জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার বক্তব্যে ব্যথিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন সদ্য পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তিনি বলেছেন, নিজের রাজনৈতিক দল থেকে কোনো ষড়যন্ত্রের শিকার হননি তিনি। তবে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের ঘটনায় নিজের ভূমিকা নিয়ে জামায়াত নেতার মন্তব্যে হতাশ হয়েছেন। এ সময় তিনি বলেন, জীবন বাজি রেখে ওই অভিযানে গিয়েছিলেন তিনি।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ইশরাক হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক বলেন, নিজের রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে কোনো ষড়যন্ত্রের শিকার হননি তিনি। তবে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর একজন নেতার মুখ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও অস্ত্র উঁচিয়ে ধরার অভিযোগ শুনে ব্যথিত হয়েছেন।
সৌদিতে নিহত প্রবাসীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে সহযোগিতা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা!

ইশরাক বলেন, দিনের বেলায় তিনি কী উদ্দেশ্যে সেখানে গিয়েছিলেন, তা ব্যাখ্যা করার মতো পরিস্থিতি ছিল। সেখানে থানা-পুলিশের সদস্যদের পাশাপাশি শত শত মানুষ উপস্থিত ছিলেন। ওই ঘটনায় ৩০০ গ্রাম হেরোইন, কয়েক বোতল মদসহ আরও বিভিন্ন অবৈধ জিনিসপত্র উদ্ধারের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
নিজের ভূমিকার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ইশরাক বলেন, ‘আমি তো জীবন বাজি রেখে গিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, অনেকে তাঁকে নিয়ে নানা ধরনের কথা বলেন, যদিও সেসব কথায় তিনি গুরুত্ব দেন না। তবে ছাদের ওপর থেকে গুলি ছোড়া হলে তা কার মাথায় গিয়ে পড়বে, তা আগে থেকে জানা সম্ভব নয়। এমন পরিস্থিতির মধ্যেও কাজ করতে গিয়ে যখন সহযোগিতার আশ্বাসের পরিবর্তে অভিযোগ শুনতে হয়, তখন তিনি হতাশ হন।
ইশরাক বলেন, ‘তারপরেও যখন ওনাদের মুখ থেকে সহযোগিতার আশ্বাসের বদলে এই ধরনের এলিগেশন শুনি, তখন আমার কাছে মনে হয় যে আসলে আর তাকাবোই না ওদিকে।’
এ সময় সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেন তিনি। ইশরাক বলেন, ওই দিন এলাকাবাসী ও সাধারণ মানুষ তাঁকে দেখে হাততালি দিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেছিলেন। দীর্ঘদিন পর তাঁরা সাহস পেয়েছেন বলেও জানান তিনি।
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ইশরাক বলেন, মানুষের চাহিদা তিনি নিজে দেখেছেন। তাঁদের প্রত্যাশা পূরণে তিনি কাজ করে যাবেন।
















