলেন্সে মিলল ৬৭২ বোতল ভারতীয় স্কাফ সিরাপ, আটক ২!

অ্যাম্বুলেন্সে মিলল ৬৭২ বোতল ভারতীয় স্কাফ সিরাপ, আটক ২!
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে একটি অ্যাম্বুলেন্সে অভিযান চালিয়ে ৬৭২ বোতল ভারতীয় স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সে থাকা দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। সোমবার সকালে…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    চট্টগ্রাম