প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ইসলামী দলগুলোর যুগপৎ আন্দোলন: আদর্শিক...

ইসলামী দলগুলোর যুগপৎ আন্দোলন: আদর্শিক ঐক্য নাকি কৌশলগত সমঝোতা?

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৩:০৮ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও আলোচনায় ইসলামী দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ যুগপৎ আন্দোলন। আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতি চালুসহ পাঁচ দফা দাবিতে বেশ কয়েকটি ইসলামপন্থী দল ‘যুগপৎ আন্দোলন’এর পথে হাঁটছে। এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য আগামী নির্বাচনে ইসলামপন্থী দলগুলোর ভোটকে এক বাক্সে একত্রিত করে সংসদে নিজেদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা। সাধারণ মানুষের দৃষ্টিতে ইসলামী দলগুলোর মধ্যে এই ঐক্য নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। কিন্তু এই ঐক্যের ধরন, এর আদর্শিক ভিত্তি এবং ভবিষ্যৎ পরিণতি নিয়ে ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তর স্বার্থে কিছু মৌলিক প্রশ্ন উঠেছে।

যুগপৎ আন্দোলন কী: ‘যুগপৎ’ বা একযোগে আন্দোলনের ধারণাটি রাজনৈতিক ময়দানে নতুন নয়। যখন একাধিক দল অভিন্ন ন্যূনতম কর্মসূচির ভিত্তিতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আন্দোলন পরিচালনা করে, তখন তাকে যুগপৎ আন্দোলন বলা হয়। ইসলামী দলগুলো, যেমন- জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন এবং খেলাফত মজলিসসহ বেশকিছু  ইসলামী দল পিআর পদ্ধতির দাবিতে পৃথকভাবে কর্মসূচি ঘোষণা করলেও তাদের লক্ষ্য এক; সম্মিলিত চাপের মাধ্যমে দাবি আদায়। তাদের যুক্তি, বর্তমান ‘ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট’ নির্বাচনী ব্যবস্থায় ছোট দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের সঠিক প্রতিফলন ঘটে না, যার ফলে বিপুল সংখ্যক ইসলামপন্থী ভোটারের রায় সংসদে মূল্যহীন হয়ে পড়ে। পিআর পদ্ধতি চালু হলে ভোটের আনুপাতিক হারে আসন বণ্টনের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।

উদাহরণস্বরূপ, কোনো একটি দল নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট পেলেও তা আসন সংখ্যায় রূপান্তরিত হতে ব্যর্থ হয়। এই বাস্তবতা থেকেই পিআর পদ্ধতির দাবি তাদের জন্য এক রাজনৈতিক ‘লাইফলাইন’। এই পদ্ধতির অধীনে প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে আসন মিললে সংসদে তাদের সম্মিলিত শক্তি বহুগুণ বাড়বে। অতএব এই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মূল চালিকাশক্তি আদর্শিক চেতনার চেয়েও বেশি করে নির্বাচনী সুবিধাবাদ -এ কথা বললে অত্যুক্তি হবে না।

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

এই রাজনৈতিক কৌশলটি আপাতদৃষ্টিতে বিচক্ষণ ও প্রশংসার যোগ্য। বিভেদ ভুলে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে একত্রিত হওয়া প্রশংসনীয়। কিন্তু যখন এই দলগুলো ইসলামের প্রতিনিধিত্ব করার দাবি করে, তখন তাদের ঐক্যকে কেবল রাজনৈতিক কৌশলের চশমায় দেখলে চলবে না, বরং ইসলামের ঐক্যের মূলনীতির আলোকে এর বিচার করা অপরিহার্য।

ইসলামে ঐক্যের ধারণাটি কোনো রাজনৈতিক কৌশল নয়। বরং এটি ঈমানের শর্ত। আল্লাহ তা’আলা মুসলিম উম্মাহকে “সিসাঢালা প্রাচীর” (সূরা আস-সাফ, আয়াত: ৪) এর সাথে তুলনা করেছেন এবং “আল্লাহর রজ্জু সম্মিলিতভাবে ধারণ করার” (সূরা আলে-ইমরান, আয়াত: ১০৩) নির্দেশ দিয়েছেন। রসুলাল্লাহ (সা.)-এর ভাষায়, মুমিনরা “এক দেহের ন্যায়”।

ইসলামে ঐক্যের দর্শন: ইসলামে ঐক্য কোনো রাজনৈতিক শ্লোগান নয় বরং এটি ঈমানের একটি মৌলিক ভিত্তি। এই ঐক্য কোনো শর্ত বা স্বার্থের ওপর নির্ভরশীল নয়; এর ভিত্তি হলো তাওহীদ তথা এক আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, তার প্রতি নিঃশর্ত বিশ্বাস এবং তাঁর রসুলের (সা.) প্রতি আনুগত্য। পবিত্র কুরআন ও হাদিসে এই ঐক্যের গুরুত্ব বারংবার তুলে ধরা হয়েছে। আল্লাহ তা’আলা বলেন: “আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করো এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।” (সূরা আলে-ইমরান, আয়াত: ১০৩)।

এই আয়াতে ‘আল্লাহর রজ্জু’ বা দড়ি বলতে কুরআন ও ইসলামকে বোঝানো হয়েছে। যা উম্মাহর ঐক্যের একমাত্র কেন্দ্রবিন্দু। রাজনৈতিক স্বার্থ, ভিন্ন নেতা বা ভিন্ন দলের পতাকা এই ঐক্যের ভিত্তি হতে পারে না।

রসুলাল্লাহ (সা.) মুসলিম উম্মাহকে একটি দেহের সাথে তুলনা করে বলেছেন: “পারস্পরিক ভালোবাসা, দয়া ও সহানুভূতির দিক থেকে তুমি মুমিনদেরকে একটি দেহের মতো দেখবে। যখন দেহের কোনো একটি অঙ্গ অসুস্থ হয়, তখন পুরো শরীর নিদ্রাহীনতা ও জ্বরে আক্রান্ত হয়।” (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)। ইসলাম যে ঐক্যের কথা বলে, তা হলো একটি ‘সিসাঢালা প্রাচীর’ এর মতো ঐক্য (সূরা আস-সাফ, আয়াত: ৪), যেখানে আদর্শ, লক্ষ্য এবং নেতৃত্বে কোনো বিভেদ থাকতে পারে না।

অমীমাংসিত প্রশ্নাবলী: ইসলামের এই মৌলিক আদর্শের সামনে যখন আমরা বর্তমান রাজনৈতিক ঐক্যকে রাখি, তখন কিছু গুরুতর প্রশ্ন সামনে চলে আসে-

এক উম্মাহ, একাধিক নেতা কেন? ইসলামী দলগুলোর প্রত্যেকেই ইসলাম প্রতিষ্ঠার কথা বলে। যদি লক্ষ্য সত্যিই এক হয়, তাহলে তাদের নেতা ভিন্ন কেন? ইসলামের ইতিহাসে মুসলিমরা একজন খলিফা বা আমিরের অধীনে ঐক্যবদ্ধ ছিল। তারা যদি সত্যিই প্রকৃত ইসলামের আদর্শে বিশ্বাসী হয়, তবে তাকওয়া ও যোগ্যতার ভিত্তিতে একজন নেতাকে মেনে নিয়ে তার অধীনে কাজ করতে পারছে না কেন? একাধিক নেতার অধীনে এই আন্দোলন কি নেতৃত্ব ও কর্তৃত্বের বিভাজনকে স্বীকার করে নেওয়া নয়, যা কুরআনের নির্দেশের পরিপন্থী নয় কি?

আদর্শগত দ্বন্দ্বের বাস্তবতা: অতীতে আমরা দেখেছি, জামায়াতে ইসলামীর সাথে ইসলামী আন্দোলনের আদর্শিক বিরোধ, খেলাফত মজলিসের সাথে অন্য দলগুলোর কর্মপন্থাগত মতবিরোধ। আকীদা, রাজনৈতিক দর্শন এবং ইসলাম প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি নিয়ে তাদের মধ্যে যে গভীর দূরত্ব বিদ্যমান তা সর্বজনবিদিত। এই যুগপৎ আন্দোলন কি সেই মৌলিক বিরোধগুলো সমাধানে ফলপ্রসূ হবে? নাকি শুধুমাত্র নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার জন্য আদর্শিক প্রশ্নগুলোকে কার্পেটের নিচে চাপা দেওয়া হয়েছে? যদি ক্ষমতায় যাওয়ার পর এই আদর্শিক দ্বন্দ্বগুলো পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে তখন জাতিকে তারা কোন ইসলামের দিকে নিয়ে যাবে?

ক্ষমতার রূপরেখা: ধরে নেওয়া যাক, তাদের আন্দোলন সফল হলো এবং তারা রাষ্ট্রক্ষমতায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলল। তখন রাষ্ট্র কোন দলের আদর্শ অনুযায়ী পরিচালিত হবে? অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, শিক্ষানীতি বা আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে কোন দলের ব্যাখ্যাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে? এটি কি একটি আদর্শিক বিশৃঙ্খলার জন্ম দেবে না? যে দলগুলো সামান্য বিষয়েও একে অপরকে ভ্রান্ত আখ্যা দিতে দ্বিধা করে না, তারা কীভাবে একটি ইসলামি রাষ্ট্রের মতো জটিল ও সংবেদনশীল বিষয় পরিচালনা করবে?

ঐক্যের আন্তরিকতা: কুরআনে কারীমে আল্লাহ বলেন: “তোমরা তাদের মতো হয়ো না, যারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে গেছে এবং সুস্পষ্ট নিদর্শন আসার পরও মতবিরোধে লিপ্ত হয়েছে। তাদের জন্য রয়েছে মহাশাস্তি।” (সূরা আলে-ইমরান, আয়াত: ১০৫)। ইসলামে দলাদলি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। প্রশ্ন হলো, এই আন্দোলন কি শতধাবিভক্ত ইসলামী দলগুলোকে বিলুপ্ত করে এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার আন্তরিক প্রচেষ্টা, নাকি নিজ নিজ দলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখে শুধুমাত্র ভোটের বাক্স ভারী করার একটি কৌশল? যদি উদ্দেশ্য কেবল সংসদে কয়েকটি আসন লাভ করা হয়, তবে তা কি দ্বীন প্রতিষ্ঠার মহৎ লক্ষ্যের সাথে সাংঘর্ষিক নয়?

প্রয়োজন কৌশলগত নয়, আদর্শিক ঐক্য: ইসলামী দলগুলোর যুগপৎ আন্দোলন হয়তো একটি রাজনৈতিক বাস্তবতা। কিন্তু মুসলিম উম্মাহর সদস্য হিসেবে আমাদের বুঝতে হবে যে, এটি একটি কৌশলগত সমঝোতা, আদর্শিক ঐক্য নয়। যে ঐক্য শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট দাবি বা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে, তা প্রায়শই স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে ভেঙে পড়ে।

প্রতীক বনাম বাস্তবতা: এই ঐক্যের চূড়ান্ত স্ববিরোধিতাটি নিহিত রয়েছে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্যেই। যুগপৎ আন্দোলন হলেও, নির্বাচনের সময় ভোট কি একটি নির্দিষ্ট প্রতীকে পড়বে, নাকি প্রতিটি দল নিজ নিজ প্রতীকে ভোট চাইবে? যদি তারা ভিন্ন ভিন্ন প্রতীকে নির্বাচন করে, তাহলে এই ঐক্যের কার্যকারিতা কোথায়? ‘ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট’ পদ্ধতিতে একই আসনে একাধিক ইসলামপন্থী প্রার্থী দাঁড়ালে ভোট বিভক্ত হয়ে যাওয়া অবশ্যম্ভাবী, যা আদতে তাদের প্রতিপক্ষকেই সুবিধা করে দেবে। আর যদি পিআর পদ্ধতি চালুও হয়, তবুও ভিন্ন ভিন্ন দলের প্রতীকে ভোট দেওয়ার অর্থ হলো বিভেদকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া। তাহলে যে ভোট ‘এক বাক্সে’ আনার কথা বলা হচ্ছে, তা তো কেবল একটি কথার কথা। যে আন্দোলন ভোটের মাঠে বিভেদকে জিইয়ে রাখে, সে আন্দোলন ঐক্যের নামে একটি প্রহসন ছাড়া আর কী?

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইসলামী জোট গঠনের ইতিহাস ব্যর্থতার ইতিহাসেই ভরা। অতীতে গঠিত হওয়া ঐক্যজোট বা বিভিন্ন সময়ের প্ল্যাটফর্মগুলো শেষ পর্যন্ত ক্ষমতার ভাগাভাগি এবং নেতৃত্বের দ্বন্দ্বে বিলীন হয়ে গেছে। বৃহৎ রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় ক্ষমতার স্বাদ পেলেও তারা ইসলাম বা মুসলিম উম্মাহর জন্য কোনো অর্থবহ ও টেকসই পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়নি। বরং তাদের বিভক্তি মুসলিম সমাজে হতাশা ও বিভেদকেই আরও গভীর করেছে।

প্রকৃত ইসলামী ঐক্য হলো সেটিই যা গড়ে ওঠে কুরআন ও সুন্নাহর নিঃশর্ত অনুসরণের ভিত্তিতে। এর জন্য প্রয়োজন ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থ ত্যাগ করে এক নেতার অধীনে, এক পতাকাতলে একত্রিত হওয়া। যে দিন ইসলামী দলগুলো তাদের ভিন্ন ভিন্ন নাম, পতাকা ও নেতৃত্ব বিসর্জন দিয়ে শুধুমাত্র ‘ইসলাম’ এর পরিচয়ে আল্লাহর হুকুমের ভিত্তিতে এক হতে পারবে, সেদিনই তাদের ঐক্য হবে সত্যিকারের শক্তিশালী এবং তারা আল্লাহ তা’আলার সাহায্যপ্রাপ্ত হবেন।

লেখক: সাংবাদিক

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

এমন কোনো প্রতীক নেই, যেটায় ভোট দিলে জান্নাতে যাবে!

এমন কোনো প্রতীক নেই, যেটায় ভোট দিলে জান্নাতে যাবে!
‘পৃথিবীতে এমন কোনো প্রতীক নেই, যে প্রতীকে ভোট দিলে জান্নাতে যাওয়া যায়’—এমন মন্তব্য করেছেন বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মোল্লা তরিকুল ইসলাম শোভন। সোমবার…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    খুলনা

ফেসবুকে প্রেম, বিয়ে করতে ভারত থেকে জয়পুরহাটে যুবক!

ফেসবুকে প্রেম, বিয়ে করতে ভারত থেকে জয়পুরহাটে যুবক!
ফেসবুকে গড়ে ওঠা প্রেমের টানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় এসেছেন এক যুবক। সঙ্গে নিয়ে এসেছেন নিজের ভাইকেও। ভারতীয় দুই যুবকের আগমনের খবর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    খুলনা

পারিবারিক জেরে অন্তঃসত্তা স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ

পারিবারিক জেরে অন্তঃসত্তা স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:​গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

গলাচিপায় জিম্মি করে জবানবন্দি নেওয়ার অভিযোগে মাদ্রাসা সুপারের সংবাদ সম্মেলন

গলাচিপায় জিম্মি করে জবানবন্দি নেওয়ার অভিযোগে মাদ্রাসা সুপারের সংবাদ সম্মেলন
গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর গলাচিপায় প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক ভিডিও বক্তব্য ধারণ এবং ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন মধ্য-পানপট্টি ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মুহা. মাকছুদুর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

সাভারে অস্ত্র ও খেলনা পিস্তলসহ ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেফতার

সাভারে অস্ত্র ও খেলনা পিস্তলসহ ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেফতার
সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি:ঢাকা জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে তিনটি ধারালো ছোরা এবং একটি খেলনা পিস্তলসহ ডাকাত ও ছিনতাইকারী দলের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা রুশনাফ ওয়াদুদ আর নেই!

সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা রুশনাফ ওয়াদুদ আর নেই!
সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা রুশনাফ ওয়াদুদ মারা গেছেন। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর বনানীতে নিজ বাসায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে ৩৮ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

৭ দেশে টিকটকের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করল মেটা!

৭ দেশে টিকটকের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করল মেটা!
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মালিক প্রতিষ্ঠান মেটা যুক্তরাষ্ট্রসহ সাতটি দেশে চীনা প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সের বিজ্ঞাপন প্রচার নিষিদ্ধ করেছে। এর ফলে এসব দেশে টিকটকসহ বাইটড্যান্সের অন্যান্য সেবার প্রচারণামূলক…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    প্রযুক্তি

ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী
ধর্মীয় পরিচয় নয়, নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের ন্যায্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের দায়িত্ব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সরকারপ্রধান হিসেবে প্রত্যেক নাগরিকের…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

ফিফা থেকে অতিরিক্ত ১ কোটি ডলার পেতে পারে বাংলাদেশ!

ফিফা থেকে অতিরিক্ত ১ কোটি ডলার পেতে পারে বাংলাদেশ!
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছে সদস্য দেশগুলোর জন্য অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছে ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফা ও উত্তর, মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলের…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

উচ্চস্বরে আজান দেওয়ার অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার!

উচ্চস্বরে আজান দেওয়ার অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার!
ভারতের উত্তর প্রদেশের বিজনোর জেলায় নির্ধারিত শব্দসীমা অতিক্রম করে লাউড স্পিকারে আজান দেওয়ার অভিযোগে মোহাম্মদ ফাইজান নামে এক মুয়াজ্জিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালতে হাজির করার…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

ছাত্রদলকে ব্যবহার করে চুয়েটের ভিসিকে চেয়ারে বসানো হয়েছে: হাসনাত

ছাত্রদলকে ব্যবহার করে চুয়েটের ভিসিকে চেয়ারে বসানো হয়েছে: হাসনাত
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্যকে ‘গুন্ডা’ আখ্যা দিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

মালয়েশিয়ায় বিশ্বসেরা, দেশে ফিরতেই হাফেজ হীরাকে সংবর্ধনা!

মালয়েশিয়ায় বিশ্বসেরা, দেশে ফিরতেই হাফেজ হীরাকে সংবর্ধনা!
মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ৬৬তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ প্রথম স্থান অর্জন করে দেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন বাংলাদেশের হাফেজ ইহতিশামুল হক হীরা। তাঁর এই আন্তর্জাতিক সাফল্যে দেশে…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বৃদ্ধ মা-বাবার পাশে থাকতে মাইক্রোসফটের চাকরি ছাড়লেন কর্মকর্তা!

বৃদ্ধ মা-বাবার পাশে থাকতে মাইক্রোসফটের চাকরি ছাড়লেন কর্মকর্তা!
বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ও ক্যারিয়ারের সাফল্যের চেয়ে বৃদ্ধ মা-বাবার সঙ্গে সময় কাটানোকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন মাইক্রোসফটের এক শীর্ষ কর্মকর্তা। দীর্ঘ ২৩ বছর প্রতিষ্ঠানটিতে দায়িত্ব পালনের পর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

বাবা নেই, মায়ের স্বপ্ন পূরণে ১৩ মাসে হাফেজ হলেন নাঈম!

বাবা নেই, মায়ের স্বপ্ন পূরণে ১৩ মাসে হাফেজ হলেন নাঈম!
মাত্র ১৩ মাসে পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে হাফেজ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে ১০ বছর বয়সী শিশু মুহাম্মদ নাঈম আহমদ। রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায়…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

সরকার বিধবা কার্ড চালু করলে এমপির বউ সবার আগে নেবে!

সরকার বিধবা কার্ড চালু করলে এমপির বউ সবার আগে নেবে!
সরকার বিধবা কার্ড চালু করলে সংসদ সদস্যের স্ত্রীই সবার আগে সেই কার্ড নেবেন বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত