প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   পুঁজিবাদ, মার্কসীয় ও ইসলামী অর্থনীতি

পুঁজিবাদ, মার্কসীয় ও ইসলামী অর্থনীতি

১ নভেম্বর ২০১৯ ০১:২৬ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মসীহ উর রহমান :

অর্থনীতি জাতীয় জীবনের অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। একটি জাতির উন্নতি, প্রগতি ইত্যাদি অনেকাংশেই যেমন নির্ভর করে তাদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উপর তেমনই ত্রুটিযুক্ত অর্থনীতি প্রয়োগের ফলে সমাজ অন্যায়, অবিচারে পরিপূর্ণ হয়ে যায়।

এই দীনের (ইসলামের) অর্থনীতির মূল ভিত্তি এখানে তুলে ধরার চেষ্টা করব ইনশা’ল্লাহ। ভিত্তি বলতে আমি বোঝাচ্ছি-নীতি, যে নীতির উপর একটা ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। পুঁজিবাদ, ধনতন্ত্রের নীতি হলো জনসাধারণের সম্পদ সাপটে এনে এক বা একাধিক স্থানে জড়ো করা। সমাজতন্ত্রের নীতি হলো জনসাধারণের সম্পদ রাষ্ট্রের হাতে তুলে নেওয়া। মূলে একই কথা, দু’টোই জনসাধারণকে বঞ্চিত করা। পুঁজিবাদে দেশের, জাতির সম্পদ পুঞ্জীভূত করে সংখ্যালঘিষ্ঠ মানুষের হাতে ব্যাংক, বীমা ইত্যাদির মাধ্যমে। যার ফলভোগ করে অতি অল্পসংখ্যক লোক এবং তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষকে বঞ্চিত করে বিরাট ধনী হয়ে যায়। আর সমাজতন্ত্র দেশের, জাতির সম্পদ পুঞ্জীভূত করে রাষ্ট্রের হাতে। জনসাধারণকে দেয় শুধু খাদ্য, পরিধেয়, শিক্ষা ও চিকিৎসা, বাসস্থানের মতো প্রাথমিক, মৌলিক প্রয়োজনগুলি, যদিও কার্যক্ষেত্রে তাও সুষ্ঠুভাবে করতে ব্যর্থ হয়েছে। পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় সম্পদ পুঞ্জীভূত করে হাতে গোনা কতকগুলি কোটিপতি সৃষ্টি হয়, বাকি জনসাধারণ জীবনের প্রাথমিক মৌলিক প্রয়োজনগুলি থেকেও বঞ্চিত হয়। এই ব্যবস্থা যতটুকু পরিধিতে প্রয়োগ করা হবে ততটুকু পরিধিতেই ঐ ফল হবে। একটি ভৌগোলিক রাষ্ট্রে (Nation State) এ ব্যবস্থা প্রয়োগ করলে যেমন ঐ রাষ্ট্রের জনসাধারণের ভীষণ দারিদ্রের বিনিময়ে মুষ্টিমেয় কোটিপতি সৃষ্টি হবে ঠিক তেমনি পুঁজিবাদী ব্যবস্থা পৃথিবীময় প্রয়োগ করলে কয়েকটি ভৌগোলিক রাষ্ট্র বিপুল ধনী হয়ে যাবে আর অধিকাংশ রাষ্ট্র চরম দারিদ্র্যের মধ্যে পতিত হবে যেমন বর্তমানে হয়েছে। এর কারণ হলো একটি ভৌগোলিক রাষ্ট্রের সম্পদ যেমন সীমিত- তেমনি পৃথিবীর সম্পদও সীমিত। সীমিত যে কোন জিনিসকেই কোথাও একত্রিত করা, পুঞ্জীভূত করা মানেই অন্যস্থানে অভাব সৃষ্টি করা। একটা রাষ্ট্রের ভেতরই হোক, আর সমস্ত পৃথিবীতেই হোক, সেটার সম্পদ, যা সমস্ত মানব জাতির মধ্যে ছড়িয়ে থাকার কথা, সেটাকে যদি কোথাও পুঞ্জীভূত করা হয় তবে অন্যত্র অভাব সৃষ্টি হওয়া অবশ্যম্ভাবী। সমাজবাদী, পুঁজিবাদী ও সাম্যবাদী (Socialist, Capitalist & Communist) এই সকল অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই মানুষের তৈরি, গায়রুল্লাহর ব্যবস্থা। সুতরাং এর পরিণাম অবশ্যই অন্যায়-অবিচার। অন্যদিকে শেষ জীবন-ব্যবস্থায় অর্থনীতির প্রণেতা স্বয়ং স্রষ্টা, আল্লাহ। এই ব্যবস্থার ভিত্তি নীতি হচ্ছে সম্পদকে মানুষের মধ্যে দ্রুত গতিতে চালিত করা, কোথাও সঞ্চিত হতে না দেওয়া। পুঁজিবাদ বলেছে সম্পদ খরচ না করে সঞ্চয় কর; সবার সঞ্চয় একত্র কর, পুঞ্জীভূত কর (ব্যাংকে), আল্লাহ কোর’আনে বলেছেন খরচ কর, ব্যয় কর, সম্পদ জমা করো না, পুঞ্জীভূত করো না। অর্থাৎ ইসলামের অর্থনীতি পুঁজিবাদী অর্থনীতির ঠিক বিপরীত। একটায় সঞ্চয় কর অন্যটায় ব্যয় কর। অন্যদিকে সমাজতন্ত্রী সাম্যবাদী অর্থনীতি ব্যক্তিগত মালিকানা নিষিদ্ধ করে জাতির সমস্ত সম্পদ রাষ্ট্রের হাতে পুঞ্জীভূত করে। এটাও ইসলামের বিপরীত। কারণ, ইসলাম ব্যক্তিগত মালিকানা সম্পূর্ণ স্বীকার করে এবং রাষ্ট্রের হাতে সম্পদ পুঞ্জীভূত করে না। পুঁজিবাদের ও সমাজতন্ত্রের যেমন আলাদা নিজস্ব অর্থনীতি আছে তেমনি ইসলামের নিজস্ব অর্থনীতি আছে। এককথায় বলতে হয় সেটা হচ্ছে সম্পদকে যত দ্রুত সম্ভব চালিত করা, কোথাও যেন সেটা স্থবির-অনঢ় না হতে পারে। এ জন্যই কোর’আনে এই অর্থনীতির বিধাতা, বিধানদাতা বহুবার তাগিদ দিয়েছেন খরচ কর, ব্যয় কর, কিন্তু বোধহয় একবারও বলেন নি যে, সঞ্চয় কর। যাকাত দেয়া, খারাজ, খুমস ও ওশর দেয়া এবং তার উপর সাদকা, দান ইত্যাদি খরচের কথা এতবার তিনি বলেছেন যে, বোধহয় শুধুমাত্র তওহীদ অর্থাৎ জীবনের সর্বক্ষেত্রে একমাত্র আল্লাহকে প্রভু, হুকুমদাতা, এলাহ বলে স্বীকার ও বিশ্বাস করা এবং জিহাদ ছাড়া অন্য কোন বিষয়ে এতবার বলেন নি। কারণ, একটা জাতির এবং পরবর্তীতে সমগ্র পৃথিবীতে অর্থাৎ যে কোন পরিধিতে সম্পদ যথাযথ ব
ণ্টনের জন্য প্রয়োজন হচ্ছে ব্যয়, সঞ্চয় নয়। একজনের হাত থেকে অন্য জনের হাতে হস্তান্তর, অর্থাৎ গতিশীলতা। প্রতিটি হস্তান্তর যত দ্রুত হতে থাকবে তত বেশি সংখ্যক লোক ঐ একই সম্পদ থেকে লাভবান হতে থাকবে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় যে, ধরুণ একটা এক টাকার নোট। এই নোটটা যার হাতেই পোড়ল, সে যথা সম্ভব শীঘ্র সেটা খরচ করে ফেলল। সে খরচ যেমন করেই হোক, কোনো কিছু কিনেই হোক বা দান করেই হোক বা কাউকে ধার দিয়েই হোক বা কোনো ব্যবসাতে বিনিয়োগ করেই হোক। ঐ নোটটা যদি সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দশজন লোকের হাত বদলায় তবে ঐ এক দিনে নোটটা দশজন লোককে লাভবান করবে। আর যদি একশ’ জনের হাত বদলায় তবে একশ’ জনকে লাভবান করবে। কারণ প্রতিবার হাত বদলাবার সময় দু’জনের মধ্যে একজনকে অবশ্যই লাভবান হতেই হবে। ঐ সীমিত সম্পদটা অর্থাৎ ঐ এক টাকার নোটটা যত দ্রুত গতিতে হাত বদলাবে, যত দ্রুত গতিতে সমাজের মধ্যে চালিত হবে তত বেশি সংখ্যক লোককে লাভবান করবে; তত বেশি সংখ্যক লোক অর্থনৈতিক উন্নতি করবে এবং পরিণতিতে সমস্ত সমাজকে অর্থনৈতিক ভাবে উন্নত করবে, সম্পদশালী করবে।
ঐ গতিশীলতার জন্য যে কোনো পরিধির সীমিত সম্পদ সমাজে নিজে থেকেই সুষ্ঠুভাবে বণ্টন হয়ে যাবে কোথাও পুঞ্জীভূত হতে পারবে না এবং হবার দরকারও নেই। সম্পদের এই গতিশীলতার জন্য নিজে থেকেই সুষম-সুষ্ঠু বণ্টন হয়ে যাবার কারণে একে রাষ্ট্রায়াত্ব করার কোনো প্রয়োজন নেই, ব্যক্তির মালিকানাকে নিষেধ করারও কোনো প্রয়োজন নেই। ব্যক্তি মালিকানা নিষিদ্ধ করার কুফল সাংঘাতিক, যে কুফলের জন্য রাশিয়া আজও খাদ্যে-পণ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারে নি এবং আজও আমেরিকা থেকে লক্ষ লক্ষ টন খাদ্য আমদানি করতে হয়। যা হোক, উদাহরণস্বরূপ যে এক টাকার নোটের কথা বললাম, সেই নোটটা যদি সমস্ত দিনে কোনো হস্তান্তর না হয়ে কোনো লোকের পকেটে বা কোনো ব্যাংকে পড়ে থাকে তবে ওটার আসল মূল্য এক টুকরো বাজে ছেঁড়া কাগজের সমান। কারণ সারাদিনে সেটা সমাজের মানুষের কোনো উপকার করতে পারল না, কারো অর্থনৈতিক উন্নতি করতে পারল না। আবার বলছি আল্লাহর দেয়া জীবন বিধানের অর্থনীতির বুনিয়াদ-ভিত্তি হলো সম্পদের দ্রুত থেকে দ্রুততর গতিশীলতা (Fast and still faster circulation of wealth)।
ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূলনীতি হচ্ছে সুদ ভিত্তিক পুঁজিবাদ, পরিণাম হচ্ছে নিষ্ঠুর, অমানবিক অর্থনৈতিক অবিচার, একদিকে মুষ্টিমেয় মানুষের হাতে বিপুল সম্পদ, তাদের সীমাহীন ভোগ বিলাস; অন্যদিকে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসাধারণের কঠিন দারিদ্র্য, অর্ধাহার-অনাহারে মানবেতর জীবনযাপন। সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূলনীতি হচ্ছে সমস্ত সম্পদ রাষ্ট্রায়ত্ত করে মানুষের ব্যক্তিগত সম্পত্তির অধিকার হরণ করে সম্পদ বণ্টন। এ বণ্টন শুধু মৌলিক প্রয়োজনের এবং তা-ও ঐ মানুষের শ্রম ও উৎপাদনের উপর ভিত্তি করে। পরিণাম হচ্ছে খাদ্য, বস্ত্র, ও ক্ষুদ্র বাসস্থানের বিনিময়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসাধারণের আত্মাহীন যন্ত্রে পরিণত হওয়া ও মুষ্টিমেয় নেতৃবৃন্দের ভোগ-বিলাস ও প্রাচুর্যের মধ্যে বাস করে ঐ বঞ্চিত কৃষক শ্রমিক জনসাধারণের নেতৃত্ব করা। অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় পুঁজিবাদ। ঐ দুই ব্যবস্থাই মানুষের-গায়রুল্লাহর সৃষ্টি এবং দুটোরই পরিণাম বৃহত্তর জনসাধারণের উপর নিষ্ঠুর অবিচার, বঞ্চনা। শেষ দীনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মূলনীতি হচ্ছে সমস্ত সম্পদকে যত দ্রুত সম্ভব গতিশীল করে দেওয়া এবং অর্থনীতিকে স্বাধীন-মুক্ত করে দেওয়া। প্রত্যেক মানুষের সম্পদ সম্পত্তির মালিকানা স্বীকার করা, প্রত্যেকের অর্থনৈতিক উদ্যোগ-প্রচেষ্টাকে শুধু স্বীকৃতি দেওয়া নয় উৎসাহিত করা (সুরা আল-বাকারা ২৭৫)। একদিকে অর্থনৈতিক উদ্যোগ প্রচেষ্টা অর্থাৎ ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্পকে আল্লাহ উৎসাহিত করছেন অন্যদিকে ক্রমাগত বলে চলেছেন খরচ করো, ব্যয় করো। উদ্দেশ্য সেই গতিশীল সম্পদের নীতি। পরিণাম সমাজের সর্বস্তরে সম্পদের সুষ্ঠু-সুষম বণ্টন, দারিদ্র্যের ইতি।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো!

রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো!
আগামীকাল রোববার বাংলাদেশে আসতে পারেন বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ভুটানের রাজধানী থিম্পু সফরে যাওয়ার পথে স্বল্প সময়ের জন্য ঢাকায় ট্রানজিট নেওয়ার…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

শ্রীল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন

শ্রীল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার শ্রীভল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন। পরিদর্শনকালে তিনি মন্দির প্রাঙ্গণে সনাতন…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও আর্থিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করতে ভাতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায়…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা

বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা
বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

সাদুল্লাপুরে ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ

সাদুল্লাপুরে ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় একটি ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত নারীর আনুমানিক বয়স ৪০ থেকে ৪৫ বছর।…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

ইপিডিএবি -এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ইপিডিএবি -এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
ইলেকট্রনিক্স পণ্য পরিবেশক সমিতি বাংলাদেশ তথা ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্টস ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইপিডিএবি)-এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মাধ্যমে সংগঠনটির পথচলায় এক…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ফুলবাড়ীতে বিএনপির সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ

ফুলবাড়ীতে বিএনপির সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় বিএনপির সদ্যঘোষিত আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন দলটির একাংশের নেতাকর্মীরা। কমিটিতে ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে ৯০ কেজির বাঘাইড় মাছ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে ৯০ কেজির বাঘাইড় মাছ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের পুটিমারী এলাকায় স্থানীয় এক জেলের জালে ৯০ কেজি ওজনের একটি বিশালাকার বাঘাইড় মাছ ধরা পড়েছে। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) মাছটির ছবি…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

রৌমারীতে ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫

রৌমারীতে ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫
শাহ আলম, কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কর্তিমারী এলাকায় ডিসি সড়কে মালবোঝাই ট্রাক ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর)…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত চিকিৎসক!

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত চিকিৎসক!
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আকস্মিক পরিদর্শনে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের নিজ কক্ষে ধূমপান করতে দেখা যায় সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে। এ সময় কক্ষের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশও…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

কালিয়াকৈর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন

কালিয়াকৈর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন
মোঃ শফিকুল ইসলামকালিয়াকৈর ( গাজীপুর) প্রতিনিধিগাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুরস্থইবনে সিনা  ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড  এর হারবাল শাখায় শনিবার বিকেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ওষুধের মেশিন ও গোডাউনে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, রয়েছে ৩ শিশুও!

নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, রয়েছে ৩ শিশুও!
ভারতের গ্রেটার নয়ডায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃতদের মধ্যে রয়েছে তিন শিশুও। শুক্রবার রাতে নুডলস খাওয়ার পর ঘুমাতে যান পরিবারের সদস্যরা।…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জাহাজ চলাচলে কঠোর হুঁশিয়ারি!

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জাহাজ চলাচলে কঠোর হুঁশিয়ারি!
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সাম্প্রতিক সময়ে এই নৌপথে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, স্ত্রীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় আশিকুল!

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, স্ত্রীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় আশিকুল!
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে স্ত্রীসহ পরিবারের ছয় সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় ভেঙে পড়েছেন আশিকুল ইসলাম। আনন্দঘন ভ্রমণে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!
মধ্য আমেরিকার দেশ পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬টি পরকম্পন বা আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ৯ অক্টোবরের ভূমিকম্পের পর দেশটির…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক