প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ধর্মোন্মাদনা: ধর্মের চরমতম অপব্যবহার

ধর্মোন্মাদনা: ধর্মের চরমতম অপব্যবহার

১৭ জুলাই ২০১৭ ১১:১৭ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

শাকিলা আলম:
রসুলাল্লাহ ছিলেন মুসলিমদের অবিসংবাদিত নেতা। তিনি যখন রাষ্ট্রশক্তি অর্জন করেছেন তখন তিনি রাষ্ট্রনায়ক হিসাবে ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য অন্যায়ের ধারকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন, সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। সামরিক পদক্ষেপ কোনো ব্যক্তিবিশেষ নিতে পারে না, এটা রাষ্ট্রের কাজ। ব্যক্তি বা সংগঠন পর্যায়ে সশস্ত্র পন্থা গ্রহণ সর্বযুগে সর্বকালে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বলে পরিগণিত হয়। রসুলাল্লাহর পরে যারা এ জাতির শাসক হয়েছেন তারা ধর্মীয় বিধি-বিধান কমবেশি মেনেই মুসলিম বিশ্বের নানা অংশে শাসনকার্য পরিচালনা করেছেন। তারা যখন মানুষকে শত্রুর মোকাবেলা করণার্থে আহ্বান জানাতেন তখন জনগণ ইসলামের শিক্ষা মোতাবেক নেতার আনুগত্য করত, সেই আহ্বানে সাড়া দিত। ধর্মব্যবসায়ী আলেম ওলামা শ্রেণির জন্ম হয়েছে রসুলাল্লাহর ইন্তেকালের কয়েকশ’ বছর পরে। তারাও রাষ্ট্রের শাসকদের পরামর্শক হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষণ থাকায় তাদের হাতে ক্ষমতাও ছিল যথেষ্ট, ধর্মনেতা হিসাবে জনগণের উপর যথেষ্ট প্রভাবও ছিল তাদের। কিন্তু ইতিহাসের একটি বাঁকে এসে মুসলিম জনগোষ্ঠী যখন ব্রিটিশসহ ইউরোপের বিভিন্ন জাতির গোলামে পরিণত হলো তখনও এই আলেম ওলামারা মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মের কর্তৃপক্ষই থেকে গেছেন আর আগে যেমন মানুষ যেভাবে তাদের ডাকে সাড়া দিত, অন্য জাতির গোলাম হয়ে যাওয়ার পরও সেই প্রবণতা রয়ে গেল। জাতির মধ্যে এই বোধ জাগ্রত হলো না যে, এই আলেমরা এখন আর তাদের রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ নয়। সুতরাং তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে কোনো জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার কোনো ন্যায্যতা আর ইসলামের নীতি মোতাবেক নেই, করলে সেটা সন্ত্রাস হবে। আগে জাতিকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করতে হবে। সেই মুরোদ বা সামর্থ্য না থাকায় তাদের মধ্যকার ফতোয়াবাজ কাঠমোল্লারা দুর্বল প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য তাদের এই ক্ষমতাকে কাজে লাগানো শুরু করল। আর আলেম শ্রেণি নিজেদের ক্ষমতাবান মনে করার যে সুখ সেই সুখ থেকে নিজেদের বঞ্চিত করতে প্রস্তুত ছিলেন না। তাই তারা রাজত্ব হারালেও যাত্রাপালার রাজা সেজে নেতৃত্বের অভিনয় চালিয়ে যেতে লাগলেন। ভাবখানা হচ্ছে এমন যে, রাজদণ্ড নেই তো কী হয়েছে, ফতোয়া দিলে মানুষতো ঠিকই মানছে। সুতরাং ফতোয়াবাজি যতদিন পারা যায় করতে থাকি। তারা এই মহাসত্যটি জাতির সামনে সম্যকভাবে তুলে ধরলেন না। তারা আজ হিন্দুর বিরুদ্ধে, কাল কাদিয়ানীর বিরুদ্ধে, পরশু অমুক ব্যক্তির বিরুদ্ধে নাস্তিকতা বা কাফের-মুরতাদ ফতোয়া দিয়ে গলা ফাটিয়ে ওয়াজ করে একটি উত্তেজনা সৃষ্টি করে দেন। ফলে কোনো সংখ্যালঘু দুর্বল শ্রেণি ধর্মোন্মাদ তওহীদী জনতার রোষাণলে ভস্মীভ‚ত হয়ে যায়। বিগত সময়ে কত মানুষকে তারা হত্যা করেছে, কত মানুষের বাড়িঘর তারা জ্বালিয়ে দিয়েছে তার কোনো ইয়ত্তা নেই। এটাই হচ্ছে ফিতনা। আমাদের দেশে স্বাধীনতার ৪৬ বছরে না হলেও অর্ধশত ঘটনা ঘটেছে যেখানে মাইকে জনগণকে ডেকে মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং জনগণ মার মার কাট কাট করে ছুটে এসে জ্বালাও পোড়াও, হত্যাকাণ্ড, সম্প্রদায় বিশেষকে উচ্ছেদসহ নৃশংস কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে। প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রব্যবস্থাকে এই ধর্মব্যবসায়ী শ্রেণি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এ কাজটি বার বার করেছেন এবং এর যেন কোনো বিরতি নেই। তারা যেটা করছেন এটা আল্লাহর রসুল কখনও করেন নি, তাঁর সাহাবিরাও কখনও করেন নি। কিন্তু জনগণ তো আর সেটা জানে না, জনগণ আলেম সাহেব যা বলেন সেটাই ইসলাম মনে করে অন্ধবিশ্বাস নিয়ে পালন করে। বিশেষ করে ধর্মীয় নৃশংসতায় যখন কারো বাড়িঘরে হামলা করে লুটপাট করা, নিষ্ঠুরভাবে মানুষ মেরে বীরত্ব দেখানো, নারীদের ধর্ষণ করার মওকা পাওয়া যায় তখন তাতে অংশ নেওয়ার মত বর্বর স্বার্থান্বেষী মানুষের কোনো অভাব এ জাতির মধ্যে হয় নি। যখন এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে তখন তা চলে যায় স্বার
্থান্বেষী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর হাতে। তারা এটা নিয়ে নোংরা রাজনীতির খেলায় মেতে ওঠে। প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা তো বহু আগেই হারিয়ে গেছে। ধর্ম হয়ে গেছে স্বার্থান্বেষী শ্রেণির হাতিয়ার আর ধর্মবিশ্বাসী জনগণ হয়ে গেছে তাদের অন্ধ আনুগত্যকারী মাত্র যা ইসলামের প্রকৃত শিক্ষার সম্পূর্ণ বিপরীত।
এই ফেতনা সৃষ্টিকারীদের পরিণতি কী হবে?
আল্লাহর রসুল এ কথাটিও সুস্পষ্টভাবে বলে গেছেন যে তাঁর উম্মাহর মধ্যে কারা ফেতনা সৃষ্টি করবে। তিনি বলেছেন, এমন সময় আসবে যখন- (১) ইসলাম শুধু নাম থাকবে, (২) কোর’আন শুধু অক্ষর থাকবে, (৩) মসজিদসমূহ জাঁকজমকপূর্ণ ও লোকে লোকারণ্য হবে কিন্তু সেখানে হেদায়াহ থাকবে না, (৪) আমার উম্মাহর আলেমরা হবে আসমানের নিচে সবচেয়ে নিকৃষ্ট জীব, (৫) তাদের তৈরি ফেতনা তাদের ওপর পতিত হবে। [আলী (রা.) থেকে বায়হাকী, মেশকাত]
ধর্ম থেকে ফায়দা হাসিলকারীদের হৃদয় কেমন হবে সেটাও রসুলাল্লাহ সুস্পষ্টভাষায় বলে গেছেন। তিনি বলেন, শেষ যামানায় কিছু লোকের উদ্ভব হবে যারা পার্থিব স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে ধর্মকে প্রতারণার হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করবে। তারা জনগণের সামনে ভেড়ার পশমের মত কোমল পোশাক পরবে। তাদের মুখের ভাষা হবে চিনির চেয়ে মিষ্টি; কিন্তু তাদের হৃদয় হবে নেকড়ে বাঘের মত হিংস্র। আল্লাহ তা’আলা তাদের বলবেন: তোমরা কি আমার বিষয়ে ধোঁকায় পড়ে আছ, নাকি আমার প্রতি ধৃষ্টতা  দেখাচ্ছ? আমার শপথ! আমি তাদের উপর তাদের মধ্য হতেই এমন বিপর্যয় আপতিত করব, যা তাদের খুবই সহনশীল ব্যক্তিদের পর্যন্ত হতবুদ্ধি ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় করে ছাড়বে (আবু হোরায়রাহ রা. থেকে তিরমিজি)।
ফেতনা অর্থাৎ দাঙ্গা হাঙ্গামা এমন একটি ভয়ংকর বিষয় যা হাজার হাজার যুদ্ধের জন্ম দেয়। আমাদের মুক্ত মন নিয়ে চিন্তা করতে হবে যে কোনো আলেমরা মানবসমাজে ফেতনা সৃষ্টি করছে। এরা হচ্ছে সেই আলেম দাবিদার গোষ্ঠী যারা ধর্মকে তাদের ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করছে। ধর্ম এসেছে আল্লাহর পক্ষ থেকে আর আল্লাহ হলেন সত্যের চূড়ান্ত রূপ। মানুষ যখন তাঁর থেকে আগত সত্যকে ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে সামগ্রিক জীবনে ধারণ করে তখন সমাজ শান্তিময় হয়, ন্যায়বিচারে পূর্ণ হয়। তিনি স্বয়ং ধর্মের মাধ্যমে মানব সমাজে মূর্ত হন, প্রকাশিত হন। যারা ধর্মের শিক্ষা দিয়ে, ধর্মের কাজ করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করে, ধর্মকে জীবিকার হাতিয়ারে পরিণত করে তারা সমাজে প্রচলিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে সত্যভাষণের শক্তি ও যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে। সে যখন একজন অসাধু ব্যক্তির থেকে সুবিধা গ্রহণ করে তখন তার মস্তক সেই টাকার কাছে বিকিয়ে যায়, সেই সাথে ধর্মও বিক্রি হয়ে যায়। সে ঐ অসাধু ব্যক্তির অপকর্মের প্রতিবাদ তো করতেই পারে না, উল্টো কীভাবে অসাধু ব্যক্তির স্বার্থরক্ষায় ধর্মের ফতোয়া ব্যবহার করা যায় সেই ফিকির করতে থাকে। এভাবে ধর্মের নামে অধর্ম সমাজে প্রচলিত হয়ে যায়। যে ধর্ম এসেছিল মানুষের কল্যাণের জন্য, সেই ধর্মের নামেই মানুষের অকল্যাণ করা হয়। যে ধর্ম এসেছিল জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য সেই ধর্মের নামে সাম্প্রদায়িক হানাহানি শুরু হয়।
ইসলামকে পণ্য বানিয়ে আল্লাহ ও রসুলের যে অবমাননা এই জনগোষ্ঠীর ধর্মব্যবসায়ী একটি শ্রেণি করেছেন শত শত বছর ধরে, সেটা আর কেউ করতে পারে নি। তারা মানুষের ধর্মানুভ‚তিকে উত্তেজিত করে সা¤প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মানুষকে ক্ষিপ্ত করে ধ্বংসযজ্ঞ ঘটাতে খুব পটু। ইসলাম যেভাবে বর্বর আরবদের চরিত্রে অভ‚তপূর্ব পরিবর্তন সৃষ্টি করেছিল এই ওয়াজশিল্পিরা সেটা করতে পারছেন না, তারা সমাজের অন্যায় অবিচার দূর করতে পুরোপুরি অক্ষম। এখন তারা এটুকুই পারেন, একটু গুজব তুলে দিয়ে সাময়িক একটি হুজুগ সৃষ্টি করে, ধর্মবিশ্বাসী মানুষের ধর্মানুভ‚তিকে উসকে দিয়ে একটি উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করতে। সে উত্তেজনারও মেয়াদ খুব সীমিত। এই জাহেলিয়াতের, মূর্খামির অবসান তখনই হবে যখন ধর্মবিশ্বাসী সাধারণ মানুষের সামনে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা, আদর্শ সুস্পষ্ট হবে। তারা জানতে পারবে যে দাঙ্গা ও জেহাদ, যুদ্ধ কখনও এক নয়। যুদ্ধের নীতি থাকে দাঙ্গায় কোনো নীতি থাকে না। আল্লাহর রসুল যতগুলো যুদ্ধ করেছেন সবগুলোতে তাঁর সৈন্যবাহিনী থেকে প্রতিপক্ষের সেনাবাহিনী ছিল কয়েকগুণ বড়। দাঙ্গায় হয় এর উল্টো। দুর্বল একটি গোষ্ঠীর উপর সংখ্যাধিক্যের শক্তিতে সংগঠিতভাবে ঝাঁপিয়ে পড়া হয়। মানুষের বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হয়, হত্যাকাণ্ড হলে সেটাকে গণপিটুনি বলে চালিয়ে দেওয়া হয়, উসকানিদাতা ধর্মব্যবসায়ীরা লেবাসের আড়াল নিয়ে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ সত্ত্বেও আইনের হাত থেকে পার পেয়ে যান। রাজনৈতিক নেতারাও এই ভণ্ড ধর্মনেতাদের সমীহ করে চলেন কেবলমাত্র ভোটের জন্য। এভাবে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ধর্মের নামে এই অন্যায় আমাদের সমাজকে কুরে কুরে খাচ্ছে। তথাপি চিন্তাহীনতা, যুক্তিহীনতা, কূপমণ্ডূকতা আজ মুসলিম জাতির ধর্মবোধ, ধর্মচিন্তাকে এমনভাবে আচ্ছন্ন করে রেখেছে যে তারা তাদের পালিত ধর্ম আদতে তাদের কতটুকু কাজে আসছে, আখেরাতে তা তাদেরকে জান্নাতে নিতে পারবে কিনা সেটা নিয়ে চিন্তা করার, নিজের কাছে সেই প্রশ্ন উত্থাপনের সাহসিকতা ও মানসিকতাও হারিয়ে ফেলেছে।
তাদের এই চিন্তার জড়ত্ব থেকে মুক্তি দিতে প্রয়োজন হচ্ছে আরেকটি রেনেসাঁর । তারা তো ১৩০০ বছর আগে পথ হারিয়েছে, গন্তব্য ভুলে গেছে। শরিয়ত, মারেফত, ফেরকা, মাজহাবের গভীর অরণ্যে হারিয়ে গিয়েছে। এখন বহু ধরনের মত-পথ সৃষ্টি হয়েছে। কেউ হয়েছে স্বার্থোদ্ধারকারী পীর, কেউ হয়েছে ভয়ানক জঙ্গি, কেউ হয়েছে রাজনৈতিক ইসলামপন্থী, কেউ আবার ব্যক্তিগত আমলের জোরে জান্নাতে যেতে চাচ্ছেন। এমতাবস্থায় মানুষ কোন ব্যবস্থার চর্চা করে দুনিয়াতেও শান্তি পাবে আখেরাতও জান্নাত পাবে, সে সঠিক পথ কোনটি? সেই পথের সন্ধান করা এখন মুসলিম জনগোষ্ঠীর জন্য অনিবার্য হয়ে উঠেছে।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মালিবাগে সিআইডি-এসবি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ!

মালিবাগে সিআইডি-এসবি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ!
রাজধানীর মালিবাগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) প্রধান কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। রোববার সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া এ ঘটনায়…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    রাজধানী

তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আরও এক মামলা, তদন্তের দায়িত্বে পিবিআই!

তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আরও এক মামলা, তদন্তের দায়িত্বে পিবিআই!
জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে ঘিরে আইনি জটিলতা আরও বেড়েছে। ফ্যাশন ডিজাইনার সানায়া আনাম ওয়াফিকাহ চৌধুরীর দায়ের করা মানহানির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে নতুন একটি মামলা হয়েছে।…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    বিনোদন

কুড়িগ্রামে হেযবুত তওহীদের নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে হেযবুত তওহীদের নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত
ধর্মান্ধ, কূপমন্ডকতা, বিকৃত ফতোয়াবাজি ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের নারীদের নিয়ে সমাবেশ করেছে হেযবুত তওহীদ কুড়িগ্রাম জেলা শাখা নারী বিভাগ। রবিবার বার  (৮ নভেম্বর) বিকেলে কুড়িগ্রাম…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

অবসর ও কল্যাণের টাকা পাচ্ছেন ১৩ হাজার এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী!

অবসর ও কল্যাণের টাকা পাচ্ছেন ১৩ হাজার এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী!
দীর্ঘদিন ধরে অবসর ও কল্যাণ সুবিধার টাকার অপেক্ষায় থাকা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৩ হাজার এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর পাওনা পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ২০২২ ও…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

দেশে ফিরে শেখ হাসিনাকে বরণ করার স্বপ্ন বাস্তব হবে না: রিজভী

দেশে ফিরে শেখ হাসিনাকে বরণ করার স্বপ্ন বাস্তব হবে না: রিজভী
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বক্তব্যকে ‘দিবাস্বপ্ন’ আখ্যা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, শত শত মানুষ হত্যার পর শেখ হাসিনা…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    নির্বাচিত

সাদুল্লাপুরে ডিবি পুলিশের অভিযান: ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার, তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা

সাদুল্লাপুরে ডিবি পুলিশের অভিযান: ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার, তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪২ পিস ইয়াবা ও ৫০০ গ্রাম শুকনো গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

গাইবান্ধার চরাঞ্চলের ৮ হাজার ৫০০ পরিবার পাচ্ছে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান

গাইবান্ধার চরাঞ্চলের ৮ হাজার ৫০০ পরিবার পাচ্ছে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার চরাঞ্চলের দরিদ্র ও অসহায় ৮ হাজার ৫০০ পরিবারকে পরিবারপ্রতি ৬০ হাজার টাকা করে শর্তহীন আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব পরিবারের জীবনযাত্রার…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

চিকিৎসায় সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা, তবুও সাত বছরের সংসারের ইতি টানলেন স্বামী!

চিকিৎসায় সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা, তবুও সাত বছরের সংসারের ইতি টানলেন স্বামী!
সাত বছরের দাম্পত্য জীবনে সন্তান না হওয়াকে কেন্দ্র করে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের অবহেলা, নির্যাতন ও মানসিক যন্ত্রণার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন নরসিংদীর মাধবদীর…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা

আনসার-ভিডিপি সদস্যদের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানে সাফল্য: প্রথম পরীক্ষায়ই জাপানে চাকরির প্রস্তাব

আনসার-ভিডিপি সদস্যদের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানে সাফল্য: প্রথম পরীক্ষায়ই জাপানে চাকরির প্রস্তাব
গাজীপুর প্রতিনিধি:বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের জন্য আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় জাপানের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ‘হিরাটা প্ল্যানিং কোম্পানি লিমিটেডে’ সরাসরি চাকরির…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা

আশুলিয়ার ভাদাইলে বেহাল সড়ক: হাঁটুসমান কাদা পেরিয়ে কর্মস্থলে যান শ্রমিকরা

আশুলিয়ার ভাদাইলে বেহাল সড়ক: হাঁটুসমান কাদা পেরিয়ে কর্মস্থলে যান শ্রমিকরা
সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি:ঢাকার সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানাধীন ধামসোনা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভাদাইল বাজারসহ আশপাশের একাধিক সড়ক দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে চরম বেহাল দশায়…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা

সাভারে ১৭৪ পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদক কারবারি গ্রেফতার

সাভারে ১৭৪ পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদক কারবারি গ্রেফতার
সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি:ঢাকার সাভারে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৭৪ পিস ইয়াবাসহ পাঁচ পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-উত্তর)। শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা

উদারতার সুযোগ নিয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে ভার্চ্যুয়ালি যোগাযোগ করছেন আ.লীগ নেতাকর্মীরা: নুর

উদারতার সুযোগ নিয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে ভার্চ্যুয়ালি যোগাযোগ করছেন আ.লীগ নেতাকর্মীরা: নুর
গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর গলাচিপায় ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    বরিশাল

কুড়িগ্রামে হারিয়ে যাওয়া গ্রামবাংলার খেলাধুলায় মাতলেন সব বয়সী মানুষ

কুড়িগ্রামে হারিয়ে যাওয়া গ্রামবাংলার খেলাধুলায় মাতলেন সব বয়সী মানুষ
শাহ আলম, কুড়িগ্রাম:মাঠজুড়ে হাসি-আনন্দ, কোথাও হাঁস ধরার হুল্লোড়, আবার কোথাও তৈলাক্ত কলাগাছে ওঠার প্রতিযোগিতা। দর্শকদের করতালি আর অংশগ্রহণকারীদের উচ্ছ্বাসে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে কুড়িগ্রামের একটি গ্রাম।…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

‘সুপুরুষ ব্যতীত বিবাহ করতেছি না’, ডাকসু নেত্রীর পোস্ট ঘিরে আলোচনা!

‘সুপুরুষ ব্যতীত বিবাহ করতেছি না’, ডাকসু নেত্রীর পোস্ট ঘিরে আলোচনা!
বিয়ের আগে সম্ভাব্য জীবনসঙ্গী সম্পর্কে ভালোভাবে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু)…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    নির্বাচিত

হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব হতে ইউএফসি প্রধানকে ট্রাম্পের প্রস্তাব!

হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব হতে ইউএফসি প্রধানকে ট্রাম্পের প্রস্তাব!
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব হিসেবে জনপ্রিয় মিশ্র মার্শাল আর্ট প্রতিযোগিতা ইউএফসির প্রধান ডানা হোয়াইটকে দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। শুধু তাই…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    আন্তর্জাতিক