প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ইব্রাহীমের (আ.) দীনে হানিফ ও...

ইব্রাহীমের (আ.) দীনে হানিফ ও মক্কার ধর্মব্যবসা

৪ জানুয়ারি ২০১৯ ১০:৫১ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোহাম্মদ আসাদ আলী

মক্কার কোরায়েশ বংশ ছিল পুরোহিত বংশ। তখন কাবা শরীফের ভিতরে ও বাইরে সব মিলিয়ে তিনশ’ ষাটটি মূর্তি ছিল যেগুলোর পূজা অর্চনা করার সময় কোরায়েশরা পুরোহিতের কাজ করতো। এই পুরোহিতরা পূজা ছাড়াও সমাজপতির দায়িত্ব পালন করত। রসুলাল্লাহর গোত্রীয় চাচা আমর ইবনুল হাশেম (যে আবু জাহেল হিসাবে পরবর্তীতে পরিচিত হয়) ছিল সে সময়ে আরবের মধ্যে একজন খ্যাতিমান বড় আলেম, পুরোহিত ও গোত্রপতি। সবাই তাকে আবুল হাকাম অর্থাৎ জ্ঞানীদের পিতা বলে ডাকত, যেমন আলেমরা নিজেদের নামের আগে লিখে থাকেন আল্লামা (মহাজ্ঞানী, Very high scholar)। কিন্তু যখন আল্লাহর রসুল মানবজাতির উদ্দেশ্যে তওহীদের ডাক দিলেন তখন এই আবুল হাকাম তার জ্ঞানের পরিচয় দিতে চরমভাবে ব্যর্থ হলো। সে হয়ে দাঁড়াল ইসলামের কট্টর শত্রু (arch-enemy) এবং কুফরের পতাকাবাহী। তার বিরোধিতামূলক কর্মকা- ও শত্রুতা এমন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছিল যে রসুলাল্লাহ তাকে “এই উম্মাহর ফেরাউন” বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। তিনি এও বলেছিলেন, ‘যে আবু জাহেলকে আবুল হাকাম বলে ডাকবে সে সাংঘাতিক ভুল করবে। তার উচিত হবে এই ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা’। কেবল আবু জাহেলই নয়, ইব্রাহিম (আ.) এর আনীত দীনে হানিফের বিকৃতরূপের ধ্বজাধারী মূর্তিপূজক পুরোহিত আলেম শ্রেণির সকলেই ছিল রসুলাল্লাহর ঘোর বিরোধী। রসুলাল্লাহ যাদের মধ্যে আসেন তারা নিজেদেরকে ইব্রাহীম (আ.) এর উম্মাহ বা অনুসারী বলে দাবি করত (সিরাত ইবনে ইসহাক)। তিনি যে দীনটি তাঁর জাতির মধ্যে প্রতিষ্ঠা করলেন তার নাম আল্লাহ দিয়েছেন দীনে হানিফ অর্থাৎ একাগ্রভাবে শুধু আল্লাহর আনুগত্য করার দীন। এর অনুসারী আরববাসী আল্লাহ বিশ্বাস করত, নামাজ পড়ত, রোজা রাখত, হজ্ব করত, কোরবানি দিত, আল্লাহর নামে কসম খেত, যে কোনো কাজ শুরু করত আল্লাহর নামে।
তথাপি তারা কাফের মোশরেক ছিল কারণ তারা তাদের জাতীয় সামষ্টিক জীবনে আল্লাহর হুকুম মানতো না, মানতো নিজেদের গোত্রপতি ও ধর্মনেতাদের হুকুম। তারা মূর্তিপূজা করত মূলত দুটো কারণে- আল্লাহর সান্নিধ্য এনে দেবে এবং তাদের নানাবিধ সমস্যার সমাধান করে দেবে, অর্থাৎ আজকে ঠিক যে দু’টো কারণে মানুষ বিভিন্ন পীরের দরবারে যায়। ইব্রাহীম (আ.) এর আনীত সেই দীনে হানিফ কী করে বিকৃত হলো, কী করে সেখানে ধর্মব্যবসার অনুপ্রবেশ ঘটল সেই ইতিহাস একটু বলে নেওয়া প্রয়োজন, কারণ ধর্মব্যবসায়ী আলেম আর প্রকৃত আলেমের পার্থক্যটি বোঝার ক্ষেত্রে এ বিষয়টি সহায়ক হবে। ইব্রাহীম (আ.) নমরুদ, হামান গংদের কায়েম করে রাখা অন্যায়-অবিচার ও জাহেলিয়াতপূর্ণ সমাজব্যবস্থাকে আল্লাহর সাহায্যে ধ্বংস করে দিয়ে আল্লাহর তওহীদের উপরে ভিত্তি করা নতুন এক সভ্যতা নির্মাণ করেন। তাঁর মাধ্যমেই আল্লাহ মুসলিম জাতির উন্মেষ ঘটান এবং তিনি নিজেও নিজেকে একজন মুসলিম বলেই সাক্ষ্য প্রদান করেন। তাঁকে ঘিরে আল্লাহর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ছিল বলে তাঁকে আজীবন বহু কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। অবশেষে আল্লাহ তাঁকে মুসলিম জাতির পিতা বলে আখ্যায়িত করেছেন (কোর’আন: সুরা হজ্ব ৭৮)। আল্লাহর অভিপ্রায় হচ্ছে এক দম্পতি থেকে উদ্ভূত হয়ে বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়া মানবজাতি যেন একটা সময়ে আবার আল্লাহর সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এক জাতিতে পরিণত হয়। এই মহাপরিকল্পনা পূরণের স্থপতি হলেন ইব্রাহীম (আ.)। তিনি সমগ্র মানবজাতির ঐক্যের সূত্ররূপে তাদের মিলিত হওয়ার জন্য পবিত্র কাবাগৃহকে পুনঃনির্মাণ করলেন।
ইব্রাহীম (আ.) এর প্রতিষ্ঠিত দীনের অধীনে শত শত বছর মানুষ শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বাস করেছে। তিনি জীবনভর ছুটে বেড়িয়েছেন মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে এক আল্লাহর হুকুমের ছায়াতলে সমবেত করতে। যিনি ছিলেন ঐক্যের প্রতীক সেই ইব্রাহীম (আ.) এর অনুসারীরা কয়েক শতাব্দী যেতে না যেতেই হাজারো গোত্রে উপগোত্রে ভাগ হয়ে গেল। তারা বহু অপসংস্কৃতি ধর্মের নামে চালু করে দিল আর আল্লাহর সান্নিধ্যলাভের উদ্দেশে সেই অপসংস্কৃতিগুলোর চর্চা হতে লাগল। উপসনাপদ্ধতি বিকৃত হয়ে গেল। তিনি তাঁর জাতির চরিত্র গঠনের প্রশিক্ষণস্বরূপ সালাহ (নামাজ) শিক্ষা দিয়েছিলেন। সেই সালাতকে হাততালি আর শিস বাজানোয় পর্যবসিত করল (কোর’আন: সুরা আনফাল ৩৫)। তিনি বায়তুল্লাহ শরীফে হজ্বের প্রবর্তন করেন। কিন্তু সেই হজ্বের নামে তাঁরই বংশধরেরা শুরু করল ধর্মব্যবসা। তারা উলঙ্গ হয়ে কাবা তাওয়াফের প্রবর্তন করল। ইব্রাহীম (আ.) কি জাতিকে এহেন অসভ্যতা শিক্ষা দিয়েছিলেন? অসম্ভব। তিনি নমরুদের মন্দিরে রক্ষিত মূর্তি ভেঙে প্রমাণ করেছিলেন যে, এই কাঠ পাথরের মূর্তির সামনে সর্বশ্রেষ্ঠ জীব আল্লাহর রূহধারী মানুষ প্রণত হতে পারে না, অথচ তাঁর বংশধর ও উম্মাহ দাবিদারেরা কাবা প্রাঙ্গণে ৩৬০টি মূর্তি স্থাপন করে সেগুলোর পূজা আরাধনা প্রচলন করেছিল। এই ৩৬০ টি মূর্তির মধ্যে ইব্রাহীম (আ.) এর মূর্তিও ছিল। একেক গোত্র একেক দেবদেবীকে তাদের গোত্রীয় উপাস্য বলে মানতো। আর এদের সবার কাছ থেকেই কাবার পুরোহিত মোতোয়াল্লি হিসাবে পাওনা-গ-া বুঝে নিত কোরায়েশ বংশীয়রা। এই ধর্মব্যবসাই ছিল তাদের প্রধান জীবিকা। কাবা প্রাঙ্গনে চলতো জুয়া আর লটারির মাধ্যমে ভাগ্য নির্ধারণের খেলা। পুরোহিতরা যা বলত তাই দীনে হানিফ অর্থাৎ ইব্রাহীমের (আ.) ধর্মমত হিসাবে মানুষ স্বীকার ও বিশ্বাস করে নিত। অল্প কিছু মানুষ কেবল বুঝত এগুলো ইব্রাহীমের (আ.) দীনের প্রথা নয়, কিন্তু সমাজকে ইব্রাহীমের (আ.) সঠিক দীনের উপর ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কোনো উপায় বা পথ তাদের জানা ছিল না। সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর অন্ধত্ব আর ধর্মব্যবসায়ীদের প্রভাবের সামনে তারা ছিল নিরুপায়। এভাবে তাদের কাছে ধর্ম একটি বিরাট লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল।
কিন্তু আল্লাহর শেষ রসুল এসে যখন তাদের এই ধর্মের নামে চালু করে দেওয়া অধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলতে শুরু করলেন, তখন যেন তা ঐ সমাজের কায়েমী স্বার্থের মূলে কুঠারাঘাত করল। তিনি একটা কথাই বলেছিলেন, তোমাদের কারো কর্তৃত্ব আর চলবে না, শুধু আল্লাহর হুকুম চলবে। কলেমা, তওহীদের এই মর্মবাণী বুঝতে পেরে গোত্রপতি ও ধর্মব্যবসায়ীদের মাথা খারাপ হয়ে গেল। তারা বহুবিধ অপপ্রচার, প্রোপাগান্ডা চালিয়ে রসুলের বিরুদ্ধে জনগণকে উস্কে দিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কাজ হয় নি, যদিও রসুলকেও ইব্রাহীমের (আ.) মতোই বহু পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। রসুলাল্লাহ আরবের গোত্রপ্রথা ভেঙে এক আল্লাহর তওহীদের ভিত্তিতে আবার জাতিগঠন করতে শুরু করলেন। তিনি কাবাকেন্দ্রিক ধর্মব্যবসাকে দীনে হানিফ মোতাবেক অবৈধ বলে ঘোষণা করলেন। তারাই সম্মিলিতভাবে তাঁকে ও তাঁর সাহাবীদেরকে নির্মম নির্যাতন করে সত্যকে ধরাপৃষ্ঠ থেকে বিদূরিত করে দিতে সর্বোচ্চ শক্তি নিয়োগ করল। এভাবে আরবের ঐ সময়ের মানুষগুলো স্পষ্টত দুটো ভাগে বিভক্ত হয়ে গেল। একদল আল্লাহর তওহীদ গ্রহণ করল। তারা হলো মো’মেন। অপর দল তওহীদ প্রত্যাখ্যান করে পূর্বের জাহেলিয়াতকেই ধারণ করে হলো কাফের। যারা মো’মেন হলেন তারা প্রকৃত ইসলামের জ্ঞান লাভ করলেন এবং প্রকৃত ইসলামকে মানবজীবনে কার্যকর করার জন্য নিজেদের জীবন সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় কোরবানি করলেন আল্লাহর দৃষ্টিতে তারাই হলেন সত্যনিষ্ঠ আলেম বা হক্কানি আলেম। কিন্তু সেই জাহেলি সমাজের চোখে জ্ঞানী বলে পরিচিত ব্যক্তিরা যারা তওহীদ গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল এবং তাদের বিকৃত দীনকে আঁকড়ে ধরে রেখে তা দিয়ে স্বার্থসিদ্ধি করে চলছিল তাদেরকে আমরা বলতে পারি ধর্মব্যবসায়ী আলেম। আবু জাহেল হলো এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ যার কথা আগেই উল্লেখ করা হয়েছে।
এ কথা আমাদের নয়, স্বয়ং আল্লাহর কথা। তিনি বলেন, আল্ল­াহ সাক্ষ্য দেন এবং মালায়েকগণ ও জ্ঞানী (আলেম) ব্যক্তিগণও সাক্ষ্য দেয় যে, তিনি ব্যতীত অন্য কোন হুকুমদাতা (ইলাহ) নেই (কোর’আন: সুরা ইমরান ১৮)। আল্লাহর এই কথা থেকেই পরিষ্কার হয়ে গেল যে, যারা আল্লাহর তওহীদের সাক্ষ্য দেয় তারা আলেম। কিন্তু যারা তওহীদের সাক্ষ্য দেবে না, তারা যত আরবি ভাষাই জানুক, ইসলামের এ মাথা থেকে ওই মাথা পর্যন্ত জানুক তারা আল্লাহর কথা মোতাবেক আলেম নয়। এর বাস্তব উদাহরণ পাশ্চাত্যের সেই খ্রিষ্টান প্রাচ্যবিদ বা ওরিয়েন্টালিস্টগণ যারা ইসলামের উপরে হাজার হাজার বই লিখেছেন, কোর’আন ও হাদিসের অগাধ পা-িত্য অর্জন করেছেন, আরবি ও ফারসি ভাষায় লিখিত প্রাচীন কেতাবগুলোকে তারাই প্রথমে ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন। সেই ইংরেজি থেকে তাদের অধীন দাসজাতিগুলোকে তারা যার যার মাতৃভাষায় তাদের মনমত ‘ইসলাম’ শিক্ষা দিয়েছে। এর জন্য তারা ভারতবর্ষে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে তার সর্বোচ্চ পদ অর্থাৎ প্রিন্সিপাল পদটি অধিকার করেছিল প্রায় আশি বছর। আরবি ভাষা জানা, ইসলামের ইতিহাস, মাসলা-মাসায়েল জানাই যদি আলেমের সংজ্ঞা হয় তাহলে তাদের চেয়ে বড় আলেম মুসলমানদের মধ্যে কয়জন আছে সন্দেহ। কিন্তু তাদেরকে তো আলেম বলে কেউই স্বীকৃতি দেবে না, স্বভাবতই, কারণ তারা আল্লাহ ও রসুলের প্রতি ঈমান আনে নি। তাদের এলেম হাসিলের উদ্দেশ্য ছিল অন্য।
যাহোক, যে কথা বলছিলাম, রসুলাল্লাহর আহ্বানে সমাজের যে নিরক্ষর, সাধারণ শ্রেণির মানুষগুলো যাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন ক্রীতদাস, কুলি-মজুর, চাষী, বেদুইন, মেষ আর উটের রাখাল। তারা যখন ইসলাম গ্রহণ করলেন এবং স্বয়ং আল্লাহর রসুলের কাছ থেকে ইসলামের আকিদা শিক্ষা করলেন, তারা হয়ে দাঁড়ালেন একেকজন নক্ষত্রসদৃশ অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব [হাদিস: ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বায়হাকী], তারাই হলেন সত্যিকারের আলেম। ইসলাম সম্পর্কে তাদের থেকে কি কারও পক্ষে বেশি জানা সম্ভব? নিশ্চয় নয়। তাদের কাছ থেকেই পরবর্তী যুগের মানুষ ইসলাম শিক্ষা করেছেন। প্রায় নিরক্ষর সেই সাহাবীদের পবিত্র জীবনী পড়েই আজকে বহু মানুষ আল্লামা, মুফতি, মুফাসসির, মুহাদ্দিস, শায়েখ, বুজুর্গানে দীন হচ্ছেন, নামের আগে রেলগাড়ির মতো দীর্ঘ টাইটেল ব্যবহার করছেন কিন্তু সেই সাহাবীরা কেউই নামের আগে আলেম, আল্লামা, মাওলানা, মুফতি জাতীয় খেতাব ব্যবহার করেন নি। যে ব্যক্তি নিজেই নিজেকে ‘আলেম বা জ্ঞানী’ বলে পরিচয় দেয় তার চেয়ে মূর্খ, অজ্ঞ, নির্বোধ বোধহয় আর কেউ হতে পারে না।

[লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট; ফেসবুক: ফোন: ০১৬৭০১৭৪৬৫১, ০১৬৭০১৭৪৬৪৩]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

চকবাজারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিএনপি ও যুবদল নেতৃবৃন্দ

চকবাজারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিএনপি ও যুবদল নেতৃবৃন্দ
শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে ঢাকার চকবাজারে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা। এ সময় তারা পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

চকবাজারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিএনপি ও যুবদল নেতৃবৃন্দ

চকবাজারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিএনপি ও যুবদল নেতৃবৃন্দ
শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে ঢাকার চকবাজারে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা। এ সময় তারা পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

এনসিপি চোরদের আশ্রয়স্থল, জামায়াত আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন কেন্দ্র: রাশেদ খাঁন!

এনসিপি চোরদের আশ্রয়স্থল, জামায়াত আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন কেন্দ্র: রাশেদ খাঁন!
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের আশ্রয় দেওয়া এবং আওয়ামী লীগের সাবেক নেতাকর্মীদের পুনর্বাসনের অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে সোচ্চার থাকতে তরুণদের আহ্বান রাষ্ট্রপতির!

সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে সোচ্চার থাকতে তরুণদের আহ্বান রাষ্ট্রপতির!
সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে তরুণ প্রজন্মকে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গুজব, অপপ্রচার ও ধর্মীয় উগ্রতার মাধ্যমে বিভেদ…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

মেহেদির রং মুছতে না মুছতেই নববধূর মৃত্যু, আটক স্বামী-শাশুড়ি!

মেহেদির রং মুছতে না মুছতেই নববধূর মৃত্যু, আটক স্বামী-শাশুড়ি!
বিয়ের মাত্র ছয় দিনের মাথায় শ্বশুরবাড়িতে মৃত্যু হয়েছে নববধূ লিমা আক্তারের (২০)। বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোররাতে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়নের পাইখাতলা গ্রামে এ ঘটনা…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

সাভারে ৪৭ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

সাভারে ৪৭ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি:ঢাকা জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। গত মঙ্গলবার (২০…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

কালাইয়ে ১৪৬ দুস্থ মানুষের মাঝে আর্থিক সহায়তা বিতরণ

কালাইয়ে ১৪৬ দুস্থ মানুষের মাঝে আর্থিক সহায়তা বিতরণ
জয়পুরহাটের কালাইয়ে দরিদ্র, অসহায় ও নিম্ন আয়ের ১৪৬ জন মানুষের মাঝে বিশেষ বরাদ্দের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে কালাই…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী

নালিতাবাড়ীতে বিয়ের ৬ দিনেই গৃহবধূ হত্যার অভিযোগ, স্বামী-শাশুড়ি আটক

নালিতাবাড়ীতে বিয়ের ৬ দিনেই গৃহবধূ হত্যার অভিযোগ, স্বামী-শাশুড়ি আটক
এখনো হাতের মেহেদীর রং মুছেনি। বিয়ে হয়েছে মাত্র ৬ দিন। এরই মধ্যে শ্বশুর বাড়ি থেকে পাঠানো তৈজসপত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম পছন্দ না হওয়ায় শারিরিক নির্যাতন…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

শ্রীপুরে জমি লিখে না দেওয়ায় ১৩৫ বছরের বাবাকে হাসপাতালে নিতে বাধা!

শ্রীপুরে জমি লিখে না দেওয়ায় ১৩৫ বছরের বাবাকে হাসপাতালে নিতে বাধা!
গাজীপুরের শ্রীপুরে জমি নিজের নামে লিখে না দেওয়ায় ১৩৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ বাবাকে হাসপাতালে নিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছোট ছেলে আব্দুল কাদিরের বিরুদ্ধে। তার…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ছেড়ে গানের অনুষ্ঠানে, পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত এএসআই!

পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ছেড়ে গানের অনুষ্ঠানে, পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত এএসআই!
পূজামণ্ডপে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় পুলিশের পোশাক পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশনের ঘটনায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    সারাদেশ

জামায়াত মানুষকে যে পথ দেখাতে চায়, সেটা দাজ্জালের জান্নাত: রাশেদ খাঁন

জামায়াত মানুষকে যে পথ দেখাতে চায়, সেটা দাজ্জালের জান্নাত: রাশেদ খাঁন
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ‘জান্নাতে যাওয়ার পথ দেখিয়ে দেওয়া’ সংক্রান্ত বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি অভিযোগ করেছেন, মিথ্যা ও…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

রিল বানাতে ব্যস্ত দম্পতি, সাগরের ঢেউয়ে বিপদে শিশু!

রিল বানাতে ব্যস্ত দম্পতি, সাগরের ঢেউয়ে বিপদে শিশু!
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিল তৈরিতে ব্যস্ত এক দম্পতির পাশে সমুদ্রের ঢেউয়ে পড়ে বিপদে পড়ে একটি শিশু। শিশুটি পানিতে ছটফট করলেও দম্পতি ভিডিও ধারণে ব্যস্ত ছিলেন বলে…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

সুন্দরবন, মোংলা বন্দর ও এলএনজি টার্মিনাল, বৃহস্পতিবার খুলনা সফরে প্রধানমন্ত্রী!

সুন্দরবন, মোংলা বন্দর ও এলএনজি টার্মিনাল, বৃহস্পতিবার খুলনা সফরে প্রধানমন্ত্রী!
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, মোংলা বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং প্রস্তাবিত এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের সম্ভাব্যতা পর্যালোচনায় বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) খুলনা ও মোংলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার স্ট্যান্ড রিলিজ, নেপথ্যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রটোকল ভঙ্গের অভিযোগ!

রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার স্ট্যান্ড রিলিজ, নেপথ্যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রটোকল ভঙ্গের অভিযোগ!
রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলীকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ও শিষ্টাচার ভঙ্গের চেষ্টার অভিযোগ…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী

অস্ট্রেলিয়ার নারী এমপির এক পা কাটার পর বিচ্ছিন্ন করতে হলো অন্যটিও!

অস্ট্রেলিয়ার নারী এমপির এক পা কাটার পর বিচ্ছিন্ন করতে হলো অন্যটিও!
অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল পার্লামেন্টের স্বতন্ত্র সদস্য হেলেন হেইন্সকে গাড়িচাপা দিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় তাঁর দুই পা-ই বিচ্ছিন্ন করতে হয়েছে। হামলার পর প্রথমে একটি পা কেটে…
 ২১ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক