প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   পশ্চিমা শক্তির কাছে মুসলিমরা পরাজিত...

পশ্চিমা শক্তির কাছে মুসলিমরা পরাজিত কেন?

২৫ মার্চ ২০২৬ ০৪:৩০ পিএম

হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম:

বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ২৪০ কোটি মুসলমান, যারা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৩১-৩২%। ভৌগোলিকভাবে মুসলমানদের অধীনে ৫৭ টি রাষ্ট্র আছে, যা মোট ভূভাগের পাঁচ ভাগের এক ভাগ, অর্থাৎ প্রায় ২০% জায়গা মুসলমানদের অধীনে। উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকার ক্যাসাব্লাঙ্কা থেকে শুরু করে ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত বিস্তীর্ণ বিশাল ভূ-ভাগ মুসলমানদের। বিশ্বের সমুদ্র বন্দরগুলোর মধ্যে প্রায় ১৪০ টা বড় বড় সমুদ্র বন্দর মুসলমানদের। এসব সমুদ্র বন্দর দিয়ে প্রায় ৪০-৪৫% পণ্য রপ্তানি হয়। বিশ্বের প্রায় ৭০% তেল সম্পদ মুসলমানদের পায়ের নিচে। এদিকে মুসলমানদের মসজিদ রয়েছে মিলিয়ন মিলিয়ন, বাংলাদেশেই আছে ৫ লক্ষ মসজিদ। মাজার আছে লক্ষ লক্ষ। আলেম, মুফতি, মাওলানা, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সেনাবাহিনী আছে কোটি কোটি। পুরো মুসলিম বেল্টে পুলিশ আছে কয়েক কোটি। অর্থাৎ মুসলমানদের হাতে আছে বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ ও জনশক্তি। অন্যদিকে ইসরাইল মাত্র ২২,০৭২ বর্গ কিলোমিটারের একটি দেশ, যেখানে ইহুদি আছে মাত্র ৮০ থেকে ৯০ লাখ। সারা পৃথিবীতে ইহুদির সংখ্যা ২ কোটির উপরে হবে না।

অথচ জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, মারণাস্ত্র, মিসাইল, ব্যালিস্টিক মিসাইল কোনো কিছুতেই মুসলমানরা তাদের সাথে টিকে থাকতে পারছে না। ইরানের যুদ্ধে যদি যুক্তরাষ্ট্রের একজন সৈন্য মারা যায় একজন তাহলে ইরানের সৈন্য মারা যায় এক হাজার। ইসরাইলের যদি সৈন্য মারা যায় ৫ জন তাহলে মুসলমান মারা যায় ৫০০ জন। মুসলমানদের এই করুণ দশা কেন তা বুঝতে হলে একটু ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করতে হবে।

আমরা হেযবুত তওহীদ বরাবরই বলে এসেছি মুসলমানদের এ নাজেহাল দশার প্রথম ও প্রধান কারণ আমরা মুসলমানরা ঐক্য নষ্ট করেছি। সংখ্যায় অনেক কম হলেও ঐক্যবদ্ধ শক্তি যেকোনো অনৈক্যের উপরে বিজয়ী হয়, এটা একটি প্রাকৃতিক নিয়ম (Natural Law)। কোর’আনকেও আল্লাহ প্রাকৃতিক নিয়মের ভিত্তিতেই রচনা করেছেন। সুতরাং, আপনার জনবল যতই থাকুক না কেন, ঐক্য নষ্ট করলে পরাজয় নিশ্চিত। সুরা আনফালের ৪৬ নম্বর আয়াতে আল্লাহ ঐক্যের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, তোমরা মতভেদ করো না; তাহলে তোমরা দুর্বল হয়ে যাবে, তোমাদের শক্তি বিলুপ্ত হবে। এমনকি কোনো বিষয়ে মতভেদ হলে, সে বিষয়টা নিয়ে বিভেদ না বাড়িয়ে তা আল্লাহ ও তাঁর রসুলের উপর ছেড়ে দিতে বলেছেন (সুরা আন নিসা ৫৯)। ইসলাম আমাদের আল্লাহর আনুগত্য করার, রসুলের আনুগত্য করার এবং একজন নেতার আনুগত্য করার শিক্ষা দেয় (সুরা আন নিসা ৫৯)।

আরও পড়ুন

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

ইসলামের দর্শন ও সংস্কৃতিচর্চার যোগসূত্র

অথচ ঐক্য নষ্ট করে আমরা মুসলমানরা শিয়া, সুন্নি ইত্যাদি হাজার হাজার ফেরকা, মাজহাব ও তরিকায় বিভক্ত হয়ে গেছি। সুন্নি বেল্টের দেশগুলোতেই মার্কিন সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা হয়েছে, আর সেখান থেকেই ইরানের শিয়া মুসলিমদের উপর বোমা হামলা চালানো হচ্ছে। মার্কিন বাহিনী নয়, এ সংঘাতের শুরুটা করেছে মুসলিমরাই। ইরান-ইরাক যুদ্ধ, উপসাগরীয় যুদ্ধ, সিরিয়া ও লেবাননের গৃহযুদ্ধে লক্ষ লক্ষ মুসলিম নিহত হয়েছে। এসব যুদ্ধে এক মুসলিম আরেক মুসলিমের বুকে বন্দুক তাক করেছে। শিয়া সুন্নি দ্বন্দ্বের ফলে আজ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আগুন জ্বলছে।

বাংলাদেশেও গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষ মনে করেছিল ধর্মীয় দলগুলো এবার ক্ষমতায় আসবে। কিন্তু তারা ব্যর্থ হলো। তারা আল্লাহ ও রসুলের কথা বলে, ধর্মের কথা বলে; অথচ নির্বাচনের আগে ধর্মীয় দলগুলো একে অপরের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়ায়। কওমি আলেমরা ফতোয়া দিল জমায়েতে ইসলামী কাফের; অন্যদিকে চরমোনাইও আলাদা হয়ে গেল। আবার যারা মারেফতি ঘরানার তারাও এসব ধর্মীয় দল থেকে আলাদা হয়ে গেল। এভাবে মুসলিমদের ভোটগুলো আলাদা আলাদা বক্সে পড়ল। দিনশেষে তারা ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারল না। সামান্য একটু ক্ষমতার লোভ তারা সংবরণ করতে পারল না।

আমরা হেযবুত তওহীদও সব সময় আতঙ্কের মধ্যে থাকি, কারণ কখন এসব ধর্মীয় দলের কর্মীরা তওহীদী জনতার ছদ্মবেশে আমাদের উপর হামলা চালাবে, তা জানা সম্ভব নয়। আমরা হিন্দু বা খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের থেকে কোনো হামলার আশঙ্কা করি না, বরং ইসলামী দলগুলো থেকে করি। গত ৩১ বছরের মধ্যে তারা শত শতবার আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে, আমাদের সদস্যদের হত্যা করেছে এবং বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়েছে। মুসলমানরা যদি বিভিন্ন দলে বিভক্ত থেকে একে অপরের সঙ্গে শত্রুতা চালিয়ে যায়, তবে আমরা আল্লাহকে বিজয়ী করতে পারব না।

মুসলিমদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে যে কোনো মূল্যে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া আমরা অন্য কারো হুকুম-বিধান মানবো না, এই একটি কথার উপর আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। অন্য ছোট বিষয়গুলো যা ঐক্য সৃষ্টিতে বাধা তৈরি করে- যেমন দাড়ি, টুপি, সালাতে কোথায় হাত বাঁধা হবে, এসব নিয়ে বিতর্ক করার কোনো প্রয়োজন নেই। ইবলিস নানাভাবে আমাদেরকে বিভক্ত করার জন্য প্ররোচিত করে। তাই যে যেকোনো মূল্যে প্রথমে ঐক্যবদ্ধ হতেই হবে।

আজ কোথাও মানবতা নেই। একদিকে সাম্রাজ্যবাদীদের মিসরাইলে শত শত মাজার-মসজিদ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, অপরদিকে গত দেড় বছরে মুসলমানদের হাতেই বাংলাদেশের দুই শতাধিক পীরের মাজার আস্তানা গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আল্লাহর রসুল ১০৭ টা যুদ্ধ করেছেন। তাঁর ইন্তেকালের সময় ঘরে এক বস্তা তসবিহ পাওয়া যায়নি, পাওয়া গিয়েছিল নয়টি তলোয়ার। তিনি বলেছেন, “জান্নাত তলোয়ারের ছায়াতলে”। তিনি সৈন্যদের নিয়ে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন, আর তাঁর সাহাবীরা শহীদ হওয়ার জন্য ব্যাকুল ছিলেন। কিন্তু আমাদের দেশের অনেক পীর-মাশায়েখ ঘরের দরজা বন্ধ করে, চোখ বন্ধ করে শুধু আত্মার ঘষামাজায় ব্যস্ত। এটা মোটেই আল্লাহকে পাওয়ার পথ নয়, উম্মতে মোহাম্মদীর (সা.) পথও নয়। যে সমাজে আল্লাহর হুকুম চলে না, বরং ইবলিসের রাজত্ব চলে, সেখানে বসে ব্যক্তিগত আর্থিক পরিশুদ্ধির কোনো মূল্য নেই।

ইসলামের যে কোনো কিছু বুঝতে হলে, ইসলামের মূল উদ্দেশ্যটা প্রথমে বুঝতে হবে। আল্লাহ যে বলেছেন ফেতনা নির্মূল হয়ে দীন প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ কর (সুরা আনফাল ৩৯)। ঘরে বসে আল্লাহর এ আদেশের আমল করা সম্ভব নয়। আবার সুরা আন-নিসার ৭৫ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, আর তোমাদের কী হলো যে, তোমরা যুদ্ধ করছ না আল্লাহর পথে এবং সেইসব দুর্বল পুরুষ, নারী ও শিশুদের জন্য, যারা বলে ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে এই জালেমদের জনপদ থেকে বের করে নাও এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য একজন অভিভাবক নির্ধারণ কর, আর তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য একজন সাহায্যকারী পাঠাও।’ এজন্যই উম্মতে মোহাম্মদী জাতি তলোয়ার হাতে নিয়ে দুনিয়ার বুকে বেরিয়ে পড়েছিলেন। এজন্যই হযরত শাহজালাল (রা.), শাহপরান (রা.), শাহ মাখদুমের (রা.) মত যোদ্ধারা এই অঞ্চলে এসেছিলেন।

অন্যদিকে বর্তমানে অনেক পীর খানকায় বসে থাকেন, বছরে কয়েকটা ওরশ করে মুরিদদের সম্পদ ভোগ করেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, “হে ঈমানদারগণ! পণ্ডিত ও সংসারবিরাগীদের (আহবার ও রুহবান) অনেকেই মানুষের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভোগ করে এবং আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে বাধা দেয়।” (সূরা আত-তাওবা: ৩৪)

আবার যারা ধর্মভিত্তিক রাজনীতি করছেন, তারা পার্লামেন্টে যেতে পারলেই খুশিতে গদগদ হয়ে যান। নমিনেশন ও রাজনৈতিক পরিচিতির জন্য ১০-২০ কোটি টাকা খরচ করা তাদের কাছে কোনো ব্যাপারই না। তারা শত কোটি টাকা খরচ করে নমিনেশন কিনে নেন। এসব ধর্মীয় রাজনৈতিক দল জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হতে দিচ্ছে না। এছাড়া বিভিন্ন মাদ্রাসাকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোও আলাদা আলাদা। যেমন- কওমি মাদ্রাসা ও আহলে হাদিসপন্থীদের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন। মাদ্রাসাকেন্দ্রিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আলাদা কারিকুলামে আলাদা আকিদা শিক্ষা দিচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থীরা ঐক্যবদ্ধ হতে পারছে না।

এখন জাতির বাঁচা-মারার প্রশ্ন সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। বাঁচতে হলে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতেই হবে। কে কোন ফেরকার, কে মধ্যপন্থী, কে মডারেট, কে ডানপন্থী, বামপন্থী, কে সুফিবাদী এগুলো আল্লাহর দৃষ্টিতে মূল্যহীন; আল্লাহ কেবল দেখবেন কে মো’মেন। তাই মো’মেনদেরকে তওহীদের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

ঐক্যবদ্ধ হওয়ার পর দ্বিতীয় কাজ হচ্ছে আল্লাহর দেওয়া সত্যদীন জাতির রাষ্ট্রীয় জীবনে কায়েম করা। কারণ আল্লাহর দেওয়া দীন কায়েম না করলে শান্তি আসবে না, পশ্চিমাদের দাসত্বের হাত থেকে আমরা বাঁচতে পারব না। আজ আমরা বিশ্বে প্রায় ২৪০ কোটি মুসলমান, অথচ আমাদের রাষ্ট্র, অর্থনীতি, আইন, আদালত চলে পাশ্চাত্যের আইনে। এজন্যই আমরা আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হয়েছি, তিনি আমাদেরকে লানত দিয়েছেন। আল্লাহ বলেছেন, আকিমুদ্দীন- যার অর্থ হলো দীনকে প্রতিষ্ঠা কর (সুরা আশ-শূরা ১৩)। আমাদের রাষ্ট্র চলবে কোর’আনের বিধান অনুযায়ী, আদালতে বিচার হবে আল্লাহর আইনে; ব্রিটিশদের তৈরি আইনে আমরা চলতে পারি না। এরপর আমাদের ভাবতে হবে দীন প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া নিয়ে। এক্ষেত্রে আল্লাহর রসুল যে প্রক্রিয়ায় দীন কায়েম করেছেন আমাদেরকেও সেই প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হবে, অন্যথায় আমরা সফল হতে পারব না।

১. জনগণকে তওহীদের ধারণা দিতে হবে। তাদেরকে বুঝাতে হবে চলমান রাষ্ট্রব্যবস্থা আমাদের ঈমানের সাথে সাংঘর্ষিক। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, এ কথার অর্থ হচ্ছে আল্লাহর হুকুম ছাড়া কারো হুকুম মানব না। জনগণ যদি স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিদ্যমান ব্যবস্থা প্রত্যাখ্যান করে আল্লাহর বিধান মানার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়, তখন জনগণের ভেতরে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে, তাদের চারিত্রিক ও মানসিক পরিবর্তন আসবে।

২. এরপর জনগণকে পাঁচ দফা কর্মসূচির আওতায় আনতে হবে। দীন প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াটা পরিষ্কারভাবে বুঝাতে হবে। অনেকে আমাকে প্রশ্ন করেন প্রচলিত রাজনীতি না করে, নির্বাচন না করে, পার্লামেন্টে না গিয়ে কীভাবে আপনারা দীন প্রতিষ্ঠা করবেন! আমরা আল্লাহর রসুলের কর্মসূচি অনুসরণ করে দীন প্রতিষ্ঠা করব। রসুলের (সা.) কর্মসূচি তথা সুন্নাহ ছাড়া লক্ষ্য হাসিল অসম্ভব। সেই কর্মসূচি হলো- প্রথমে তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, একজন নেতার আদেশ শুনতে হবে, তাঁর আদেশ মানতে হবে, সকল শেরক-কুফর থেকে আলাদা হতে হবে এবং নিজেদের জান-মাল দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় সংগ্রাম, জেহাদ করতে হবে।

সুতরাং, ঐক্যবদ্ধ জনগোষ্ঠীর নিঃস্বার্থ জেহাদের মাধ্যমে দীন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এমপি, চেয়ারম্যান ইত্যাদি পদের জন্য লালিত হওয়া চলবে না। জেহাদের একটি পর্যায় হলো কেতাল বা যুদ্ধ, যা পরিবেশ-পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে। ধরুন আমরা যদি জেহাদ ছেড়ে দিয়ে বিভিন্ন জাল হাদিস বের করি, যেমন আত্মার বিরুদ্ধে জেহাদই বড় জেহাদ, ঠিক যেমন সুফিবাদিরা আত্মার বিরুদ্ধে জেহাদ করে। তারা কি আত্মার বিরুদ্ধে জেহাদ করে দেশ রক্ষা করতে পেরেছে, নারীদের সম্মান রক্ষা করতে পেরেছে? আল্লাহর রসুলের সাহাবিরা কি ঘরে বসে আত্মার বিরুদ্ধে জেহাদ করেছেন? সহজ উত্তর ‘না’। সুতরাং, এসব হাদিসের কোন সত্যতা নেই।

আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর অংশগ্রহণে ও নির্দেশে মাত্র দশ বছরে মোট ১০৭টি যুদ্ধ-অভিযান পরিচালিত হয়েছে। তিনি নিজে বহুবার আহত হয়েছেন, রক্তাক্ত হয়েছেন। তাঁর সাহাবীদের অধিকাংশের শরীরে কোনো না কোনো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাঁদের বেশিরভাগের মৃত্যু হয়েছে দেশের বাইরে। মদিনার সন্তানেরা সুদূর আফ্রিকা, ভারতবর্ষ, সিরিয়া, ইরাক, ইরানসহ বিভিন্ন দেশে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন- শুধু আল্লাহর দীনকে বিজয়ী করার জন্য। এত ত্যাগ, এত রক্তপাত, এত যুদ্ধ ও কোরবানির জীবন দেখেও যদি কেউ বলে যে “আত্মার বিরুদ্ধে জিহাদই বড় জিহাদ” (জেহাদে আকবর) তাহলে তাদের ভাগ্যে শুধু মার, লাঞ্ছনা ও পরাজয়ই আছে। এসব জাল হাদিসের কারণেই আমাদের হাতে আজ অস্ত্র নেই, মিসাইল নেই, সামরিক যুদ্ধ কৌশল নেই, প্রযুক্তি নেই; এসব কেবল সাম্রাজ্যবাদীদের হাতে।

এ হীনমন্যতা আমাদের কাটিয়ে উঠতে হবে। কোরআনে প্রায় ছয় শতাধিক আয়াতে জেহাদ ও জেহাদসংক্রান্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে বলা হয়েছে। অন্যদিকে সালাহ (নামাজ) সম্পর্কে বলা হয়েছে ৬৭টি আয়াতে; অন্যান্য হিসেব অনুযায়ী ৮০টিরও বেশি। অথচ আজ মানুষ নামাজ পড়ার জন্য যতটা আগ্রহী, জেহাদ করার জন্য ততটা আগ্রহী নয়। জেহাদের চেতনা আমাদের ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। আলেম-ওলামারা জেহাদসংক্রান্ত আলোচনা একদম বাদ দিয়েছেন। কারণ তারা নিরাপদ জীবনযাপনে অভ্যস্ত; মানুষ খাসির রান, মুরগির রান টিফিন বক্সে করে এনে দেয়, আর তারা মসজিদে বসে শুধু খাবেন। এই স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন ছেড়ে তারা জেহাদ করতে রাজি নন। যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসে, তখন তারা সেই সরকারের তাবেদারি করেন। সরকারের কাছে মসজিদ ও মাদ্রাসাসংক্রান্ত দাবি-দাওয়া পেশ করেন। কিন্তু আল্লাহর রসুল কর্মসূচি দিয়ে কাফেরদের বিরুদ্ধে আপোষহীন সংগ্রাম করেছেন- খেয়ে না খেয়ে, পেটে পাথর বেঁধে; খেজুরের আটি চুষে সাহাবিরা দিন পার করেছেন। এক বাটি দুধ ১০০ জনে ভাগ করে খেয়েছেন। মরুভূমির বৈরী পরিবেশে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করে দীন প্রতিষ্ঠা করেছেন। আর বর্তমানে এনারা ঘরে বসে বসে সেই ইসলাম নিয়ে ব্যবসা করছেন।

কাজেই বাঁচতে হলে বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে হবে। ১০ কোটি জনগণ আজকে অসহায় তাদের পালানোর জায়গা নেই। সৌদি আরব বা ইউরোপ আমেরিকায় গেলে তাদেরকে জায়গা দেবে না। উদ্বাস্তুর জীবন খুবই অমানবিক, কষ্টের জীবন। মুসলমানদের পায়ের নিচে যে মাটিতে বিপুল তেল সম্পদ, সোনার খনি আছে তা চলে যাচ্ছে পশ্চিমাদের দখলে। যে সমস্ত শাসকেরা তাদের গোলামী করছে না, তাদেরকে বোবা মেরে হত্যা করছে। একটা ভাত টিপলেই বোঝা যায় ভাত সেদ্ধ হয়েছে কিনা। তেমনি কয়েকটি মুসলিম দেশের উপর পশ্চিমাদের বিধ্বংসী আচরণ দেখলেই বোঝা যায় মুসলমানদের জন্য তারা কী পলিসি (চড়ষরপু) নিয়েছে, তাদের মাস্টারপ্ল্যান কী, এজেন্ডা কী! ইরাক, সিরিয়া, ফিলিস্তিন, ইরান এর সাক্ষী। তারপরও ৯০% মুসলমানের এ দেশে আমাদের কোনো কর্মসূচি নেই, তওহীদের চেতনা নেই। আলেম-ওলামারা যার যার দল, খানকা, মাদ্রাসা; আর যার যার বক্তব্য নিয়ে ব্যস্ত।

আমি হেযবুত তওহীদের সাধারণ মানুষদের নিয়ে নেমেছি। সোশ্যাল মিডিয়ায়, ইউটিউবে আমার বক্তব্যগুলো শুনুন। আমি যদি কোনো ভুল কথা বলি, তাহলে আমি একশবার তওবা করব, ক্ষমা চাইব। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, সেগুলো শুনে বিভ্রান্ত হবেন না। এখন বাঁচতে হলে, জান্নাতে যেতে চাইলে অবিলম্বে তওহীদের উপর ঐক্যবদ্ধ হতে হবে; আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দীন প্রতিষ্ঠার জন্য আল্লাহর রসুলের দেওয়া কর্মসূচি ধারণ করে জেহাদ ও কেতালের মাধ্যমে জান-মাল উৎসর্গ করতে হবে। স্বার্থপররা কখনো ঈমানদার হতে পারে না। আল্লাহ মো’মেনদের কাছ থেকে তাদের জান ও মাল ক্রয় করে নিয়েছেন জান্নাতের বিনিময়ে (সুরা তাওবা: ১১১)। জান-মাল না দিয়ে, কেবল মোল্লাদের দুই পেট খাওয়ালে, এতিমখানায় কিছু খাবার পাঠিয়ে দিলে, যাকাতের নামে মানুষকে কিছু কাপড়চোপড় দিলেই আপনি মো’মেন হয়ে যাবেন—এতটা সহজ নয়। সুরা হুজুরাতের ১৫ নম্বর আয়াত অনুযায়ী, মো’মেন হতে হলে প্রথমে ঈমান আনতে হবে ‘আল্লাহ ছাড়া কারো হুকুম মানি না, এ কথার উপর ঈমান; এরপর জান ও মাল দিয়ে জেহাদ (সংগ্রাম) করতে হবে। এ শর্তগুলো পূরণ করে মো’মেন হতে হবে, তাহলে আল্লাহর রহমত লাভ করতে পারবেন, আল্লাহ আপনার সাহায্যের জন্য ৫ হাজার মালায়েক প্রস্তুত করে রাখবেন, কাফেররা ভয়ে পালিয়ে যাবে, আপনার জায়গা-জমি নিরাপদ থাকবে। ১০০ জন মো’মেন এক হাজার কাফেরের বিরুদ্ধে বিজয় লাভ করবে। আল্লাহ মো’মেনদের সাহায্য করার ওয়াদা দিয়েছেন (সুরা আর-রূম: ৪৭)। তিনি দুনিয়াতে মো’মেনদেরকে কর্তৃত্ব দান করবেন (সুরা নূর: ৫৫)।

সুতরাং, মো’মেন হলে আমেরিকা, চীন, রাশিয়া কোনো সাম্রাজ্যবাদীর ভয় থাকবে না। আর যদি মো’মেন না হন, তবে শত নামাজ, রোজা বা সরকারের সাথে সুসম্পর্ক রেখে কিছুতেই লাভ হবে না। আল্লাহর শাস্তি থেকে কেউ বাঁচাতে পারবে না। একটা আধ্যাত্মিক শাস্তি আছে। আধ্যাত্মিকভাবেই এ জাতির উপর দায়িত্ব পড়েছে আল্লাহর বিধান কার্যকর করে দুনিয়াতে শান্তি কায়েম করার। কিন্তু এ জাতি যখন সে দায়িত্ব ত্যাগ করে ইবলিসের বিধান মেনে নিয়েছে তখনই আল্লাহর গজব এ জাতির উপর এসে পড়েছে। এজন্যই পৃথিবীর প্রতিটি জায়গায় মুসলিমরা আজ নিপীড়িত হচ্ছে।

আল্লাহর অশেষ রহমতে হেযবুত তওহীদ আজ আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নেমেছে। আপনাদের প্রতি আমার আহ্বান- আপনারা হেযবুত তওহীদের বক্তব্য শুনুন, জানুন। তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হন। হেযবুত তওহীদ ছাড়া বর্তমানে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আর কোনো মঞ্চ নেই। হেযবুত তওহীদ ছাড়া ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা তুলে ধরার মতো কোনো দল নেই। হেযবুত তওহীদ ছাড়া হেদায়াতের সন্ধান দেওয়ার মতো আর কেউ নেই। হেযবুত তওহীদ ছাড়া আল্লাহর দেওয়া কর্মসূচি অনুসরণকারী কোনো সংগঠন নেই- এটা আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করছি। হেযবুত তওহীদের কথা শুনুন, জানুন; ইস্পাত-কঠিন ঐক্য গড়ে তুলে আল্লাহর রাস্তায় সংগ্রাম করুন। নিজে বাঁচুন, জাতিকে বাঁচান।

[সম্পাদনা: শামিমা অবন্তী
ফোন/হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৭১১০০৫০২৫, ০১৬২১৪৩৪২১৩]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

ফেনীতে লালপোলে স্টার লাইন কাউন্টারের সামনে থেকে ৭ কেজি গাঁজাসহ ২ নারী গ্রেফতার

ফেনীতে লালপোলে স্টার লাইন কাউন্টারের সামনে থেকে ৭ কেজি গাঁজাসহ ২ নারী গ্রেফতার
ফেনী প্রতিনিধি: ফেনী সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    চট্টগ্রাম

দেশের বাজারে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে টানা তিন দফা স্বর্ণের দাম কমার পর এবার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ৫…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    অর্থনীতি

ইফার মউশিক প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

ইফার মউশিক প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) পরিচালিত ‘নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ (মউশিক) প্রকল্পের পরিচালক (যুগ্মসচিব) এস এম তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে সম্প্রতি একটি…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    জাতীয়

মাদারীপুরে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল গ্রেফতার, পলাতক ভাইয়ের খোঁজে তল্লাশি

মাদারীপুরে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল গ্রেফতার, পলাতক ভাইয়ের খোঁজে তল্লাশি
মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বদরপাশা এলাকা থেকে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল মাতুব্বরকে গ্রেফতার করেছে মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট)…
 ১৫ আগস্ট ২০২৬    ঢাকা

​প্রধানমন্ত্রীর নিকট হেফাজতের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ ও প্রত্যাখ্যান হেযবুত তওহীদের

​প্রধানমন্ত্রীর নিকট হেফাজতের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ ও প্রত্যাখ্যান হেযবুত তওহীদের
​ঢাকা: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিকট হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কর্তৃক হেযবুত তওহীদকে নিষিদ্ধ করার অন্যায্য ও অগণতান্ত্রিক দাবির তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও তা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান…
 ১০ আগস্ট ২০২৬    জাতীয়

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুর জেলার আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)…
 ২১ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর
মাদারীপুর সরকারি কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে…
 ১৪ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ আজ কারখানার…
 ৭ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি