প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   “কোর’আন শিক্ষার বিনিময় হবে আগুনের...

“কোর’আন শিক্ষার বিনিময় হবে আগুনের বেড়ি”

১ মার্চ ২০২৩ ০৫:১২ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

ধর্ম এসেছে সকল মানুষের কল্যাণ সাধনের জন্য। এটি তাই কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থসিদ্ধির মাধ্যম হতে পারে না। ধর্মের কাজ করতে গেলে স্বার্থ ত্যাগ করতে হয় এবং বিনিময় কেবল আল্লাহর নিকট থেকে আশা করতে হয়। অথচ আজ একশ্রেণীর আলেম নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য ইসলামকে নিজেদের সুবিধামতো ব্যবহার করছেন। তারা ইসলামের বিভিন্ন কাজ করে যেমন- নামাজ পড়িয়ে, মিলাদ পড়িয়ে, মোনাজাত করিয়ে, জানাযা পড়িয়ে, কবর জিয়ারত করে, তারাবি পড়িয়ে, কোরআন খতম দিয়ে, মসজিদের ইমামতি করে অর্থাৎ ধর্মের কাজ করে বিনিময় গ্রহণ করছেন, ধর্মকে নিজেদের কায়েমী স্বার্থ হাসিলে ব্যবহার করছেন। যখনই দেখা যাবে কেউ ধর্মের নাম দিয়ে ব্যক্তিগত বৈষয়িক স্বার্থ, গোষ্ঠীস্বার্থ, রাজনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধি করছে তখনই বুঝতে হবে যে এটা ধর্মব্যবসা।

পূর্ববর্তী সকল নবী-রসুল এই ধর্মব্যবসার বিরুদ্ধে ছিলেন। তারা ধর্মের কাজ করে কোন অবস্থাতেই বিনিময় গ্রহণ করতেন না। এ বিষয়ে পবিত্র কোর’আনে বহু আয়াত রয়েছে। আমরা আজকে যেভাবে সুদ খাওয়াকে হারাম মনে করি, শুকরকে হারাম বলে ঘৃণা করি ঠিক তেমনি তাঁরাও ধর্মব্যবসাকে হারাম মনে করতেন এবং ঘৃণা করতেন। অথচ আজকে আমাদের সমাজে ধর্মব্যবসার মতো এই ঘৃণ্য কাজটিকে বিভিন্ন অসিলায় বৈধ বানিয়ে নেওয়া হয়েছে। এক শ্রেণির আলেম কীভাবে এই হারাম ধর্মব্যবসাকে জায়েজ করে নিয়েছেন তা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। ধর্মের পণ্ডিতগণ কী সূক্ষ্ম কলাকৌশলের মাধ্যমে পার্থিব স্বার্থে ইসলামের বিধানকে কেবল বিকৃত নয়, বিপরীতমুখী করে দিতে পারেন তা বোঝার জন্য একটি হাদিস নিয়ে আলোচনা করাই যথেষ্ট।

আসহাবে সুফফার অন্যতম সাহাবী উবাদাহ বিন সামিত (রা.) বলেন, “আমি আহলে-সুফফার কিছু লোককে লেখা এবং কোর’আন পড়া শেখাতাম। তখন তাদের একজন আমার জন্য একটি ধনুক হাদিয়া হিসেবে প্রেরণ করে। তখন আমি ধারণা করি যে, এ তো কোনো মাল (সম্পদ) নয়, আমি এ দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় তীরন্দাযী করবো।

আরও পড়ুন

ফিলিস্তিনের বেদনাহত ইতিহাস

Screenshot 1

এরপর রসুলাল্লাহর (সা.) নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করি: ইয়া রসুলাল্লাহ (সা.)! আমি যাদের কোর’আন পড়া এবং লেখা শিখাই, তাদের একজন আমাকে হাদিয়া হিসেবে একটি ধনুক প্রদান করেছেন, যা কোনো সম্পদই নয়। আমি এ দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় তীরন্দাযী করবো। এ কথা শুনে আল্লাহর রসুল বললেন, তুমি যদি তোমার গলায় জাহান্নামের কোনো বেড়ি পরাতে চাও তবে তুমি তা গ্রহণ করো।’ (হাদিস: উবাদা ইবন সামিত (রা.) আবু দাউদ চতুর্থ খণ্ড, হাদিস নং- ৩৩৮১ সুনানে আবু দাউদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

সম্মানিত পাঠক, এখানে কয়েকটি বিষয়ের দিকে লক্ষ্য করুন।

প্রথমত, কোর’আন শিক্ষাদানের বিনিময়ে ঐ সাহাবি যখন ধনুক উপহার পান তখন তিনি সেটা এই ভেবে গ্রহণ করেন যে ধনুকটি তো তিনি নিজের কাজে ব্যবহার করবেন না, বরং জেহাদের কাজে এটি ব্যবহার করবেন। সুতরাং এটা গ্রহণ করা হারাম হবে না। তবু তাঁর মনে সন্দেহের একটি কাঁটা থেকে গেল। কারণ সব সাহাবীই জানতেন কোর’আন শেখানোসহ দীনের যে কোনো কাজের বিনিময়ে পার্থিব মূল্য গ্রহণ করা মানে আগুন ভক্ষণ করা। সুরা বাকারার ১৭৪ নম্বর আয়াতটি তাদের অজানা ছিল না, যেখানে আল্লাহ বলেছেন, “আল্লাহ যে কেতাব অবতীর্ণ করেছেন যারা তা গোপন করে এবং বিনিময়ে তুচ্ছ মূল্য গ্রহণ করে তারা- (১) নিজেদের পেটে আগুন ছাড়া কিছুই পুরে না, (২) কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাদের সঙ্গে কথা বলবেন না, (৩) আল্লাহ তাদের পবিত্রও করবেন না, (৪) তারা ক্ষমার পরিবর্তে শাস্তি ক্রয় করেছে, (৫) তারা হেদায়াতের পরিবর্তে পথভ্রষ্টতা বা গোমরাহী ক্রয় করেছে, (৬) তারা দীন সম্পর্কে ঘোরতর মতভেদে লিপ্ত আছে, (৭) আগুন সহ্য করতে তারা কতই না ধৈর্যশীল”। আর সুরা ইয়াসিনের ২১ নম্বর আয়াতে তিনি এও বলেছেন, “তোমরা তাদের অনুসরণ করো যারা তোমাদের কাছে বিনিময় আশা করে না এবং যারা সঠিক পথে আছে।” (আল কোর’আন: সুরা বাকারা ১৭৪)। তাই সাহাবি ওবায়দাহ বিন সামিত (রা.) নিশ্চিত হওয়ার জন্য রসুলাল্লাহর (সা.) কাছে জিজ্ঞাসা করলেন। দ্বিতীয়ত, তিনি কিন্তু ধনুকটি চেয়ে নেন নি বরং সেটা তাঁকে হাদিয়া হিসাবে দেওয়া হয়েছিল। তথাপি রসুলাল্লাহ (সা.) সেটা গ্রহণ করতে দিলেন না। সুতরাং ইসলাম শিক্ষা দেওয়ার প্রেক্ষিতে উপহারও গ্রহণ করা যাবে না। করলে সেটা জাহান্নামের কারণ হবে।

এত সাংঘাতিক একটি বিষয়কেও পরবর্তী যুগের আলেম ওলামারা ইজমা কিয়াস করে জায়েজ বানিয়ে নিয়েছেন, দীনের অপরিহার্য অঙ্গে পরিণত করেছেন। দীনের বিনিময় গ্রহণের বিপক্ষে কোর’আনে অন্তত অর্ধশত আয়াত আছে, তারপরও এ নিয়ে ইজমা কিয়াস করে ভিন্ন ফতোয়া আবিষ্কারের সুযোগ আদৌ থাকে কি? অবশ্যই থাকে না। কারণ স্বয়ং ইমাম আবু হানিফা (র.) বলেছেন, “আমার কোনো মতামত যদি কোর’আন সুন্নাহর সাথে সাংঘর্ষিক হয় তাহলে আমার ফতোয়াকে দেওয়ালে ছুঁড়ে মারবে।” তাহলে যেটা জাহান্নামের বেড়ি হয় সেটা জায়েজ হয় কী করে? সেটা নিঃসন্দেহে কুফর এবং হারাম তো বটেই।

ইমাম আবু হানিফা (রহমতুল্লাহি আলাইহি) কিন্তু ধর্মব্যবসায়ী ছিলেন না, তিনি ছিলেন কাপড়ের ব্যবসায়ী। আর তার পরবর্তী বহু বিখ্যাত মনীষী ব্যবসায়ী অথবা কারিগর ছিলেন। তারা জানতেন ধর্মব্যবসা অর্থাৎ ইসলামের কাজ করে অর্থোপার্জনের মতো নিকৃষ্ট জীবিকা আর কিছু হতে পারে না। ইমাম আহমদ ইবনে আমর (আবু ইউসুফ) ছিলেন জুতা প্রস্তুতকারী। তিনি একদিকে জুতা তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন, আবার অপরদিকে খলিফা মুহতাদি বিল্লাহর জন্য “কিতাবুল খারাজ” বা “ইসলামের রাজস্বনীতি” প্রণয়ন করছিলেন। এই সময়ে তিনি ফেকাহ শাস্ত্রের ওপর নিজের মূল্যবান গ্রন্থাবলী প্রণয়ন সমাপ্ত করতেন।

শাফেয়ী মাজহাবের অন্যতম ইমাম আবু বকর মোহাম্মদ কাফফাল শাশী এর হাতে তালা বানানোর দাগ পরিদৃষ্ট হতো, ইবনে কাহতান দুবাগা দর্জির কাজ করতেন, খ্যাতনামা ইমাম জাসসাস ছিলেন কাঁচপাত্র নির্মাতা। যারা তাদের ক্ষুরধার মেধাকে কাজে লাগিয়ে ইসলামের বিধিবিধানকে সন্নিবেশন করে ফেকাহ শাস্ত্রগুলো তৈরি করে গেলেন তারা ওগুলোর বিনিময়ে এক পয়সাও রোজগার করেন নি। তারা ওগুলো করেছেন সমাজের প্রয়োজনে। বিচার করতে আইনের বই লাগবেই, রাজস্বের কাজ করতে অর্থনীতির বই লাগবেই। তখন ইসলামের শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত ছিল, তাই এই মানুষগুলো কষ্ট করে এই গ্রন্থগুলো প্রণয়ন করেছেন মানুষের কল্যাণার্থে।

এবার আসি বর্তমান সময়ে। এ সময়েও অনেক ওলামায়ে কেরাম আছেন যারা এই পুরোহিততন্ত্রের বিরুদ্ধে কথা বলেন। ভারতবর্ষের বিখ্যাত দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসার শায়েখুল হাদিস মুফতি সাঈদ আহমেদ পালানপুরি সেখানকার নবীন আলেমদের উদ্দেশে প্রদত্ত উর্দু বয়ানে বলেন, “আলেমগণ জীবিকা উপার্জনের জন্য মসজিদ-মাদরাসা নির্ভর না থেকে অন্য যেকোনো পেশা গ্রহণ করতে পারেন। বর্তমানে মাদরাসায় পড়ানো কিংবা মসজিদে ইমামতি করার পাশাপাশি রোজগারের জন্য কোনো ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়ানো অনেকেই খারাপ মনে করে থাকেন। ভাবেন, আলেম মানেই তো শুধু মাদরাসা, মসজিদ, খানকা নিয়েই পড়ে থাকা। সাধারণের পাশাপাশি এমনটা আলেমরাও ধারণা করে বসছেন আজকাল। অথচ নিজ হাতে জীবিকা উপার্জন করা একটা উত্তম কাজ। এটা তাকওয়া, পরহেজগারির বিপরীত কোনো বিষয় নয়। বোখারি শরিফের ২৭৮ নম্বর পৃষ্ঠায় এ সম্পর্কে একটি স্বতন্ত্র অধ্যায়ও রয়েছে।

তাছাড়া নবী-রসুল (সা.) সাহাবায়ে কেরাম ও আকাবিরদের প্রায় প্রত্যেকেই ধর্মীয় কাজের পাশাপাশি সংসার পরিচালনার জন্য কোনো একটি পেশা বা কাজ বেছে নিয়েছিলেন। দাউদ (আ.) রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি লৌহবর্ম তৈরি করতেন। সোলাইমান (আ.) ঝুড়ি বানাতেন। এই তো কয়েক শ’ বছর আগেও বাদশাহ আওরঙ্গজেব (রহ.) নিজ হাতে কোর’আন শরিফ লিপিবদ্ধ করতেন এবং তা বিক্রি করতেন। আজও দারুল উলুম দেওবন্দের কুতুবখানায় তার হাতে লেখা কোর’আনে কারিমের সেই কপি বিদ্যমান।

দারুল উলুম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠার আগে শাইখুল ইসলাম মাওলানা কাসেম নানুতুবি (রহ.) মিরাটের একটি ছাপাখানায় প্রুফ দেখার কাজ করতেন। দারুল উলুম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠার পর তা ছেড়ে দেওয়ার তাগাদা দিয়ে চিঠি দেওয়া হলো। তিনি আরজ করলেন, ‘সব ছেড়ে দিলে আমার পরিবারের খরচ বহন করব কী করে!’ তাহলে কি তার মাঝে কোনো তাকওয়া, পরহেজগারি ছিল না? অবশ্যই ছিল। অধিক তাকওয়ার ফলেই দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে তিনি কোনো দিনও বেতন গ্রহণ করতেন না।

বর্তমানে আমাদের পথপ্রদর্শক দারুল উলুম দেওবন্দের শিক্ষকবৃন্দ অধ্যাপনার পাশাপাশি কোনো না কোনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে আছেন। আমি নিজেও বহুদিন কুতুবখানায় কাজ করেছি। ছাপানো, বাইন্ডিং সব নিজ হাতে করেছি। কারো সহযোগিতা নেইনি কখনো। দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে ভাতা গ্রহণ করে আবার লিল্লাহ ফান্ডে ওয়াকফ করে দিই আজ অবধি।

আলেমরা মাদরাসা-মসজিদ, মক্তব, খানকা সবই দেখবেন। পাশাপাশি প্রয়োজনমাফিক জীবিকা উপার্জনের জন্য যেকোনো একটি কাজে লেগে যাবেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে, যেন ধর্মীয় কাজে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে। পড়া, পড়ানো, খাওয়া, ঘুম ছাড়া আমাদের হাতে যথেষ্ট সময় থাকে। সে সময়টা অযথা নষ্ট না করে উপার্জনের উদ্দেশ্যে কোনো না কোনো কাজে ব্যয় করা উচিত। কাগজ কিনে লেখালেখি করা বা সেলাই মেশিন কিনে ঘরে বসে কাজ করে হলেও। এতটুকু শ্রমও সংসার পরিচালনার জন্য যথেষ্ট। এজন্য জীবিকার উদ্দেশ্যে শুধু মাদরাসায় পড়ানো বা মসজিদে ইমামতি করার ওপর ভরসা করা উচিত নয়। এতে কোনো বুজুর্গি নেই; বরং নিজ হাতে উপার্জন করে বৈধপন্থায় সম্মানের সঙ্গে জীবন যাপন করাই মো’মেনের উত্তম কাজ।”

অথচ আজকের মাদ্রাসাগুলোতে এমন নিঃস্বার্থ ফকিহ ও আলেমদের লেখা বই পাঠ করে আলেম সনদ নিয়ে যারা বেরিয়ে আসেন, ফেকাহর কেতাব পাঠ করার অহঙ্কারে তাদের পা জমিন স্পর্শ করে না। অথচ তারা আল্লাহর রসুল, আসহাবসহ সেই প্রাথমিক যুগের ইমামদের আদর্শকে সম্পূর্ণরূপে বিস্মৃত হয়ে বহু দূরে নিক্ষেপ করে, পৌরোহিত্য করাকে, দীনের জ্ঞান বিক্রি করাকে, ইমামতি করাকে পেশায় পরিণত করেছেন। আদর্শচ্যুতির কী করুণ দৃষ্টান্ত!

ইসলাম নিয়ে ব্যবসা করার কারণে ইসলাম আজ বিকৃত হতে হতে বিপরীতমুখী হয়ে গেছে। বিপরীত ইসলাম পালনকারী মুসলিম জাতির পরিণতিও হয়েছে প্রকৃত উম্মতে মোহাম্মদী জাতির বিপরীত। প্রকৃত উম্মতে মোহাম্মদী ছিল পৃথিবীর সেরা জাতি, আর আমরা হয়েছি পৃথিবীর সকল জাতির মধ্যে নিকৃষ্ট, সকল জাতির গোলাম। আল্লাহর হুকুম পরিত্যাগ করে আমরা পাশ্চাত্যের রচিত জীবনবিধান মেনে চলছি। আমাদের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা চলছে তাদের তৈরি করা নিয়ম দিয়ে। আমরা সর্বত্র সকল জাতির দ্বারা অপমানিত, লাঞ্ছিত, নির্যাতিত। এই দুর্দশা থেকে যদি আমরা মুক্তি পেতে চাই তাহলে আমাদেরকে তওহীদের পক্ষে, আল্লাহর হুকুমের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এই ঐক্যের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ধর্মব্যবসায়ী শ্রেণিটি যারা ইসলামকে কুক্ষিগত করে রেখেছে। তাই ধর্মব্যবসার মুখোস আজকে খোলা অনিবার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে, মুসলিম জাতির অস্তিত্বের স্বার্থে, মানবজাতির কল্যাণের স্বার্থে।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে বরিশালের মানচিত্র: বছরে বাস্তুহারা লক্ষাধিক মানুষ

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে বরিশালের মানচিত্র: বছরে বাস্তুহারা লক্ষাধিক মানুষ
নদীবেষ্টিত জেলা বরিশালের চারদিক দিয়ে বয়ে চলেছে কীর্তনখোলা, পদ্মা ও মেঘনাসহ অসংখ্য নদী। এসব নদীর অব্যাহত ভাঙনে প্রতি বছর বদলে যাচ্ছে জেলার মানচিত্র। মাইলের পর…
 ১০ জুন ২০২৬    নির্বাচিত

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত থামার আগেই শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনা

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত থামার আগেই শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনা
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা হামলার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা শুরু…
 ১০ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে জাতীয় সংসদে কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দলীয় নেতার আনা একটি নোটিশের ওপর আলোচনায়…
 ৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ
সরিষাবাড়ি (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সামগ্রী ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রশাসনিক…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন
শ্রীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন এবং পরিচিতি সভা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলার জৈনা বাজারে সমিতির নিজস্ব…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮
লেবাননে হামলা চললে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইরান। তবে সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ লেবাননের তায়ের বন্দর নগরীতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি…
 ৯ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আনিছুর রহমান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ…
 ৭ জুন ২০২৬    ঢাকা

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ও ময়লা জমে থাকায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫
দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল এবং বাকি…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা
কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার সময় আহত হয়ে ঈদের দিন ও পরের দিন মিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ২৭২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে এই হৃদয়বিদারক খবরটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি…
 ২৭ মে ২০২৬    জাতীয়

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আজ মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪১ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন হয়। হঠাৎ হওয়া এই কম্পনের ফলে সাধারণ…
 ২৬ মে ২০২৬    জাতীয়

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন পোশাক কারখানায় ছুটি শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুরের পর থেকেই নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড় বাড়তে…
 ২৫ মে ২০২৬    জাতীয়

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক
পবিত্র ঈদুল আযহা ঘনিয়ে আসলেও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পশুর হাটগুলোতে কেনাবেচা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কলকাতার উপকণ্ঠে অবস্থিত বিশাল ধুলাগড় গরুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে,…
 ২৫ মে ২০২৬    আন্তর্জাতিক
ভুয়া নওমুসলিম তৈরির গডফাদার

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!
সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভাইরাল সিদ্দিক’ নামে পরিচিত আবু বকর সিদ্দিকের অন্ধকার জগতের নানা তথ্য সামনে এসেছে। ধর্মের লেবাস এবং মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে তিনি গত কয়েক…
 ২৩ মে ২০২৬    অন্যান্য