ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোট দিয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন। বৃহস্পতিবার সকালে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত শেষে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন তিনি। আসনটির ১৮৫টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। নির্বাচনে বিএনপিসহ পাঁচটি দলের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন মির্জা ফয়সল আমিন। এর আগে তিনি শহরের সেনুয়া পুরাতন গোরস্তানে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী—এই তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত। আসনটিতে মোট ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে।
টাঙ্গাইলে নীলসাগর এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ!

উপজেলাভিত্তিক হিসাবে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ১১৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৭০টিকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৪৩টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। রুহিয়া উপজেলার ৩৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ২০টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ও ১৩টি ঝুঁকিপূর্ণ। অন্যদিকে, ভূল্লী উপজেলার ৩৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৫টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১৪টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ডা. খাদেমুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীকে, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী মো. আবদুল আলীম নিজামী বটগাছ প্রতীকে এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক ডাব প্রতীকে লড়ছেন।
আসনটিতে এবার মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭৫ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
















