জেরুজালেম শহরে অবস্থিত মুসলিমদের তৃতীয় পবিত্র ধর্মীয় স্থাপনা আল-আকসা মসজিদ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েলি পুলিশ। সেখানে এখন মুসল্লিদের প্রবেশ করতে দিচ্ছে না তারা।
ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা ওয়াফা মঙ্গলবার বিকেলে ইসলামিক ওয়াকফ বিভাগের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।
ইসলামিক ওয়াকফ বিভাগ আল-আকসা মসজিদ দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে। জর্ডানের নিয়োজিত এ ইসলামিক সংগঠনটি জানিয়েছে, ইসরায়েলি পুলিশ মঙ্গলবার হঠাৎ করে মসজিদটির সব গেট বন্ধ করে দিয়েছে এবং মুসলিমদের সেখানে প্রবেশে বাধা দিচ্ছে।
টিকা সংকট নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে ১৫ বার সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ

মুসলিমদের বাধা দিয়ে পুলিশ ইহুদিদের আল-আকসা চত্বরে প্রবেশ এবং সেখানে প্রার্থনার সুযোগ করে দিয়েছে বলেও জানিয়েছে ইসলামিক ওয়াকফ বিভাগ। এর মাধ্যমে এই মসজিদ সম্পর্কিত যে চুক্তি রয়েছে সেটি লঙ্ঘন করা হয়েছে।
চুক্তি অনুযায়ী, আল-আকসা মসজিদ চত্বরে অমুসলিমরা প্রবেশ করতে পারবে। কিন্তু সেখানে প্রার্থনা (নামাজ) করতে পারবে শুধুমাত্র মুসলিমরা। চুক্তি থাকা সত্ত্বেও, অনেক ইহুদি আল-আকসায় প্রবেশ করে সেখানে পুলিশের সহায়তায় জোরপূর্বক প্রার্থনা করে থাকে।
মসজিদটির পবিত্রতা রক্ষার কথা বিবেচনায় রেখে ইহুদি আইনেও বলা আছে আল-আকসা মসজিদে ইহুদিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ।
ফিলিস্তিনি বার্তাসংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে আল-আকসায় নামাজ আদায় করতে আসা মুসল্লিদের বাধা প্রদান করে পুলিশ। প্রথমে তারা শুধুমাত্র বৃদ্ধদের মসজিদে প্রবেশ করতে দিচ্ছিল। এরপর মসজিদটিতে মুসলিমদের প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়।
হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ চলায় গত কয়েকদিন ধরে আল-আকসা মসজিদ নিয়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। যুদ্ধ শুরুর পর সেখানে মুসলিমদের উপস্থিতি অনেকটাই কমে যায়।
অপরদিকে যুদ্ধ শুরুর আগে ও পরে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গনে ইহুদিদের উপস্থিতি বেড়ে যায়। এ মাসের শুরুতে ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসব সুককতের সময় জোর করে কয়েকশ ইহুদি সেখানে প্রবেশ করে।
ইহুদিরা আল-আকসা মসজিদকে ট্যাম্পল মাউন্ট হিসেবে অভিহিত করে থাকে।
















