প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   দ্বিমুখী শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষিতরা ‘মানুষ’ হচ্ছেন...

দ্বিমুখী শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষিতরা ‘মানুষ’ হচ্ছেন কতটা?

১ জুলাই ২০২৩ ০৩:৪৬ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোখলেসুর রহমান সুমন
শিক্ষাকে বলা হয়েছে জাতির মেরুদণ্ড। মেরুদন্ড শরীরকে সোজা রাখে, তার চলাফেরা, গতি, মুভমেন্ট সচল-স্বাভাবিক রাখে। মেরুদণ্ডে সামান্য সমস্যা হলে স্বাভাবিক চলাফেরা, স্বাভাবিক গতি অসম্ভব। একটি জাতির ক্ষেত্রেও মেরুদণ্ডতুল্য শিক্ষা একই ভূমিকা পালন করে। জাতির চিন্তা-ভাবনা ও চেতনার বিকাশ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উন্নতি, অর্থনৈতিক অগগ্রতি, সততা-আদর্শ-ন্যায়ের উদ্দীপনা, আত্মমর্যাদাবোধ, দেশপ্রেম, এক কথায় একটি জাতির যত ধরনের ইতিবাচক চর্চা হতে পারে, তার সবকিছুর গোড়া শিক্ষাব্যবস্থা। আমাদের সমস্যা-সংকটের শেষ নেই, কিন্তু আসল মারটা আমরা খেয়েছি এখানে, শিক্ষাব্যবস্থায়। এই গোড়াতেই রয়ে গেছে বড় ধরনের গলদ। আর গলদটা আজকের নয়, সেই ঔপনিবেশিক শাসন আমলে ইংরেজরা আমাদেরকে এই গলদের মধ্যে রেখে গেছে। 
প্রত্যেকটা জিনিসের একটি লক্ষ্য থাকে, সেই লক্ষ্যকে কেন্দ্র করেই পুরো বিষয়টি গড়ে উঠে। ব্রিটিশরা ভারতবর্ষ দখলের পর উপলব্ধি কোরল, অল্প ক’জন ইংরেজ দিয়ে পুরো ভারত শাসন করা সম্বব নয়। তাই তাদের কিছু স্বল্প শিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত, বিভিন্ন বিষয়ে পারদর্শী জনবলের প্রয়োজন পরল। কিন্তু এরা যদি দেশপ্রেমিক হয় তাহলে ব্রিটিশের শোসন নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াবে – এটাই স্বাভাবিক। তাই এই শ্রেণীটি হতে হবে স্বার্থপর, দুর্নীতিবাজ। ফলে প্রভু ব্রিটিশদের অন্যায়ের প্রতিবাদ করার চিন্তাও তারা করবে না। সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই ব্রিটিশরা ভারতবর্ষের শিক্ষার কারিক্যুলাম, সিলেবাস ইত্যাদি প্রবর্তন করল। এক্ষেত্রে ব্রিটিশরা শতভাগ সফলও হল, যে ধারা এখনও বহমান।
আরও লক্ষণীয় বিষয়, এখানে তারা প্রধান দুটি শিক্ষাব্যবস্থার প্রবর্তন করল। একটি সাধারণ, অপরটি মাদ্রাসাভিত্তিক। দুই ধারার অবস্থান দুই মেরুতে। প্রথমটি থেকে যারা উচ্চতর শিক্ষা নিয়ে বের হয়ে আসছেন তারা প্রচণ্ড স্বার্থপর, নীতিবিবর্জিত, আত্মকেন্দ্রিক। কথাটাতে অনেকে গোস্যা হতে পারেন, তাদের ইগোতে লাগতে পারে। কথাটাকে এভাবে না বলে যদি বলতাম ‘সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি, স্বার্থপরতা’, তাহলে তাদের ইগো রক্ষা পেত, কেননা বিষয়টা কথিত ‘সমাজ’ এর উপর দিয়ে চলে যেত। যাই হোক, সত্য হলো, এই শিক্ষিত ব্যক্তিরা, অল্প শিক্ষিত থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ শিক্ষিত, কেরানী থেকে শুরু করে সচিব-মহাসচিব, তাদের অধিকাংশই স্বার্থপরতা ও দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। হাতে গোনা কিছু মানুষ থাকতে পারেন, যারা ব্যতিক্রম। ব্যতিক্রম দিয়ে কখনও কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় না। এই যে শিক্ষিত, প্রশিক্ষিত শ্রেণিটির স্বার্থপরতা, দুর্নীতি, এর মূল কারণ ওই শিক্ষাব্যবস্থা। এ শিক্ষাব্যবস্থায় দীন সম্পর্কে প্রায় কিছুই শিক্ষা দেওয়া হয় না। বরং সুদভিত্তিক অংক, ব্রিটিশ রাজা- রানির ইতিহাস, ভূগোল, বিজ্ঞান, গণিত, পাশ্চাত্যের ধর্মহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা, পাশ্চাত্য বস্তুবাদী দর্শন ইত্যাদি শিক্ষার পাশাপাশি ধর্ম সম্পর্কে, বিশেষ করে ইসলাম সম্পর্কে একটা বিদ্বেষভাব (অ যড়ংঃরষব ধঃঃরঃঁফব) শিক্ষার্থীদের মনে প্রবেশ করানো হয়। ওখান থেকে লক্ষ লক্ষ কথিত আধুনিক শিক্ষিত লোক বের হচ্ছেন যারা চরম আত্মকেন্দ্রিক ও স্বার্থপর। নিজেদের বৈষয়িক উন্নতি ছাড়া আর কিছুই তারা ভাবেন না। তারা অধিকাংশই ইসলাম ও অন্যান্য ধর্মকে মনে করেন সেকেলে, মধ্যযুগীয় চিন্তাধারা; ধর্মকে মনে করেন কল্পকাহিনী। তারা গণিত, বিজ্ঞান, হিসাব বিজ্ঞান, কলা, সাহিত্য শিখেন। তারপর সেসব বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হন। চাকরি পেতে গেলেও তাদেরকে এই পুঁথিগত শিক্ষার দৌড় কতটুকু তার প্রমাণ দিয়ে চাকুরি পেতে হয়। কিন্তু মানুষটি ব্যক্তি হিসেবে কতটুকু সৎ, কতটুকু দেশপ্রেমিক, কতটুকু মানবিক, কতটুকু মূল্যবোধসম্পন্ন, এর পরীক্ষা কে নেয়? একজন শিক্ষার্থী কিংবা একজন চাকুরিপ্রত্যাশী কতটুকু ‘ভালো মানুষ’, তা পরীক্ষা করার কোনো ব্যবস্থা কোথাও আছে কি? একজন সর্বোচ্চ ভালো ফলাফলকারী ব্যক্তিও যদি তার ব্যক্তিগত জীবনে অসৎ হয়, মিথ্যুক হয়, স্বার্থপর হয়, তাহলে তার হাতে সরকারের কোনো একটি চেয়ারের দায়িত্ব দেয়ার আগে, সেই চেয়ারটি ছোট হোক বা বড় হোক, দশবার চিন্তাভাবনা করতে হবে, এই ব্যবস্থাটি আছে কি? নেই। এর অবধারিত ফল এই যে, এরা পারে তো দেশটা বিক্রি করে দিয়ে বিদেশে চলে যায়। এরাই দেশের কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে। ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি’, এরকম কবিতা পড়িয়ে ‘ভালো মানুষ’ গড়া যাবে না। বরঞ্চ ‘লেখাপড়া করে যে, গাড়ী ঘোড়ায় চড়ে সে’ এই বাক্য তার আত্মায় হৃদয়ে গেঁথে গেছে।
আমাদের আরেকটা শিক্ষাব্যবস্থা হচ্ছে মাদ্রাসাভিত্তিক। একে অবশ্য ধর্মীয় শিক্ষাব্যবস্থা না বলে বরং মসজিদ-মাদ্রাসায় ইমাম, খতিব, মোয়াজ্জিন তৈরির শিক্ষাব্যবস্থা বলা উচিত। কেননা কথিত শুদ্ধ উচ্চারণে আরবি পাঠ, আর কিছু সুরা-কেরাত-মাসলা-মাসায়েলের জ্ঞানের মধ্যেই তাদের সম্পূর্ণ শিক্ষাজীবন সীমাবদ্ধ। এর বাইরে মানুষের একটি বাস্তব জীবন আছে, সেই জীবনে তাদেরকে কর্ম করতে হয়, তাদের নবী (স.), সেই নবীর সাহাবিরা, সাহাবিদের সন্তানরা, তাঁরা সবাই কর্ম করে খেয়েছে, হাত পেতে, ভিক্ষা মেগে খায় নাই, এই বোধটুকু তাদের নাই। এরা আরবি মুখস্থ করে মুখে ফেনা তুলতে তুলতে জীবনের সম্পূর্ণ শিক্ষাজীবনটুকু পাড় করে দেয়। শেষ পর্যন্ত আবিষ্কার করে, বাস্তব জীবনে করে খাওয়ার মতো জীবনঘনিষ্ঠ, কর্মমুখী বা ভোকেশনাল কোনো শিক্ষা তাদেরকে দেওয়া হয় নাই। উপায়ন্তর না পেয়ে যে মাদ্রাসায় তারা ‘আরবি ভাষা’ পড়তে লিখতে শিখেছে, সেই মাদ্রাসাতেই একটি চাকরির জন্য ঘুরে। কিংবা এলাকার ধনাঢ্য ব্যক্তিদেরকে সদকায়ে জারিয়ার কথা বলে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় উদ্বুদ্ধ করে, আর নিজেরা সেখানে মুহতামিম, বড় হুজুর, ছোট হুজুর হয়। তারপর মানুষের বাড়ি ঘুরে ঘুরে একটা সন্তান হাফেজ ও আলেম হলে কী ‘ফজিলত’ হবে তা বর্ণনা করে বাচ্চা ‘কালেকশন’ করে। সেই বাচ্চাদের বাড়ি বাড়ি পাঠায় মুষ্টির চাল ও টাকা কালেকশনের জন্য। শিশুকালেই তারা শিক্ষার নামে ভিক্ষা করার দীক্ষাটা পেয়ে যায়। পরকালের সুযোগ-সুবিধা চিন্তা করে ধর্মান্ধ অভিভাবকরা আদরের সন্তানকে ‘হুজুরের কাছে আমানত’ রেখে যাওয়ার পর রাতারাতি তাদেরকে ‘মরহুম’ বানিয়ে দেয়। বাবা মা বেঁচে আছেন, এমন হাজার হাজার শিশু নিজেদেরকে এতিম পরিচয় দিয়ে টাকা কালেকশন করে হুজুরের বেতের ভয়ে। আর এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে শত শত বছরের ব্যবধানে একটি আলাদা গোষ্ঠী দাঁড়িয়ে গেছে যারা নিজেরা কোনো কর্মের সাথে জড়িত নয়, বরং সম্পূর্ণরূপে মানুষের দানের উপর নির্ভরশীল। আর এর সংখ্যাটা আমাদের দেশে কোটির কম হবে না। 
কথা হচ্ছে, এই যে সম্পূর্ণ আলাদা ও বিপরীতমুখী দুই শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে চিন্তাচেতনায় ভারসাম্যহীন দুই ভিন্ন ধারার মানুষ বের হয়ে আসছে, যারা একই দেশে বাস করেও পৃথক সমাজের অধিবাসী। তাদের পৃথক জীবনদর্শন, পৃথক পোশাক-আশাক, পৃথক মূল্যবোধ। কেবল পৃথকই নয়, সাংঘর্ষিক। উভয় শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা শিক্ষিতজনেরা একে অপরের প্রতি কাদা ছোঁড়াছুড়িতে লিপ্ত থাকেন, দিনকে দিন তাদের মধ্যে বিরাজিত বিদ্বেষ, অবিশ্বাসের ব্যবধান সরু নালা থেকে সাগরে পরিণত হচ্ছে। অথচ আমাদের জাতীয় শিক্ষানীতির অন্যতম হচ্ছে, শিক্ষার উদ্দেশ্য হবে জাতির মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করা। যে শিক্ষাব্যবস্থা জাতির মধ্যে বিভেদ তৈরি করে তার সংস্কার করা আশু কর্তব্য। ইংরেজরা এককালে আমাদের প্রভু ছিল। প্রভুর আসনে বসে নিজেদের স্বার্থরক্ষার জন্য তারা আমাদেরকে যা খুশি শিখিয়েছে, যেভাবে খুশি কাজে লাগিয়েছে। কিন্তু ইংরেজ চলে গেছে সেই ১৯৪৭ সালে। তাহলে আমরা কেন স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে পারছি না? তারা যে শিক্ষাব্যবস্থা আমাদেরকে দিয়ে গেছে, তাকে কেয়ামতের আগ পর্যন্ত আগলে রাখতে হবে কেন? এটা কি কোর’আন, নাকি বেদবাক্য? না। আমরা তো কোর’আনের জীবনব্যবস্থাকেও অবহেলায় পরিত্যাগ করতে পেরেছি, কিন্তু ইংরেজদের ডিভাইড এন্ড রুল ষড়যন্ত্রের অংশ যে শিক্ষাব্যবস্থা, তাকে কেন পরিত্যাগ করতে পারছি না?
কাজেই এখন আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে। একমুখী শিক্ষাব্যবস্থার প্রস্তাব করা যেতে পারে, যেখানে আধুনিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ভারসাম্যপূর্ণ সমন্বয় থাকবে। শুধু ধর্মহীন সেক্যুলার শিক্ষা দিয়ে হবে না। মানুষের দেহ যেমন আছে তেমনি আত্মা তথা বিবেকও আছে। সে বিবেকের দাবি পূরণ করার জন্য বিভিন্নভাবে এদিক ওদিক যেতে চাইবে। আবার বাস্তব জীবনের সমস্যাগুলোকে এড়িয়ে কেবল মাসলা-মাসায়েল, দোয়া কালাম, ফতোয়াবজির ইসলাম যা কেবল পরকালীন সওয়াবমুখী, সেটা দিয়েও হবে না। প্রস্তাবিত এই একমুখী শিক্ষাব্যবস্থা থেকে ছাত্ররা এমন মানুষ হয়ে বের হবে যারা ধর্মান্ধ নয়, ধর্মবিদ্বেষী নয়, যারা প্রগতিশীল, বিজ্ঞানমনস্ক, যুক্তিবোধসম্পন্ন, দেশপ্রেমিক, রুচিশীল, মার্জিত, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার, জাগ্রতবিবেক, স্রষ্টার আদেশ-নিষেধ, ন্যায়-অন্যায় সম্পর্কে সজাগ ও সচেতন। তারা স্বার্থপর, আত্মকেন্দ্রিক, দাম্ভিক, অহঙ্কারী না হয়ে বিনীত ও নম্র  হবে, মানুষের কল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ হবে। প্রতিটি মানুষ হবে আলোকিত, সত্য ও ন্যায়ের ধারক। মানুষের ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ তারা ঘুনাক্ষরেও চিন্তা করবে না। এমন মানুষ তৈরি করতে পারে একটি ভারসাম্যমূলক শিক্ষাব্যবস্থা। এ ছাড়া চলমান অবক্ষয়ের কোনো সমাধান নেই।
 

[লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট; যোগাযোগ: ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১৫৭১৫৮১, ০১৭১১০০৫০২৫]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মালিবাগে সিআইডি-এসবি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ!

মালিবাগে সিআইডি-এসবি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ!
রাজধানীর মালিবাগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) প্রধান কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। রোববার সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া এ ঘটনায়…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    রাজধানী

তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আরও এক মামলা, তদন্তের দায়িত্বে পিবিআই!

তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আরও এক মামলা, তদন্তের দায়িত্বে পিবিআই!
জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে ঘিরে আইনি জটিলতা আরও বেড়েছে। ফ্যাশন ডিজাইনার সানায়া আনাম ওয়াফিকাহ চৌধুরীর দায়ের করা মানহানির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে নতুন একটি মামলা হয়েছে।…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    বিনোদন

কুড়িগ্রামে হেযবুত তওহীদের নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে হেযবুত তওহীদের নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত
ধর্মান্ধ, কূপমন্ডকতা, বিকৃত ফতোয়াবাজি ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের নারীদের নিয়ে সমাবেশ করেছে হেযবুত তওহীদ কুড়িগ্রাম জেলা শাখা নারী বিভাগ। রবিবার বার  (৮ নভেম্বর) বিকেলে কুড়িগ্রাম…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

অবসর ও কল্যাণের টাকা পাচ্ছেন ১৩ হাজার এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী!

অবসর ও কল্যাণের টাকা পাচ্ছেন ১৩ হাজার এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী!
দীর্ঘদিন ধরে অবসর ও কল্যাণ সুবিধার টাকার অপেক্ষায় থাকা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৩ হাজার এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর পাওনা পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ২০২২ ও…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

দেশে ফিরে শেখ হাসিনাকে বরণ করার স্বপ্ন বাস্তব হবে না: রিজভী

দেশে ফিরে শেখ হাসিনাকে বরণ করার স্বপ্ন বাস্তব হবে না: রিজভী
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বক্তব্যকে ‘দিবাস্বপ্ন’ আখ্যা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, শত শত মানুষ হত্যার পর শেখ হাসিনা…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    নির্বাচিত

সাদুল্লাপুরে ডিবি পুলিশের অভিযান: ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার, তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা

সাদুল্লাপুরে ডিবি পুলিশের অভিযান: ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার, তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪২ পিস ইয়াবা ও ৫০০ গ্রাম শুকনো গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

গাইবান্ধার চরাঞ্চলের ৮ হাজার ৫০০ পরিবার পাচ্ছে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান

গাইবান্ধার চরাঞ্চলের ৮ হাজার ৫০০ পরিবার পাচ্ছে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার চরাঞ্চলের দরিদ্র ও অসহায় ৮ হাজার ৫০০ পরিবারকে পরিবারপ্রতি ৬০ হাজার টাকা করে শর্তহীন আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব পরিবারের জীবনযাত্রার…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

চিকিৎসায় সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা, তবুও সাত বছরের সংসারের ইতি টানলেন স্বামী!

চিকিৎসায় সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা, তবুও সাত বছরের সংসারের ইতি টানলেন স্বামী!
সাত বছরের দাম্পত্য জীবনে সন্তান না হওয়াকে কেন্দ্র করে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের অবহেলা, নির্যাতন ও মানসিক যন্ত্রণার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন নরসিংদীর মাধবদীর…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা

আনসার-ভিডিপি সদস্যদের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানে সাফল্য: প্রথম পরীক্ষায়ই জাপানে চাকরির প্রস্তাব

আনসার-ভিডিপি সদস্যদের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানে সাফল্য: প্রথম পরীক্ষায়ই জাপানে চাকরির প্রস্তাব
গাজীপুর প্রতিনিধি:বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের জন্য আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় জাপানের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ‘হিরাটা প্ল্যানিং কোম্পানি লিমিটেডে’ সরাসরি চাকরির…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা

আশুলিয়ার ভাদাইলে বেহাল সড়ক: হাঁটুসমান কাদা পেরিয়ে কর্মস্থলে যান শ্রমিকরা

আশুলিয়ার ভাদাইলে বেহাল সড়ক: হাঁটুসমান কাদা পেরিয়ে কর্মস্থলে যান শ্রমিকরা
সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি:ঢাকার সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানাধীন ধামসোনা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভাদাইল বাজারসহ আশপাশের একাধিক সড়ক দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে চরম বেহাল দশায়…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা

সাভারে ১৭৪ পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদক কারবারি গ্রেফতার

সাভারে ১৭৪ পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদক কারবারি গ্রেফতার
সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি:ঢাকার সাভারে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৭৪ পিস ইয়াবাসহ পাঁচ পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-উত্তর)। শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা

উদারতার সুযোগ নিয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে ভার্চ্যুয়ালি যোগাযোগ করছেন আ.লীগ নেতাকর্মীরা: নুর

উদারতার সুযোগ নিয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে ভার্চ্যুয়ালি যোগাযোগ করছেন আ.লীগ নেতাকর্মীরা: নুর
গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর গলাচিপায় ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    বরিশাল

কুড়িগ্রামে হারিয়ে যাওয়া গ্রামবাংলার খেলাধুলায় মাতলেন সব বয়সী মানুষ

কুড়িগ্রামে হারিয়ে যাওয়া গ্রামবাংলার খেলাধুলায় মাতলেন সব বয়সী মানুষ
শাহ আলম, কুড়িগ্রাম:মাঠজুড়ে হাসি-আনন্দ, কোথাও হাঁস ধরার হুল্লোড়, আবার কোথাও তৈলাক্ত কলাগাছে ওঠার প্রতিযোগিতা। দর্শকদের করতালি আর অংশগ্রহণকারীদের উচ্ছ্বাসে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে কুড়িগ্রামের একটি গ্রাম।…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

‘সুপুরুষ ব্যতীত বিবাহ করতেছি না’, ডাকসু নেত্রীর পোস্ট ঘিরে আলোচনা!

‘সুপুরুষ ব্যতীত বিবাহ করতেছি না’, ডাকসু নেত্রীর পোস্ট ঘিরে আলোচনা!
বিয়ের আগে সম্ভাব্য জীবনসঙ্গী সম্পর্কে ভালোভাবে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু)…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    নির্বাচিত

হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব হতে ইউএফসি প্রধানকে ট্রাম্পের প্রস্তাব!

হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব হতে ইউএফসি প্রধানকে ট্রাম্পের প্রস্তাব!
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব হিসেবে জনপ্রিয় মিশ্র মার্শাল আর্ট প্রতিযোগিতা ইউএফসির প্রধান ডানা হোয়াইটকে দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। শুধু তাই…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    আন্তর্জাতিক