প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   রণাঙ্গণে সুলতান দাউদ খান পন্নী

রণাঙ্গণে সুলতান দাউদ খান পন্নী

৯ এপ্রিল ২০২৩ ০৯:০০ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

বাংলার ইতিহাসের অন্যতম ঐতিহাসিক যুদ্ধ হচ্ছে তুকারয়ের যুদ্ধ যা বাজহুয়ারার যুদ্ধ বা মুঘলমারির যুদ্ধ নামেও পরিচিত। তুকারইয়ের যুদ্ধ ১৫৭৫ খ্রিষ্টাব্দের মার্চ মাসে ঊড়িষ্যার বালাশ্বর জেলার তুকারয় গ্রামে মুঘল সাম্রাজ্য ও বাংলার সুলতানদের মধ্যে সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে বাংলার সুলতান দাউদ খান কররানি মুঘলদের কাছে পরাজিত হন।

১২০৩-১২০৪ সাল। দিল্লীর তৎকালীন অধীশ্বর খিলজি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দীন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি বাংলার সর্বশেষ হিন্দু রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে তৎকালীন রাজধানী নবদ্বীপসহ বাংলার অধিকাংশ এলাকাকে নিজের অধীনে নিয়ে আসেন। হিন্দু রাজাদের মধ্যে ‘সেন’ বংশই সর্বশেষ শাসক যারা সমস্ত বাংলাকে, বিশেষ করে পূর্ব বাংলাকে শাসন করত এবং চতুর্দশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এই বংশের শাসনের অবসান ঘটে।

মুসলিমদের পূর্বে বাংলার সিংহাসন সেন বংশের দখলে ছিল এবং একে সালাতানাত-এ-বাংলা বলা হত। বিহারও এই বাংলার অধীনেই ছিল। এই বিরাট অংশ বিভিন্ন সময়ে স্বাধীন ও দিল্লীর অংশ হিসেবে শাসিত হয়েছে। তুর্কি ও আফগানদের মধ্যকার অন্তর্দ্বন্দ্বের দরুন কয়েকবার বাংলার ক্ষমতার রদবদল হয় যা ষোড়শ শতাব্দির দিকে মুঘলদের হাতে গিয়ে স্থির হয়।

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

মুঘল সাম্রাজ্যের ক্ষমতা যখন জালালউদ্দিন মোহাম্মদ আকবরের হাতে তখন বাংলার সুলতান ছিলেন দাউদ খান কররানী। কররানি রাজবংশের অপর নাম পন্নী। দাউদ খান পন্নী মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্গত জামানিয়ার দুর্গ দখল করলে আকবর বাংলার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার উপযুক্ত কারণ পেয়ে যান। আকবর সে সময় গুজরাটে অবস্থান করছিলেন এবং এই ঘটনা শোনামাত্রই তিনি জৈনপুরের সুবেদার খান ই খানান মোনেম খানকে বাংলা আক্রমণ করার ফরমান পাঠান। মোনেম খান আদেশ পাওয়ামাত্রই শক্তিশালী মুঘল বাহিনী নিয়ে পাটনা অভিমূখে রওনা হয় এবং সেখানে আফগান সেনানায়ক লোদি খান দ্বারা বাধার সম্মুখিন হয়। লোদি খান সুলতান দাউদ খান পন্নীকে সিংহাসনে বসতে সহযোগিতা করেছিলেন এবং সুলতানের সভার মন্ত্রীও ছিলেন। মোনেম খান বয়সের ভারে নুব্জ ছিলেন এবং কয়েকদফা যুদ্ধের পরই তিনি লোদি খানের সাথে আপসে গেলেন এবং দাউদ খান এর প্রতি পরম ক্ষমাশীল আচরণ প্রদর্শন করলেন। দুই দলের কেউই এতে সন্তুষ্ট ছিল না এবং এরই প্রেক্ষিতে মুঘল সম্রাট আকবর ভাবলেন মো’নেম খান সামরিক ক্ষেত্রে অত্যন্ত কোমল ও দুর্বল ব্যক্তি। অন্যদিকে দাউদ খান পন্নী মোঘলদের সঙ্গে সন্ধি করার জন্য মন্ত্রী লোদি খানের প্রতি রাগান্বিত হলেন। সম্রাট আকবর বিহারের দায়িত্বভার রাজা টোডরমলের উপর অর্পণ করেন এবং রাজ্যের দাপ্তরিক কাজগুলোর দার্য়িত্বভার সাময়িক সময়ের জন্য রায় রাম দাসের উপর হস্তান্তর করেন। দাউদ খান পন্নী তার নির্দেশ ব্যতিরেকে মোঘলদের তার মন্ত্রী লোদি খানকে হত্যা করে এবং তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে। মোনেম খান আকবরের আচরণে নিজের ভুল বুঝতে পারে এবং পাটনায় গিয়ে সৈন্যদলের দায়িত্ব পুনরায় গ্রহণ করে এবং অভিযান পরিচালনা করে কিন্তু অল্পক্ষণেই বুঝতে পারে যে তার বর্তমান শক্তি দ্বারা দূর্গ উদ্ধার সম্ভব নয় তাই মুঘল সম্রাটের নিকট পত্রযোগে অভিযান পরিচালনা করার আমন্ত্রন জানায়।

সম্রাট আকবর সে সময় আজমির শরিফে বার্ষিক সফর শেষ করে আগ্রায় রাজধানীতে প্রত্যাবর্তন করেছেন এবং এরই সাথে সাথে ১৫৭৪ সালে জলযানযোগে বহরসহ নদী পথে পাটনার দিকে যাত্রা আরম্ভ করেন। ১৫ জুন সম্রাট আকবর এই অভিযান শুরু করেন এবং তার সাথে তার অনেক যোগ্য, সামর্থ্যবান ও কুশল হিন্দু ও মুসলিম সেনাপতি অংশ নেয়। আকবরের সভার বিখ্যাত নবরত্নের অন্তর্ভুক্ত ঐতিহাসিক আবুল ফজল ইবনে মোবারক যে তেরো জনের নাম উল্লেখ করেছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ভগবান দাস, রাজা মান সিংহ, রাজা বীরবল, শাহবাজ খান, কাসিম খান ও নৌপ্রধান বা আমীর আল বহর। বর্ষকালের সব থেকে বৃষ্টিপ্রবণ সময়ে, উত্তাল নদীতে এ যাত্রা শুরু হয় এবং এর ফলে বিভিন্ন জায়গায় দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়। বহু জলযান পানিতে নিমজ্জিত হয় এবং ১১টি জাহাজ এলাহবাদে নিমজ্জিত হয়। ২৬ দিনের ক্লান্তিকর যাত্রার পর আকবর বেনারস পৌঁছান এবং সেখানে তিন দিন অবস্থান করেন। গঙ্গা নদী ও গোমতি নদী যেখানে মিলিত হয় সেখানকার কাছাকাছি তারা নোঙ্গর করে। এরই সাথে সাথে স্থলবাহিনীও সেখানে এসে পৌঁছায়। পুরো অভিযানটিতে অনবদ্য কুশলতার পরিচয় পাওয়া যায় কারণ অভিযানটিতে ভীষণভাবে আবহাওয়ার প্রতিকূলতার মোকাবেলা করতে হয়েছিল। নারী ও শিশুদের জৈনপুরে রাখা হয় এবং সম্রাট আকবর মোনেম খানের অনুরোধ অনুসারে সর্বশক্তি নিয়ে চৌসার ঘাটের দিকে অগ্রসর হন। সম্রাট আকবরের পিতা, ভূতপূর্ব মুঘল সম্রাট হুমায়ুন এই চৌসারেই ১৫৩৯ সালে বাংলার সুলতান শের শাহের বাহিনীর কঠিন বাঁধার সম্মুখীন হন ও পরাজিত হন। বাহিনীকে নদীর দক্ষিণদিকে জড়ো করা হয়।

মোনেম খানের অধীনে পাটনা বেশ কয়েকমাস অবরুদ্ধ ছিল। আকবর নৌপথে যাত্রা অব্যাহত রেখেছিলেন এবং আগস্টের ৩ তারিখ ১৫৭৪ সালে পাটনার পাশেই অবস্থান গ্রহণ করেন। এখনে অবস্থান নিয়ে আকবর তার সেনাপতিদের সাথে আলোচনায় বসেন। পাটনায় মূলত হাজিপুর থেকে রসদ সরবরাহ হতো যা মূলত গঙ্গার উত্তর অংশের একটি শহর তাই আকবর সিদ্ধান্ত নিলেন প্রথমে হাজিপুর দখল করা প্রয়োজন যাতে পাটনা দখল করা সহজতর হয়। সম্রাট আকবরের অকুতোভয় সেনাপতির মাধ্যমে বর্ষার উত্তাল নদী দ্বারা বেষ্টিত ও শক্তিশালী সেনাদল দ্বারা রক্ষিত হাজিপুরের দুর্গ পরাজতি হয়। আফগান সেনাপতিদের মাথা কেটে আকবরের সামনে উপস্থাপন করা হয় এবং সেগুলোকে সুলতান দাউদ খানের নিকট প্রেরণ করা হয় সতর্কবার্তা হিসেবে।

এর পরই সম্রাট আকবর শহরে দক্ষিণে অবস্থিত ‘পঞ্চ প্রহরী’ নামক কৃত্রিম একটি পাহাড়ের দিকে অগ্রসর হন এবং সেই অংশটিকে নিজের আওতায় নিয়ে আসেন। যদিও সুলতান দাউদ খানের কাছে ২০ হাজার ঘোড়া, একটি বিশাল অঞ্চল জুড়ে তোপ-কামান ও অনেকগুলি হাতি ছিল তবুও তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন ঐ সময় মুঘলদের রাজকীয় বাহিনীর সাথে লড়াই না করার এবং সেখান থেকে সরে যাওয়ার। রাতে তিনি পিছনের দরজা দিয়ে বের হয়ে যান এবং বাংলায় চলে আসেন। রাতের বেলা চুপিসারে যে সৈন্যদল নিয়ে পিছু হটা হয়েছিল সেই সৈন্যদলের বেশ ক্ষতি হয়। সম্রাট আকবর তখনই অভিযান চালাতে চেয়েছিলেন কিন্তু ভোর পর্যন্ত অপেক্ষা করলেন এবং ভোরে দিল্লি দরজা দিয়ে পাটনায় প্রবেশ করলেন। তিনি নিজে ৫০ মাইল পর্যন্ত গিয়েছিলেন দাউদ খানের পিছনে পিছনে কিন্তু তাদের ধরতে ব্যর্থ হন।

সুলতান দাউদ খান পন্নী বিশাল রসদ পিছনে ফেলে যান যার মধ্যে অনেক সম্পদ ও স্বর্ণমুদ্রা ছিল যা সাধারণ জনগণ তুলে নেয় এবং ২৬৫ টি যুদ্ধের হাতি, একই ধরনের বেশ কিছু অস্ত্রও ছিল। একটি বিশাল শহর বর্ষার উত্তাল সময়ে দখল করাটা সম্রাট আকবরের জন্য বিশাল এক বিজয় ছিল যা অন্যদিকে বাংলার সুলতানের জন্য ছিল কষ্টকর এক পরাজয়। সুলতান দাউদ খান পুনরায় হিসাব-নিকাশ করে আকবরের বিরুদ্ধে যাত্রা করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি ভারতীয় প্রাচীন রীতি অনুসারে ‘দাসহেরা’ উৎসবের পর যাত্রা আরম্ভ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। কিন্তু সম্রাট আকবর প্রতিকূল পরিবেশকে পাত্তা না দিলে এবং ভারতীয় পুরাতন শাস্ত্র অনুসরণ করে সিদ্ধান্ত না নিলে অবশ্যই বিজয় অর্জন করতে পারেন।

সেনাবহর বৃষ্টির দিনে থেমে শীতকালে যাত্রা শুরু করবে নাকি এখনই করবে সে সিদ্ধান্তর জন্য সম্রাট আকবর মোটেও বসে রইলেন না তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন এখনই যাত্রা শুরু করার। তিনি ২০ হাজার সৈন্য সমাবেশে একটি বাহিনী গঠন করলেন এবং সার্বিক নেতৃত্বের ভার মোনেম খানের উপর হস্তান্তর করে তাকে বাংলার গভর্নর নিযুক্ত করলেন। রাজা টোডরমল ও অন্যান্য কুশল সেনাপতিরা তার অধীনে বেনারস, জৈনপুর ও বিহারে নিযুক্ত হল এবং অন্যান্য অঞ্চলসমূহকেও সম্রাটের অধীন করা হল সেগুলোতেও আকবরের নিযুক্ত সুবেদার নিয়োগ করা হল। সম্রাট আকবর রাজধানীতে ফেরার সিদ্ধান্ত নিলেন এবং বাংলাকে দখল করার দায়িত্ব তার নিযুক্ত সেনপতিদের হাতে হস্তান্তর করলেন। সেপ্টেম্বরের শেষেই মোনেম খান থেকে তার বিজয়ের সংবাদ সম্রাটের কাছে পৌঁছালো। সাত মাসের অভিযান শেষ করে ১৮ জানুয়ারি ১৫৭৫ সালে তিনি ফাতেহপুর সিক্রিতে পৌঁছান।

তুকারয়ের যুদ্ধ

মুঘল বাহিনী বাংলার রাজধানী টান্ডায় (গৌড়র কাছাকাছি) অভিযান চালালে সুলতান দাউদ খান ঊড়িষ্যায় সরে আসেন। এর ফলে মোনেম খান প্রস্তুতি শেষ হওয়ার পূর্বেই বাধ্য হন অভিযান পরিচালনা করার জন্য। ১৫৭৫ সালের ৩ মার্চ মোগল ও আফগানদের মধ্যে তুকারয়ের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। যুদ্ধের প্রথম দিকে মুঘল সেনাপতিগণ বেশ কিছু ক্ষতির সম্মুখীন হন এবং দেখে মনে হচ্ছিল বাংলার সেনাবাহিনী জয়ী হচ্ছে। কিন্তু দিনের পরবর্তীতে সুলতান দাউদ খানের সেনাপতি গুজার খানের নিহত হওয়ার ফলে ভাগ্য মুঘলদের সহায় হয় এবং সুলতান দাউদ খান পন্নী যুদ্ধে পরাজিত হন। যুদ্ধের পর আফগানরা উড়িষ্যার কটকের দিকে পিছু হটে। উভয় দলের মধ্যে ‘কটক সন্ধি’ সাক্ষরিত হয় যেখানে বাংলা ও বিহার মুঘলদের অধীনে চলে যায় এবং শুধুমাত্র ঊড়িষ্যায় সুলতানের আধিপত্য থাকে। মোগলরা তৎকালীন বাংলার আফগান রাজধানী তান্ডা দখল করে নেয়। মোনেম খান তান্ডা থেকে গৌড়ে রাজধানী সরিয়ে নেন। ছয় মাস পর বাংলায় প্লেগ মহামারী ছড়িয়ে পড়লে ৮০ বছর বয়সী মুনিম খান অক্টোবরে মৃত্যুবরণ করেন। সুলতান দাউদ খান পন্নী এই সুযোগটি কাজে লাগান এবং আবার বাংলায় আক্রমণ করেন। এ যুদ্ধে সেনাপতি কালাপাহাড় ও পন্নী রাজবংশের অন্যতম অধিনায়ক ঈসা খান মোগল বিরুদ্ধে লড়াই করেন।

রাজমহলের যুদ্ধ

আকবর এরপর খান জাহান কুলির অধীনে একটি বাহিনী প্রেরণ করেন। তিনি তেলিয়াগড় দখল করে রাজমহলের দিকে অগ্রসর হন। দুই বাহিনী রাজমহলের যুদ্ধক্ষেত্রে মুখোমুখি হয়। যুদ্ধ অনেক দিন ধরে চলতে থাকে। বিহারের গভর্নর মোজাফফর খান তুরবাতি ও অন্যান্য সেনাপতিদের আকবর তাদের সাথে যোগ দেয়ার নির্দেশ দেন। অন্যদিকে দাউদ খানের পাশে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আফগান নেতা, জুনায়েদ, কুতলু খান ও কালাপাহাড় ছিলেন। ভয়াবহ যুদ্ধের পর ১৫৭৬ সালের ১২ জুলাই ভয়াবহ যুদ্ধের পর দাউদ খান চূড়ান্তভাবে পরাজিত ও নিহত হন। তার মৃত্যুর পর বাংলা সরাসরি মোগলদের অধীনে চলে আসে। সিদ্ধান্তকারী এ যুদ্ধের পর থেকে বাংলা সুবা একজন সুবেদারের অধীনে শাসিত হতে থাকে, যদিও আফগান সেনানায়ক ও জমিদারগণ আরো পঁচিশ বছর ধরে মোঘল বাহিনীর বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্নভাবে লড়াই চালিয়ে যান। এই জমিদার অধিনায়কগণই বাংলার বারো ভুঁইয়া নামে পরিচিত।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

একসময়ের প্রাণচাঞ্চল্য আজ নীরব: আক্কেলপুরের জাফরপুর রেলস্টেশনে দুর্ভোগে এলাকাবাসী

একসময়ের প্রাণচাঞ্চল্য আজ নীরব: আক্কেলপুরের জাফরপুর রেলস্টেশনে দুর্ভোগে এলাকাবাসী
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার জাফরপুর রেলস্টেশন একসময় ছিল আশপাশের গ্রামের মানুষের যাতায়াত ও জীবিকার অন্যতম কেন্দ্র। ট্রেনের অপেক্ষায় যাত্রীদের ভিড়, স্টেশন ঘিরে হোটেল ও দোকানপাটের ব্যস্ততা…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী

সংবাদ প্রকাশের জেরে আমার দেশ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

সংবাদ প্রকাশের জেরে আমার দেশ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
গাজীপুর সংবাদদাতা:সংবাদ প্রকাশের জেরে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন দৈনিক আমার দেশ-এর শ্রীপুর প্রতিনিধি এস এম…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে প্রতিপক্ষের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কালিয়াকৈর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

গাইবান্ধায় ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

গাইবান্ধায় ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
গাইবান্ধা পৌর এলাকার সবুজপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২৪…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, ধামরাইয়ে মন্দির পরিদর্শন শেষে বিভাগীয় কমিশনার

দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, ধামরাইয়ে মন্দির পরিদর্শন শেষে বিভাগীয় কমিশনার
শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কমিটির নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক দলগুলো মাঠপর্যায়ে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিভাগীয়…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে বদলি দুই প্রান্তের দুই বিদ্যালয়ে!

ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে বদলি দুই প্রান্তের দুই বিদ্যালয়ে!
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে একই উপজেলার দুই প্রান্তের দুটি বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। এর আগে সহকারী শিক্ষক আছমা খাতুনকে…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি!

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি!
গাজীপুর প্রতিনিধি:  গাজীপুরের শ্রীপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি ফৌজদারি মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন দৈনিক আমার…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র চালানো ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার মতো: হাসনাত

জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র চালানো ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার মতো: হাসনাত
জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনাকে ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার সঙ্গে তুলনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন,…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

শর্ত মানলেই সাত দিনের মধ্যে খুলবে হরমুজ প্রণালি: আরাগচি

শর্ত মানলেই সাত দিনের মধ্যে খুলবে হরমুজ প্রণালি: আরাগচি
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্ত মেনে নিলে ছয় দিনের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া সাত…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

তিন বছরের অপেক্ষার অবসান, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী!

তিন বছরের অপেক্ষার অবসান, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী!
ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমীর যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পাওয়ার খবর সামনে এসেছে। দীর্ঘ তিন বছরের অপেক্ষার পর দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি হয়েছে তার। তবে গ্রিন…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

মা ইলিশ সংরক্ষণে ৩৮ জেলার ১১১ এমপিকে মন্ত্রীর নির্দেশনা!

মা ইলিশ সংরক্ষণে ৩৮ জেলার ১১১ এমপিকে মন্ত্রীর নির্দেশনা!
মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফল করা এবং জনসচেতনতা বাড়াতে ৩৮ জেলার ১১১ জন সংসদ সদস্যকে ডিও লেটার দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের!

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের!
বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে প্রাথমিকভাবে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন জাপানি বিনিয়োগকারীরা। এ প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হলে দ্রুত…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতির সঙ্গে বাফুফের বৈঠক, মিলল আর্থিক সহায়তার আশ্বাস!

বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতির সঙ্গে বাফুফের বৈঠক, মিলল আর্থিক সহায়তার আশ্বাস!
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়ালসহ চার সহ-সভাপতি। ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় বাংলাদেশের ফুটবলের…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

মাঝ আকাশে দরজা খুলে ঢাকায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জরুরি অবতরণ, রোগীর মৃত্যু!

মাঝ আকাশে দরজা খুলে ঢাকায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জরুরি অবতরণ, রোগীর মৃত্যু!
ভারতের আগরতলা থেকে কলকাতা যাওয়ার পথে মাঝ আকাশে দরজা খুলে যাওয়ায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স। পরে উড়োজাহাজে থাকা…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বর প্লেট লাগানোর নির্দেশ, সময়সীমা ১৫ নভেম্বর!

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বর প্লেট লাগানোর নির্দেশ, সময়সীমা ১৫ নভেম্বর!
সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী মোটরসাইকেল শনাক্ত করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে মোটরসাইকেলের পেছনের পাশাপাশি সামনের অংশেও রেজিস্ট্রেশন নম্বরসংবলিত প্লেট লাগাতে হবে। বাংলাদেশ সড়ক…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়