প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   কীভাবে ইসলাম যাবে স্বর্ণশিখরে!

কীভাবে ইসলাম যাবে স্বর্ণশিখরে!

২৮ এপ্রিল ২০২৩ ০৩:০৪ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

ইরানে অবস্থিত নাসির উল মুলক মসজিদের সম্মুখভাগ। এক সময় মুসলিম জগৎজুড়ে এমন অগণিত স্থাপত্যকলার নিদর্শন স্থাপন করেছিলেন মুসলিম স্থপতিগণ। কিন্তু বর্তমানে গোটা মুসলিম জাতি অন্যান্য জাতির কাছে পরাজিত দাসে পরিণত হয়েছে। হারিয়ে গেছে তাদের সকল সৃজনশীলতা ও সামর্থ্য।

 

ইরানের সিরাজ শহরে অবস্থিত মুসলিম স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন নাসির উল মুলক মসজিদের অভ্যন্তরভাগে বিচরণ করছেন দর্শনার্থীগণ।

আরও পড়ুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

রসুলাল্লাহর যে সাহাবীগণ ও সমসাময়িক মুসলিমগণ রসুলাল্লাহর আনীত ইসলামের দীক্ষায় দীক্ষিত হয়ে অর্ধ-বিশ্বজয়ী জাতিতে পরিণত হয়েছিলেন তারা উচ্চশিক্ষিত হওয়া দূরে থাক নাগরিক জীবন সম্পর্কেও কোনো জ্ঞান রাখতেন না। দুনিয়া সম্পর্কে আরবদের অজ্ঞতা সত্ত্বেও আজ সমগ্র দুনিয়াবাসী তাঁদের ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞাত এর পেছনে কী রহস্য তা চিন্তা করা আমাদের অত্যবশ্যক। কেননা আমরাও চাই ইসলামকে আবার মানবসভ্যতার স্বর্ণশিখরে নিয়ে যেতে।

উম্মতে মোহাম্মদী যখন জয়ের পর জয়ের মাধ্যমে পারস্য ও রোম সাম্রাজ্যের অধিকারী হলো এবং তাদের নাগরিকদেরকে নিজেদের শাসনাধীন করে নিল তখনও তাদের মধ্যে নগর সংস্কৃতির কোনো বোধ জন্মায়নি। বর্ণিত আছে যে, তাদের সম্মুখে মিহি রুটি উপস্থিত করা হলে তারা তাকে নেকড়া বলে ভেবেছিল এবং পারস্যের সাসানি সাম্রাজ্যের বাদশাহ খসরুর রাজভাণ্ডারে কর্পুর (ন্যাপথলিনের মতো একটি রাসায়ানিক পদার্থ যার বহু উপকারী ব্যবহার রয়েছে) পেয়ে তারা তাকে লবণ হিসাবে রুটির মধ্যে ব্যবহার করেছিল যা ছিল পারস্যবাসীদের জন্য কৌতূকপ্রদ। এ প্রকার বহু উদাহরণ বিদ্যমান।

রসুলাল্লাহ যখন বিদায় নেন তখন শিশু নারী বৃদ্ধ মিলিয়ে ঐ জাতির মোট জনসংখা ছিল পাঁচ লক্ষ। ঐতিহাসিকদের মতে এর মধ্যে বড়জোর চল্লিশ জন মানুষ ছিলেন শিক্ষিত অর্থাৎ মোটামুটি লেখাপড়া জানতেন। এক হাজারের উপরে যে সংখ্যা আছে সেটাও অনেকে জানতেন না। কিন্তু তারাই সমগ্র বিশ্বের বুকে একটি প্রচণ্ড শক্তিশালী এটম বোমার মতো ভেঙে পড়েছিল। তাদের প্রচণ্ড সামরিক শক্তির সামনে কেউ দাঁড়াতে পারেনি। কিন্তু তাদের সেই বিজয়ের ধারাকে তারা অব্যাহত রাখতে পারেন নি। কারণ আল্লাহর রসুল (সা.) তাদের সামনে যে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য স্থির করে দিয়ে গিয়েছিলেন তারা ইবলিসের প্ররোচনায় পড়ে সেই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে হারিয়ে ফেলেছিল। তাদের নেতারা অচিরেই ঐ সকল বিজিত সভ্যতার নগর সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছিল এবং ভোগবিলাসকে আঁকড়ে ধরেছিল। তারা নিজেদেরকে রোমান সিজার ও পারসি খসরুদের মতো ভাবতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছিল এবং চলনে বলনে তাদেরই অনুসরণ করতে আরম্ভ করেছিল। জাতির মধ্যে জন্ম নিয়েছিল আলেম শ্রেণি যারা দীনের খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে গবেষণা আরম্ভ করে দিয়েছিল। তারা মাসলা মাসায়েল নিয়ে মতবিরোধে লিপ্ত হয়েছিল।

তাদের কাজের ফলে জাতি জেহাদ ছেড়ে দিয়ে বুজুর্গ হওয়াকেই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেছিল। তাদের উত্তরসূরীদের কাছে জেহাদ অত্যন্ত কষ্টকর ও অপছন্দনীয় কাজ বলে প্রতিভাত হতো। এর চেয়ে ঢের সহজ কাজ ছিল খানকায়, দরগায় বসে আত্মার উৎকর্ষ লাভের রেয়াজত করা। তারা ভুলে গিয়েছিল যে রসুলাল্লাহর হাতে গড়া উম্মতে মোহাম্মদী যদি জেহাদ করে সংগ্রাম করে, রক্ত ও জীবন দিয়ে দীন প্রতিষ্ঠা না করতেন তাহলে তাদের এই আয়েশী জীবন লাভ হতো না। সুতরাং ওটাই ছিল তাদের মুখ্য কর্তব্য।

আজ এই চৌদ্দশ বছর পরে জাতি পরাধীনতার শিকল পরে, পাশ্চাত্যের দাসানুদাস হয়ে সেই জেহাদ ছেড়ে দেওয়ার প্রতিফল ভোগ করে চলেছে। কিন্তু সেই বোধ এখনও তাদের মধ্যে জাগ্রত হয়নি যে তারা আল্লাহর দেওয়া জীবনব্যবস্থা হারিয়ে ফেলেছে, তাদের জীবন চলছে আল্লাহর হুকুমের বিপরীত হুকুম দিয়ে। এখনও তারা কোর’আন দেখে, হাদিস দেখে নামাজ রোজা করে চলেছে, খানকায় বসে জিকির করছে, মাদ্রাসায় বসে মাসলা শিখছে কিন্তু মো’মেনের খাতা থেকে আল্লাহ তাদের নাম বাতিল করে দিয়েছেন বহু শতাব্দী আগেই সে বোধ এখনও তাদের আসে নি। একটি মো’মেন জাতি কী করে গায়রুল্লাহর হুকুমে জীবন কাটাতে পারে, কী করে তারা সুদের অর্থনীতি, পাশ্চাত্যের দণ্ডবিধি সব মেনে, কোর’আনের হুকুমগুলোকে বাদ দিয়ে মুসলিম দাবি করতে পারে?

জাতির এই নির্বুদ্ধিতা ও মূর্খতার পেছনে দায়ী কারা? দায়ী সেই শ্রেণিটি যারা এদেরকে বিজাতির দাস হওয়ার পরও মুসলিম বলেই সার্টিফিকেট বা স্বীকৃতি দিয়ে যাচ্ছে, কুফর ও শেরক করার পরও এই সবক দিয়ে যাচ্ছে যে তোমরা জন্মগতভাবেই মুসলিম। সুতরাং এখন নামাজ পড়ো, রোজা রাখো আর আলেম ওলামাদেরকে নবীর ওয়ারিস মনে করে তাজিম করো, তাহলেই জান্নাত সুনিশ্চিত। এই মিথ্যা আশ্বাস জাতিকে তাদের কুফরী ও শেরকে নিমজ্জিত অবস্থা থেকে মুক্ত হওয়ার পথে প্রধান অন্তরায়। এ কারণেই আল্লাহর রসুল এসে প্রথমেই তাঁর সম্প্রদায়কে তাদের শেরক ও কুফর সম্পর্কে অবগত করেছিলেন এবং সেখান থেকে মুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

আজকে হেযবুত তওহীদ ঠিক সেই কাজটিই করছে। অর্থাৎ শেরক কুফরে নিমজ্জিত মুসলিমসহ সমগ্র মানবজাতিকে আল্লাহর সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দানের জন্য এবং আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠার জন্য আহ্বান করছে। কেননা বর্তমানে মানবজাতি আল্লাহর সার্বভৌমত্বকে স্বেচ্ছায় সজ্ঞানে ছুঁড়ে ফেলে দাজ্জালের সার্বভৌমত্বকে কবুল করে নিয়েছে। দাজ্জাল অর্থ পাশ্চাত্যে বিকশিত ধর্মহীন বস্তুবাদী প্রযুক্তিনির্ভর সভ্যতা যা ইহুদি-খ্রিষ্টান ‘সভ্যতা’ নামে অভিহিত। তাদের উন্নতি, প্রগতি, শিল্প, কলা, জ্ঞান, দর্শন, ইতিহাস, সংস্কৃতি, চিন্তাপদ্ধতি, জীবনপদ্ধতি সবকিছুকেই শ্রেষ্ঠ বলে বিশ্বাস করা হচ্ছে, শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে সেটাই শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। পক্ষান্তরে ধর্মকে অসার, কুসংস্কার, পশ্চাৎপদ চিন্তা, মিথ্যা, প্রাচীনকালের উপকথা ইত্যাদি ধারণা মানুষের মনে-মগজে গেড়ে দেওয়া হচ্ছে। ফলে সকল মানবরচিত ব্যবস্থার ব্যর্থতার পরও মানুষ নতুন ও বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে ধর্মকে বিবেচনায় নিচ্ছে না। এখানেই প্রচলিত ধর্মের সবচেয়ে বড় পরাজয়, এখানেই ধর্মের কবর রচিত হয়ে গেছে।

এর জন্য প্রধানত দায়ী হচ্ছে মানুষের সংকটে ধর্ম কোনো বাস্তব সমাধান পেশ করতেই পারে নি, বরং নিজেই সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানুষ তো প্রচলিত ধর্মকেই ধর্ম বলে দেখতে পাচ্ছে, কেউ এর মধ্যে কোনোরূপ বিসদৃশ কিছু দেখতে পেলেও তার সমাধানও খুঁজতে চাইলে প্রচলিত ধর্মের ধর্মগুরুদের কাছেই খুঁজছে। ধর্ম যে তাদের জীবিকা সেটা তারা ভেবে দেখছে না। কিন্তু দীর্ঘ কাল পরিক্রমায় ধর্মগুলো সবই তার মৌলিক রূপ হারিয়ে অপব্যাখ্যার কবলে পড়ে বিকৃত হতে হতে বিপরীতমুখী হয়ে গেছে। এখন সেগুলো আর সমাজের কল্যাণে কোনো ভূমিকা রাখার উপযোগী নেই। বড় বড় ধর্মনেতারাও তাই নির্বাচনে দাঁড়ালে দুই শতাংশও ভোট পান না। বিকৃত ধর্মগুলো পরকালের জন্য আশার আলো দেখাচ্ছে কারণ মানুষ পরকাল দেখতে পায় না। তারা দুর্ভোগ পোহাচ্ছে ইহকালে আর সেখানে ধর্মের নেতারাই ঘোর অন্ধকারে নিমজ্জিত। তারাই অপরের মুখাপেক্ষী হয়ে জীবন অতিবাহিত করছে। মানুষকে আশার আলো দেখাবে এমন কোনো শিক্ষাও তাদের কাছে নেই। তারা জানেন মসজিদে ঢুকতে হলে কী দোয়া পড়তে হবে, তারা জানেন আরবি বর্ণ কীভাবে পড়তে হবে। মানুষের বাস্তব সংকটের হিসাব নিতে গেলে লক্ষ লক্ষ সংকট ঝাঁক বেঁধে আসে। সেগুলোর কোনো নিদান এদের কাছে নেই। তাহলে মানুষ বাধ্য হয়েই আল্লাহর সার্বভৌমত্ব বাদ দিয়ে মানুষের সার্বভৌমত্ব, পাশ্চাত্য ইহুদি খ্রিষ্টান সভ্যতা দাজ্জালের সার্বভৌমত্ব মেনে নেবে- এটাই স্বাভাবিক। গত পাঁচশত বছরে এটাই হয়েছে। এখনও তা-ই চলছে। মুসলিমরা একে নিয়তি মেনে নিয়ে অলস বসে আছে ইমাম মাহদির (আ.) জন্য।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

শিশু রামিসাকে নৃশংস হত্যার ঘটনায় বেরিয়ে এলো নতুন তথ্য

শিশু রামিসাকে নৃশংস হত্যার ঘটনায় বেরিয়ে এলো নতুন তথ্য
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল। এই নৃশংস অপরাধে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানার সঙ্গে আরও একজন জড়িত ছিলেন বলে…
 ২০ মে ২০২৬    জাতীয়

১৯ দিনে এলো ২৪৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

১৯ দিনে এলো ২৪৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
চলতি বছরের মে মাসের প্রথম ১৯ দিনে দেশে ২৪৮ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৩০…
 ২০ মে ২০২৬    অর্থনীতি

গাইবান্ধা শহরে সন্ধ্যার পর বাড়ছে অপরাধ, আতঙ্কে সাধারণ পথচারীরা

গাইবান্ধা শহরে সন্ধ্যার পর বাড়ছে অপরাধ, আতঙ্কে সাধারণ পথচারীরা
গাইবান্ধা শহরের বিভিন্ন এলাকায় সন্ধ্যার পর প্রকাশ্যে মদপান, ছিনতাই ও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শহরের প্রধান…
 ২০ মে ২০২৬    রংপুর

সালথায় মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে তিন যুগের পুরোনো সেতু

সালথায় মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে তিন যুগের পুরোনো সেতু
ফরিদপুরের সালথায় প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে একটি ভাঙাচোরা সেতুর ওপর দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছিল। উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কাগদী বাজার সংলগ্ন…
 ২০ মে ২০২৬    ঢাকা

টিকা সংকট নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে ১৫ বার সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ

টিকা সংকট নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে ১৫ বার সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ
দেশে সম্ভাব্য টিকা সংকট নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে অন্তত পাঁচটি চিঠি দিয়ে সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ। এছাড়া ১০টি পৃথক বৈঠকেও সরকারের কর্মকর্তাদের এই বিষয়ে সচেতন…
 ২০ মে ২০২৬    আন্তর্জাতিক

গাজীপুরে অনলাইন ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে এক ব্যক্তি গ্রেফতার

গাজীপুরে অনলাইন ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে এক ব্যক্তি গ্রেফতার
গাজীপুর সংবাদদাতা: গাজীপুরে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অনলাইন ক্যাসিনো জুয়া পরিচালনার অভিযোগে শাহিদুজ্জামান নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার রাতে মহানগরীর পশ্চিম…
 ১৯ মে ২০২৬    রাজধানী

চৌদ্দগ্রামে ফার্নিচারের দোকানে মিলল ১৪৮ কেজি গাঁজা, বিজিবির অভিযান

চৌদ্দগ্রামে ফার্নিচারের দোকানে মিলল ১৪৮ কেজি গাঁজা, বিজিবির অভিযান
কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গাঁজা জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সোমবার সকালে উপজেলার সপুয়া বাজার এলাকা থেকে এই মাদক…
 ১৯ মে ২০২৬    চট্টগ্রাম

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিকে পুড়িয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেফতার

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিকে পুড়িয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেফতার
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে তৃতীয় লিঙ্গের এনামুল হক শিশিরকে (২৯) পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি জহির ইসলামকে গ্রেফতার…
 ১৯ মে ২০২৬    চট্টগ্রাম

গাজীপুরে হেযবুত তওহীদ সদস্যের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

গাজীপুরে হেযবুত তওহীদ সদস্যের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
গাজীপুর সংবাদদাতা: গাজীপুরের শ্রীপুরে হেযবুত তওহীদের এক সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে সংগঠনটির গাজীপুর জেলা শাখা। মঙ্গলবার (১২…
 ১২ মে ২০২৬    জাতীয়
পারমাণবিক উত্তেজনা কমাতে মস্কোর বিশেষ উদ্যোগ

ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় রাখার প্রস্তাব দিলেন পুতিন

ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় রাখার প্রস্তাব দিলেন পুতিন
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত রাশিয়ায় নিয়ে গিয়ে সংরক্ষণের প্রস্তাব দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শনিবার মস্কোতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা…
 ১০ মে ২০২৬    আন্তর্জাতিক

চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বৈধ নথিবিহীন চীনা নাগরিকদের ফেরত নিতে গড়িমসি করায় চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের এক…
 ৫ মে ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কলাবাগান থানার এসআই নিখোঁজের ৮ দিন, শ্রীপুরের বাড়িতে পরিবারের আহাজারি

কলাবাগান থানার এসআই নিখোঁজের ৮ দিন, শ্রীপুরের বাড়িতে পরিবারের আহাজারি
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:রাজধানীর কলাবাগান থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) রাকিবুল হাসান সরকার শুভ (৩২) নিখোঁজ হওয়ার ৮ দিন পার হলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।…
 ৪ মে ২০২৬    ঢাকা

শ্রীপুরে সরকারি জায়গায় নির্মিত বিএনপির সব কার্যালয় উচ্ছেদের নির্দেশ

শ্রীপুরে সরকারি জায়গায় নির্মিত বিএনপির সব কার্যালয় উচ্ছেদের নির্দেশ
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের শ্রীপুরে মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জমি দখল করে তৈরি করা বিএনপির সব অস্থায়ী কার্যালয় এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ…
 ৩ মে ২০২৬    ঢাকা

শ্রীপুরে স্কুলের অফিস কক্ষে চুরি

শ্রীপুরে স্কুলের  অফিস কক্ষে চুরি
গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রাথমিক  বিদ্যালয়ে অফিস কক্ষে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার  (১মে) রাতে  উপজেলার  তেলিহাটি ইউনিয়নের…
 ২ মে ২০২৬    ঢাকা

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ