প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   আমাদের অবস্থা ও করণীয়

আমাদের অবস্থা ও করণীয়

১৭ মার্চ ২০২৩ ০৬:০৩ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

আজিমুল হক
১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর ২৩ বছর এবং ১৯৭১ এ স্বাধীনতার পর পরবর্তী ৫২ বছর একটা জাতির জীবনে লম্বা সময়। বিশেষ করে বর্তমান পৃথিবীর এই দ্রুত জীবনগতির পরিপ্রে¶িতে হাজার বছর আগে একটা জাতির জীবনে পাঁচ’শ বছরে যে পরিবর্তন আসত, আজ তা প্রায় পঁচিশ বছরেই এসে যাচ্ছে। তাই বাংলাদেশের অর্ধশত বছর বয়স কম নয়। এই অর্ধশত বছরে আমারা কী পেয়েছি? তা দেখা প্রয়োজন এবং নতুন করে পথনির্দেশিকা ঠিক করা প্রয়োজন।
স্বাধীনতার পর থেকে আমরা ইউরোপ আমেরিকার বস্তুতান্ত্রিক অগ্রগতির পেছনে দৌঁড়িয়েছি। জাতীয় চেতনা তথা দায়িত্ববোধ ভুলে গরিব জনসাধারণকে আরও দারিদ্র্যের মুখে ঠেলে দিয়েছি পাশ্চাত্য যান্ত্রিক সভ্যতার অনুকরণে। ফলে দেশের মানুষের আত্মা কলুুষিত করে গরীবের শোষণের মাধ্যমে যা কিছু অর্জিত হয়েছে, তা সীমাবদ্ধ হয়েছে অল্পসংখ্যক লোকের হাতে। রাজনীতির বেলায়ও একই কথা। আমাদের এককালের প্রভু ব্রিটিশের রাজনৈতিক দর্শনকে হীনমন্যতাবশত অনুকরণের ব্যর্থ প্রয়াস হয়েছে। দেখা দিয়েছে চরিত্রহীন ও অপরিণামদর্শী, স্বার্থকেন্দ্রিক দলাদলি, হীন পন্থায় সরকার বদলাবদলি আর গদির কোন্দল। শি¶া¶েত্রের অবস্থা আরও শোচনীয়। স্বাধীনতার আগে যে শি¶ানীতি প্রচলিত ছিল, তা ছিল সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশের তৈরি করা। তাদের নিজেদের দেশের জন্য নয়, বিশেষ করে ভারতবর্ষের জন্য। কারণ তারা দেখতে পেয়েছিলো যে, এই বিরাট দেশকে শাসন করতে যে লোক সংখ্যার প্রয়োজন তা বিলেত থেকে আমদানি করা সম্ভব নয়। অন্যদিকে এদেশের মানুষকেও সত্যিকার শি¶িত করে তোলা ঠিক হবে না, তাহলে বিপদ হতে পারে। তাই তী¶্নবুদ্ধির ব্রিটিশ জাতি ভারতের জন্য এমন একটা শি¶াব্যবস্থা তৈরি করল যাতে সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙে। অর্থাৎ ভারতবাসীকে ইংরেজি অংক, ভূগোল, বিজ্ঞান কিছু বিকৃত ইতিহাস শি¶া দিলো, কিন্তু সাবধাণ রইল যেন কোন শত্রু সৃষ্টি না হয়। আর তারা যে এ কাজে সফল হয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। 
দেশ স্বাধীন হবার সঙ্গে সঙ্গে প্রধান কর্তব্য ছিলো পরাধীন শি¶াব্যবস্থা ভেঙে দিয়ে নতুন এমন এক ব্যবস্থার প্রবর্তন করা যা একটা স্বাধীন জাতির জন্য প্রযোজ্য; যা দেশের ভবিষৎ নাগরিকদের শি¶িত করবে, মানুষ করবে। কিন্তু নেতারা ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থে গদি নিয়ে এমন মারামারি কাটাকাটিতে ব্যস্ত রইলেন যে, তা করা আজও হয়নি। আজ কি অবস্থা? শি¶া মানে লেখাপড়া নয়। শি¶ার প্রধান দানÑ বিনয়, নম্রতা, নিষ্ঠা, সততা ইত্যাদি। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে স্বাধীনতার পরবর্তী ৫০ বছরে ৮০ জন ছাত্র খুন হয়েছে শুধুমাত্র প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলে খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৯ জন ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১০০ জনের বেশি (প্রথম আলো)। হাজার হাজার শি¶ক শি¶িকা লাঞ্ছিত, অপমানিত, মারধর এমনকি খুনও হয়েছেন। আর বন্দুকযুদ্ধ ছুরি মারামারি, আহততের সংখ্যার তো কোন সীমা পরিসীমা নেই, সঠিক কোন পরিসংখ্যানও নেই। এই হচ্ছে ঘৃণ্য রাজনীতির ফল। 
আর আর্থিক অবস্থা? যে ব্রিটিশ জাতি দু’শতাব্দী ধরে আমাদের শাসন করল, তারা যাবার সময় তাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থার সাথে তাদের পূঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থাও আমাদের নেতাদের হাতে তুলে দিয়ে গেল। আর আমাদের নেতারা নির্বিচারে সেই ব্যবস্থা চালু রাখলেন, এমন কি কোন রদ-বদল পর্যন্ত করলেন না। একটি পরাধীন জাতিকে শোষণ করে তার জনসাধারণকে অন্তঃসারশূন্য করে ফেলাই ছিলো যে অর্থনেতিক কাঠামোর উদ্দেশ্য, সেটাই চালু রইলো একটা স্বাধীন দেশের অর্থব্যবস্থা হিসাবে। 
এখন প্রশ্ন হলোÑ এমন কেন হলো? আমাদের নেতারা এমন নির্বিচারে বিদেশী সমাজব্যবস্থা কেমন করে মেনে নিয়ে তা দেশের ওপর চাপিয়ে দিলেন? এ প্রশ্ন নিয়ে লম্বা আলোচনা এ ছোট নিবন্ধে সম্ভব নয়। কিন্তু অল্প কথায় শুধু এটুকু বলা সম্ভব যে, দীর্ঘদিন পরাধীনতা এবং গোলামি শি¶ার অন্যতম ফলস্বরূপ আমরা গভীর হীনমন্যতায় ভুগছি। পাশ্চাত্য সভ্যতার সবকিছুই আমাদের কাছে চরম ভালো মনে হচ্ছে। তাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থা সর্বশ্রেষ্ঠ, তাদের অর্থনৈতিক সমাধানের ওপর আর কোন সমাধান নেই, মোট কথা তারাই সব, তারাই শ্রেষ্ঠ। আমরা জন্মেছি তাদেরই অন্ধ অনুসরণ করার জন্য। আমাদের কোন জীবনাদর্শ নেই, কোন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক সামাজিক ব্যবস্থা নেই। আমাদের বড় বড় নেতারা আর তাদের অনুসারীরা কেউ আমেরিকা, কেউ ব্রিটেন তো কেউ জার্মানির পূজারি। এই হলো পঞ্চাশ বছরের হীনমন্যতার বিকৃত মনোবৃত্তির কুফল। 
ব্রিটিশের দেওয়া পার্লামেন্টারি গণতন্ত্রের অবশ্যম্ভাবী ফলরূপে পাকিস্তান আমলে দেখা দিলো সামরিক শাসন। সামরিক শাসক আইয়ুব খানের শাসন শেষ হবার পর আমাদের আবার এক সম্ভাবনা আল্লাহ দিয়েছিলেন নতুন করে পথ বেছে নেবার। আমরা আবার ভুল করি। আমাদের মধ্যে আজ পর্যন্ত সেই ভুলকে কাটিয়ে উঠার মতো ধী-শক্তির উত্থান ঘটেনি। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা আজ মোটামুটি তিনটি ভাগে বিভক্ত। কয়েকটি দল পশ্চিমা গণতন্ত্র এবং ব্রিটিশ-আমেরিকা তথা পশ্চিমাদের অনুকরণে পার্লামেন্টারি পদ্ধতিতে বিশ্বাসী। কয়েকটি দল সমাজতন্ত্র এবং রাশিয়া ও চীনা কমিউনিজমকে সর্বব্যাধির মহৌষধ মনে করেন। তৃতীয় দল ইসলামি সমাজ এবং রাষ্ট্রব্যবস্থাই শ্রেষ্ঠ মনে করেন। এই দলগুলোর আবার বেশ কয়েকটি উপদলও আছে। এখন আমাদের কী করণীয়? করণীয় হচ্ছে তাদের প্রত্যেকটি দল উপদলের ভিত্তি কি সেটা ভালো করে যাচাই করা এবং আমাদের ভবিষ্যৎ কর্ম পন্থা নির্ধারণ করা। 
বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক যে মতামতের কথা বললাম, তাদের প্রথম দুটি ভাগ হলো গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র এই দু’টিই হীনমন্যতার দরুণ বিদেশ থেকে আমদানি করা আদর্শ। মানুষ পরের জিনিস কখন গ্রহণ করে? যখন সে মনে করে তার নিজের কিছু নেই বা থাকলেও পরেরটার চেয়ে খারাপ। তখনই মানুষ পরেরটা গ্রহণ করে। দু’শো বছর শাসন করে ব্রিটিশ তার শি¶াব্যবস্থার মাধ্যমে আমাদের মনে বসিয়ে দিয়ে গেল যে আমাদের কোন জীবনব্যবস্থা নেই কিংবা থাকলেও তা নিকৃষ্ট। এই হীনমন্যতা থেকে আমাদের নেতারাও বাদ ছিলেন না। কারণ তারাও ঐ শি¶াই পেয়েছিলেন তাই পাকিস্তান হবার পর তাদের শেখানো সেই বস্তুবাদী পশ্চিমা ব্যবস্থাই তারা আমাদের ঘাড়ে চাপালেন। ফল কী হলো? ফল সবারই মনে আছে। বিদেশী শাসকের বিকৃত শি¶ার বিষময় ফল যে গভীর হীনমন্যতা আমাদের মন ও মগজে ঢুকেছে, বিশেষ করে আমাদের তথাকথিত শি¶িত সমাজে তা থেকে খানিক¶াণের জন্য মনকে মুক্ত করতে না পারলে আমার কথা বোঝা সম্ভব নয়। 
প্রথম প্রশ্ন হচ্ছে, আল্লাহ আছেন কি না? যদি বলেন নেই, তাহলে আর কোন কথা নেই। কারণ আমার যা কিছু বলার, তা সমস্তই আল্লাহকে ভিত্তি করে। অথব যারা মনে করেন আল্লাহ আছেন তাদের উদ্দেশ্যেই আমার পরবর্তী আলোচনা। 
সৃষ্টির সর্বপ্রথম মানুষ আদম (আ.)-কে আল্লাহ নবী করে পাঠিয়েছেন এবং তাকে দান করেছেন জীবনবিধান। এমনি করে আল্লাহ যুগে যুগে নবী-রসূল পাঠিয়ে মানুষকে জীবনপথ দিয়েছেন। এভাবে চলে এসেছে ল¶ ল¶ বছর। তাঁরা এসে মানুষকে বলেছেন আল্লাহর জীবনবিধানকে গ্রহণ করে নিতে। মানুষ তা গ্রহণ করেছে এবং তার ফলে তাদের ব্যক্তিগত এবং সমষ্টিগত জীবন সুখে-স্বাচ্ছন্দে ভরে উঠেছে। কিন্তু তারপর কী হয়েছে? দু’চারশ’ বছর পরই মানুষের ভেতরকার শয়তান মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। অহংকার, লোভ, হিংসা, যশ এবং নেতৃত্বের মোহের বশবর্তী হয়ে তারা আল্লাহর মনোনীত জীবনবিধানের বিকৃতি সাধন করেছে, সবচেয়ে ¶তিকর যেটা করেছে তা হচ্ছে ঐ জীবন-পথের ভেতরকার আসল মর্ম ভুলে গিয়ে শুধু বাহ্যিক অনুষ্ঠান বা কঙ্কালটা নিয়ে তারা ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এমন কি তারা আল্লাহ্র দেওয়া গ্রন্থে নিজেদের স্বার্থপ্রণোদিত মতামত ঢুকিয়ে বা বাদ দিয়ে তার বিকৃতি ঘটিয়েছে। এর অবশ্যম্ভাবী ফলরূপে দেখা দিয়েছে আবার অন্যায়, অশান্তি, রক্তপাত। 
তখন আল্লাহ পুনরায় নবী পাঠিয়ে মানুষদের শান্তির পথে উঠিয়েছেন তাঁর দেওয়া জীবনব্যবস্থা দিয়ে। এই জীবনব্যবস্থা কখনও এসেছে একটা জাতির জন্য, কখনও একটা সম্প্রদায়ের জন্য, কখনও একটা গোষ্ঠীর জন্য। সে সব জীবনব্যবস্থার রূপগুলো নির্ভর করেছে সেই সেই জাতি, গোষ্ঠী বা পরিবারের অবস্থার ওপর। কিন্তু বেসিক অর্থাৎ বুনিয়াদ একই থেকেছে কিন্তু অপে¶াকৃত কম প্রয়োজনীয় আদেশ- নির্দেশগুলো ঠিক সেই সময়ের সেই অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আল্লাহ দান করেছেন। কিন্তু বিশ্বনবী মোহাম্মদ (সা.) কে আল্লাহ পাঠালেন সমগ্র মানবজাতির জন্য। তিনি এসে শেষ জীবনবিধান মানুষের সমষ্টিগত জীবনে কার্যকরী করার ফলে জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দু’টি অংশ অর্থাৎ নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সুবিচার নিশ্চিত করেন। একজন যুবতী মেয়ে একা শত শত মাইল পথ ভ্রমণ করত, তার মনে কোন প্রকার ¶তির আশঙ্কাও জাগ্রত হত না। মানুষ রাতে শোওয়ার সময় ঘরের দরজা বন্ধ করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না, রাস্তায় ধনসম্পদ হারিয়ে ফেললেও তা পরে যেয়ে যথাস্থানে পাওয়া যেত, চুরি, ডাকাতি, হত্যা, রাহাজানী প্রায় নির্মূল হয়ে গিয়েছিল, আদালতে মাসের পর মাস কোন অপরাধ সংক্রান্ত মামলা আসত না এমন নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। 
আর অর্থনৈতিক দিক থেকে প্রতিটি মানুষ এমনভাবে স্বচ্ছল হয়েছিল যে, মানুষ যাকাত ও সদকা দেওয়ার জন্য টাকা পয়সা নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াত কিন্তু সেই টাকা গ্রহণ করার মতো লোক পাওয়া যেত না। শহরে নগরে লোক না পেয়ে মানুষ মরুভূমির অভ্যন্তরে যাকাত দেওয়ার জন্য ঘুরে বেড়াত। মানবরচিত কোন জীবনব্যবস্থাই এর একটি ভগ্নাংশও মানবজাতিকে উপহার দিতে পারে নাই। এই অকল্পনীয় শান্তিময় অবস্থা কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিল? এর একমাত্র কারণ, মানুষ মানবরচিত সকল ব্যবস্থা, বিধান প্রত্যাখ্যান করে তার স্রষ্টার দেওয়া জীবনব্যবস্থা গ্রহণ এবং জাতীয় ও ব্যক্তিগত জীবনে সামগ্রিকভাবে প্রয়োগ করেছিল অর্থাৎ ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ (আল্লাহ ছাড়া আর কারও বিধান গ্রহণ করি না) এই মূলমন্ত্রের ভিত্তিতে জীবন পরিচালনা করেছিল।
এখানে আমি যে জীবনব্যবস্থা (দীন) প্রতিষ্ঠার কথা বলছি আর বর্তমানে ইসলাম বলে যে ধর্মটি চালু আছে এই দু’টি এক জিনিস নয়। আমি সেই প্রকৃত ইসলামের কথা বলছি যা আল্লাহ তাঁর নবী-রসুলের মাধ্যমে পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন, যে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ফলে অর্ধ-দুনিয়ার মানুষকে অতুলনীয় শান্তি ও নিরাপত্তার স্বর্ণযুগ উপহার দিয়েছিলো। সেই প্রকৃত ইসলাম গত চৌদ্দশ বছরের কালপরিক্রমায় বিকৃত হতে হতে বর্তমানে একেবারে বিপরীতমুখী হয়ে গেছে। তথাকথিত আলেম শ্রেণী এই বিকৃত ইসলামটিকে তাদের রুটি রুজির মাধ্যম বানিয়ে নিয়েছে। এখন মানবরচিত সমস্ত ব্যবস্থা, তন্ত্র ব্যর্থ হবার পর আল্লাহর দেওয়া দীন (জীবনব্যবস্থা) আবার কার্যকরী করে দেখা ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই মানবজাতির সামনে সেটা ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো!

রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো!
আগামীকাল রোববার বাংলাদেশে আসতে পারেন বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ভুটানের রাজধানী থিম্পু সফরে যাওয়ার পথে স্বল্প সময়ের জন্য ঢাকায় ট্রানজিট নেওয়ার…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

শ্রীল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন

শ্রীল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার শ্রীভল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন। পরিদর্শনকালে তিনি মন্দির প্রাঙ্গণে সনাতন…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও আর্থিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করতে ভাতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায়…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা

বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা
বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

সাদুল্লাপুরে ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ

সাদুল্লাপুরে ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় একটি ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত নারীর আনুমানিক বয়স ৪০ থেকে ৪৫ বছর।…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

ইপিডিএবি -এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ইপিডিএবি -এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
ইলেকট্রনিক্স পণ্য পরিবেশক সমিতি বাংলাদেশ তথা ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্টস ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইপিডিএবি)-এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মাধ্যমে সংগঠনটির পথচলায় এক…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ফুলবাড়ীতে বিএনপির সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ

ফুলবাড়ীতে বিএনপির সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় বিএনপির সদ্যঘোষিত আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন দলটির একাংশের নেতাকর্মীরা। কমিটিতে ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে ৯০ কেজির বাঘাইড় মাছ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে ৯০ কেজির বাঘাইড় মাছ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের পুটিমারী এলাকায় স্থানীয় এক জেলের জালে ৯০ কেজি ওজনের একটি বিশালাকার বাঘাইড় মাছ ধরা পড়েছে। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) মাছটির ছবি…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

রৌমারীতে ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫

রৌমারীতে ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫
শাহ আলম, কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কর্তিমারী এলাকায় ডিসি সড়কে মালবোঝাই ট্রাক ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর)…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত চিকিৎসক!

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত চিকিৎসক!
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আকস্মিক পরিদর্শনে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের নিজ কক্ষে ধূমপান করতে দেখা যায় সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে। এ সময় কক্ষের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশও…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

কালিয়াকৈর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন

কালিয়াকৈর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন
মোঃ শফিকুল ইসলামকালিয়াকৈর ( গাজীপুর) প্রতিনিধিগাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুরস্থইবনে সিনা  ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড  এর হারবাল শাখায় শনিবার বিকেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ওষুধের মেশিন ও গোডাউনে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, রয়েছে ৩ শিশুও!

নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, রয়েছে ৩ শিশুও!
ভারতের গ্রেটার নয়ডায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃতদের মধ্যে রয়েছে তিন শিশুও। শুক্রবার রাতে নুডলস খাওয়ার পর ঘুমাতে যান পরিবারের সদস্যরা।…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জাহাজ চলাচলে কঠোর হুঁশিয়ারি!

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জাহাজ চলাচলে কঠোর হুঁশিয়ারি!
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সাম্প্রতিক সময়ে এই নৌপথে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, স্ত্রীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় আশিকুল!

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, স্ত্রীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় আশিকুল!
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে স্ত্রীসহ পরিবারের ছয় সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় ভেঙে পড়েছেন আশিকুল ইসলাম। আনন্দঘন ভ্রমণে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!
মধ্য আমেরিকার দেশ পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬টি পরকম্পন বা আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ৯ অক্টোবরের ভূমিকম্পের পর দেশটির…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক