প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির...

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

২৭ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:৩৮ পিএম
শাহাদৎ হোসেন | সাংবাদিক ও কলামিস্ট

বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়, তা দিয়েই আমাদের আঠারো কোটি মানুষের পেট চলে। কিন্তু অতি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে হওয়া যে ‘পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি’র খবর আমরা জানতে পারছি, তা পড়ার পর গভীর এক শঙ্কা জাগছে। এই চুক্তির আদ্যোপান্ত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এটি আমাদের কৃষিখাতকে উন্নতির দিকে নেওয়ার বদলে উল্টো সমূলে ধ্বংস করার এক নিপুণ নকশা। এই অসম চুক্তির ফলে আমাদের সার্বভৌমত্ব এবং সাধারণ কৃষকের জীবন যেভাবে ঝুঁকির মুখে পড়বে, তা নিয়ে এখনই খোলাখুলি কথা বলা প্রয়োজন।

চুক্তির সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো আমদানির বাধ্যবাধকতা। আমাদের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশের ওপর কঠিন শর্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, আমাদের প্রতি বছর অন্তত সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকার কৃষিপণ্য নির্দিষ্টভাবে আমেরিকা থেকেই কিনতে হবে। এর মধ্যে আছে ৭ লক্ষ টন গম, ২৬ লক্ষ টন সয়াবিন এবং বিপুল পরিমাণ তুলা। প্রশ্ন হলো, একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে আমরা কোত্থেকে পণ্য কিনব, সেটা কেন অন্য একটি দেশ ঠিক করে দেবে? আন্তর্জাতিক বাজারে যখন অন্য কোনো দেশ থেকে সুবিধাজনক শর্তে গম বা সয়াবিন পাওয়ার সুযোগ থাকবে, তখনও কি আমরা এই চুক্তির বেড়াজালে আটকে পড়ে নির্দিষ্ট এক দেশ থেকে পণ্য কিনতে বাধ্য থাকব না? এই বিশাল অঙ্কের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে আমাদের সাধারণ মানুষের ওপর যে ভয়াবহ অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হবে, তার দায়ভার আসলে কে নেবে? তার থেকেও বড় কথা হলো- অথচ এসব পণ্য বাংলাদেশেই উৎপাদন সম্ভব।

এখন নজর দেওয়া যাক আমাদের প্রান্তিক কৃষকদের দিকে। গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে ডেইরি বা দুগ্ধ শিল্প এবং পোল্ট্রি শিল্প নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে। গ্রামে গ্রামে হাজার হাজার তরুণ শিক্ষিত যুবক খামার করে স্বাবলম্বী হচ্ছে। কিন্তু চুক্তির পরিশিষ্ট ৩ এ পরিষ্কার বলা আছে, আমেরিকার দুগ্ধজাত পণ্য এবং মাংস কোনো রকম গুণগত পরীক্ষা বা কোনো বাধ্যবাধকতা ছাড়াই সরাসরি বাংলাদেশের বাজারে ঢুকবে। এমনকি আমেরিকার গরুর মাংস, হাঁস-মুরগি এবং প্রক্রিয়াজাত খাবারের জন্য কোনো বিশেষ লাইসেন্স বা নিবন্ধনের প্রয়োজনও পড়বে না। যখন আমেরিকার বিশাল ভর্তুকি পাওয়া খামারের পণ্য আমাদের বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করবে, তখন আমাদের সাধারণ খামারিরা কোথায় দাঁড়াবে? আমাদের ক্ষুদ্র খামারিরা কি তাদের বিলিয়ন ডলারের কর্পোরেট খামারের অসম প্রতিযোগিতায় টিকতে পারবে? উত্তরটা খুব পরিষ্কার, আমাদের তিল তিল করে গড়ে ওঠা দেশি কৃষি ও পোল্ট্রি শিল্প কয়েক বছরের মধ্যেই মুখ থুবড়ে পড়বে।

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

আরেকটি চরম উদ্বেগের বিষয় হলো ‘জিএমও’ বা জেনেটিক্যালি মোডিফাইড খাদ্য। চুক্তির অনুচ্ছেদ ১.৬ এ বলা হয়েছে, আমেরিকা যেসব কৃষিপণ্যকে নিরাপদ বলবে, বাংলাদেশ সেগুলো কোনো ধরনের নিজস্ব ল্যাবরেটরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই মেনে নিতে হবে। এমনকি মাত্র ২৪ মাসের মধ্যে আমাদের এমন এক আইনি কাঠামো তৈরি করতে হবে যেখানে মার্কিন ল্যাবে অনুমোদিত যেকোনো বীজ বা খাবার সরাসরি আমাদের কৃষিজমিতে প্রবেশের বৈধতা পাবে। এটি শুধু জনস্বাস্থ্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকি নয়, বরং আমাদের আদি ও অকৃত্রিম প্রাকৃতিক বীজ ব্যবস্থাকে চিরতরে বিলুপ্ত করে দেওয়ার একটি ষড়যন্ত্র। এই ভিনদেশি বিষাক্ত বীজের প্রভাবে আমাদের দেশীয় জাতের শস্যগুলো হারিয়ে যাবে। আমরা জানি, মার্কিন কোম্পানিগুলো একবার তাদের পেটেন্ট করা হাইব্রিড বীজ কোনো দেশে ঢোকাতে পারলে সেই দেশের কৃষকরা বীজের জন্য সারা জীবনের জন্য ওই কোম্পানিগুলোর দাসে পরিণত হয়। আমাদের এই উর্বর সোনার মাটিতে কি আমরা জেনেশুনে ভিনদেশি বীজের বিষ ঢেলে দেব?

আমাদের প্রধান রপ্তানি খাত হলো তৈরি পোশাক। চুক্তিতে বলা হয়েছে, আমাদের পোশাক রপ্তানিতে শুল্ক সুবিধা দেওয়া হবে, কিন্তু সেখানে একটি সূক্ষ্ম ফাঁদ পাতা আছে। এই সুবিধা পেতে হলে শর্ত হলো সেই পোশাক বানাতে মার্কিন তুলা বা সুতা ব্যবহার করতে হবে। এর মানে হলো, আমাদের পোশাক শিল্পকেও আমেরিকার কৃষি খামারের ওপর চিরস্থায়ীভাবে নির্ভরশীল করে তোলা হচ্ছে। আমাদের আমদানিকারকরা ভারত, মিশর বা অন্য যেকোনো দেশ থেকে নিজেদের পছন্দের তুলা আনার স্বাধীনতা হারাবে। এক কথায় বলতে গেলে, এটি আমাদের শিল্প এবং কৃষি উভয়কেই এক সুতোয় বেঁধে আমেরিকার বাজারের জিম্মি করার একটি সুদূরপ্রসারী অপকৌশল।

এই চুক্তিতে শুধু কৃষি নয়, বরং আমাদের জাতীয় ও বাণিজ্যিক সার্বভৌমত্বকেও চরম সংকটে ফেলা হয়েছে। চুক্তির ৪.১ এবং ৪.২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আমেরিকার ‘শত্রু’ হিসেবে পরিচিত কোনো দেশের সাথে আমরা স্বাধীনভাবে বাণিজ্য করতে পারব না। রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি তেল আনা কিংবা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি কেনা, সব কিছুতেই এখন ওয়াশিংটনের অনুমতি লাগবে। এমনকি আমাদের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার চীনের সাথেও আমরা স্বাধীনভাবে বড় কোনো লেনদেন করতে পারব কি না, তা নিয়ে চুক্তিতে মারাত্মক অস্পষ্টতা রয়েছে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আমাদের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কেন অন্য কোনো দেশের মর্জির ওপর ঝুলে থাকবে?
সবচেয়ে বড় বিস্ময়ের জায়গা হলো এই চুক্তির সময়কাল এবং বর্তমান সরকারের ম্যান্ডেট। একটি অন্তর্বর্তী সরকার, যাদের মূল আইনি দায়িত্ব ছিল একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর করা, তারা কীভাবে ৩০ বছরের মতো একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং নীতিনির্ধারণী চুক্তিতে দেশকে আবদ্ধ করতে পারে? এই নৈতিক অধিকার তাদের কে দিয়েছে? জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে হোয়াইট হাউস থেকে এই চুক্তির ঘোষণা আসা কি সাধারণ কোনো ঘটনা? এর মানে কি এই নয় যে, তারা জানতেন একটি নির্বাচিত সংসদ বা প্রকৃত জনপ্রতিনিধিরা কখনোই জনগণের স্বার্থবিরোধী এমন একটি আত্মঘাতী চুক্তি মেনে নেবেন না?

চুক্তির সমর্থকদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যে, আমরা ২৫০০ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমরা আমেরিকা থেকে যা আমদানি করতে বাধ্য হচ্ছি তার তুলনায় রপ্তানি সুবিধার তালিকাটি অত্যন্ত ছোট এবং কঠিন শর্তে ঘেরা। আমরা ঔষধ রপ্তানির সুবিধা পাচ্ছি ঠিকই, কিন্তু বিনিময়ে আমাদের দেশি ঔষধের বিশাল বাজারও মার্কিনিদের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করে দিতে হচ্ছে। এমনকি মার্কিন ঔষধের কোনো গুণগত মান যাচাই করার ক্ষমতাও আমাদের ওষুধ প্রশাসন হারাবে। এতে গত কয়েক দশকে আমাদের ঔষধ শিল্পের যে গৌরবময় বিকাশ হয়েছে, তা-ও চরম হুমকির মুখে পড়বে।

বাংলাদেশ কোনো দাতা দেশের বাণিজ্যিক পরীক্ষাগার নয়। আমাদের কৃষক যদি নিজের মাঠে হাড়ভাঙা খাটুনি দিয়ে ফসল ফলিয়ে ন্যায্য বাজার না পায়, তবে এই তথাকথিত উন্নয়নের আড়ালে আমাদের মেরুদণ্ড চিরতরে ভেঙে পড়বে। এই চুক্তি সরাসরি আমাদের কৃষকের ভাতের থালায় লাথি মারার শামিল। এটি আমাদের মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের খাদ্য নিরাপত্তাকে মার্কিন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিগুলোর মর্জির ওপর ছেড়ে দেওয়া। আমরা কি সত্যিই চাই আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম নিজেদের জমিতে অন্য দেশের দয়া বা তাদের ল্যাবরেটরিতে তৈরি বীজের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকুক? নাকি নিজেদের উদ্ভাবনী ক্ষমতার দ্বারা দেশের কৃষি শিল্পের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখুক।

এখনও সময় আছে এই চুক্তির ভয়াবহতা নিয়ে পুনরায় ভাবার। জনগণের সামনে এই চুক্তির প্রতিটি ধারা স্পষ্ট করা দরকার। কোনো ‘নন-ডিসক্লোজার’ বা গোপন চুক্তির দোহাই দিয়ে একটি জাতির ভবিষ্যৎ অন্ধকার করা যেতে পারে না। আমরা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চাই, কিন্তু সেই বাণিজ্যের নামে দেশের কৃষককে বলি দিয়ে কিংবা জাতীয় সার্বভৌমত্ব বন্ধক রেখে নয়। আমাদের কৃষকদের ঘাম আর শ্রমের বিনিময়ে যে অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে, তাকে কোনো অসম চুক্তির বেড়াজালে আটকে ফেলার অধিকার কারও নেই। তাই জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষায় এবং আমাদের মাটির স্বার্থে এই আত্মঘাতী চুক্তি পুনর্বিবেচনা করা এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না; আর ক্ষমা করবে না এই গোপন চুক্তির মাধ্যমে দেশকে জিম্মি করা বিশ্বাসঘাতক অন্তবর্তীকালীন সরকারকে।

তিন মাসের মধ্যে চুক্তি রিভিউ করার সুযোগ থাকলেও বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই! পররাষ্ট্র উপদেষ্টা কাম পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহামানের ভাষ্য অনুযায়ী পিএনপি-জামায়াতসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল এই চুক্তির বিষয়ে অবগত ছিল। জামায়াত তা সরাসরি অস্বীকার করলেও বিএনপির পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো স্টেটমেন্ট দেওয়া হয়নি। তার থেকেও বড় কথা হলো- সংসদে ছোট-খাটো নানা বিষয় নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ, তর্ক, কাইজ্জা চললেও এই প্রসঙ্গে কেউ প্রশ্ন তুলছে না। বিরোধীদল সংসদে সুপার সক্রিয়তা দেখালেও এই বিষয়ে একটি কথাও তুলছে না তারা। অথচ চুক্তি বাতিল কিংবা রিভিউয়ের এখনো প্রায় একমাসের মতো সময় হাতে আছে। তাহলে কি আমরা ধরে নিব যে, এই চুক্তির ব্যাপারে সবাই সত্যিই ওয়াকিবহাল ছিল? আমেরিকার সান্নিধ্য পেতে এবং তার বিরাগভাজন হবার ঝুঁকিমুক্ত থাকতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্যারের মতো গুরুজনকে কেউ ‘না’ বলতে পারেনি!

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হওয়ার পথে!

এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হওয়ার পথে!
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নির্বাচনে তিনি একক প্রার্থী হওয়ায় প্রার্থিতা…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান!

জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান!
জাপান সফরের অংশ হিসেবে দেশটির চিবা প্রিফেকচারের ইচিকাওয়া শহরে অবস্থিত নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

গলাচিপায় পটকা বিস্ফোরণে তরুণের বাঁ হাতের পাঁচ আঙুল বিচ্ছিন্ন!

গলাচিপায় পটকা বিস্ফোরণে তরুণের বাঁ হাতের পাঁচ আঙুল বিচ্ছিন্ন!
পটুয়াখালীর গলাচিপায় লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে পটকা ফোটাতে গিয়ে বিস্ফোরণে অমিত হাজারি (১৮) নামে এক তরুণের বাঁ হাতের পাঁচটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাঁর হাতের টিস্যু ও…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের ৫৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের ৫৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের ৫৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে রবিবার (২৭ অক্টোবর) সকালে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

জাপানে জেরার এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান!

জাপানে জেরার এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান!
জাপান সফরের অংশ হিসেবে দেশটির চিবা প্রিফেকচারের ফুতসু শহরে অবস্থিত জেরা কোম্পানির স্থলভিত্তিক তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

গাজীপুরে ৩ ঘণ্টা পর মহাসড়ক ছাড়লেন পোশাকশ্রমিকেরা!

গাজীপুরে ৩ ঘণ্টা পর মহাসড়ক ছাড়লেন পোশাকশ্রমিকেরা!
গাজীপুরের মৌচাকে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধের প্রায় তিন ঘণ্টা পর সড়ক ছেড়েছেন পোশাকশ্রমিকেরা। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে তাঁরা অবরোধ প্রত্যাহার করে…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

অরুণাচলে হঠাৎ বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করছে ভারত!

অরুণাচলে হঠাৎ বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করছে ভারত!
ভারতের অরুণাচল প্রদেশে প্রস্তাবিত বিশাল জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেওয়ায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে দেশটির সরকার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমানে করে বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তা…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে মব নয়, ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হবেন: তথ্য উপদেষ্টা

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে মব নয়, ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হবেন: তথ্য উপদেষ্টা
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাঁকে কোনো ধরনের মব বা বেআইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না, বরং আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হতে…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

পতিত ফ্যাসিবাদকে উৎসাহিত করে, এমন কাজ থেকে বিরত থাকুন: রিজভী

পতিত ফ্যাসিবাদকে উৎসাহিত করে, এমন কাজ থেকে বিরত থাকুন: রিজভী
পতিত ফ্যাসিবাদকে উৎসাহিত করে, এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে দেশের সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। একই সঙ্গে বিএনপি…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

রূপপুরে পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের ইউরেনিয়ামের দ্বিতীয় চালান!

রূপপুরে পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের ইউরেনিয়ামের দ্বিতীয় চালান!
রাশিয়া থেকে আমদানি করা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক জ্বালানির দ্বিতীয় চালান পাবনার ঈশ্বরদীতে প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেবার মান বাড়ানোর নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেবার মান বাড়ানোর নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: চিকিৎসকদের অবহেলার কারণে কোনো রোগী যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও যত্নশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

হামলা বন্ধে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দিতে চায় সৌদি আরব!

হামলা বন্ধে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দিতে চায় সৌদি আরব!
ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হামলা বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে ইরানের মধ্যস্থতায় ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সৌদি আরব—এমন দাবি করেছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম। সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

চার বছর কারাভোগ শেষে দুই বছরের সন্তানসহ দেশে ফিরল বাংলাদেশি দম্পতি!

চার বছর কারাভোগ শেষে দুই বছরের সন্তানসহ দেশে ফিরল বাংলাদেশি দম্পতি!
ভারতে চার বছর কারাভোগ শেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশি এক দম্পতি ও তাঁদের দুই বছরের শিশু সন্তান। ভালো কাজের আশায় প্রায় সাত…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    খুলনা

‘বিগ-বি’ উদ্যোগে একমত বাংলাদেশ-জাপান, ৫ বছরে ১ লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগের প্রত্যাশা!

‘বিগ-বি’ উদ্যোগে একমত বাংলাদেশ-জাপান, ৫ বছরে ১ লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগের প্রত্যাশা!
আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে জাপানি কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে প্রায় এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগ প্রত্যাশা করছে জাপান। একই সঙ্গে বঙ্গোপসাগরীয় শিল্প প্রবৃদ্ধি অঞ্চল…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

ছাত্রদল থেকেই রাজনৈতিক শিক্ষার শুরু, বললেন আমজনতা দলের তারেক রহমান!

ছাত্রদল থেকেই রাজনৈতিক শিক্ষার শুরু, বললেন আমজনতা দলের তারেক রহমান!
আমজনতা দলের সাধারণ সম্পাদক মো. তারেক রহমান বলেছেন, ছাত্রদলের রাজনীতি থেকেই তাঁর রাজনৈতিক শিক্ষার শুরু এবং জাতীয়তাবাদী রাজনীতির লড়াইয়ের শিক্ষা তিনি সেখান থেকেই পেয়েছেন। ২০১৮…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত