আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা।
সভায় বক্তব্য দেন: গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ আলম, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির রংপুর বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ, পৌর বিএনপির সভাপতি রবিউল কবির মনু, সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর লেলিন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাসুদার রহমান আকন্দ এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার।
প্রথমবার প্রকাশ্যে গণনা, লালনের মাজারের দানবাক্সে মিলল ৬ লাখ টাকা!

এ ছাড়া বক্তব্য দেন ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ইনচার্জ মাসুদ রানা, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপক কুমার কর, সহসভাপতি জয় রায় ও সজল দেবনাথ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিকুঞ্জ দেবনাথ, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দাস রন্টু, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক দেবাশীষ কুমার চাকী কাজল, সদস্যসচিব ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা গোবিন্দ কুমার দাস, পৌর নারী নেত্রী কাকলী চৌধুরী এবং উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পি চাকীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা।
সভায় জানানো হয়, এ বছর গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় মোট ১৩৪টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। পূজা সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
সভায় দুর্গাপূজা উদযাপনে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়। পাশাপাশি পূজামণ্ডপে কোনো সন্দেহজনক কার্যক্রম বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি দেখা দিলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়।
আসন্ন দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও পূজা উদযাপন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

















