প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   সাধারণ ও মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার গোড়ায়...

সাধারণ ও মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার গোড়ায় গলদ

৩ জুন ২০২৪ ০১:৩৯ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

আমাদের সমাজের উচ্চশিক্ষিত শ্রেণি থেকে যখন বিরাট বিরাট দুর্নীতি ও অর্থপাচারের ঘটনা ঘটে তখন সমস্বরে সবাই বলে থাকেন, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় গলদ আছে, ভূত আছে। কোথায় সেই গলদ, সেটার ব্যাখ্যা একেকজন একেকভাবে দিচ্ছেন। সার্বিক পরিস্থিতি এটাই বলছে যে, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় মানুষ জ্ঞান-বিজ্ঞান, ব্যবহারিক জীবনে যা লাগে তা শিখছে কিন্তু তা দিন দিন মানুষ হিসাবে তাকে নিচের দিকে টেনে নামাচ্ছে। সে ডাক্তার হচ্ছে কিন্তু তার মধ্যে মানবতাবোধ জাগ্রত হচ্ছে না। অপরদিকে যারা মাদ্রাসায় লেখাপড়া করছে তারাও সমাজে ইসলাম প্রতিষ্ঠার চিন্তা ভুলে গিয়ে ধর্ম বিক্রি করে নানা উপায়ে অর্থ উপার্জনকেই জীবনের লক্ষ্য বানিয়ে নিয়েছেন। এক কথায় এই শিক্ষা মানুষকে বস্তুগত উন্নতির দিকে ধাবিত করছে, নৈতিকভাবে তাকে উন্নত মানুষে পরিণত করছে না। এই গলদটি কোথায় তা চিহ্নিত করতে হলে শিক্ষাব্যবস্থা দুটো কী লক্ষ্য নিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছিল সেটা বিবেচনায় নিতে হবে।

ভারতবর্ষে বহু শতাব্দি ধরে মুসলিমরা শাসন পরিচালনা করে আসছিল যদিও সেটা খাঁটি ইসলামের রূপ বলা যাবে না। তবু ন্যায়বিচার, শান্তি, সুবিচার মোটামুটি ছিল। তখন হিন্দু-মুসলিম কোনো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ঘটনা ঘটত না, কিছু রাজনৈতিক লড়াই ছিল। কিন্তু ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদীরা বণিকের বেশে ভারতে প্রবেশ করে এবং ক্রমে তারা ছলে বলে কৌশলে এদেশের শাসন ক্ষমতা ছিনিয়ে নেয়।

আমাদেরকে পদানত করার পর চিরকালের জন্য গোলাম বানিয়ে রাখতে ব্রিটিশরা একটি চক্রান্ত করল। তারা দুই ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা চালু করল- একটি সাধারণ ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষা, আরেকটি মাদ্রাসা শিক্ষা। এই দুটো শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে চিন্তা-চেতনায় মৌলিক ব্যবধান ও বৈপরীত্য রয়েছে। এখানেই তারা আমাদের জাতিটিকে মানসিকভাবে ও বাস্তবে বিভক্ত করে দিয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষার উদ্দেশ্য কী ছিল তা আলিয়া মাদ্রাসার প্রাক্তন অধ্যক্ষ ইয়াকুব শরীফ “আলিয়া মাদ্রাসার ইতিহাস” বইয়ের ভূমিকায় লিখেছেন, “মুসলমানরা ছিল বীরের জাতি, ইংরেজ বেনিয়ারা ছলে-বলে-কৌশলে তাদের কাছ থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে তাদের প্রচলিত ধর্ম, শিক্ষা ও মর্যাদা হরণ করার জন্য পদে পদে যেসব ষড়যন্ত্র আরোপ করেছিল, আলিয়া মাদ্রাসা তারই একটি ফসল। বাহ্যত এই প্রতিষ্ঠানের পত্তন করা হয়েছিল আলাদা জাতি হিসাবে মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণের নিমিত্ত, যাতে মুসলমানদের ধর্ম, কৃষ্টি ও আদর্শ রক্ষা পায়। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মুসলমানদের ধোঁকা দেওয়াই ছিল তাদের আসল উদ্দেশ্য।” এই যে ধোঁকাটা দিল, কী সে ধোঁকা? মারটা কোন জায়গায় দিল সেটা বুঝতে হবে। এখন ফলাফল দেখেই বোঝা যাচ্ছে আমরা কোথায় ধোঁকাটা খেয়েছি।

আরও পড়ুন

যোদ্ধাজাতির পাঠ: বাঁচতে হলে মরতে শিখো -এম আর হাসান

যোদ্ধাজাতির পাঠ: বাঁচতে হলে মরতে শিখো  এম আর হাসান

ব্রিটিশ পণ্ডিতরা অনেক গবেষণা করে একটি বিকৃত ইসলাম তৈরি করল যা থেকে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ও অন্যায় অবিচারে বিরুদ্ধে প্রতিবাদের চেতনাকে (জেহাদ) বাদ দেওয়া হলো এবং ব্যক্তিগত জীবনের মাসলা-মাসায়েল, ফতোয়া, দোয়া-কালাম, মিলাদের উর্দু-ফার্সি পদ্য, বিশেষ করে দীনের যে বিষয়গুলো স¤পর্কে পূর্ব থেকেই বিভিন্ন মাজহাবের ফকীহদের মধ্যে বহু মতবিরোধ সঞ্চিত ছিল সেগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করলো যেন সেগুলো নিয়ে মাদ্রাসাশিক্ষিতরা তর্ক, বাহাস, মারামারিতে লিপ্ত থাকে। সেই ইসলামটিকে জাতির মনে-মগজে গেড়ে দেওয়ার জন্য বড়লাট লর্ড ওয়ারেন হেসটিংস ১৭৮০ সনে ভারতের তদানীন্তন রাজধানী কোলকাতায় আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করল। সেখানে নিজেরা অধ্যক্ষ থেকে পর পর ২৬ জন খ্রিষ্টান (প্রথম খ্রিষ্টান অধ্যক্ষ এ.এইচ. স্প্রিঙ্গার এম.এ. এবং শেষ খ্রিষ্টান অধ্যক্ষ এ. এইচ. হার্টি এম.এ.)  ১৯২৭ সন পর্যন্ত ১৪৬ বছর ধরে মুসলিম জাতিকে সেই বিকৃত ইসলামটি শেখাল। [দেখুন- আলীয়া মাদ্রাসার ইতিহাস, মূল- আঃ সাত্তার, অনুবাদ- মোস্তফা হারুণ, ইসলামী ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ এবং Reports on Islamic Education and Madrasah Education in Bengal by Dr. Sekander Ali Ibrahimy (Islami Foundation Bangladesh)]|

মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার সিলেবাসে অংক, ভূগোল, বিজ্ঞান, অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা ইত্যাদির কোনো কিছুই রাখা হলো না। ফলে আলেমরা বাস্তব জীবনে অনিশ্চয়তার অন্ধকারে নিমজ্জিত হলেন। কিন্তু জীবিকা ছাড়া তো মানুষ চলতে পারে না। তাই অগত্যা তারা ধর্মের বিভিন্ন কাজ করে রুজি-রোজগার করাকেই নিয়তি হিসাবে গ্রহণ করলেন। ব্রিটিশরা এটা এই উদ্দেশ্যে করল যেন তারা সর্বদা পরনির্ভরশীল হয়ে থাকে এবং মেরুদণ্ড সোজা করে কখনো তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে না পারে। ইংরেজরা তাদের এ পরিকল্পনায় শতভাগ সাফল্য লাভ করল। সেখান থেকে কোর’আন-হাদীসের জ্ঞান নিয়ে লক্ষ লক্ষ আলেম বেরিয়ে আসছেন কিন্তু তাদেরকে জাতির ঐক্য গঠনের গুরুত্ব, জীবন-সম্পদ উৎসর্গ করে সত্যদীন প্রতিষ্ঠার প্রেরণা, সমাজে বিরাজমান অন্যায়, অবিচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার শিক্ষা দেয়া হয়নি। এই ষড়যন্ত্রের পরিণামে তাদের মধ্যে ধর্মীয় জ্ঞানের অহঙ্কার যেমন সৃষ্টি হলো, পাশাপাশি তাদের হৃদয়ে আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের গতিশীল ভূবন থেকে পিছিয়ে থাকার দরুন একপ্রকার হীনম্মন্যতাও সৃষ্টি হলো। তাদের অন্তর্মুখিতা, ছোটখাটো বিষয় নিয়ে গোঁড়ামি, বিভক্তি, নিস্পৃহতা, অন্তর্মুখিতা, স্বার্থপরতা ও অন্য ধর্মের অনুসারীদের প্রতি প্রচণ্ড বিদ্বেষের কারণ এই শিক্ষাব্যবস্থার গোড়াতেই গ্রথিত রয়েছে। আলীয়া আর কওমী ধারার মধ্যে পার্থক্য এটুকুই যে, একটি সরকারি অর্থায়নে চলে আরেকটি জনগণের দানের টাকায় চলে, একটি কম গোঁড়া, আরেকটি বেশি গোঁড়া- এই যা। এই যে বর্তমানে ইসলামের নামে অন্ধত্ব, অযৌক্তিক, কুসংস্কার বিস্তার লাভ করেছে, এটার বীজ এই মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার গোড়াতেই প্রোথিত রয়েছে। সঠিক শিক্ষা না পেলেও ধর্মীয় চেতনা ঠিকই রয়ে গেছে। বর্তমানে মানবজাতির জীবনে ব্রিটিশদের চাপিয়ে দেওয়া জীবনব্যবস্থার ত্রুটির দরুন যে হাজারো বাস্তব সমস্যার প্রাদূর্ভাব হয়েছে সেগুলোর সমাধান ঐ মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থায় যুগোপযোগী, বিজ্ঞানভিত্তিক, যৌক্তিকভাবে উল্লেখিত না থাকায় বিভিন্ন গোষ্ঠী ইসলামিক রাজনীতির নামে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জেহাদের নামে মাদ্রসা ছাত্রদের ঈমানী চেতনাকে নিজেদের মতবাদের অনুকূলে টেনে নিচ্ছে। কেউ অপরাজনীতিতে তাদের ব্যবহার করছে কেউ জঙ্গিবাদে কাজে লাগাচ্ছে – সেটা ভিন্ন কথা। কিন্তু শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে সে কিন্তু ধর্মের প্রকৃত শিক্ষাটি পেল না। এই শূন্যতাটাই পূর্ণ করে দিচ্ছে স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীগুলো। এখানেই মাদ্রাসা শিক্ষার সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা। 

অন্যদিকে সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থায় (General Education System) দীন সম্পর্কে প্রায় কিছুই শিক্ষা দেওয়া হয় নি। বরং সুদভিত্তিক অংক, ব্রিটিশ রাজা- রানির ইতিহাস, ভূগোল, বিজ্ঞান, গণিত, পাশ্চাত্যের ধর্মহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা, পাশ্চাত্য বস্তুবাদী দর্শন ইত্যাদি শিক্ষার পাশাপাশি ধর্ম সম্পর্কে, বিশেষ করে ইসলাম সম্পর্কে একটা বিদ্বেষভাব (অ যড়ংঃরষব ধঃঃরঃঁফব) শিক্ষার্থীদের মনে প্রবেশ করানো হলো। ওখান থেকে লক্ষ লক্ষ কথিত আধুনিক শিক্ষিত লোক বের হচ্ছেন যারা চরম আত্মকেন্দ্রিক ও স্বার্থপর। নিজেদের বৈষয়িক উন্নতি ছাড়া আর কিছুই তারা ভাবেন না। তারা অধিকাংশই ইসলাম ও অন্যান্য ধর্মকে মনে করেন সেকেলে, মধ্যযুগীয় চিন্তাধারা; ধর্মকে মনে করেন কল্পকাহিনী। তাদের দৃষ্টিতে আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের যুগে ধর্ম অচল। তাদেরকে শেখানো হলো আধুনিক সমস্ত জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পশ্চিমাদের উদ্ভাবন। কিন্তু এই জ্ঞান-বিজ্ঞানের ভিত্তি যে মুসলিমরাই নির্মাণ করেছিল সেটা তাদেরকে শিক্ষা দেওয়া হলো না। এদের মধ্যে অনেকেই আছে প্রচণ্ড ধর্মবিদ্বেষী অথচ সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তাদের জন্ম।

কিন্তু এই সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিতদের মধ্যে কিন্তু ধর্মবিশ্বাস লুপ্ত হয় নি। তারাও সমানভাবে পাশ্চাত্যের জীবনব্যবস্থার সমস্যাগুলো প্রত্যক্ষ করছে। তখন একটি গোষ্ঠী তাদের সামনে এ সকল সমস্যার সমাধান হিসাবে পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থারূপে ইসলামকে তুলে ধরছে এবং তাদের নিজেদের মনমত ব্যাখ্যা তাদের মস্তিষ্কে প্রবেশ করাচ্ছে। তাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় যদি ধর্মের প্রকৃত শিক্ষাটি থাকতো তাহলে কেউ এভাবে তাদেরকে ভ্রান্তপথে নিয়ে যেতে পারত না। ধর্মহীন সেক্যুলার শিক্ষব্যবস্থায় ধর্মের অনুপস্থিতি এই সংকট সৃষ্টির অন্যতম নায়ক।

উভয় শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা শিক্ষিতজনেরা একে অপরের প্রতি কাদা ছোঁড়াছুড়িতে লিপ্ত থাকেন, দিনকে দিন তাদের মধ্যে বিরাজিত বিদ্বেষ, অবিশ্বাসের ব্যবধান সরু নালা থেকে সাগরে পরিণত হচ্ছে। যেখানে এত বড় সঙ্কটে জাতি আজ নিমজ্জমান, তখন এরা উভয়েই দাম্ভিক আর অহঙ্কারী হয়ে একে অপরের ছিদ্র খুঁজে বেড়াচ্ছে। আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত ছাত্ররা যখন জঙ্গিবাদী হামলা চালাচ্ছে তখন মাদ্রাসা শিক্ষিতরা আত্মতৃপ্তির হাসি দিয়ে বলছেন, এই হামলা যদি মাদ্রাসার ছেলেরা চালাতো তাহলে কেমন হতো? আবার কলেজ ভার্সিটি থেকে শিক্ষিতরা যখন দেখেন যে জঙ্গি হামলাকারীরা কোনো মাদ্রাসার ছাত্র তখনই তারা খুব সহজেই পূর্বধারণার ছকটি ইসলামের উপর বসিয়ে দেন। এই যে দ্বন্দ্ব এর মূল কারণ এই দ্বিধাগ্রস্ত শিক্ষাব্যবস্থা।

কাজেই এখন আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে। একমুখী শিক্ষাব্যবস্থার প্রস্তাব করা যেতে পারে, যেখানে আধুনিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ভারসাম্যপূর্ণ সমন্বয় থাকবে। শুধু ধর্মহীন সেক্যুলার শিক্ষা দিয়ে হবে না। মানুষের দেহ যেমন আছে তেমনি আত্মা তথা বিবেকও আছে। সে বিবেকের দাবি পূরণ করার জন্য বিভিন্নভাবে এদিক ওদিক যেতে চাইবে। আবার বাস্তব জীবনের সমস্যাগুলোকে এড়িয়ে কেবল মাসলা-মাসায়েল, দোয়া কালাম, ফতোয়াবজির ইসলাম যা কেবল পরকালীন সওয়াবমুখী, সেটা দিয়েও হবে না। প্রস্তাবিত এই একমুখী শিক্ষাব্যবস্থা থেকে ছাত্ররা এমন মানুষ হয়ে বের হবে যারা ধর্মান্ধ নয়, ধর্মবিদ্বেষী নয়, যারা প্রগতিশীল, বিজ্ঞানমনস্ক, যুক্তিবোধসম্পন্ন, দেশপ্রেমিক, রুচিশীল, মার্জিত, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার, জাগ্রতবিবেক, স্রষ্টার আদেশ-নিষেধ, ন্যায়-অন্যায় সম্পর্কে সজাগ ও সচেতন। তারা স্বার্থপর, আত্মকেন্দ্রিক, দাম্ভিক, অহঙ্কারী না হয়ে বিনীত ও নম্র  হবে, মানুষের কল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ হবে। প্রতিটি মানুষ হবে আলোকিত, সত্য ও ন্যায়ের ধারক। মানুষের ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ তারা ঘুনাক্ষরেও চিন্তা করবে না। এমন মানুষ তৈরি করতে পারে একটি ভারসাম্যমূলক শিক্ষাব্যবস্থা। এ ছাড়া চলমান অবক্ষয়ের কোনো সমাধান নেই।

[লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট; যোগাযোগ: ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১৫৭১৫৮১, ০১৭১১০০৫০২৫]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মহেশপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত: র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মহেশপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত: র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি:ঝিনাইদহের মহেশপুরে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলা…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    খুলনা

গলাচিপায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

গলাচিপায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর গলাচিপায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা প্রশাসনিক হলরুমে দিবসটি…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    বরিশাল

কাউনিয়ায় রতন হত্যা মামলার আসামিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

কাউনিয়ায় রতন হত্যা মামলার আসামিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন
কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি:রংপুরের কাউনিয়ায় এনজিও কর্মী ফখরুল আলম রতন হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও দ্রুত ফাঁসি কার্যকরের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

জিয়া পরিবারের নেতৃত্বেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে: যুবদল নেতা নয়ন

জিয়া পরিবারের নেতৃত্বেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে: যুবদল নেতা নয়ন
জিয়া পরিবারের নেতৃত্বেই বাংলাদেশ ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়ন। তিনি বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    নির্বাচিত

কুড়িগ্রামে যুবকের ছুরিকাঘাতে টাউন হলের কেয়ারটেকার নিহত, স্ত্রী আহত

কুড়িগ্রামে যুবকের ছুরিকাঘাতে টাউন হলের কেয়ারটেকার নিহত, স্ত্রী আহত
শাহ আলম, কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রাম পৌর টাউন হল মিলনায়তন চত্বরে এক যুবকের ছুরিকাঘাতে টাউন হলের কেয়ারটেকার নিহত এবং তার স্ত্রী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের আগে অতীতের অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে হবে: হাসনাত

আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের আগে অতীতের অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে হবে: হাসনাত
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, আওয়ামী লীগের অতীত শাসনামলে সংঘটিত অপরাধের বিচার নিশ্চিত না করে দলটিকে রাজনীতিতে…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    নির্বাচিত

মিঠাপুকুরে নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু, শ্বশুরবাড়ির তিন সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

মিঠাপুকুরে নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু, শ্বশুরবাড়ির তিন সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ
রংপুর,প্রতিনিধি: রংপুরের মিঠাপুকুরে শিরিনা আক্তার (১৯) নামে এক নববধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নিহতের শ্বশুর, শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

বরিশালে হেযবুত তওহীদের নারী বিভাগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বরিশালে হেযবুত তওহীদের নারী বিভাগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
আজিজুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার: “জড়তা, অন্ধত্ব, সংকীর্ণতা, ধর্মব্যবসা ও বাড়াবাড়ির বিরুদ্ধে নারীকেই জাগতে হবে, জাগাতে হবে”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বরিশাল জেলায় হেযবুত তওহীদের নারী বিভাগের…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    বরিশাল

ঢাকা থেকে রিয়াদ-দাম্মামের ১৮০ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ২৩ হাজার যাত্রী!

ঢাকা থেকে রিয়াদ-দাম্মামের ১৮০ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ২৩ হাজার যাত্রী!
ঢাকা থেকে সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মামগামী ১৮০টি ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন হাজারো যাত্রী। এসব ফ্লাইটের যাত্রী হিসেবে মোট ২৩ হাজার ৮৫ জন আটকা…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

সাংবাদিকদের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে বাদ পরীমনি!

সাংবাদিকদের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে বাদ পরীমনি!
সাংবাদিকের সঙ্গে সাম্প্রতিক বিরোধের জেরে চট্টগ্রামের একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আয়োজকরা। গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে অসম্মানজনক আচরণের অভিযোগে চট্টগ্রামে কর্মরত সাংবাদিকদের…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    বিনোদন

‘হাসিনা দেশে ফিরবেন হাতকড়া পরে’: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

‘হাসিনা দেশে ফিরবেন হাতকড়া পরে’: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে হাতকড়া পরেই ফিরতে হবে এবং তার বিরুদ্ধে ওঠা অপরাধের অভিযোগের বিচার করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    ময়মনসিংহ

এক দিনেই ২১৩ রান হৃদয়ের, সাকিবের রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস!

এক দিনেই ২১৩ রান হৃদয়ের, সাকিবের রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস!
সিলেট টেস্টে ব্যাট হাতে ইতিহাস গড়েছেন বাংলাদেশের তাওহিদ হৃদয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিকে ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দিয়েছেন এই ডানহাতি ব্যাটার। এক দিনেই…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    খেলাধুলা

পরাজিত শক্তি আবারও মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পরাজিত শক্তি আবারও মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারবিরোধী শক্তিগুলো আবারও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

তাহসিফ হত্যা মামলা: তিন দফায় রিমান্ড শেষে কারাগারে দীপ!

তাহসিফ হত্যা মামলা: তিন দফায় রিমান্ড শেষে কারাগারে দীপ!
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তার বন্ধুস্থানীয় ছোটভাই আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

৭ কিলোমিটার হেঁটে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান!

৭ কিলোমিটার হেঁটে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান!
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার পথ হেঁটেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়