প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   এই মেয়ে! তোমরা বাইরে কেন?

এই মেয়ে! তোমরা বাইরে কেন?

৮ মে ২০২৩ ০২:৩৫ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

বছরের ৩৬৫ দিন আমাদেরকে একটি প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। হেযবুত তওহীদের মেয়েরা কেন রাস্তায় নেমে পত্রিকা এবং বিক্রি করে? কেন তারা সভা সমাবেশে অংশ নেয়? এ প্রশ্নের জবাবে কোনো তাত্ত্বিক আলোচনায় না গিয়ে সোজাসুজি বলতে হয়, মুসলমানসহ গোটা মানবজাতি আজ হুমকির মুখে। যেভাবে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো একটার পর একটা দেশ ধ্বংস করে দিচ্ছে তাতে কারো ভবিষ্যৎই নিরাপদ নয়। এ বিষয়টা আমরা নয় কেবল অনেকেই বলে থাকেন। তেমন কিছু হলে আমরা নারীরা ঘরের ভেতর কালো বোরখা পেঁচিয়েও আত্মরক্ষা করতে পারব না, সবাইকে ধর্ষিত হতে হবে, দেশ থেকে বিতাড়িত হতে হবে, অথবা মরতে হবে – এই উপলব্ধিও অনেকের আছে। তাদের সবার সাথে আমাদের পার্থক্য হলো, আমরা এটা বুঝে ঘরে বসে না থেকে এই নিষ্ঠুর পরিণতি এড়ানোর জন্য সংগ্রামে নেমেছি।

ধরা যাক, সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন থেকে আমরা বেঁচেই গেলাম। তারপরও বিপদ কেটে যাচ্ছে না। আমরা অভ্যন্তরীনভাবে এমন এক সিস্টেমের মধ্যে পড়ে গেছি যে, ঘর থেকে বেরোলে আমাদের ফিরে আসার নিশ্চয়তা নেই। ঘরের ভেতরেও নিরাপত্তা নেই। ধর্মীয় রাজনৈতিক বিভেদের কারণে আমাদের জাতি বিভক্ত। পালাক্রমে একদল অপর দলকে বিনাশের চেষ্টায় আছি। এমন পরিস্থিতিতে কে নারী কে পুরম্নষ সেটা ভাবার সময় আছে? এখন প্রত্যেকের দায়িত্ব সংকট থেকে বাঁচার জন্য সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়া। হেযবুত তওহীদের নারীরা সেটাই করছে।

বিকৃতমনাদের চোখে হেযবুত তওহীদ একটি নারী সর্বস্ব দল। রহস্যময় কারণে আমাদের হাজার হাজার পুেরুস চোখে পড়ে না। তাদের চোখে পড়েন না, গুটিকয় নারী সদস্য দেখলেই তাদের চোখ ছানাবড়া হয়ে যায়। তখনই তাদের ভিতরের পশু, তাদের নোংরামিগুলো বাইরে বেরিয়ে আসে। ভাবখানা এমন, নারীরা গণতন্ত্র করবে, সমাজতন্ত্র করবে, দেশ চালাবে, স্পিকার হবে সব ঠিক আছে কিন্তু ইসলামের কথা কেন বলবে? ইসলাম তো ফতোয়াবাজদের পৈত্রিক সম্পত্তি। হেযবুত তওহীদের মাননীয় এমাম নারীদেরকে অচলায়তন ভেঙে বের করে এনেছেন। তাই প্রতিনিয়ত তীব্র বাক্যবাণে তাঁকে বিদ্ধ করা হচ্ছে। যারা করছে তাদের অধিকাংশই মাদ্রাসাশিক্ষীত অথবা ধর্মব্যবসায়ীদের অন্ধ অনুসারী। সবচেয়ে বেশি ঘৃণা ছড়াচ্ছেন আমাদের ধর্মীয় বক্তারা। নোংরা ঘাঁটলে দুর্গন্ধই ছড়ায়। তাই তাদের এসব অশ্লীল কথা ও কুৎসিত অভিব্যক্তি নিয়ে কথা বাড়াচ্ছি না। যারা মানবজাতির বিপদ আঁচ করতে পারেন নি তারা মসজিদ-মাদ্রাসা কিংবা হুজরার জানালা দিয়ে মুখ বের করে নারীরা কেন মাঠেঘাটে সেই প্রশ্ন তুলতেই পারেন। কিন্তু আত্মা জগতের সাথে যারা সম্পর্ক রাখেন তারা এই প্রশ্ন না করে এই আত্মত্যগী নারীদেরকে সেলুট জানাবেন। তারা বুঝতে সড়্গম হবেন এই নারীরা নিজেদেরকে প্রদর্শন করতে বের হননি। তারা নেমেছেন মানুষের মুক্তি সংগ্রামের সৈনিক হিসাবে। তারা একটি আদর্শ পৌঁছে দিচ্ছেন সবার হাতে। যে আদর্শ অকাট্য সত্য, যে আদর্শ পাল্টে দিতে পারে পৃথিবীর চেহারা।

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

এদের মাঝে সম্ভ্রান্ত পরিবারের নারীরা রয়েছেন, পেশাজীবী নারীরা রয়েছেন তেমনি রয়েছেন বয়স্ক নারীরাও। রাস্তায় হলে সব ধরনের টিটকিরি, ইভ টিজিং, অশস্নীল কথা, মানুষের বাঁকা দৃষ্টি ও তাচ্ছিল্য সহ্য করার মানসিকতা নিয়েই তারা নেমেছেন। যদি এ কাজকে তারা নিজেদের ধর্মীয়, মানবিক ও সামাজিক কর্তব্য বলে না ভাবতেন, তবে অর্থ কেন, কোনো কিছু দিয়েই তাদেরকে মাঠে নামানো যেত না। কিন্তু এখন তারা সাংসারিক কাজের পাশাপাশি আদর্শিক লড়াইয়ের কাজও করছেন।

অন্যদিকে যারা প্রশ্ন তুলছেন ‘নারীরা’ কেন মাঠেঘাটে – মূলত সেই অংশটারই মাঠে থাকার কথা ছিল। তারা যদি একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে পারতেন তাহলে নারীদের আজ মাঠে নামা লাগতো না। কিন্তু তারা মাঠে নেই, তারা আছেন সমালোচনাকারীর ভূমিকায়। অথচ আজ পর্যন্ত ধর্ষিতা নারীকেও, একটি শিশুকেও তারা সহিংসতার হাত থেকে রক্ষা করতে পারেন নি। আর মাদ্রাসায় মক্তবে শিশুরা কাদের দ্বারা প্রতিদিন জঘন্য নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তা সকলেরই জানা। আমরা একটি মহা সংকটকাল অতিক্রম করছি। একটি যুগের সমাপ্তি হবে, নতুন যুগের সূচনা হবে। মানুষের তৈরি সব জীবনব্যবস্থা ব্যর্থ হয়ে গেছে। ধর্ম হয়ে গেছে পরকালের বিষয়। বাস্তবজীবনে মানুষ আর ধর্মের দ্বারা সামজিক শান্তি নিরাপত্তার প্রত্যাশা করে না। এখন মানুষ সময়ের চৌরাত্মায় দাঁড়িয়ে। কোন দিকে যাবে সে? এই গুরুতর  সময়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিলে সে ভুলের মাশুল আর দেওয়া সম্ভব হবে না। শাস্ত্রকানারা নারীদেরকে নাকমুখ ঢেকে, হাতমোজা, পা মোজা পরে ঘরে বসে থাকার কথা বলবে। কিন্তু নারীদেরকে রক্ষা করা দূরে থাক, তারা নিজেদেরকেও রক্ষা করতে পারবে না। তারা মুখে অনেক বড় বড় কথা বলতে পারবে কিন্তু স্বভাবে তারা কাপুরুষ আত্মাবীমুখ। তারা দুটো ভাতের জন্য ধর্ম বিক্রি করে। তারা ঐক্যহীন, একে অপরের ছিদ্র অন্বেষণে ব্যস্ত। ইরাক, সিরিয়া, আফগানিস্তান নারীরা আমাদের দেশের নারীদের থেকেও বেশি পর্দানশিন। তাদের দেশেও মুফতি, মুহাদ্দিসের অভাব ছিল না, কথিত ধার্মিকও কম ছিল না। কিন্তু কেউ তাদেরকে রড়্গা করতে পারেনি।

সুতরাং নারীকে নিরাপত্তা দিতে যে সমাজব্যবস্থা ব্যর্থ হয়েছে তা পরিবর্তন করে আল্লাহর  দীন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা এখন নারীকেও করতে হবে, নিজেদেরই নিরাপত্তার স্বার্থে। ঘরে বসে থাকলে কাল ঘর থেকে তুলে নিয়ে যাবে। বোঝার সুবিধার জন্য ছোট্ট একটি পরিসংখ্যান দিচ্ছি। সারা দেশের থানাগুলোতে ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে ২৬ হাজার ৬৯৫টি ধর্ষণের মামলা রেকর্ড করেছে পুলিশ। স্বভাবতই এর প্রকৃত সংখ্যা আরো অনেক বেশি। এসব মামলার কয়টাতে ন্যায়বিচার পাচ্ছেন নারীরা?

সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন থেকে বাঁচতে সিরিয়া, মায়ানমার, লেবাননের অধিবাসীরা যেমন বাধ্য হয়েছে ছোট ছোট নৌকায় উঠতে, ডুবে মরতে, উদ্বাস্তু শিবিরে অমানবিক জীবনযাপন করতে, তেমনি আজ নয় কাল আমাদের পর্দানশিন নারীদেরকেও বঙ্গোপসাগরে নামতে হতে পারে। সুতরাং ঘর থেকে যেহেতু বের হতেই হবে, সেহেতু আগেই বেরিয়ে যদি বাঁচা যায়, জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে জাগানো যায় তাহলে সেটাই কি ভালো নয়? উপরন্তু কোর’আনের আয়াত ও রসুলালহর শিক্ষা আনুযায়ী নারীদের বাইরের জনসমাগমে চলায় নিষেধাজ্ঞা নেই। শালীন সভ্য পোশাক পরে তারা বাইরে যেতে পারেন। রসুলালস্নাহর (সা.) জীবদ্দশায় এবং তার পরেও নারীরা যুদ্ধের ময়দানে যেতেন, যুদ্ধ করতেন, রসদ সরবরাহ ও আহতদের চিকিৎসা ও সেবা দিতেন। কোনো কারণে মুসলিমরা পিছু হটলে তাদেরকে কখনও আঘাতের ভয়, কখনও অনুপ্রেরণা দিয়ে আবার ময়দানে ফেরত পাঠাতেন। আলস্নাহ বলেন, “মো’মেন পুরুষ ও মো’মেন নারী, তারা একে অপরের বন্ধু বা সহযোগী। তারা সৎ কাজের আদেশ দেয়, এবং অসৎ কাজের নিষেধ করে। সালাহ কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, আলস্নাহ ও তাঁর রসুলের আনুগত্য করে। [আল কোর’আন: সুরা তাওবা ৭১] সুতরাং সৎকাজে আদেশ ও অসৎকাজে বাধাদানের দায়িত্ব পুরুষদের একার নয়, নারীরও। কোনো ইজমা কিয়াস করে আলস্নাহর এই সুস্পষ্ট নীতিকে পাল্টে দেওয়া সম্ভব নয়। তাছাড়া যখন আলস্নাহর দীনই জাতীয় জীবনে প্রতিষ্ঠিত নেই, তখন দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামই মুসলিম জাতির প্রধান দায়িত্ব। এ মুহূর্তে পর্দার বাড়াবাড়ি করে অর্ধেক জনশক্তিকে সংগ্রামে বিরত রাখা আত্মক্ষাতী কাজ। এখন সংগ্রাম করতে গিয়ে কারো যদি কোনো ত্রুটি হয়েও যায়, সেজন্য আল্লাহর নিশ্চয়ই রক্ষা করবেন।

তাই যে যত ইচ্ছা গালিগালাজ করে করুক। এসব ‘মহান গালিবাজদের’ হাত থেকে নবী-রসুলরাও রেহাই পান নি, আমরা তো সামান্য মানুষ। তবে একটা প্রশ্ন রাখতে চাই, যারা নারীদের নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করে বিকৃত আনন্দ পেতে চান তারা কি ইসলামের শিক্ষা মোতাবেক কাজ করছেন? আমি যা বোঝাতে চেষ্টা করলাম তা হলো, এখন সময় সংগ্রামের। সকল অন্যায় অবিচার – সেটা ধর্মের নামেই হোক বা কোনো তন্ত্রের নামেই হোক, আমরা তার বিরুদ্ধে যদি এক হতে পারি, তাহলে দীনের বিজয়, মানবতার বিজয় সুনিশ্চিত ইনশাল্লাহ।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

একসময়ের প্রাণচাঞ্চল্য আজ নীরব: আক্কেলপুরের জাফরপুর রেলস্টেশনে দুর্ভোগে এলাকাবাসী

একসময়ের প্রাণচাঞ্চল্য আজ নীরব: আক্কেলপুরের জাফরপুর রেলস্টেশনে দুর্ভোগে এলাকাবাসী
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার জাফরপুর রেলস্টেশন একসময় ছিল আশপাশের গ্রামের মানুষের যাতায়াত ও জীবিকার অন্যতম কেন্দ্র। ট্রেনের অপেক্ষায় যাত্রীদের ভিড়, স্টেশন ঘিরে হোটেল ও দোকানপাটের ব্যস্ততা…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী

সংবাদ প্রকাশের জেরে আমার দেশ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

সংবাদ প্রকাশের জেরে আমার দেশ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
গাজীপুর সংবাদদাতা:সংবাদ প্রকাশের জেরে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন দৈনিক আমার দেশ-এর শ্রীপুর প্রতিনিধি এস এম…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে প্রতিপক্ষের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কালিয়াকৈর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

গাইবান্ধায় ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

গাইবান্ধায় ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
গাইবান্ধা পৌর এলাকার সবুজপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২৪…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, ধামরাইয়ে মন্দির পরিদর্শন শেষে বিভাগীয় কমিশনার

দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, ধামরাইয়ে মন্দির পরিদর্শন শেষে বিভাগীয় কমিশনার
শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কমিটির নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক দলগুলো মাঠপর্যায়ে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিভাগীয়…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে বদলি দুই প্রান্তের দুই বিদ্যালয়ে!

ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে বদলি দুই প্রান্তের দুই বিদ্যালয়ে!
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে একই উপজেলার দুই প্রান্তের দুটি বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। এর আগে সহকারী শিক্ষক আছমা খাতুনকে…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি!

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি!
গাজীপুর প্রতিনিধি:  গাজীপুরের শ্রীপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি ফৌজদারি মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন দৈনিক আমার…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র চালানো ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার মতো: হাসনাত

জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র চালানো ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার মতো: হাসনাত
জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনাকে ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার সঙ্গে তুলনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন,…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

শর্ত মানলেই সাত দিনের মধ্যে খুলবে হরমুজ প্রণালি: আরাগচি

শর্ত মানলেই সাত দিনের মধ্যে খুলবে হরমুজ প্রণালি: আরাগচি
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্ত মেনে নিলে ছয় দিনের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া সাত…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

তিন বছরের অপেক্ষার অবসান, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী!

তিন বছরের অপেক্ষার অবসান, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী!
ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমীর যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পাওয়ার খবর সামনে এসেছে। দীর্ঘ তিন বছরের অপেক্ষার পর দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি হয়েছে তার। তবে গ্রিন…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

মা ইলিশ সংরক্ষণে ৩৮ জেলার ১১১ এমপিকে মন্ত্রীর নির্দেশনা!

মা ইলিশ সংরক্ষণে ৩৮ জেলার ১১১ এমপিকে মন্ত্রীর নির্দেশনা!
মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফল করা এবং জনসচেতনতা বাড়াতে ৩৮ জেলার ১১১ জন সংসদ সদস্যকে ডিও লেটার দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের!

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের!
বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে প্রাথমিকভাবে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন জাপানি বিনিয়োগকারীরা। এ প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হলে দ্রুত…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতির সঙ্গে বাফুফের বৈঠক, মিলল আর্থিক সহায়তার আশ্বাস!

বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতির সঙ্গে বাফুফের বৈঠক, মিলল আর্থিক সহায়তার আশ্বাস!
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়ালসহ চার সহ-সভাপতি। ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় বাংলাদেশের ফুটবলের…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

মাঝ আকাশে দরজা খুলে ঢাকায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জরুরি অবতরণ, রোগীর মৃত্যু!

মাঝ আকাশে দরজা খুলে ঢাকায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জরুরি অবতরণ, রোগীর মৃত্যু!
ভারতের আগরতলা থেকে কলকাতা যাওয়ার পথে মাঝ আকাশে দরজা খুলে যাওয়ায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স। পরে উড়োজাহাজে থাকা…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বর প্লেট লাগানোর নির্দেশ, সময়সীমা ১৫ নভেম্বর!

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বর প্লেট লাগানোর নির্দেশ, সময়সীমা ১৫ নভেম্বর!
সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী মোটরসাইকেল শনাক্ত করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে মোটরসাইকেলের পেছনের পাশাপাশি সামনের অংশেও রেজিস্ট্রেশন নম্বরসংবলিত প্লেট লাগাতে হবে। বাংলাদেশ সড়ক…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়