কুমিল্লায় চলমান কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার হওয়া ২৫ জন কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। আলোচিত অপ্রতিম হত্যা মামলার দুই আসামিসহ গত ১৩ দিনে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মোট ২৭ জন কিশোরকে সেখানে পাঠানো হয়েছে।
আজ রবিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, আজ রবিবার সকালে দুই কিশোরকে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত অপ্রতিম হত্যা মামলার দুই আসামিসহ পর্যায়ক্রমে আরও ২৫ জনকে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়।
‘মাকে সঙ্গে দিলে সুইসাইড করব’, ইউএনওকে বললেন ছেলে!

জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে কুমিল্লা নগরীসহ জেলার ১৮টি থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু হয়। গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) গভীর রাত পর্যন্ত পাঁচ দফায় ২ হাজার ৪২ জন কিশোর গ্যাং সদস্যসহ মাদক ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৮৩৩ জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে সোপর্দ করা হয়েছে। আর প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে মুচলেকা নিয়ে ১ হাজার ২০৯ জনকে তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়, যাদের অধিকাংশই শিক্ষার্থী।
এদিকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্রে জানা গেছে, চলমান এই সাঁড়াশি অভিযানের কারণে কারাগারে বন্দী সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। দেড় হাজার বন্দীর ধারণক্ষমতাসম্পন্ন এই কারাগারটিতে আজ রবিবার সকালে বন্দীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৩ হাজার ৫০০ জনে। অতিরিক্ত বন্দীর চাপের কারণে এই প্রচণ্ড গরমে গাদাগাদি করে অত্যন্ত কষ্টকর পরিস্থিতিতে বন্দীদের দিন কাটাতে হচ্ছে।

















