প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   যারা পরাজিত হয় তারা উম্মতে...

যারা পরাজিত হয় তারা উম্মতে মোহাম্মদী নয় (পর্ব- ১)

৫ জুন ২০১৫ ০৬:০০ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মাননীয় এমামুযযামানের লেখা থেকে:

মহান আল্লাহ তাঁর শেষ রসুলকে হেদায়াহ ও সত্যদীন ‘ইসলাম’ দিয়ে প্রেরণ কোরেছিলেন সারা দুনিয়ার সকল জীবনব্যবস্থার উপর একে বিজয়ী করার জন্য (সুরা তওবাহ ৩৩, সুরা ফাতাহ ২৮, সুরা সফ ৯)। উম্মতে মোহাম্মদী ডানে-বাঁয়ে না চেয়ে একাগ্র লক্ষ্যে (হানিফ) তাদের কর্তব্য চালিয়ে গেলো প্রায় ৬০/৭০ বছর। এবং এই অল্প সময়ের মধ্যে তদানীন্তন পৃথিবীর এক উল্লেখযোগ্য অংশে এই শেষ ইসলামের প্রতিষ্ঠা কোরলো।  তখন জাতিটি ছিল মোমেন, মোসলেম এবং উম্মতে মোহাম্মদী।

তখন এই জাতির অবস্থা কেমন ছিল? পুরো জাতি ছিল একজন নেতার নেতৃত্বে ইস্পাতের মত কঠিন ঐক্যবদ্ধ, তাদের লক্ষ্য ছিল নির্ভুল, সেটা হোচ্ছে সমস্ত পৃথিবীতে আল্লাহর দীনুল হক প্রতিষ্ঠা করা। তাঁরা ছিলেন নেতার প্রতি আনুগত্যে অটল, আল্লাহর রাস্তায় জীবন-সম্পদ উৎসর্গকারী এক দুর্দ্ধর্ষ যোদ্ধা জাতি। একজন নেতার হুকুমে জাতির প্রতিটি লোক ছিল সদা সতর্ক ও সজাগ। তাদের জাতীয় জীবনে একটি মাত্র জীবনব্যবস্থা কার্যকরী ছিল, সেটা হোচ্ছে দীনুল হক, ইসলাম। জাতির মধ্যে ফেরকা, মাযহাবের অস্তিত্ব ছিল না, ফলে ছিল না কোন হানাহানি, মাসলা মাসায়েল নিয়ে মতভেদ, কূটতর্ক। দীনের যে কোন বিষয়ে প্রশ্ন কোরলে পুরো জাতির সকলে একটি মাত্র উত্তর দিত। এর ফলে সমাজে অতুলনীয় শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হোয়েছিল যে তখন অর্দ্ধেক পৃথিবীর কোথাও শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কোন বাহিনী না থাকা সত্বেও সমাজে বোলতে গেলে কোন অপরাধই ছিলো না। সুন্দরী যুবতী নারী অলঙ্কার পরিহিত অবস্থায় শত শত মাইল পথ একা পাড়ি দিত, তার মনে কোন প্রকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাও জাগ্রত হোত না। মানুষ রাতে ঘুমানোর সময় ঘরের দরজা বন্ধ করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব কোরত না, রাস্তায় ধন-স¤পদ হারিয়ে গেলেও তা খোঁজ কোরে যথাস্থানে পাওয়া যেত, চুরি, ডাকাতি, হত্যা, রাহাজানি প্রায় নির্মূল হোয়ে গিয়েছিল, আদালতে বছরের পর বছর কোন অপরাধ সংক্রান্ত মামলা আসতো না। আর অর্থনৈতিক দিক থেকে প্রতিটি মানুষ স্বচ্ছল হোয়ে গিয়েছিল। এই স্বচ্ছলতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, মানুষ যাকাত ও সদকা দেওয়ার জন্য টাকা পয়সা নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াত, কিন্তু সেই টাকা গ্রহণ করার মত লোক পাওয়া যেত না। এই পরম শান্তিই হোচ্ছে সত্যদীনের ফলাফল- তাই এ দীনের নাম ইসলাম, আক্ষরিক অর্থেই শান্তি। রসুলাল্লাহর উপর দায়িত্ব ছিল সারা পৃথিবীতে এই শান্তি প্রতিষ্ঠা করা, এজন্য তাঁর উপাধিও আল্লাহ দিয়েছেন রহমাতাল্লেল আলামিন- বিশ্বজগতের জন্য রহমত। কিন্তু সারা পৃথিবীতে দীন প্রতিষ্ঠার মত এতবড় কাজ একজন ব্যক্তি একজীবনে করা সম্ভব নয়, তাই তিনি তাঁর জীবদ্দশায় সম্পূর্ণ আরব উপদ্বীপে শান্তি প্রতিষ্ঠা কোরে প্রভুর কাছে চোলে গেলেন, বাকি দুনিয়ার দায়িত্ব পড়লো তাঁর উম্মাহর উপরে। সেই উম্মাহ ৬০/৭০ বছর পর্যন্ত একদেহ একপ্রাণ হোয়ে একাগ্র লক্ষ্যে রসুলাল্লাহর উপর আল্লাহর অর্পিত দায়িত্ব পূরণে সংগ্রাম, জেহাদ চালিয়ে গেলেন।

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

উম্মতে মোহাম্মদী থেকে বহিষ্কার

তারপর জাতির মধ্যে আরম্ভ হোল উদ্দেশ্যচ্যুতি, আকীদার বিচ্যুতি। জাতি আল্লাহর রাস্তায় ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁর দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বাদ দিয়ে অন্তর্মুখী, ঘরমুখী হোয়ে গেল। কোন জাতি যদি গতিহীন, নির্জীব, স্থবির হোয়ে যায় তখন স্বভাবতই জাতি মূলকাজ বাদ দিয়ে অপ্রয়োজনীয় কাজে লিপ্ত হোয়ে পড়ে। উম্মতে মোহাম্মদীরও তাই হোল। জাতি ভুলে গেলো যে কাজের জন্য তাদেরকে সৃষ্টি করা হোয়েছে, গঠন করা হোয়েছে, প্রশিক্ষণ দেয়া হোয়েছে সেই কাজ ছেড়ে দেওয়া আল্লাহ ও তাঁর রসুলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা। কিন্তু জাতির লোকদের আকীদা অর্থাৎ উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সম্বন্ধে ধারণা বিকৃত হোয়ে যাওয়ায় জাতি ঠিক তাই কোরলো, আল্লাহর দীন সমস্ত পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠার জেহাদ অর্থাৎ সর্বাত্মক প্রচেষ্টা, সংগ্রাম ত্যাগ কোরলো এবং ত্যাগ কোরে অন্যান্য রাজা বাদশাহরা যেমন রাজত্ব করে তেমনি শান শওকতের সঙ্গে তাদের মতই রাজত্ব কোরতে শুরু কোরলো। এই সর্বনাশা কাজের পরিণতি কি তা তারা উপলব্ধি কোরতে পারলেন না। তারা উপলব্ধি কোরতে পারলেন না যে, যে জিনিস যে উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করা হয় সেটা যদি সেটাকে দিয়ে না হয়, তবে আর ঐ জিনিসের কোন দাম থাকে না, সেটা অর্থহীন হোয়ে যায়। একটা ঘড়ির উদ্দেশ্য হোচ্ছে সময় জানা, ঘড়িটা যদি না চলে, সময় না দেখায়, এমন কি যদি ভুল সময় দেখায় তবে আর সে ঘড়িটার কোন দাম থাকে না। ঘড়িটা সোনা, হীরা জহরত দিয়ে তৈরি কোরলেও না।
রসুলাল্লাহকে মেরাজে নিয়ে আল্লাহ তাঁকে স্থান ও কালের বিস্তৃতি থেকে মুক্ত কোরেছিলেন। তাই অতীত ও ভবিষ্যতের যতটুকু তাঁকে জানিয়েছিলেন তাতেই তাঁর উম্মাহর ভবিষ্যতের অনেক কিছুই তিনি জানতে পেরেছিলেন। তাঁর ওফাতের পর ত্রিশ বছর খেলাফত প্রতিষ্ঠিত হোয়ে বংশানুক্রমিক রাজতন্ত্রে পরিণত হবে তা তিনি জানতেন, বোলেও গেছেন [সাফীনা (রা:) থেকে আহমদ, তিরমিজী, আবু দাউদ]। এবং তা যে সত্যে পরিণত হোয়েছে তা ইতিহাস। ঠিক ত্রিশ বছর পরে একজনের ছেলে বাপের পর খলিফা পদে অধিষ্ঠিত হোল। তিনি এও বলে গেছেন যে, আমার উম্মাহর আয়ু ৬০ থেকে ৭০ বছর [আবু হোরায়রা (রা:) থেকে তিরমিজি, ইবনে মাজাহ]। বর্তমানের বিকৃত ইসলামের ধর্মীয় নেতাদের দৃষ্টিতে তাদের অর্থাৎ যেটাকে তারা উম্মতে মোহাম্মদী বলে আত্মপ্রসাদ লাভ করেন। সেটার মানুষের ব্যক্তিগত আয়ুর কথা বোঝেন। তাদের এই ভূল বোঝার কারণ হোল অতি সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গী ও আকীদার বিকৃতি। রসুলাল্লাহ তাঁর উম্মাহর আয়ু ৬০ থেকে ৭০ বছর বোলতে তিনি যে তাঁর উম্মাহর লোকজনের ব্যক্তিগত আয়ু বোঝান নি তার প্রধান দু’টো কারণ আছে। প্রথমত ৬০ থেকে ৭০ বছর আয়ু হবার মধ্যে এমন কি বিশেষত্ব আছে যা একজন নবী তার উম্মাহ সম্বন্ধে বোলবেন? তার আগের লোকজনের বা পরের লোকজনের আয়ুর থেকে তার কি তফাৎ? আমাদের মধ্যেই যে অন্যান্য ধর্মের লোকজন বাস করে তাদের আয়ুর সাথে আমাদের আয়ুর কি তফাৎ? কিছুই না। তাঁর ঐ কথা তাঁর উম্মাহর কোন বৈশিষ্ট্য হিসাবে বলার কোন অর্থ হয় না। তিনি যদি বোলতেন, আমার উম্মাহর লোকজনের দু’টো করে চোখ থাকবে, তবে তার কি অর্থ হতো? কিছুই না। দ্বিতীয়ত, আমার উম্মাহর আয়ু ৬০ থেকে ৭০ বছর এ কথা বোলে দেবার অর্থ ৬০ বয়সের আগে যারা মারা যাবে এবং ৭০ বছর বয়সের পর যারা মারা যাবে তারা আর উম্মতে মোহাম্মদী নয়। এ হোতে পারে? অবশ্যই নয়। মনে রাখবেন, এ কথা সাধারণ মানুষের যা মনে চায় বলে ফেলা নয়। এ আল্লাহর রসুলের বাণী। যাঁর প্রতি কথা, প্রতি শব্দের ব্যবহার ওজন করা, ভেবেচিন্তে বলা।
এ হাদিসের প্রকৃত অর্থ হো্রিত উম্মতে মোহাম্মদী হোল সেই জাতি যে জাতি তার নবীর অর্থাৎ মোহম্মদের (স:) উপর আল্লাহর দেয়া দায়িত্ব পূর্ণ কোরতে সংগ্রাম করে যায়। যে কথা পেছনে বোলে এসেছি। এখানে ঐ দায়িত্ব হোল সমস্ত পৃথিবীতে এই দীন প্রতিষ্ঠা করা। এ সংগ্রাম ত্যাগ কোরলেই সে জাতি আর উম্মতে মোহাম্মদী থাকে না। ইতিহাসের দিকে লক্ষ্য কোরুন, দেখবেন ঐ জাতি মোটামুটি ৬০ থেকে ৭০ বছর পর্যন্ত ঐ সংগ্রাম নিরবচ্ছিন্নভাবে চালিয়ে গেছে এবং ঐ সময়ের পর ঐ কাজ জাতি হিসাবে বন্ধ হোয়ে গেছে। এই সময় পর্যন্ত এই জাতি সশস্ত্র সংগ্রাম কোরে গেছে একটি মাত্র উদ্দেশ্য নিয়ে এবং সেটা হোল বিশ্বনবীর সুন্নাহ পালন। যে সুন্নাহর কথা তিনি বোলেছেন যে, যে আমার সুন্নাহ ত্যাগ কোরবে সে আমাদের কেউ নয়। সেই প্রকৃত সুন্নাহ হোল সমস্ত পৃথিবীতে এই শেষ ইসলামকে প্রতিষ্ঠা করার সংগ্রাম। এই দৃষ্টিভঙ্গী অর্থাৎ আকীদা বদলে গেলো ৬০/৭০ বছর পর। এই উম্মাহ তার উদ্দেশ্য ভুলে গেলো। ইসলাম প্রতিষ্ঠার বদলে তাদের উদ্দেশ্য হোয়ে গেলো রাজ্যবিস্তার, সম্পদ আহরণ। জাতির উদ্দেশ্য বদলে গেলো। উদ্দেশ্যের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, প্রয়োজনীয় আর কিছুই হোতে পারে না। বাকি সব কম প্রয়োজনীয়। সেই মহা প্রয়োজনীয় উদ্দেশ্যই যদি বদলে যায় তবে যে কোন জিনিসেরই আর কিছু থাকে না। যে উদ্দেশ্যে শ্রেষ্ঠ ও শেষ নবী প্রেরিত হোয়েছিলেন, যে উদ্দেশ্য সাধনের জন্য তাঁর সৃষ্ট জাতি জীবনের সবকিছু কোরবান করে আরব থেকে বের হোয়ে সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন সেই উদ্দেশ্য তাদের সম্মুখ থেকে অদৃশ্য হোয়ে পরিণত রাজ্যজয়ের যুদ্ধে।
মহানবীর (দ:) ভবিষ্যৎবাণী মোতাবেক ৬০/৭০ বছর পর উম্মতে মোহাম্মদীর মৃত্যু হলো, একথা বহু লোকই মানবেন না জানা কথা। বিশেষ কোরে যারা অতি মোসলেম, যারা এই দীনের মর্মবাণী থেকে বহুদূরে, এর মৃত কংকালটা যারা আঁকড়ে ধোরে আছেন তারা তর্ক দেবেন বিশ্বনবী (দ:) নিজেই বহু হাদিসে আমাদের তার উম্মাহ বোলে বোলেছেন, এমনকি পথভ্রষ্ট হোলেও আমাদের তার উম্মাহ বোলে উল্লেখ কোরেছেন। ঠিক কথা। কিন্তু ঐসব হাদিসে তিনি তার প্রকৃত উম্মাহ বোঝান নি, বুঝিয়েছেন সাধারণভাবে-ইংরেজিতে যাকে বলা হয় ওহ মবহবৎধষ ংবহংব অর্থাৎ অন্য থেকে পৃথক বোলে বোঝাবার জন্য। অর্থাৎ যেটাকে তিনি উল্লেখ কোরছেন সেটা খ্রিস্টান, ইহুদি জাতি নয়, মুখে লা এলাহা এল্লাল্লাহ মোহাম্মাদুর রসুল্লাল্লাহ বলে এমনি একটা পৃথক জাতি- একথা বোঝাবার জন্য। প্রমাণ দিচ্ছি- মহানবী (দ:) ভবিষ্যতবাণী কোরেছেন যে, ক্রমে ক্রমে ভবিষ্যতে তার জাতি বনী ইসরাইলীদের (এখানে তিনি বনি ইসরাইল বোলতে ইহুদি-খ্রিস্টান সভ্যতাকে বোঝাচ্ছেন) এমনভাবে অনুসরণ কোরবে যে তাদের মধ্যে কেউ প্রকাশ্যে তার মায়ের সাথে ব্যভিচার কোরলে, তার উম্মাহর মধ্য থেকেও কেউ তা কোরবে (হাদিস- আব্দাল্লাহ বিন আমর (রা:) থেকে তিরমিযি, মেশকাত)। প্রশ্ন হোচ্ছে কেউ যদি মানসিকভাবে অন্য জাতির এতটা দাস হোয়ে যায় যে, হীনমন্যতায় সে ঐ পর্যায়ে যায় যে, তাদের নকল ও অনুকরণ কোরতে যেয়ে সে প্রকাশ্যে মায়ের সাথে ব্যভিচার কোরতেও বিরত হয় না, তবে সেই লোককে বা জাতিকে উম্মতে মোহাম্মদী বলা যায়? নিশ্চয়ই নয়। কিন্তু এখানেও বিশ্বনবী (দ:) তার উম্মাহ বোলেই উল্লেখ কোরেছেন, কারণ এই জাতিটিকে অন্য জাতি থেকে পৃথক কোরে বোঝাবার জন্য ওহ মবহবৎধষ ংবহংব, তিনি তার প্রকৃত উম্মাহ বোঝান নি। (চোলবে এনশা’ল্লাহ…)

[সমস্ত পৃথিবীময় অন্যায়, অবিচার, যুদ্ধ ও রক্তপাত ইত্যাদি নির্মূল করে ন্যায়, সুবিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৫ সনে এমামুযযামান জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী হেযবুত তওহীদ নামক আন্দোলনটি প্রতিষ্ঠা করেন। আল্লাহ তাঁকে প্রকৃত ইসলামের যে জ্ঞান দান করেছেন তা তিনি যতটা সম্ভব হোয়েছে বই-পুস্তক লিখে, বক্তব্যের মাধ্যমে প্রচারের চেষ্টা করেছেন। এই নিবন্ধটি লেখকের বিভিন্ন লেখা ও বক্তব্য থেকে সম্পাদিত।]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

বাবা নেই, মায়ের স্বপ্ন পূরণে ১৩ মাসে হাফেজ হলেন নাঈম!

বাবা নেই, মায়ের স্বপ্ন পূরণে ১৩ মাসে হাফেজ হলেন নাঈম!
মাত্র ১৩ মাসে পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে হাফেজ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে ১০ বছর বয়সী শিশু মুহাম্মদ নাঈম আহমদ। রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায়…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

সরকার বিধবা কার্ড চালু করলে এমপির বউ সবার আগে নেবে!

সরকার বিধবা কার্ড চালু করলে এমপির বউ সবার আগে নেবে!
সরকার বিধবা কার্ড চালু করলে সংসদ সদস্যের স্ত্রীই সবার আগে সেই কার্ড নেবেন বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

নভেম্বরেই চালু হতে পারে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর!

নভেম্বরেই চালু হতে পারে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর!
আগামী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর সময় পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে সরকার। উদ্বোধনের তারিখ নির্ধারণের পর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে শিক্ষক দুখু মিয়ার পাশে জেলা প্রশাসন!

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে শিক্ষক দুখু মিয়ার পাশে জেলা প্রশাসন!
জন্ম থেকেই দুই হাত নেই, তবু থেমে নেই শিক্ষক আলতাফ হোসেন দুখু মিয়ার জীবনসংগ্রাম। পা দিয়ে ব্ল্যাকবোর্ডে লিখে শিশুদের পাঠদান করে চলেছেন তিনি। এবার তাঁর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

জিএম কাদেরের উত্তরার বাসভবনে হা’মলার অভিযোগ!

জিএম কাদেরের উত্তরার বাসভবনে হা’মলার অভিযোগ!
জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের উত্তরার বাসায় হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর বার্তা সম্পাদক শৌর্য দীপ্ত সূর্য। সোমবার (১২ অক্টোবর) তিনি এ তথ্য…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

স্ত্রীর মৃত্যুর তিন ঘণ্টা পর প্রাণ গেল স্বামীর!

স্ত্রীর মৃত্যুর তিন ঘণ্টা পর প্রাণ গেল স্বামীর!
ঘরে পড়ে ছিল স্ত্রীর নিথর দেহ। শোক বুকে নিয়েই ফজরের আজান দিতে ও নামাজ আদায় করতে মসজিদে যান স্বামী রোমান মোল্যা (৬০)। তবে নামাজ শেষে…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    খুলনা

তালাবদ্ধ ঘর থেকে দুর্গন্ধ কক্ষে মিলল বৃদ্ধার মরদেহ!

তালাবদ্ধ ঘর থেকে দুর্গন্ধ কক্ষে মিলল বৃদ্ধার মরদেহ!
রাজশাহী নগরের কেদুর মোড় এলাকার নিজ বাড়ি থেকে বেলী রাণী (৭০) নামে এক বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী

ছয় বছর পর পাগলা মসজিদের স্বর্ণ-রুপা ও বিদেশি মুদ্রা গণনা শুরু!

ছয় বছর পর পাগলা মসজিদের স্বর্ণ-রুপা ও বিদেশি মুদ্রা গণনা শুরু!
দীর্ঘ ছয় বছর পর কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে জমা হওয়া স্বর্ণ, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার ওজন নির্ধারণ ও গণনার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসনের…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল ইসলামী আন্দোলন নেতার পদ স্থগিত!

আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল ইসলামী আন্দোলন নেতার পদ স্থগিত!
ভোলায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এক নেতার ব্যক্তিগত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় দলটির ভোলা দক্ষিণ জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

পলকের নির্দেশে জুলাইয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারনেট বন্ধ হয়!

পলকের নির্দেশে জুলাইয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারনেট বন্ধ হয়!
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও চারটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট সেবা বন্ধের নির্দেশ তৎকালীন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

স্বর্ণের খনিতে বিমান হামলা, সুদানে প্রাণ গেল ৭২ জনের!

স্বর্ণের খনিতে বিমান হামলা, সুদানে প্রাণ গেল ৭২ জনের!
সুদানের নীল নদ রাজ্যে স্বর্ণ অনুসন্ধানকারীদের একটি শিবিরে বিমান হামলায় অন্তত ৭২ জন বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। গত শনিবার ভোরে চালানো এ হামলায় আহত হয়েছেন…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

চট্টগ্রামে বসতঘর থেকে মদসহ স্বামী-স্ত্রী আটক!

চট্টগ্রামে বসতঘর থেকে মদসহ স্বামী-স্ত্রী আটক!
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ৫০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাইমদসহ স্বামী-স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ জলদী এলাকার শ্রীরাম মহাজন পাড়ার ৮…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

নারী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য দিল্লিতে চালু হচ্ছে গোলাপি ই-অটো

নারী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য দিল্লিতে চালু হচ্ছে গোলাপি ই-অটো
নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করা, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং নারীদের যাতায়াত আরও নিরাপদ করতে ১ হাজার ৩০০টি গোলাপি রঙের বৈদ্যুতিক অটোরিকশা (ই-অটো) বরাদ্দের…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

সি’জারে পেটে গজ থাকায় মৃ’ত্যু ৫৫ হাজারে আপসের নথি প্রকাশ!

সি’জারে পেটে গজ থাকায় মৃ’ত্যু ৫৫ হাজারে আপসের নথি প্রকাশ!
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ (ফমেক) হাসপাতালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের সময় পেটে গজ রেখে সেলাই দেওয়ার অভিযোগের পাঁচ মাস পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিথি আক্তারের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর আগে…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

সৌদির বিমানবন্দর ঘিরে বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ!

সৌদির বিমানবন্দর ঘিরে বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ!
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রাণঘাতী হামলার মধ্যে এবার দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় শহর দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছেও ক্ষেপণাস্ত্র পড়ার ঘটনা ঘটেছে।…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক