প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা তুলে ধরাই...

ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা তুলে ধরাই আমাদের লক্ষ্য

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ০১:০৩ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

সমগ্র পৃথিবী যখন অন্যায়-অবিচার, অশান্তি, যুদ্ধ, রক্তপাত, খুন-রাহাজানি, নারী-নির্যাতন, উগ্রবাদ, সন্ত্রাসবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন, জুলুমের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে শান্তির অন্বেষায় পাগলপারা, ঠিক এমন একটি সময়ে মুক্তির দূত হয়ে আলোর মশাল হাতে ধরারবুকে আগমন ঘটে একজন মহামানবের। যিনি টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী জমিদার পন্নী পরিবারের উত্তরসূরি, হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠাতা এমাম জনাব মোহাম্মদ বায়াজিদ খান পন্নী। ১৪০০ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া আল্লাহর রসুলের (সা.) প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা আবারও মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য, আল্লাহর তওহীদভিত্তিক সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার জন্য ১৯৯৫ সালে তিনি হেযবুত তওহীদ আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেন। সেইদিন থেকে তাঁর হাত ধরে শুরু হয় হেযবুত তওহীদের পথচলা। এরপর নানা ঘাত-প্রতিঘাত, সংগ্রাম, সংঘর্ষ, বাধা-প্রতিপত্তি পেরিয়ে বিগত ২৮ বছর ধরে হেযবুত তওহীদ সম্মুখপানে এগিয়ে চলেছে। এখন হেযবুত তওহীদ এক পরিচিত নাম। লক্ষ লক্ষ প্রাণের স্পন্দন, চেতনার বাতিঘর। হেযবুত তওহীদের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে অগণিত মানুষ এখন উগ্রবাদ, সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, অপরাজনীতি, ধর্মব্যবসা, ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি মহান আদর্শ প্রতিষ্ঠার চেতনায় বলীয়ান হচ্ছে।

আমাদের মূল বক্তব্য হচ্ছে, মানুষ আল্লাহর খলিফা, আল্লাহর প্রতিনিধি। পৃথিবীতে মানুষের মূল দায়িত্ব হচ্ছে আল্লাহর খেলাফত করা, আল্লাহর প্রতিনিধিত্ব করা। এটাই বান্দার সাথে আল্লাহর চুক্তি। মানুষ যেন এই চুক্তিতে থাকতে না পারে, আল্লাহর খেলাফত করতে না পারে এজন্য প্রতিপক্ষ ইবলিশ সবসময় ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। এখন মানুষের কর্তব্য হচ্ছে ইবলিশের ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করে আল্লাহর খেলাফত করা, ইবলিশের চ্যালেঞ্জে আল্লাহকে জয়ী করা। প্রশ্ন আসতে পারে, মানুষ আল্লাহর খেলাফত করবে কী দিয়ে? সহজ উত্তর – আল্লাহ হুকুম-বিধান দিয়ে। মানুষ তার পারিবারিক, সামষ্টিক, রাষ্ট্রীয় জীবন যদি আল্লাহর দেওয়া হুকুম-বিধান, আইন-কানুন, দণ্ডবিধি দিয়ে পরিচালনা করে তবেই দুনিয়াতে সে আল্লাহর খেলাফত করল। দুনিয়াতে আল্লাহর এই খেলাফতের ফল হবে ন্যায়, সুবিচার, শান্তি ও নিরাপত্তা। আল্লাহ এটাই চান। আল্লাহ চান তার বান্দা শান্তিতে-সমৃদ্ধে থাকুক। তাই তিনি যুগে যুগে তাঁর প্রেরিত নবী-রসুলদের মাধ্যমে এই শান্তিপূর্ণ দীন বা জীবনব্যবস্থাই মানবজাতির জন্য পাঠিয়েছেন। আর আল্লাহর দেওয়া এই হুকুম-বিধান, আইন-কানুন মেনে নেওয়ার প্রাথমিক অঙ্গীকারের নামই হচ্ছে ঈমান, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহর’ ঘোষণা, যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায় আল্লাহর হুকুম-বিধান ছাড়া আর কারো হুকুম-বিধান মানি না।
আমাদের আখেরী নবী, বিশ্বনবী, হুজুরেপাক (সা.) যে সমাজে এসেছিলেন, সেই সমাজটা কেমন ছিল, কতটা জাহেলিয়াতে পরিপূর্ণ ছিল সে কথা কমবেশি সবাই জানেন। সেই অন্যায়, অবিচার, জাহেলিয়াত আর কূপমণ্ডুকতায় পরিপূর্ণ সমাজকে আল্লাহর রসুল (সা.) বদলে দিলেন কোন পরশ পাথরের ছোঁয়ায়? তিনি এই অসাধ্য সাধন করতে পেরেছিলেন আল্লাহর তওহীদভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। আইয়ামে জাহিলিয়াতে নিমজ্জিত মানুষগুলো যখন আল্লাহর তওহীদভিত্তিক জীবনব্যবস্থার উপর ঐক্যবদ্ধ হল, তাদের সার্বিক জীবনে আল্লাহর হুকুম প্রতিষ্ঠা হল তখন তাদের সমাজ অকল্পনীয় শান্তি, ন্যায়, সুবিচার ও নিরাপত্তায় পরিপূর্ণ হয়ে উঠল। তাঁর জীবদ্দশাতেই সমগ্র জাজিরাতুল আরবে ইসলামের সুশীতল ছায়ায় চলে এলো। অর্ধ দুনিয়াতে ন্যায়বিচার, মানবতা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা হলো। রসুলাল্লাহর ওফাতের পর তাঁর হাতে গড়া উম্মতে মোহাম্মদি জাতিটি তাদের রসুলের (সা.) অর্পণ করে যাওয়া বাকি দায়িত্বটুকু পূর্ণ করতে নিজেদের জীবন-সম্পদ, পুত্র-পরিজন কোরবানি করে উল্কাবেগে ঝাঁপিয়ে পড়ল। এভাবে চলে গেল প্রায় ৬০/৭০ বছর। ততদিনে উম্মতে মোহাম্মদি জাতিটি জ্ঞানে-বিজ্ঞানে, প্রযুক্তিতে, সামরিক শক্তিতে তৎকালীন দুনিয়ার পরাশক্তিতে পরিণত হল। প্রাচুর্য, সমৃদ্ধি, গৌরবে তারা সকল জাতির শিক্ষকের জাতিতে আসীন হলো। পুরো দুনিয়া তাদের পদতলে অধিষ্ঠিত হল। কিন্তু এরপরই ঘটল মহা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা।

জাতি তাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ভুলে গেল। ভুলে গেল তাদের রসুলের (সা.) দেওয়া অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য। টুকরো টুকরো হয়ে গেল জাতির ঐক্য। বিভিন্ন দল, মত, ফেরকা, মাজহাবে বিভক্ত হয়ে জাতি শত শতভাগে বিভক্ত হয়ে গেল। একটি ভাগ ডুবে গেল দীনের ছোটখাট বিষয় নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণে, আরেকটি ভাগ ডুবে গেল আমোদ-প্রমোদ, ভোগ বিলাসিতায়, আরেকটি ভাগ বৈরাগ্যের পথ বেছে নিল। এভাবে জাতির সদস্যরা আকিদা বিকৃতির কারণে তাদের মূল কাজ, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য, যে কাজের জন্য তাদের সৃষ্টি করা হয়েছিল, যে দায়িত্ব তাদের উপর অর্পণ করা হয়েছিল তা সমন্ধে বেখেয়াল হয়ে গেল। সেই থেকে চলছে এই জাতির বিপর্যের ইতিহাস। আজও তারা সেই মতভেদ, তর্ক-বিতর্ক, হাজার-হাজার ভাগে বিভক্ত হয়ে ওই চুলচেরা বিশ্লেষণেই মহাব্যস্ত। এটাকেই তারা ইসলামের কাজ মনে করে মহা আনন্দের সাথে শত শত বছর ধরে করে আসছে। এখন আর তাদের সামনে আর দীন প্রতিষ্ঠার আকিদা নেই, দুনিয়াতে আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠার কোন লক্ষ্য-উদ্দেশ্যও নেই। তারা দুনিয়াজুড়ে পরাজিত, লাঞ্ছিত, অপমানিত, নিগৃহিত, অন্য জাতির গোলাম। যে মুসলমান জাতি একসময় ছিল শিক্ষক্ষের জাতি, সেরা জাতি তারা আজ অন্য জাতির হাতে মার খেয়ে উদ্বাস্তু হয়ে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়। কিন্তু এটা তো হওয়ার কথা ছিল না। আমাদের বক্তব্য হচ্ছে, আমরা মুসলমান জাতি যদি সত্যিই এখন আমাদের অতীতের হারানো গৌরব-মর্যাদা আবার ফিরে পেতে চাই, সমগ্র দুনিয়া আল্লাহর সুশীতল শান্তির ছায়াতলে আবারও আনতে চাই, আমাদের সমাজে চলা এই অন্যায়, অবিচার, যুদ্ধ, রক্তপাত বন্ধ করতে চাই তবে আমাদের হাতে মুক্তির একটি উপায়ই আছে। আর তা হলো- মানুষকে আবারও আল্লাহর তওহীদের দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে।

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

তওহীদের দিকে প্রত্যাবর্তনের প্রথম শর্তই হচ্ছে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ- মোহাম্মাদুর রাসুলাল্লাহ (সা.)’ অর্থাৎ আল্লাহর হুকুম ছাড়া অন্য কারো হুকুম মানব না এবং মোহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রসুল- এ কথার ঘোষণা দেওয়া। এ কথাটা বুঝানোর জন্যই হেযবুত তওহীদ বিগত ২৮ বছর ধরে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। হেযবুত তওহীদের নিবেদিতপ্রাণ সদস্যরা নিজেদের জীবন-সম্পদ উৎসর্গ করে মানুষকে আল্লাহর তওহীদের দিকে ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এ কাজ করতে গিয়ে হেযবুত তওহীদ সেই কর্মসূচিই নিয়েছে যে কর্মসূচির শিক্ষা আল্লাহর রসুল তাঁর হাতে গড়া উম্মতে মোহাম্মদি জাতিকে দিয়েছিলেন। আর তা হল –
১. ঐক্যবদ্ধ হওয়া।
২. নেতার আদেশ শোনা।
৩. নেতার আদেশ পালন করা।
৪. হেজরত করা।
৫. আল্লাহর রাস্তায় জেহাদ করা (দীনুল হক কে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠার জন্য)।

আন্দোলনের সূচনালগ্ন থেকেই হেযবুত তওহীদ এই কর্মসূচিকে গ্রহণ করে নিয়ে প্রতিটি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এই কর্মসূচির উপর দণ্ডায়মান থেকেই হেযবুত তওহীদ মানুষের আত্ম্যাধিক ও জাগতিক জগতে একটি রেনেসাঁ বা বিপ্লব ঘটানোর চেষ্টা করছে। বিভক্ত জনগোষ্ঠীকে যাবতীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজ করতে গিয়ে অনেক বাধা-বিপত্তি, প্রতিবন্ধকতা, হামলা, হুমকি-ধামকি, মারধোর, চোখ রাঙানি, মিথ্যাচার, অপপ্রচারের শিকার হতে হচ্ছে হেযবুত তওহীদের সদস্যদের। কিন্তু তারা কোনকিছুর পরোয়া করে না। তারা সবর ও দৃঢ় সকল্পের মাধ্যমে তাদের লক্ষ্যের পানে এগিয়ে যাচ্ছে। তারা জানে, সত্যের পথ ফুল বিছানো হবে না। এই পথ বন্ধুর, কণ্টকাকীর্ণ। পথে পথে বাঁক, বিপদ। যুগে যুগে যারাই এ পথে হেঁটে গেছেন তাদেরই এমন বাধা-প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করতে হয়েছে। হেযবুত তওহীদ তাই কোন প্রতিবন্ধকতাকে ভয় পায় না। তারা জানে সত্যের বিজয় সুনিশ্চিত। আমরা হেযবুত তওহীদ আমাদের সংগ্রাম চালিয়ে যাব। আমরা বিশ্বাস করি, একদিন হেযবুত তওহীদের মাধ্যমেই সমগ্র দুনিয়া আল্লাহ সত্যদীনের আলোতে আলোকিত হবে ইনশাল্লাহ।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো!

রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো!
আগামীকাল রোববার বাংলাদেশে আসতে পারেন বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ভুটানের রাজধানী থিম্পু সফরে যাওয়ার পথে স্বল্প সময়ের জন্য ঢাকায় ট্রানজিট নেওয়ার…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

শ্রীল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন

শ্রীল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার শ্রীভল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন। পরিদর্শনকালে তিনি মন্দির প্রাঙ্গণে সনাতন…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও আর্থিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করতে ভাতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায়…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা

বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা
বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

সাদুল্লাপুরে ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ

সাদুল্লাপুরে ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় একটি ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত নারীর আনুমানিক বয়স ৪০ থেকে ৪৫ বছর।…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

ইপিডিএবি -এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ইপিডিএবি -এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
ইলেকট্রনিক্স পণ্য পরিবেশক সমিতি বাংলাদেশ তথা ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্টস ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইপিডিএবি)-এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মাধ্যমে সংগঠনটির পথচলায় এক…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ফুলবাড়ীতে বিএনপির সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ

ফুলবাড়ীতে বিএনপির সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় বিএনপির সদ্যঘোষিত আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন দলটির একাংশের নেতাকর্মীরা। কমিটিতে ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে ৯০ কেজির বাঘাইড় মাছ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে ৯০ কেজির বাঘাইড় মাছ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের পুটিমারী এলাকায় স্থানীয় এক জেলের জালে ৯০ কেজি ওজনের একটি বিশালাকার বাঘাইড় মাছ ধরা পড়েছে। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) মাছটির ছবি…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

রৌমারীতে ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫

রৌমারীতে ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫
শাহ আলম, কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কর্তিমারী এলাকায় ডিসি সড়কে মালবোঝাই ট্রাক ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর)…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত চিকিৎসক!

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত চিকিৎসক!
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আকস্মিক পরিদর্শনে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের নিজ কক্ষে ধূমপান করতে দেখা যায় সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে। এ সময় কক্ষের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশও…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

কালিয়াকৈর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন

কালিয়াকৈর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন
মোঃ শফিকুল ইসলামকালিয়াকৈর ( গাজীপুর) প্রতিনিধিগাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুরস্থইবনে সিনা  ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড  এর হারবাল শাখায় শনিবার বিকেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ওষুধের মেশিন ও গোডাউনে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, রয়েছে ৩ শিশুও!

নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, রয়েছে ৩ শিশুও!
ভারতের গ্রেটার নয়ডায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃতদের মধ্যে রয়েছে তিন শিশুও। শুক্রবার রাতে নুডলস খাওয়ার পর ঘুমাতে যান পরিবারের সদস্যরা।…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জাহাজ চলাচলে কঠোর হুঁশিয়ারি!

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জাহাজ চলাচলে কঠোর হুঁশিয়ারি!
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সাম্প্রতিক সময়ে এই নৌপথে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, স্ত্রীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় আশিকুল!

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, স্ত্রীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় আশিকুল!
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে স্ত্রীসহ পরিবারের ছয় সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় ভেঙে পড়েছেন আশিকুল ইসলাম। আনন্দঘন ভ্রমণে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!
মধ্য আমেরিকার দেশ পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬টি পরকম্পন বা আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ৯ অক্টোবরের ভূমিকম্পের পর দেশটির…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক