প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ট্রাম্পের ২০ দফা: গাজায় শান্তি...

ট্রাম্পের ২০ দফা: গাজায় শান্তি না চিরস্থায়ী দখলের নতুন ষড়যন্ত্র?

৫ অক্টোবর ২০২৫ ০৯:৫৯ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

গাজার ধ্বংসস্তূপ আর লাশের মিছিলের ওপর দাঁড়িয়ে প্রায় আট দশক ধরে এক অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি মোকাবিলা করে চলেছে ফিলিস্তিন। ২০২৩ সালের অক্টোবরে এই সংঘাত নতুন মাত্রা পাওয়ার পর থেকে ইসরায়েলের আগ্রাসন গাজাকে এক চরম মানবিক বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছে। এমন ভয়াবহ এক বাস্তবতায় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে একটি ২০ দফা শান্তি প্রস্তাব সামনে এসেছে, যা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। এই প্রশ্নটিই আজ সবচেয়ে বড় হয়ে দেখা দিয়েছে এই প্রস্তাব কি সত্যিই শান্তির দূত, নাকি এর আড়ালে লুকিয়ে আছে গাজাকে চিরতরে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার এক গভীর নীলনকশা?

হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে পাশে নিয়ে ট্রাম্প এই পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। এতে যুদ্ধবিরতি, জিম্মি ও বন্দি বিনিময় এবং হামাসের নিরস্ত্রীকরণের মতো আকর্ষণীয় প্রস্তাবনা রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা এর গভীরে তাকাতে গিয়ে বেশ কিছু উদ্বেগজনক দিক খুঁজে পেয়েছেন। তাদের মতে, এই প্রস্তাবের পরতে পরতে রয়েছে শুভঙ্করের ফাঁকি এবং এটি শান্তির মোড়কে এক জটিল ভূ-রাজনৈতিক মায়াজাল ছাড়া আর কিছুই নয়। ট্রাম্পের ২০ দফার বেশ কয়েকটি ধারা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে এর পেছনের উদ্দেশ্য নিয়ে কঠিন প্রশ্ন ওঠে।

রাজনৈতিক অধিকারের বিনিময়ে অর্থনৈতিক প্রলোভন: প্রস্তাবের প্রথম দুটি ধারাতেই এর মূল উদ্দেশ্য পরিষ্কার হয়ে যায়, যা হলো রাজনৈতিক অধিকারকে অর্থনৈতিক প্রলোভনের আড়ালে চাপা দেওয়া। প্রথমত, ‘গাজাকে চরমপন্থা ও সন্ত্রাসমুক্ত অঞ্চল করা হবে’ এই ঘোষণার মাধ্যমে একটি বিপজ্জনক ফাঁদ পাতা হয়েছে।

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

‘চরমপন্থা’ এবং ‘সন্ত্রাস’ শব্দগুলোর কোনো নিরপেক্ষ সংজ্ঞা না থাকায়, এটি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের জন্য করা যেকোনো প্রতিরোধ আন্দোলনকেই ‘সন্ত্রাস’ আখ্যা দেওয়ার অবাধ সুযোগ করে দেবে। এর সঙ্গে দ্বিতীয়ত, ‘গাজাবাসীর কল্যাণে উন্নয়ন করা হবে’ এই প্রতিশ্রুতি জুড়ে দেওয়া হয়েছে, যা বিশ্লেষকদের মতে একটি ক্লাসিক ‘অর্থনৈতিক শান্তির’ ফাঁদ। এর মাধ্যমে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হচ্ছে: রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা এবং প্রতিরোধের অধিকার বিসর্জন দিলেই কেবল অর্থনৈতিক উন্নয়ন মিলবে। এই দুটি ধারা একত্রে ফিলিস্তিনিদের একটি পরাধীন কিন্তু সচ্ছল জনগোষ্ঠীতে পরিণত করার নীলনকশা তৈরি করে, যাতে তারা তাদের ভূমি ও সার্বভৌমত্বের মূল দাবি ভুলে যায়।

‘বোর্ড অব পিস’ ঔপনিবেশিকতার নতুন রূপ: এই নীলনকশার সবচেয়ে বিতর্কিত দিকটি হলো গাজার ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা। প্রস্তাবের ৯ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, গাজার শাসনভার একটি অরাজনৈতিক ফিলিস্তিনি কমিটির হাতে থাকবে, যা ‘বোর্ড অব পিস’ নামক এক আন্তর্জাতিক কমিটির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। এই বোর্ডের প্রধান হবেন স্বয়ং ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং এতে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের মতো ব্যক্তিত্বরাও থাকবেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এটি ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়ার সামিল। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা এই বোর্ডকে “ঔপনিবেশিক অনুশীলনের দুঃখজনকভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়” বলে কঠোর সমালোচনা করেছেন। এই কর্তৃত্ববাদী কাঠামো ফিলিস্তিনিদের নিজেদের নেতা নির্বাচনের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেবে এবং গাজাকে একটি আন্তর্জাতিক পুতুল রাজ্যে পরিণত করবে। হামাসের নিরস্ত্রীকরণ আত্মসমর্পণের নামান্তর: প্রস্তাবটি হামাসসহ ফিলিস্তিনের সকল প্রতিরোধ শক্তিকে নির্মূল করার একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়। ৬ নম্বর ধারায় হামাস সদস্যদের ক্ষমা ও নির্বাসনের যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তা একটি বিজয়ী শক্তির দেওয়া শর্তের মতো শোনায়: ‘হয় আত্মসমর্পণ করো, নয়তো নির্বাসনে যাও’। এর সঙ্গে ১৩ নম্বর ধারায় হামাসসহ অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র করার কথা বলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের নিশ্চয়তা ছাড়া কোনো প্রতিরোধকারী গোষ্ঠীর কাছ থেকে নিরস্ত্রীকরণ দাবি করাটা অবাস্তব ও একপেশে। এটি ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ করার শেষ সম্বলটুকুও কেড়ে নিয়ে তাদের পুরোপুরি অরক্ষিত করে ফেলার একটি ষড়যন্ত্র।

শর্তাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র এক অধরা মরীচিকা: প্রস্তাবের ১৯ এবং ২০ নম্বর ধারায় ফিলিস্তিনের স্বশাসন ও রাষ্ট্র গঠনের ‘গ্রহণযোগ্য পথের’ কথা বলা হলেও তা বেশ কিছু কঠিন শর্তের বেড়াজালে আবদ্ধ। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সংস্কার, গাজার পুনর্গঠন এবং স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার মতো বিষয়গুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্র গঠনের আলোচনা শুরুই হবে না। সমালোচকরা এটিকে ‘গাজর দেখিয়ে প্রলুব্ধ করার কৌশল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এই শর্তগুলো এতটাই অস্পষ্ট ও সময়সাপেক্ষ যে, তা বাস্তবায়ন করতে কয়েক দশক লেগে যেতে পারে, যা স্বাধীন রাষ্ট্রের ধারণাকে একটি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখার নামান্তর। অর্থনৈতিক উন্নয়ন সোনার খাঁচায় বন্দী করার নীলনকশা: ১০ ও ১১ নম্বর ধারায় গাজায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা এবং ব্যাপক উন্নয়নের যে চিত্র আঁকা হয়েছে, তা আপাতদৃষ্টিতে আকর্ষণীয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা একে রাজনৈতিক অধিকার ও সার্বভৌমত্বের দাবিকে অর্থনৈতিক প্রলোভন দিয়ে চাপা দেওয়ার একটি পুরনো কৌশল হিসেবে দেখছেন। ফিলিস্তিনিদের রাজনৈতিক স্বাধীনতার পরিবর্তে যদি শুধু অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়, তবে তা হবে সোনার খাঁচায় বন্দী করার মতো। এর মাধ্যমে গাজার মানুষদের সংগ্রামের মূল স্পৃহা ভূমি ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে ভোঁতা করে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বাহিনী কার স্বার্থে এই নিরাপত্তা: ১৫ নম্বর ধারায় একটি অস্থায়ী আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী – (ওঝঅঙ্ক) গঠনের কথা বলা হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও তার আরব মিত্রদের নিয়ে গঠিত হবে। প্রশ্ন উঠছে, এই বাহিনী কতটা নিরপেক্ষ হবে? অনেক বিশেষজ্ঞ আশঙ্কা করছেন, এই বাহিনী মূলত ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজেই ব্যবহৃত হবে এবং গাজার ওপর চলমান অবরোধকে একটি আন্তর্জাতিক বৈধতা দেবে। এটি গাজাকে একটি উন্মুক্ত কারাগার থেকে নিয়ন্ত্রিত নিরাপত্তা অঞ্চলে পরিণত করবে মাত্র, কিন্তু সত্যিকারের মুক্তি দেবে না।

অসলোর চেয়েও ভয়াবহ পরিণতির আশঙ্কা: ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই প্রস্তাব অনিবার্যভাবেই নব্বইয়ের দশকের অসলো চুক্তির কথা মনে করিয়ে দেয়। অসলো চুক্তিও শান্তির আশা জাগিয়েছিল, কিন্তু ইসরায়েলের ক্রমাগত বসতি স্থাপন এবং চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের কারণে তা ব্যর্থ হয়। অনেক বিশ্লেষক আশঙ্কা করছেন, ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা অসলোর চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। কারণ অসলোতে অন্তত ফিলিস্তিনিদের নিজস্ব কর্তৃপক্ষের একটি কাঠামো ছিল, কিন্তু এই প্রস্তাবে সেই কাঠামোকেও একটি আন্তর্জাতিক বোর্ডের অধীনে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা ফিলিস্তিনিদের জন্য আরও বেশি হতাশা এবং পরাধীনতা বয়ে আনবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা প্রস্তাব একটি জটিল এবং বহুমাত্রিক দলিল। এটি একদিকে যেমন রক্তক্ষয়ী সংঘাত থামানোর একটি সুযোগ তৈরি করেছে, তেমনই অন্যদিকে ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং সার্বভৌমত্ব নিয়ে কঠিন প্রশ্ন তুলেছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বারবার বলছেন, তিনি কোনোভাবেই স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র হতে দেবেন না। যদি তাই হয়, তাহলে ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যে চিরশান্তির এই প্রস্তাব কি ভিন্ন কিছু বহন করছে? এই প্রস্তাবনার বাস্তবায়ন গাজাবাসীর জন্য কতটা শান্তি বয়ে আনবে, নাকি তাদের আবাসভূমি ও সংগ্রামের অধিকার চিরতরে কেড়ে নেওয়ার একটি কৌশল-তা সময়ই বলে দেবে।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

এমন কোনো প্রতীক নেই, যেটায় ভোট দিলে জান্নাতে যাবে!

এমন কোনো প্রতীক নেই, যেটায় ভোট দিলে জান্নাতে যাবে!
‘পৃথিবীতে এমন কোনো প্রতীক নেই, যে প্রতীকে ভোট দিলে জান্নাতে যাওয়া যায়’—এমন মন্তব্য করেছেন বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মোল্লা তরিকুল ইসলাম শোভন। সোমবার…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    খুলনা

ফেসবুকে প্রেম, বিয়ে করতে ভারত থেকে জয়পুরহাটে যুবক!

ফেসবুকে প্রেম, বিয়ে করতে ভারত থেকে জয়পুরহাটে যুবক!
ফেসবুকে গড়ে ওঠা প্রেমের টানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় এসেছেন এক যুবক। সঙ্গে নিয়ে এসেছেন নিজের ভাইকেও। ভারতীয় দুই যুবকের আগমনের খবর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    খুলনা

পারিবারিক জেরে অন্তঃসত্তা স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ

পারিবারিক জেরে অন্তঃসত্তা স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:​গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

গলাচিপায় জিম্মি করে জবানবন্দি নেওয়ার অভিযোগে মাদ্রাসা সুপারের সংবাদ সম্মেলন

গলাচিপায় জিম্মি করে জবানবন্দি নেওয়ার অভিযোগে মাদ্রাসা সুপারের সংবাদ সম্মেলন
গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর গলাচিপায় প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক ভিডিও বক্তব্য ধারণ এবং ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন মধ্য-পানপট্টি ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মুহা. মাকছুদুর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

সাভারে অস্ত্র ও খেলনা পিস্তলসহ ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেফতার

সাভারে অস্ত্র ও খেলনা পিস্তলসহ ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেফতার
সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি:ঢাকা জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে তিনটি ধারালো ছোরা এবং একটি খেলনা পিস্তলসহ ডাকাত ও ছিনতাইকারী দলের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা রুশনাফ ওয়াদুদ আর নেই!

সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা রুশনাফ ওয়াদুদ আর নেই!
সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা রুশনাফ ওয়াদুদ মারা গেছেন। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর বনানীতে নিজ বাসায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে ৩৮ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

৭ দেশে টিকটকের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করল মেটা!

৭ দেশে টিকটকের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করল মেটা!
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মালিক প্রতিষ্ঠান মেটা যুক্তরাষ্ট্রসহ সাতটি দেশে চীনা প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সের বিজ্ঞাপন প্রচার নিষিদ্ধ করেছে। এর ফলে এসব দেশে টিকটকসহ বাইটড্যান্সের অন্যান্য সেবার প্রচারণামূলক…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    প্রযুক্তি

ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী
ধর্মীয় পরিচয় নয়, নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের ন্যায্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের দায়িত্ব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সরকারপ্রধান হিসেবে প্রত্যেক নাগরিকের…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

ফিফা থেকে অতিরিক্ত ১ কোটি ডলার পেতে পারে বাংলাদেশ!

ফিফা থেকে অতিরিক্ত ১ কোটি ডলার পেতে পারে বাংলাদেশ!
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছে সদস্য দেশগুলোর জন্য অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছে ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফা ও উত্তর, মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলের…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

উচ্চস্বরে আজান দেওয়ার অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার!

উচ্চস্বরে আজান দেওয়ার অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার!
ভারতের উত্তর প্রদেশের বিজনোর জেলায় নির্ধারিত শব্দসীমা অতিক্রম করে লাউড স্পিকারে আজান দেওয়ার অভিযোগে মোহাম্মদ ফাইজান নামে এক মুয়াজ্জিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালতে হাজির করার…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

ছাত্রদলকে ব্যবহার করে চুয়েটের ভিসিকে চেয়ারে বসানো হয়েছে: হাসনাত

ছাত্রদলকে ব্যবহার করে চুয়েটের ভিসিকে চেয়ারে বসানো হয়েছে: হাসনাত
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্যকে ‘গুন্ডা’ আখ্যা দিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

মালয়েশিয়ায় বিশ্বসেরা, দেশে ফিরতেই হাফেজ হীরাকে সংবর্ধনা!

মালয়েশিয়ায় বিশ্বসেরা, দেশে ফিরতেই হাফেজ হীরাকে সংবর্ধনা!
মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ৬৬তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ প্রথম স্থান অর্জন করে দেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন বাংলাদেশের হাফেজ ইহতিশামুল হক হীরা। তাঁর এই আন্তর্জাতিক সাফল্যে দেশে…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বৃদ্ধ মা-বাবার পাশে থাকতে মাইক্রোসফটের চাকরি ছাড়লেন কর্মকর্তা!

বৃদ্ধ মা-বাবার পাশে থাকতে মাইক্রোসফটের চাকরি ছাড়লেন কর্মকর্তা!
বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ও ক্যারিয়ারের সাফল্যের চেয়ে বৃদ্ধ মা-বাবার সঙ্গে সময় কাটানোকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন মাইক্রোসফটের এক শীর্ষ কর্মকর্তা। দীর্ঘ ২৩ বছর প্রতিষ্ঠানটিতে দায়িত্ব পালনের পর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

বাবা নেই, মায়ের স্বপ্ন পূরণে ১৩ মাসে হাফেজ হলেন নাঈম!

বাবা নেই, মায়ের স্বপ্ন পূরণে ১৩ মাসে হাফেজ হলেন নাঈম!
মাত্র ১৩ মাসে পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে হাফেজ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে ১০ বছর বয়সী শিশু মুহাম্মদ নাঈম আহমদ। রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায়…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

সরকার বিধবা কার্ড চালু করলে এমপির বউ সবার আগে নেবে!

সরকার বিধবা কার্ড চালু করলে এমপির বউ সবার আগে নেবে!
সরকার বিধবা কার্ড চালু করলে সংসদ সদস্যের স্ত্রীই সবার আগে সেই কার্ড নেবেন বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত