প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   মক্কার তৎকালীন মোশরেকদের সঙ্গে বর্তমানের...

মক্কার তৎকালীন মোশরেকদের সঙ্গে বর্তমানের বিকৃত ইসলামের মিল

২৮ জানুয়ারি ২০১৬ ০৩:২০ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক
রিয়াদুল হাসান

বর্তমানে বিকৃত ইসলামের অনুসারীদের মধ্যে প্রচলিত ধারণা ও বিশ্বাস অর্থাৎ আকিদা হচ্ছে এই যে, বিশ্বনবী মোহাম্মদ (সা.) যাদের মধ্যে আবির্ভূত হয়েছিলেন অর্থাৎ তদানীন্তন আরববাসীরা আল্লাহকে বিশ্বাস করত না, তাদের আল্লাহর ওপর ঈমান ছিল না। এই ধারণা সম্পুর্ণ ভুল। তখনকার আরবরা বিশ্বাস করত যে তারা আল্লাহর নবী ইব্রাহীমের (আ.) উম্মাহ। তারা নিজেদের ‘হানীফ’ বলত। হানীফ অর্থ একাগ্র। অর্থাৎ তারা তওহীদ এবং ইব্রাহীমের (আ.) একাগ্র অনুসারী। সুতরাং তদানীন্তন আরববাসীরা আল্লাহকে তেমনই বিশ্বাস করত যেমন বর্তমানের পৃথিবীময় মুসলিম বলে পরিচিত লোকেরা এবং অন্যান্য ধর্মের লোকেরা বিশ্বাস করে। ঐ আরবরা আল্লাহকে সৃষ্টিকর্তা বলে, পালনকারী বলে বিশ্বাস করত, নামাজ পড়ত, কাবা শরীফকে আল্লাহর ঘর বলে বিশ্বাস করত, ঐ কাবাকে কেন্দ্র করে বাৎসরিক হজ্ব করত, কোরবানি করত, রোযা রাখত, আল্লাহর নামে কসম করত, নিজেদের সন্তানদের নাম আব্দুল্লাহ (আল্লাহর দাস) রাখত, এমনকি বর্তমান সময়ের ‘মুসলিমদের’ মতো খাত্নাও করত। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনীয় দলিল, বিয়ে শাদীর কাবিন ইত্যাদি সমস্ত কিছু লেখার আগে আমরা যেমন বিসমিল্লাহ লেখি তেমনি তারাও আল্লাহর নাম লিখত। তারা লিখত বিসমিকা আল্লাহুম্মা, অর্থাৎ তোমার নাম নিয়ে (আরম্ভ করছি) হে আল্লাহ। নবুয়াত পাবার আগে মহানবীর সঙ্গে আম্মা খাদীজার (রা.) বিয়ের যে কাবিন লেখা হয়েছিল তা লিখেছিল আরবের লোকেরা যাদের আমরা এখন কাফের মোশরেক বলি এবং তা তারা শুরু করেছিল আল্লাহর নাম দিয়ে। তওহীদের ডাক দেবার ‘অপরাধে’ আল্লাহর রসুলকে তাঁর পরিবার পরিজন ও আসহাবসহ মক্কার বাইরে উত্তপ্ত উপত্যকায় নির্বাসন দেবার জন্য যে বিজ্ঞপ্তি মোশরেক কোরায়েশ নেতারা সর্বসাধারণের জানার জন্য পবিত্র কাবার দরজার ওপর ঝুলিয়ে দিয়েছিল সে বিজ্ঞপ্তির প্রথমেই তারা লিখেছিল- বিসমিকা আল্লাহুম্মা। হুদায়বিয়ার সন্ধিপত্র লেখার সময় আলী (রা.) যখন ‘বিসমিল্লাহের রহমানের রহিম’ দিয়ে আরম্ভ করলেন তখন মোশরেক কোরায়েশদের প্রতিনিধি সুহায়েল বিন্ আমর প্রতিবাদ করে বললো, আমরা এ রকম করে লেখি না, আমরা যে ভাবে আল্লাহর নাম লেখি ঐ ভাবে লিখতে হবে, অর্থাৎ বিসমিকা আল্লাহুম্মা। তখন আল্লাহর রসুলের আদেশে আলী (রা.) ঐ ভাবেই লিখলেন। এগুলো ঐতিহাসিক প্রমাণ।
আরবের মোশরেকরা যে আমাদের মতই আল্লাহয় বিশ্বাসী ছিল এ কথায় সাক্ষ্য দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ। কোর’আনে তিনি তাঁর রসুলকে বলছেন- তুমি যদি তাদের (আরবের মোশরেক, কাফের অধিবাসীদের) জিজ্ঞাসা করো, আসমান ও যমীন কে সৃষ্টি করেছেন? তবে তারা অবশ্যই জবাব দেবে- সেই সর্বশক্তিমান, মহাজ্ঞানী (আল্লাহ) (কোর’আন- সুরা যুখরুফ- ৯)। অন্যত্র বলেছেন- তুমি যদি তাদের প্রশ্ন করো আসমান ও যমীন কে সৃষ্টি করেছেন এবং কে সূর্য ও চন্দ্রকে তাদের (কর্তব্য কাজে) নিয়োজিত ও নিয়ন্ত্রণ করছেন, তবে তারা নিশ্চয়ই জবাব দেবে- আল্লাহ (কোর’আন- সুরা আনকাবুত- ৬১)। আল্লাহ আবার বলছেন- যদি তাদের প্রশ্ন করো, কে এই মহাকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, তবে তারা নিশ্চয়ই জবাব দেবে আল্লাহ (কোর’আন- সুরা লোকমান- ২৫)। আল্লাহ তাঁর নবীকে আবার বলছেন ঐ মোশরেকদের প্রশ্ন করতে (পানির অভাবে শুকিয়ে, ফেটে যেয়ে) মাটি যখন মরে যায়, তখন আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে কে তাকে পুণর্জীবন দান করেন- তবে তারা অবশ্যই জবাব দেবে- আল্লাহ (কোর’আন- সুরা আনকাবুত- ৬৩)। আল্লাহ তাঁর নবীকে আবার বলছেন, ‘এই পৃথিবী এবং পৃথিবীতে যারা আছে তারা কার? যদি তোমরা জানো তবে বলো। তারা বলবে, ‘সবই আল্লাহর।’ (সূরা মুমিনুন ৮৪-৮৫)। ইতিহাস ও আল্লাহর সাক্ষ্য, দু’টো থেকেই দেখা যায় যে, যে মোশরেকদের মধ্যে আল্লাহর রসুল প্রেরিত হলেন তারা আল্লাহকে গভীর ভাবে বিশ্বাস করত অর্থাৎ আল্লাহর ওপর তাদের ঈমান ছিল। সে সময় বৃহত্তর জনসাধারণকে ধর্মের ব্যাখ্যা দিয়ে ধর্মের কর্তৃপক্ষ সেজে একদল লোক জনসাধারণের মধ্যে ধর্মকে নিয়ে ব্যবসা করে নিজেদের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করত। যেমন আবু জাহেল ছিল আরবের মধ্যে একজন প্রখ্যাত ‘আলেম’। এজন্য তাকে ডাকা হতো আবুল হাকাম অর্থাৎ জ্ঞানীদের পিতা। বর্তমানেও পৃথিবীর সর্বত্র মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যেও ধর্মকে জীবিকা উপার্জনের পুুঁজি হিসাবে ব্যবহারকারী একটি শ্রেণি রয়েছেন যারা নিজেদের নামের সাথে ধর্মীয় নানা উপাধি ব্যবহার করে থাকেন, বৃহত্তর জনগোষ্ঠীও ধর্মীয় যে কোনো বিষয়ে তাদের উপর নির্ভর করে থাকে। একেবারে মক্কার অবস্থা।
তাহলে আজ মুসলিম বলে পরিচিত এই জনসংখ্যাটি (কোন উম্মাহ নয়) যে দীনটাকে পালন করে নিজেদের মো’মেন, মুসলিম ও উম্মতে মোহাম্মদী বলে বিশ্বাস করে এবং মৃত্যুর পর জান্নাতে অর্থাৎ বেহেশতে যাবার আশা করে ঐ জনসংখ্যাটি এবং আরবের ঐ মোশরেকদের জাতিটি যার মধ্যে তাদের হেদায়াহর জন্য আল্লাহ তাঁর রসুল প্রেরণ করলেন এ দু’টোর মধ্যে প্রভেদ কোথায়? কথাটা আরও পরিষ্কার করছি। বর্তমানের এই দীন পাঁচটি রোকনের (স্তম্ভ) ওপর দাঁড়িয়ে আছে, এ কথায় কোনো সন্দেহ আছে কি? অবশ্যই নয়; এবং সেগুলি হলো- ১) কলেমা, ২) সালাহ (নামায), ৩) যাকাহ, ৪) হজ্ব, ৫) সওম (রোযা)। যারা এগুলির ওপর বিশ্বাস স্থাপন করে ওগুলি পালন করেন তাদের বলা হয় মো’মেন, মুসলিম ও উম্মতে মোহাম্মদী। এখন দেখা যাক তদানীন্তন আরবদের সাথে অমিল কোথায়।
১) কলেমা। বর্তমানের এই মুসলিম বলে পরিচিত জনসংখ্যা বিশ্বাস করে আল্লাহ এক, তিনি উপাস্য, তিনি স্রষ্টা, তিনি রক্ষাকর্তা, তিনি রব অর্থাৎ ভরণ-পোষণকারী, তিনি সর্বশক্তিমান, তিনি পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল ইত্যাদি আরও অনেক কিছু। ঐ সময়ের আরবরাও ঠিক এই কথাই বিশ্বাস করত যার প্রমাণ উপরে দিয়ে এসেছি।
২) সালাহ (নামায)। মুসলিম বলে পরিচিত বর্তমানের এই জনসংখ্যার মতো ঐ মোশরেক আরবরাও আল্লাহর ঘর কাবার দিকে মুখ করে সালাহ কায়েম করত এ কথা ইতিহাস। আল্লাহর রসুলের ক্রীতদাস, পরে মুক্ত ও তাঁর সন্তান হিসাবে গৃহীত যায়েদকে (রা.) খুঁজতে খুঁজতে তার বাপ-চাচারা যখন শুনতে পেলেন যে যায়েদ (রা.) মক্কায় মোহাম্মদ (সা.) নামের একজন লোকের কাছে আছে যিনি আল্লাহর নবী হবার দাবী করছেন। এ খবর শুনে তারা উত্তর আরব থেকে মক্কায় এসে লোকজনকে জিজ্ঞাসা করলেন- আমরা মোহাম্মদ (সা.) নামের একজন লোককে খুঁজছি, তাঁকে কোথায় পাওয়া যাবে। লোকজন বললো- নামাযের সময় কাবায় যাবেন, দেখবেন একজন লোক অন্য সব নামাযী থেকে বিচ্ছিন্ন, আলাদা হয়ে একা নামায পড়ছেন, তিনিই আপনারা যাকে খুঁজছেন তিনি, মোহাম্মদ (সা.); অর্থাৎ মক্কার মোশরেকরা কাবার দিকে মুখ করে জামাতে সালাহ (নামায) কায়েম করত। অবশ্য ঐ সালাহ আল্লাহর নবী ইবরাহীমের (আ.) শেখানো পদ্ধতির ছিল, শেষ রসুলাল্লাহর পদ্ধতিতে ছিল না। বর্তমানের সালাতের এই নিয়ম পদ্ধতি পরে এসেছে। আরবের কাফের মোশরেকরা বিকৃতভাবে হলেও সালাহ (নামাজ) করত তার প্রমাণ আল্লাহ পবিত্র কোর’আনেও দিচ্ছেন, “তাদের (জাহেলী যুগের) নামায তো কিছু শিষ দেয়া ও তালি বাজানো ছাড়া কিছুই ছিল না” [সূরা আল আনফাল ৮-৩৫]।
৩) যাকাহ। যে উদ্দেশ্যে যাকাহ দেওয়া অর্থাৎ নিজের উপার্জিত অর্থ থেকে সমাজের অন্য দুঃস্থ, গরিব বা অন্যের প্রয়োজন পূর্ণ করতে সাহায্য দেয়া সে অর্থে ঐ মোশরেকরাও তাদের উপার্জিত সম্পদ থেকে বহু দান-খয়রাত করত, এটাও ইতিহাস। তাদের মধ্যে হাতেম তাঈ’র মত আরো অনেক দানশীল ছিল। আল্লাহ তাঁর শেষ রসুলের মাধ্যমে সেই অনিয়মিত, ইচ্ছাকৃত দানকে একটা শৃংখলার (উরংপরঢ়ষরহব) মধ্যে এনে এটাকে শতকরা আড়াই (২১/২) ভাগে নিবন্ধন করেছেন।
৪) হজ্ব। এ কথা ইতিহাস যে তদানীন্তন মোশরেক আরবরা বছরে একবার কাবাকে কেন্দ্র করে হজ্ব পালন করত। হজ্বের প্রচলন শুরু হয় ইব্রাহীম (আ.) এর মাধ্যমে। তাদের হজ্বের সময়, মাস, তারিখ, নিয়ম কানুন প্রায় বর্তমানের হজ্বের মতই ছিল। পার্থক্য হলো, তারা উলংগ হয়ে হজ্ব করত কারণ হাশরের ময়দানে সমস্ত নারী-পুরুষ উলংগ থাকবে। ইসলাম এসে দু’টুকরো সেলাইহীন কাপড় দিয়ে সেটাকে শালীন করেছে। নবী করীম (সা.) কাফেরদের এই হজ্বের সময় হাজীদের তাবুতে তাবুতে গিয়ে তওহীদের বালাগ দিয়েছেন।
৫) সওম (রোযা)। তখনকার মোশরেকরাও বর্তমানের দীনের মতই রমাদান মাসেই একমাস সওম (রোযা) পালন করত।
তাহলে যাদের মধ্যে আল্লাহর রসুল তওহীদ অর্থাৎ আল্লাহর সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য আসলেন তাদের সাথে বর্তমানের মুসলিম বলে পরিচিত এই জনসংখ্যার তফাৎ কোথায়? যদি বলেন যে তারা মূর্তিপূজা করত তবে তার জবাব হচ্ছে এই যে ঐ মোশরেক আরবরা ঐ মূর্তিগুলোকে আল্লাহ বলে বিশ্বাস করত না, তাদের স্রষ্টা বলেও বিশ্বাস করত না, তাদের প্রভু (রব) বলেও বিশ্বাস করত না। একটু আগেই কোরানের যে আয়াতগুলির উদ্ধৃতি দিয়েছি যেগুলোয় আল্লাহ তাঁর রসুলকে বলছেন তাদের প্রশ্ন করতে, মোশরেকদের জবাব থেকেই, যে জবাবগুলি আল্লাহ স্বয়ং দিচ্ছেন মোশরেকদের পক্ষ থেকে তা থেকেই পরিষ্কার হয়ে যায়। তাহলে আরবদের কাছে ঐ মূর্তিগুলি কী ছিল? তাদের কাছে ঐ মূর্তিগুলি আল্লাহ ছিল না, তারা বিশ্বাস করত ওগুলি আল্লাহর নিকটবর্তী, ঘনিষ্ঠ এবং প্রিয়জন। তারা ওগুলির পূজা করত দু’টো কারণে এক) যেহেতু ওগুলো আল্লাহর ঘনিষ্ঠ সেহেতু তারা পূজারীদের পক্ষ হয়ে কোনো ব্যাপারে আল্লাহর কাছে সুপারিশ করলে আল্লাহ তা মঞ্জুর করবেন। যেমন রোগ শোক থেকে মুক্তি, ব্যবসা-বাণিজ্যে সাফল্য, কোনো বিপদ থেকে উদ্ধার ইত্যাদি। এ কথার প্রমাণ এই যে, স্বয়ং আল্লাহ বলছেন তারা আল্লাহ ব্যতীত যার এবাদত করে তা তাদের ক্ষতিও করতে পারে না, উপকারও করতে পারে না। তারা বলে, ‘এইগুলি আল্লাহর নিকট আমাদের সুপারিশকারী’ (সুরা ইউনুস, আয়াত ১৮)। দুই) তারা বিশ্বাস করত যে যেহেতু ঐ মূর্তিগুলি, ঐ দেব-দেবীগুলি আল্লাহর ঘনিষ্ঠ ও প্রিয় কাজেই তাদের পূজা করে তাদের সন্তুষ্ট করতে পারলে তারা পূজারীদের আল্লাহর সান্নিধ্য (কুরবিয়াহ্) এনে দেবে। এ ব্যাপারেও আল্লাহ বলেছেন যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে তারা বলে, ‘আমরা তো এদের পূজা এ জন্যই কোরি যে, এরা আমাদেরকে আল্লাহর সান্নিধ্যে এনে দিবে’ (সুরা যুমার, আয়াত ৩) দেখা যাচ্ছে আরব মোশরেকদের মূর্তিপূজার পেছনে দু’টো উদ্দেশ্য ছিল, একটি দুনিয়াদারী, অন্যটি আখেরাত- অনেকটা আমাদের সমাজে পীরদের কাছে মানুষ যে উদ্দেশ্যে যেয়ে থাকে। সুতরাং ঐ মূর্তিগুলিকে আরবের মোশরেকরা কখনই আল্লাহর স্থানে বসায় নাই।
মূল কথা হলো আরবের মোশরেকরা সমাজ পরিচালনা করত লাত, মানাত, ওজ্জা ইত্যাদির নামে নিজেদের তৈরি করা হুকুম বিধান দিয়ে আর বর্তমানের মোসলেম জাতি রাষ্ট্র পরিচালনা করে নানা তন্ত্র-মন্ত্রের নামে পাশ্চাত্য ইহুদি খ্রিষ্টান সভ্যতার তৈরি করা হুকুম বিধান, সিস্টেম দিয়ে। এজন্যই তৎকালিন আরবের মতোই আমাদের সমাজও অন্যায়, অবিচারে পরিপূর্ণ। সুতরাং আখেরাতেও ঐ কাফের-মোশরেকদের মতোই পরিণতি ভোগ করতে হবে এটা স্বাভাবিক জ্ঞানেই বোঝা যায়।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

দুর্গোৎসবের নিরাপত্তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত শক্তির প্রতিফলন : আনসার মহাপরিচালক

দুর্গোৎসবের নিরাপত্তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত শক্তির প্রতিফলন : আনসার মহাপরিচালক
শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে মোকাবিলায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্বশীল ও সমন্বিত…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

জান্নাতের টিকিট বিক্রি করি না, পথ দেখিয়ে দিই: শফিকুর রহমান

জান্নাতের টিকিট বিক্রি করি না, পথ দেখিয়ে দিই: শফিকুর রহমান
‘জান্নাতের টিকিট বিক্রি’র অভিযোগ নাকচ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তাঁরা মানুষকে জান্নাতে যাওয়ার পথ দেখিয়ে দেন। মঙ্গলবার…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

আওয়ামী লীগকে ‘পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চোরের দল’ বললেন স্পিকার!

আওয়ামী লীগকে ‘পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চোরের দল’ বললেন স্পিকার!
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ‘পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চোরের দল’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম। তাঁর অভিযোগ,…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

পিসিটিতে ঘণ্টায় ৭২ মুভ, নতুন রেকর্ড আরএসজিটি বাংলাদেশের!

পিসিটিতে ঘণ্টায় ৭২ মুভ, নতুন রেকর্ড আরএসজিটি বাংলাদেশের!
পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে (পিসিটি) জাহাজ পরিচালনায় নতুন উৎপাদনশীলতার রেকর্ড গড়েছে আরএসজিটি বাংলাদেশ। সিএমএ সিজিএমের জাহাজ এমভি আমুরো পরিচালনার সময় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭২ মুভ ও ১২২…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

মোদিকে ‘ভারতের সবচেয়ে বড় কাপুরুষ’ বললেন অভিজিৎ দীপকে!

মোদিকে ‘ভারতের সবচেয়ে বড় কাপুরুষ’ বললেন অভিজিৎ দীপকে!
পুলিশি হেফাজত থেকে মুক্তি পাওয়ার একদিন পরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। সোমবার (১৯ অক্টোবর)…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

ডিসেম্বরে প্রথম ইউএনও সম্মেলন, ডিসি সম্মেলন জানুয়ারিতে!

ডিসেম্বরে প্রথম ইউএনও সম্মেলন, ডিসি সম্মেলন জানুয়ারিতে!
প্রথমবারের মতো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) নিয়ে সম্মেলন আয়োজন করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী ডিসেম্বর মাসে এ সম্মেলন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারি…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

কৃষক কার্ডে জানা যাবে আগামীকাল বৃষ্টি হবে কি না: প্রধানমন্ত্রী

কৃষক কার্ডে জানা যাবে আগামীকাল বৃষ্টি হবে কি না: প্রধানমন্ত্রী
দেশের ৪০ লাখ কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, এই কার্ডের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে কৃষকেরা জানতে পারবেন, পরদিন…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

গলাচিপায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নদীতে ইলিশ শিকারের মহোৎসব!

গলাচিপায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নদীতে ইলিশ শিকারের মহোৎসব!
রাতের অন্ধকারে নদীতে জাল ফেলা হচ্ছে। আবার দিনের আলোতেও কোথাও নৌকা নিয়ে চলছে ইলিশ শিকার, কোথাও নির্দিষ্ট ক্রেতার ফোন পেয়ে ব্যাগে ভরে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

উলিপুরে বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা, ৭ ঘণ্টার মধ্যে ঘাতক গ্রেফতার

উলিপুরে বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা, ৭ ঘণ্টার মধ্যে ঘাতক গ্রেফতার
কুড়িগ্রামের উলিপুরে বাচ্চু মিয়া (৬০) নামের এক বৃদ্ধকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার তার চাচাতো নাতি রাব্বিকে (২২) সঙ্গে নিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি উদ্ধার করেছে পুলিশ।…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও দলীয় সভায় যোগ দিতে চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী!

পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও দলীয় সভায় যোগ দিতে চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী!
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

‘সৌদি জেল থেকে ১৫ দিন আগেও ফোন করেছিল সুইটি’!

‘সৌদি জেল থেকে ১৫ দিন আগেও ফোন করেছিল সুইটি’!
প্রায় চার বছর আগে জীবিকার সন্ধানে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের সুইটি আক্তার। সেখানে যাওয়ার পর প্রথম পাঁচ মাস নিয়মিত বাড়িতে টাকা পাঠালেও পরে…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

কালিয়াকৈরে পিকআপ ও নসিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষে গরু ব্যবসায়ী নিহত, আহত ৩

কালিয়াকৈরে পিকআপ ও নসিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষে গরু ব্যবসায়ী নিহত, আহত ৩
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের কালিয়াকৈরে চা বাগান এলাকায় পিকআপ ও নসিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক গরু ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।আজ…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

৭২ ঘণ্টায় দুবার ঢাকায় ফিফা সভাপতি, বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে কী ভাবছেন তিনি?

৭২ ঘণ্টায় দুবার ঢাকায় ফিফা সভাপতি, বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে কী ভাবছেন তিনি?
মাত্র ৭২ ঘণ্টার ব্যবধানে দুবার ঢাকায় এসেছেন আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশনের (ফিফা) সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ভুটান সফর শেষে দোহাগামী ফ্লাইট ধরতে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ঢাকায় যাত্রাবিরতি…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

হুথিদের হামলা ঠেকাতে সৌদিতে টাইফুন যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য!

হুথিদের হামলা ঠেকাতে সৌদিতে টাইফুন যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য!
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা থেকে সৌদি আরবকে সুরক্ষা দিতে টাইফুন যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি আরবের…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

জুলাইয়ে ছাত্র-জনতা লুটেরা ও চাঁদাবাজদের জন্য রক্ত দেয়নি: জামায়াত আমির

জুলাইয়ে ছাত্র-জনতা লুটেরা ও চাঁদাবাজদের জন্য রক্ত দেয়নি: জামায়াত আমির
জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে মানুষ লুটপাট, চাঁদাবাজি ও অন্যায়-অবিচার প্রতিষ্ঠার জন্য রক্ত দেয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা.…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত