গত কয়েক দিন ধরে অসহনীয় ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া তাপপ্রবাহের কারণে বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষের দুর্ভোগ অনেক বেড়েছিল। ঘরে বা বাইরে কোথাও স্বস্তির পরিবেশ ছিল না।
গ্রীষ্মের তীব্র রোদ আর ভ্যাপসা গরমে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছিল। নগরীর রাস্তায় কাজ করা শ্রমজীবী মানুষের কষ্ট ছিল সবচেয়ে বেশি। বাতাসে আর্দ্রতা বেশি হওয়ার কারণে গরমের ধরণ ছিল অত্যন্ত অস্বস্তিকর। কাজের প্রয়োজনে তীব্র রোদ উপেক্ষা করে যারা বাইরে বের হয়েছিলেন, তারা দ্রুতই হাঁফিয়ে উঠছিলেন। রাজধানীতে মাঝে মাঝে মেঘের দেখা মিললেও তাতে গরম কমেনি।
আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানিয়েছিলেন, শনিবার রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৪.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এমন গরম আরও কয়েক দিন থাকতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেছিলেন। আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছিল, দেশের উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও ঢাকা ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে বৃষ্টির জন্য আরও দুই থেকে তিন দিন অপেক্ষা করতে হবে।
ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!

তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে চিকিৎসকরা সাধারণ মানুষকে বেশি করে পানি পান এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। আবহাওয়া ও পরিস্থিতির এই ধরণ পরিবর্তনের অপেক্ষায় এখন সাধারণ মানুষ। মূলত বৃষ্টির মাধ্যমেই এই অসহনীয় পরিবেশ থেকে মুক্তি মিলবে বলে আশা করা হয়েছিল।

















