প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   কেমন ছিল আইয়ামে জাহেলিয়াত?

কেমন ছিল আইয়ামে জাহেলিয়াত?

১৬ আগস্ট ২০১৮ ০৯:৩৫ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোহাম্মদ আসাদ আলী
আল্লাহর রসুলের আবির্ভাবের পূর্বে আরবদের সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থা বোঝাতে ঐতিহাসিকরা যেই শব্দটি ব্যবহার করেন তা হচ্ছে ‘আইয়ামে জাহেলিয়াত’, অর্থাৎ অজ্ঞানতার যুগ। এই লেখায় আমি চেষ্টা করব তৎকালীন আইয়ামে জাহেলিয়াতের একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরতে।
আইয়ামে জাহেলিয়াত বা অজ্ঞানতার যুগ শব্দটি দ্বারা ধারণা হতে পারে বোধহয় আরবরা লেখাপড়া, জ্ঞান-বিজ্ঞান ইত্যাদিতে পিছিয়ে ছিল বলেই তাদের যুগকে অজ্ঞানতার যুগ বলা হয়ে থাকে, কিন্তু আসলে তা নয়। এই অজ্ঞানতা হচ্ছে মূলত ন্যায়-অন্যায় সম্পর্কে অজ্ঞানতা, সত্য-মিথ্যা সম্পর্কে অজ্ঞানতা। তৎকালীন আরব সমাজে ন্যায়-অন্যায়ের কোনো বালাই ছিল না। সত্য-মিথ্যার পার্থক্য করা হতো না। শক্তিমানের মুখের কথাই ছিল আইন। অবাধে চলত অন্যায়, অবিচার, অত্যাচার, অনাচার, ব্যভিচার, চুরি, ডাকাতি, হত্যা ও রক্তপাত। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গোত্রে বিভক্ত ছিল সমাজ। ছিল না সুবিন্যস্ত কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থা, অবিসংবাদিত কোনো নেতৃত্ব। প্রাত্যহিক উদরপূর্তি, জৈবিক চাহিদা পূরণ বা বৈষয়িক ভোগ-বিলাস ছাড়াও মানবজীবনের যে মহিমান্বিত কোনো লক্ষ্য-উদ্দেশ্য থাকতে পারে সেকথা যেন তারা কল্পনাও করতে পারত না। অনেকগুলো ছোট-বড় গোত্রে বিভক্ত হয়ে তারা জীবনযাপন করত, যেই গোত্রগুলোর মধ্যে না ছিল ঐক্য, না ছিল ভ্রাতৃত্ব, আর না ছিল কোনো জাতীয় চেতনা। মারামারি, কাটাকাটি, রক্তারক্তি ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। এক গোত্রের সাথে আরেক গোত্রের যুদ্ধ-সংঘাত সারা বছর লেগেই থাকত এবং তাও অতি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে। কিন্তু যত তুচ্ছ কারণেই হোক, যুদ্ধ একবার লেগে গেলে সহজে শেষ হতো না। কোনো কোনো যুদ্ধ চলত শতাব্দীকাল অবধি। যুদ্ধ-সংঘাত কত ঠুনকো বিষয়ে পরিণত হয়েছিল তার একটি নমুনা দিচ্ছি।
একবার একজন বিদেশি পথিক ক্ষুৎপিপাসায় কাতর হয়ে বসুস নামের এক বৃদ্ধার অতিথি হয়। অতিথি লোকটার সঙ্গে একটি উট ছিল। সে উটটি চারণভূমিতে ছেড়ে দিয়ে বৃদ্ধার বাড়িতে খাবার খেতে বসে। এদিকে উটটি কুলায়ব নামের এক ব্যক্তির বাগানে প্রবেশ করে একটি গাছের সাথে গা ঘষতে থাকে। ওই গাছে ছিল একটি পাখির বাসা, উটের ঘর্ষণের ফলে ওই বাসা থেকে একটি ডিম মাটিতে পড়ে ভেঙ্গে যায়। এতে পাখিটি চিৎকার করতে লাগলে বাগানের মালিক কুলায়ব রাগান্বিত হয়ে ওঠে। সে ক্ষুব্ধ হয়ে উটটিকে শর নিক্ষেপ করে। এদিকে কুলায়বের শর নিক্ষেপ দেখে বৃদ্ধাও প্রচ- উত্তেজিত হয়ে ওঠে। তার অতিথির উটকে আহত করা হয়েছে, এতে তার যে অপমান হয়েছে তার প্রতিশোধ নেবার জন্য আত্মীয়-স্বজনদের কাছে আকুতি জানাতে থাকে। বৃদ্ধার করুণ আর্তনাদে ব্যথিত হয়ে তার দূর সম্পর্কের এক আত্মীয় কুলায়বের উপর হামলা করে তাকে হত্যা করলে বনু বকর ও বনু তাগলবের মধ্যে মারাত্মক যুদ্ধ আরম্ভ হয় এবং এই যুদ্ধ বংশানুক্রমে আশি বৎসর পর্যন্ত চলতে থাকে।’ (সায়্যিদ সুলায়মান নদবী রচিত ‘সীরাতুন্নবী’ গ্রন্থের ২৬৯ পৃষ্ঠা) অর্থাৎ আশি বছর ধরে যুদ্ধ চলল আর কিছু নয়, একটি পাখির ডিম ভাঙার ঘটনাকে কেন্দ্র করে!
বংশানুক্রমিক এই রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা-হাঙ্গামা এতই ভয়ানক আকার ধারণ করত যে, আরবরা সর্বসম্মতিক্রমে একটি সিদ্ধান্তে আসে বছরের চারটি মাস তারা রক্তপাতে জড়াবে না। এই মাসগুলো পবিত্র মাস বা নিষিদ্ধ মাস হিসেবে গণ্য হবে। এই সময়ে চরম শত্রুকেও হাতের কাছে পেলে হত্যা করা হবে না। কিন্তু রক্তের নেশা তাদেরকে এমনভাবেই পেয়ে বসেছিল যে, কয়েকবার নিষিদ্ধ মাসের নিয়মও লঙ্ঘন করে তারা যুদ্ধে জড়িয়ে যায়। নিষিদ্ধ মাস লঙ্ঘন করে অনুষ্ঠিত হওয়া এই যুদ্ধগুলোকে বলা হত ফিজারের যুদ্ধ। রসুলাল্লাহর বিশ বছর বয়সে এমনই একটি ফিজারের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। ইতিহাসে এটি ফিজার আল বারাদ নামে খ্যাত। এই যুদ্ধে রসুলাল্লাহর চাচারা তাঁকে সঙ্গে করে রণাঙ্গনে নিয়ে যেতেন। রসুলাল্লাহ (সা.) বলেন, “আমি শত্রুদের নিক্ষিপ্ত তীর ও বর্শাগুলো প্রতিহত করতাম এবং তা কুড়িয়ে এনে চাচাদের হাতে তুলে দিতাম।” (সিরাতে ইবনে হিশাম) আমরা রসুলাল্লাহর জীবনীতে ‘হিলফুল ফুজুল’ নামের যেই সংগঠন করার কথা জানতে পারি সেটা এই ফিজারের যুদ্ধের পরে, মূলত এই যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে রসুলাল্লাহর তরুণ মন বেদনাবিধুর হয়ে উঠলে তিনি ‘হিলফুল ফুজুল’ নামের সংগঠন গড়ে তোলেন যার লক্ষ্য ছিল যুদ্ধ-রক্তপাত ইত্যাদি বন্ধ করে আরব উপদ্বীপে শান্তি কায়েম করা। এ থেকে বোঝা যায় তরুণ বয়স থেকেই আল্লাহর রসুল অন্যায় অবিচার ও যুদ্ধ-রক্তপাত নির্মূলে কতটা সোচ্চার ছিলেন।
আরবের মরুভূমি কখনই কৃষিকাজের উপযোগী ছিল না, কাজেই স্বল্প পরিসরে কিছু কৃষিকাজ হলেও অনেকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও গৃহপালিত পশু পালন করে জীবিকা নির্বাহ করত। আর বাকিদের জীবিকা নির্ভর করত লুটতরাজের ওপর। ডাকাতিতে সিদ্ধহস্ত হওয়াকে তৎকালীন কৃতিত্ব ও বীরত্বের পরিচয় বলে মনে করা হতো। খ্যাতনামা ডাকাতরা সভা-সমাবেশে নিজেদের লুটপাটের কাহিনী বর্ণনা করতে গৌরববোধ করত। কীভাবে নিরীহ পথিককে হত্যা করে সহায়-সম্পদ কেড়ে নিতে সক্ষম হয়েছে তার বীরত্ব বর্ণনা করে কবিতা আবৃত্তি করা হতো। সেই কবিতা শুনে আবার লোকে বাহবাও দিত। সমাজের আরেক ব্যাধি ছিল চুরি। কেবল দরিদ্ররাই নয় ধনীরাও চুরি করত। সেই চুরির কথা বর্ণনা করে তারা আত্মগৌরব লাভ করত। কিন্তু কদাচিৎ দরিদ্র চোরের বিচার হলেও ধনীদের কোনো বিচার হতো না। চুরি এতটাই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিল পরবর্তীতে আরবরা যখন ইসলাম গ্রহণ করত, আল্লাহর রসুল তাদের কাছে আগেই অঙ্গীকার নিয়ে নিতেন যে, ‘তোমরা কখনও চুরি করবে না।’ ক্রমাগত দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও রক্তপাতের কারণে দয়া, মায়া, মমতা ইত্যাদি মানবীয় গুণাবলি হারিয়ে আরবদের স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়ায় নিষ্ঠুরতা, হিং¯্রতা ও উন্মত্ততা। তারা জীবিত উটের পিঠ থেকে মাংসপি- এবং দুম্বার রান থেকে চর্বিযুক্ত মাংস কেটে কেটে কাবাব তৈরি করত। যুদ্ধে বন্দিনী গর্ভবতী নারীর পেট ফেঁড়ে সন্তান বের করে হত্যা করত। যুদ্ধে নিহত শত্রুর নাক, কান, গলা ইত্যাদি কেটে লাশকে বিকৃত করত। ন্যায়-অন্যায় বোধ লুপ্ত হয়ে যাওয়ায় সমাজে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে ব্যাভিচার। ওই সময়ের বর্ণনা দিতে গিয়ে ইবনে আব্বাস বলেন, ‘প্রকাশ্যভাবে ব্যাভিচার করাকে অবৈধ মনে করা হলেও গোপনে ব্যাভিচারকে তারা অন্যায় মনে করত না।’ একজনের সন্তানকে আরেক জনের সন্তান বলে চালিয়ে দেওয়া হত। ধর্ষণের পর ধর্ষক তার কুকীর্তির বর্ণনা দিয়ে কবিতা রচনা করত এবং জনসম্মুখে সেই কবিতা আবৃত্তি করে গৌরববোধ করত। নির্লজ্জতায় তারা এই পর্যন্ত পৌঁছেছিল যে, পবিত্র ক্বাবা ঘর তাওয়াফ করত নারী-পুরুষ উলঙ্গ অবস্থায়।
নারীদের দুর্ভোগের কোনো সীমা ছিল না। শিশুকাল থেকেই তারা নির্যাতনের শিকার হতো। আরবদের মধ্যে কতগুলো গোত্রে কন্যা সন্তানদের জীবিত কবর দেওয়ার রেওয়াজ চালু ছিল। তারা এই গর্হিত ও ন্যাক্কারজনক কাজটি করে রীতিমতো গর্ববোধ করত এবং একে তাদের জন্য সম্মানের প্রতীক বলে মনে করত। এছাড়া জুয়াখেলা, মাদক ইত্যাদিতে বুঁদ হয়ে থাকত তাদের যুবক শ্রেণী। প্রতিটি ঘরেই এমন কেউ না কেউ ছিলই যে মাদকের উৎপাদন, ক্রয়-বিক্রয় বা সেবনের সাথে জড়িত ছিল। সুদের বিস্তার হয়েছিল মহামারী আকারে। গরু-ছাগলের মতো মানুষের হাট বসত, সেখানে দাস-দাসী ক্রয়-বিক্রয় করা হতো। দাস-দাসীদের জীবনযাপন ছিল পশুপর্যায়ের। তাদের জীবনের নিরাপত্তা ছিল না, খাবারের নিশ্চয়তা ছিল না, সম্মান-মর্যাদা ছিল না। মনিবের কৃপার উপর নির্ভর করত তাদের জীবন। দাসী-বাঁদীদেরকে পতিতাবৃত্তি করতে বাধ্য করা হতো।
সামাজিক ও রাজনৈতিক এই অধঃপতন আরবদেরকে সারা বিশ্বের সবচাইতে অবহেলিত, অবজ্ঞাত, উপেক্ষিত ও ঘৃণ্য জনগোষ্ঠীতে পরিণত করেছিল। তৎকালীন পৃথিবীর সুপার পাওয়ার, দুই বিশ্বশক্তি রোমান ও পারস্য সা¤্রাজ্য আরবদেরকে কতটা অবজ্ঞার চোখে দেখত তা বোঝা যায় এই থেকে যে, আরবের পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রোমান ও পারস্য সা¤্রাজ্য বারবার যুদ্ধে লিপ্ত হলেও আরবের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা ছিল না, যদিও তারা চাইলেই আরবকে সরাসরি শাসন করতে পারত। আরবরা রোমান ও পারস্য সৈন্যকে যমের মত ভয় পেত। একজন রোমান সৈন্যকে দশজন আরব সৈন্যের সমান গণ্য করত।
একটি ভুল ধারণা প্রচলিত আছে যে, আইয়ামে জাহেলিয়াতের আরবরা আল্লাহই বিশ্বাস করত না, এজন্য তারা কাফের ছিল। এই ধারণা সর্বাংশে সত্য নয়। তৎকালীন আরবরা আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস করত এবং আল্লাহকে সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা ইত্যাদি বলে বিশ্বাস করত এই সাক্ষ্য স্বয়ং আল্লাহ দিয়েছেন। (যখরুফ: ০৯, আনকাবুত: ৬৩) তারা বিভিন্ন দেব-দেবীর মূর্তি বানিয়ে পূজা করত এই ভেবে যে, এই দেব-দেবীগুলো আল্লাহর কাছে তাদের হয়ে সুপারিশ করবে এবং তাদের দুনিয়াবী বিভিন্ন স্বার্থ হাসিলে সহায়ক হবে। (ইউনুস: ১৮) পবিত্র ক্বাবাঘরে পর্যন্ত তারা ৩৬০টি মূর্তি ঢুকিয়ে রেখেছিল। অথচ আল্লাহ মানুষকে দৃষ্টি দিয়েছেন, বিবেক দিয়েছেন, চিন্তাশক্তি দিয়েছেন, মানুষ সেই শক্তিগুলো ব্যবহার করে নিজেরাই নিজেদের সাফল্য অর্জন করতে পারে, এজন্য কাঠ-পাথরের মূর্তির মুখাপেক্ষী হয়ে থাকার দরকার পড়ে না। মূর্তিপূজা এমন এক অভিশাপ যা মানুষের সৃজনশীলতাকে, গতিশীলতাকে লুপ্ত করে দেয়। মানুষকে করে দেয় স্থবির, চিন্তার দরজায় ঝুলিয়ে দেয় অন্ধত্বের তালা। তারা হাত-পা গুটিয়ে রেখে, চিন্তাশক্তিকে অন্ধত্বের কারাগারে বন্দী করে রেখে মূর্তির সামনে প্রার্থনা করেই সফলতা পেতে চায় এবং প্রকৃতির নিয়মে ব্যর্থ হয়। কারণ কাঠ পাথরের মূর্তির ক্ষমতা নেই মানুষের আবদার শোনার ও পূরণ করার, কিন্তু ধর্মের নামে আরব ধর্মব্যবসায়ীরা সেই কুসংস্কারটাই চালু করে রেখেছিল শতাব্দীর পর শতাব্দী যাবৎ এবং এইসব দেব-দেবীর নাম করে কার্যত নিজেরাই মানুষের ইলাহ বা হুকুমদাতার আসনে বসে পড়েছিল। তারা যা হুকুম দিত, যেই বিধান দিত সেটাই মানুষ অলঙ্ঘনীয় বিধান বলে গ্রহণ করে নিত। কেউই তাদের অবাধ্য হতে পারত না। অবশ্য কেউ অবাধ্য হতে চাইতও না। কারণ সাধারণ মানুষ ধর্মব্যবসায়ী পুরোহিতদেরকেই ধর্মের কর্তৃপক্ষ বলে বিশ্বাস করত। ধর্মের নামে তারা যা বলত তাই মেনে চলতে প্রস্তুত থাকত। তাদের বক্তব্য কতটুকু যৌক্তিক, কতটুকু কল্যাণকর ইত্যাদি নিয়ে ভাবার অবকাশ জনগণের ছিল না। আর এই বিশ্বাসের সুযোগ নিয়েই ধর্মব্যবসায়ী পুরোহিতরা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ হাসিল করত। ওই জনগোষ্ঠীকে কাফের-মোশরেক বলার এটাই প্রধান কারণ যে, তাদের ইলাহ বা হুকুমদাতার আসনে আল্লাহ ছিলেন না, এই আসনটি তারা দান করেছিল তাদের ধর্মজীবী পুরোহিতদেরকে। এভাবে সকল দিক দিয়ে আরব জনগোষ্ঠীর অধঃপতন যখন চূড়ান্ত অবস্থায় উপনীত হয়েছিল, জাহেলিয়াতের অন্ধকারে পথ হারিয়ে ত্রাহি চিৎকার করছিল নির্যাতিত নিপীড়িত শোষিত বঞ্চিত অসহায় মানুষ, তখন আল্লাহ সেই জনগোষ্ঠীর মধ্যে সত্যের আলোকবর্তিকা হাতে প্রেরণ করেন আখেরী নবী, বিশ্বনবী মোহাম্মদ (সা.) বিন আব্দুল্লাহকে।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই এই দেশের সন্তান : প্রধানমন্ত্রী

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই এই দেশের সন্তান : প্রধানমন্ত্রী
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সব মানুষের সমান অধিকার ও মর্যাদার কথা তুলে ধরে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বাংলাদেশকে ৩৪ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে ভারত!

বাংলাদেশকে ৩৪ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে ভারত!
বেগম খালেদা জিয়া নারী আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৪৭–১৩ গোলের বিশাল জয় নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ভারত। ঢাকার পল্টনে শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

এআই দিয়ে হয়রানি বন্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান পরীমনির!

এআই দিয়ে হয়রানি বন্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান পরীমনির!
ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ভুয়া ও বিকৃত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে বিব্রতকর…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

‘পূজার জন্য এক মাস ধরে শাড়ি জমিয়েছি’, জানালেন রুমিন ফারহানা!

‘পূজার জন্য এক মাস ধরে শাড়ি জমিয়েছি’, জানালেন রুমিন ফারহানা!
শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে এক মাস ধরে শাড়ি জমিয়েছেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। পূজার সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী ও দশমীর জন্য আলাদা শাড়ি…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

এক দিনে তিন বিভাগে প্রধানমন্ত্রী, পরিদর্শন করবেন পূজামণ্ডপ

এক দিনে তিন বিভাগে প্রধানমন্ত্রী, পরিদর্শন করবেন পূজামণ্ডপ
শারদীয় দুর্গোৎসবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানাতে এবং পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এক দিনে দেশের তিন বিভাগ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে গিয়ে…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

ভারত বাংলাদেশ নয়, ফ্রান্সও নয়, রিজিজুকে জবাব থারুরের!

ভারত বাংলাদেশ নয়, ফ্রান্সও নয়, রিজিজুকে জবাব থারুরের!
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের তুলনা টেনে রাজনৈতিক বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা ও সংসদ সদস্য শশী থারুর। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

সৌদির পবিত্র স্থান রক্ষায় কোনো আপস নয়: পাকিস্তান সেনাবাহিনী

সৌদির পবিত্র স্থান রক্ষায় কোনো আপস নয়: পাকিস্তান সেনাবাহিনী
সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা রক্ষায় কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলে জানিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। দেশটির আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর)…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

দুর্গোৎসবের নিরাপত্তায় আনসার-ভিডিপির তৎপরতা: ফার্মগেট মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন মহাপরিচালক

দুর্গোৎসবের নিরাপত্তায় আনসার-ভিডিপির তৎপরতা: ফার্মগেট মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন মহাপরিচালক
শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন নির্বিঘ্ন, নিরাপদ ও উৎসবমুখর রাখতে বাহিনীর সদস্যদের নিরাপত্তা দায়িত্ব সরেজমিনে তদারকি করছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

প্রতিষ্ঠান অকার্যকর বলেই প্রতিমন্ত্রীকে রাস্তায় নামতে হয়: হাসনাত

প্রতিষ্ঠান অকার্যকর বলেই প্রতিমন্ত্রীকে রাস্তায় নামতে হয়: হাসনাত
মাদক নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

আশুলিয়ায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ৩ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রেফতার

আশুলিয়ায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ৩ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রেফতার
আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি:ঢাকা জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি ও একটি ম্যাগাজিনসহ তিনজন কুখ্যাত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

দাউদকান্দির গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডে বেপরোয়া পার্কিংয়ে তীব্র যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

দাউদকান্দির গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডে বেপরোয়া পার্কিংয়ে তীব্র যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা
কুমিল্লা প্রতিনিধি:ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট দাউদকান্দির গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডে প্রতিদিন দীর্ঘ ও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। নির্দিষ্ট কিছু পরিবহন কোম্পানির দায়িত্বহীনতা এবং মহাসড়কে দীর্ঘ সময়…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে দুর্গাপূজার আয়োজনে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত!

নারায়ণগঞ্জে দুর্গাপূজার আয়োজনে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত!
বাংলাদেশে প্রথমবার দুর্গাপূজার আয়োজন দেখতে এসে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। সোমবার নারায়ণগঞ্জ শহরের আমলাপাড়া সর্বজনীন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে নৃত্যশিল্পী,…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

জামায়াত নেতার বক্তব্যে ব্যথিত ইশরাক, বললেন ‘জীবন বাজি রেখে গিয়েছি’

জামায়াত নেতার বক্তব্যে ব্যথিত ইশরাক, বললেন ‘জীবন বাজি রেখে গিয়েছি’
জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার বক্তব্যে ব্যথিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন সদ্য পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তিনি বলেছেন, নিজের রাজনৈতিক দল থেকে কোনো ষড়যন্ত্রের শিকার…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

সৌদিতে নিহত প্রবাসীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে সহযোগিতা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা!

সৌদিতে নিহত প্রবাসীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে সহযোগিতা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা!
সৌদি আরবে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি নূরুল হকের পরিবার ক্ষতিপূরণের অর্থ পাওয়ায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। সোমবার (১৯…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

এবার সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করলেন হিরো আলম!

এবার সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করলেন হিরো আলম!
সাবেক স্ত্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, অর্থ আত্মসাৎ, প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে আদালতে মামলার আবেদন করেছেন আলোচিত কনটেন্ট নির্মাতা আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে…
 ১৯ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন