প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   দোয়া কেন ব্যর্থ হোচ্ছে? (পর্ব-২)

দোয়া কেন ব্যর্থ হোচ্ছে? (পর্ব-২)

২৩ মে ২০১৫ ১২:২৭ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

এমামুযযামান জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী:

আল্লাহ বোলেছেন, “যে যতখানি চেষ্টা কোরবে তার বেশী তাকে দেয়া হবে না (কোর’আন- সুরা আন-নজম ৩৮)”। মসজিদে, বিরাট বিরাট মাহফিলে, লক্ষ লক্ষ লোকের এজতেমায় যে দফাওয়ারী দোয়া করা হয়, যার মধ্যে মসজিদে আকসা উদ্ধার অবশ্যই থাকে- দোয়া কোরতে কোরতে এক পর্যায়ে তারা হাউ মাউ কোরে কাঁদতে থাকেন। কাঁদতে কাঁদতে দাড়ি, জোব্বা, চেক রুমাল ভিজিয়ে একাকার কোরে ফেলেন। তাতে যারা দোয়া করেন তারা দোয়া শেষে দাওয়াত খেতে যান, আর যারা আমীন আমীন বলেন তারা যার যার ব্যবসা, কাজ, চাকুরী ইত্যাদিতে ফিরে যান, কারোরই আর মসজিদে আকসার কথা মনে থাকে না। অমন দোয়ায় বিপদ আছে, হাত ব্যথা করা ছাড়াও বড় বিপদ আছে, কারণ ওমন দোয়ায় আল্লাহর সাথে বিদ্রুপ করা হয়। তার চেয়ে দোয়া না করা নিরাপদ। যে পড়াশোনাও কোরে না পরীক্ষাও দেয় না- সে যদি কলেজের প্রিন্সিপালের কাছে যেয়ে বলে যে, আমি পরীক্ষা দেব না কিন্তু আমার ডিগ্রী চাই, ডিগ্রী দিতে হবে। তবে সেটা প্রিন্সিপালের সঙ্গে বিদ্রুপের মতই হবে। শুধু তাই নয়, প্রিন্সিপাল ঐ বেয়াদব ছাত্রকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে পুলিসেও সোপর্দ কোরে দিতে পারেন। আমাদের দোয়া শিল্পীরা, আর্টিস্টরা লক্ষ লক্ষ লোকের এজতেমা, মাহফিলে দোয়া করেন- হে আল্লাহ! তুমি বায়তুল মোকাদ্দাস ইহুদিদের হাত থেকে উদ্ধার কোরে দাও এবং এ দোয়া কোরে যাচেছন ইসরাইল রাষ্ট্রের জন্ম থেকে, চল্লিশ বছরের বেশী সময় ধোরে। ঐ সময়ে যখন দোয়া করা শুরু কোরেছিলেন তখন দোয়াকারীরা আজকের চেয়ে সংখ্যায় অনেক কম ছিলেন, কারণ তখনকার কথা আমার মনে আছে এবং ইসরাইল রাষ্ট্রের আয়তনও এখনকার চেয়ে অনেক ছোট ছিলো। যেরুসালেম ও মসজিদে আকসা তখন ইসরাইল রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলো না। এই মহা মোসলেমদের প্রচেষ্টাহীন, আমলহীন দোয়া যতই বেশী লোকের সমাবেশে এবং যতই বেশী
লোকের সমাবেশে এবং যতই বেশী লম্বা সময় ধোরে হোতে লাগলো ইহুদিদের হাতে আরবরা ততই বেশী মার খেতে লাগলো আর ইসরাইল রাষ্ট্রের আয়তনও ততই বড়তে লাগলো। কিছুদিন আগে যখন আমেরিকার নেতৃত্বে ইরাকে আক্রমণ করা হোল, তখন সমগ্র মোসলেম বিশ্ব থেকে মসজিদে মসজিদে বিশেষভাবে দোয়া করা হোয়েছিল, কারণ ইরাকের রাজধানী বাগদাদ মোসলেম উম্মাহর এক সময়ের প্রাণকেন্দ্র ছিল, সেখানে অনেক বড় বড় পীর, কামেল ওলী আল্লাহর মাজার শরীফ আছে। কিন্তু সেই দোয়া কি কোন কাজে এসেছিল? ঐসব মাজার ও মসজিদসহই পুরো বাগদাদ নগরী ধ্বংসস্তুপে পরিণত করা হোয়েছিল, অল্প সময়ের মধ্যে সেখানে ১০ লক্ষ মোসলেম নামধারী মানুষ নিহত হোয়েছিল, কত মেয়ে ধর্ষিতা হোয়েছে, কত মানুষ আজীবনের জন্য পঙ্গুত্ব বরণ কোরেছে তার কোন ইয়ত্তা নেই।
আজ শুনি কোন জায়গায় নাকি আট/দশ লক্ষ ‘মোসলেম’ একত্র হোয়ে আসমানের দিকে দু’হাত তুলে দুনিয়ার মোসলেমের ঐক্য, উন্নতি ইত্যাদির সাথে তাদের প্রথম কেবলা বায়তুল মোকাদ্দাসের মুক্তির জন্য দোয়া করে। আর আজ ইসরাইল রাষ্ট্রের আয়তন প্রথম অবস্থার চেয়ে তিন গুণ বড় এবং পূর্ণ যেরুসালেম শহর বায়তুল মোকাদ্দাসসহ মসজিদে আকসা তাদের দখলে চলে গেছে এবং মোসলেম জাতির ঐক্যের আরও অবনতি হোয়েছে এবং বর্তমান খ্রিস্টান, ইহুদি, বৌদ্ধ এবং হিন্দুদের হাতে আরও অপমানজনক মার খাচ্ছে। অর্থাৎ এক কথায় এরা এই বিরাট বিরাট মাহফিলে, এজতেমায়, মসজিদে, সম্মেলনে যা যা দোয়া কোরছেন, আল্লাহ তার ঠিক উল্টোটা কোরছেন। যত বেশী দোয়া হোচ্ছে, বেশী লোকের হোচ্ছে, বেশী লম্বা হোচ্ছে, তত উল্টো ফল হোচ্ছে। সবচেয়ে হাস্যকর হয় যখন এই অতি মোসলেমরা গৎ বাঁধা দোয়া কোরতে কোরতে ‘ফানসুরনা আলা কওমেল কাফেরিন’ এ আসেন। অর্থ হোচ্ছে “হে আল্লাহ! অবিশ্বাসীদের (কাফেরদের) বিরুদ্ধে (সংগ্রামে) আমাদের সাহায্য কর।” আল্লাহর সাথে কি বিদ্রুপ! কী তামাশা! অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের লেশমাত্র নেই, দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম নেই, পৃথিবীর দু’চার যায়গায় কাফের মোশরেকদের সঙ্গে যা কিছু সংগ্রাম চোলছে তাতে যোগ দেয়া দূরের কথা, তাতে কোন সাহায্য পর্যন্ত দেয়ার চেষ্টা নেই, শুধু তাই নয় গায়রুল্লাহর, খ্রিস্টানদের তৈরি জীবনব্যবস্থা জাতীয় জীবনে গ্রহণ কোরে নিজেরা যে শেরক ও কুফরীর মধ্যে আকণ্ঠ ডুবে আছেন, এমন কি তার বিরুদ্ধে যেখানে সংগ্রাম নেই সেখানে কুফরের বিরুদ্ধে সংগ্রামে আল্লাহর সাহায্য চাওয়ার চেয়ে হাস্যকর আর কী হোতে পারে? এ শুধু হাস্যকর নয়, আল্লাহর সাথে বিদ্রুপও। তা না হোলে দোয়ার উল্টো ফল হোচ্ছে কেন? যারা দোয়া করাকে আর্টে পরিণত কোরে, কর্মহীন, প্রচেষ্টাহীন, আমলহীন, কোরবানিহীন, সংগ্রামহীন দোয়া কোরছেন তারা তাদের অজ্ঞতায় বুঝছেন না যে তারা তাদের ঐ দোয়ায় আল্লাহর ক্রোধ উদ্দীপ্ত কোরছেন, আর তাই দোয়ার ফল হোচ্ছে উল্টো। তাই বলছি ঐ দোয়ার চেয়ে দোয়া না করা নিরাপদ। কারণ আল্লাহ বোলেছেন, ‘মো’মেনগণ! তোমরা যা করো না তা কেন বলো? তোমরা যা করো না তা বলা আল্লাহর ক্রোধ উদ্রেককারী (সুরা সফ-২-৩)।
কাফেরদের দোয়া নিষ্ফল
আল্লাহ তার কোর’আনে বোলছেন- কাফেরদের দোয়া নিষ্ফল, ব্যর্থ (সুরা আর-রা’দ ১৪, সুরা আল-মো’মেন ৫০)। অর্থাৎ আল্লাহ বোলছেন কাফেররা যা দোয়া করে, যা চায় আল্লাহ তা মঞ্জুর করেন না। গত শত শত বছর ধোরে এই জাতি কি কি দোয়া কোরে আসছে? একটা হলো- হে আমাদের রব! আমাদের এই দুনিয়াকে ‘সুন্দর’ কোরে দাও এবং আমাদের পরজীবনকে সুন্দর করে দাও (সুরা আল-বাকারাহ ২০১)। এখানে ‘সুন্দর’ এর আরবি হোচ্ছে ‘হাসান’। হাসান হোল উন্নতি, প্রগতি, শ্রেষ্ঠত্ব, কর্তৃত্ব এক কথায় সব দিক দিয়ে সুন্দর, যাদের দুনিয়া সুন্দর, তাদের আখেরাতও সুন্দর। এরা যখন আল্লাহর কাছে এই দোয়া করে তার ফল কি হয় তা বোলে দিতে হবে? কয়েক শতাব্দীভর খ্রিস্টানদের দাসত্ব এবং তারপর এখন আরও ঘৃণ্য অবস্থা। পৃথিবীর সর্বত্র পরাজয়, অপমান, নিগ্রহ তো আছেই তার উপর অন্যান্য প্রতিটি জাতি এই জাতি বা জনসংখ্যার মানুষদের হত্যা কোরছে, তাদের বাসস্থান জালিয়ে পুড়িয়ে সেখান থেকে বের কোরে দিচ্ছে, তাদের মেয়েদের ধোরে ধোরে ধর্ষণ কোরে হাজারে হাজারে গর্ভবতী কোরছে, ট্যাংকের তলায় পিষে মারছে। একশ’ ষাট কোটি সংখ্যার জাতিটিকে পৃথিবীর অন্য কোন জাতিই এতটুকুও পরওয়া কোরছে না, অবজ্ঞা, বিদ্রুপ কোরছে। এই দুনিয়াকে সুন্দর করার দোয়ার ঠিক বিপরীত ফল। আর যাদের এই দুনিয়া এই রকম তাদের ঐ দুনিয়া অর্থাৎ আখেরাতেও তাই, কঠিন আযাব। এই জাতি দোয়া করছে, মসজিদে-মসজিদে, মজলিসে, এজতেমায়, মিটিংয়ে, দোয়া করছে- আল্লাহ আমাদের প্রথম কেবলা বায়তুল মোকাদ্দেস ইহুদিদের হাত থেকে উদ্ধার কোরে দাও। ফল কি হোচ্ছে? ইসরাইল রাষ্ট্র আয়তনে আরও বড় হোচ্ছে, ক্রমশঃ আরও শক্তিশালী হোচ্ছে। এই জাতির ঐক্যের জন্য দোয়া করা হোচ্ছে এবং যতই করা হোচ্ছে ঐক্য ততই ভাঙ্গছে। আজ থেকে দু’শত বছর আছে যতগুলো দলে, মতে, পথে এরা বিভক্ত ছিল আজ তার চাইতেও কয়েক শ’ গুণ বেশী মতে ও পথে বিভক্ত হোয়েছে অর্থাৎ ঐক্য নষ্ট কোরেছে। এই জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য, শত্রুর বিরুদ্ধে জয়ের জন্য (আলাল কওমেল কাফেরিন), এক কথায় এই জাতি আল্লাহর কাছে যা কিছুর জন্য দোয়া কোরে যাচ্ছে, হিসাব কোরে দেখুন তার প্রত্যেকটার উল্টো ফল হোচ্ছে। ইরাক এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিবার যুদ্ধের সময় খ্রিস্টান পাশ্চাত্যের তাবেদার পশ্চিম এশিয়ার আরব রাজতন্ত্র ও আমীরতন্ত্রের রাষ্ট্রগুলি ছাড়া বাকি মোসলেম দুনিয়া ইরাকের জয়ের জন্য আল্লাহর কাছে প্রাণপণে দোয়া কোরেছে, লক্ষ লক্ষ লোক নামায, রোযা মানত কোরেছে। ফল কি হোয়েছে? সেই বিপরীত ফল হোয়েছে, আল্লাহ ইরাককে লজ্জাকর পরাজয় দিয়েছেন, যা একটু আগেই বোলে এসেছি। আফগানিস্তানে যখন হামলা হোল, সেখানেও ইরাকের মতই অবস্থা হোল। অন্যান্য দেশগুলি থেকে মসজিদ ভর্তি মুসল্লীরা আসমানের দিকে দু’ হাত তুলে দোয়া কোরলেন, আল্লাহ সে দোয়া দ্রুত শুনলেন, দ্রুত ইরাকের মত আফগানিস্তানের পতন হোল। কারণ যারা দোয়া কোরছিলো এবং যাদের জন্য দোয়া করা হোচ্ছিলো দু’টোর কোনটাই মো’মেন নয়, এবং মো’মেন নয় অর্থই মোশরেক এবং কাফের। জাতি মো’মেন হোলে, কার্যতঃ মোশরেক, কাফের ও অভিশপ্ত না হোলে উপসাগরীয় যুদ্ধের অবস্থাই সৃষ্টি হতো না। আটলান্টিকের ঐ প্রান্ত থেকে উড়ে এসে এদের ভূমিতে আক্রমণ করার দুঃসাহস হোত না।
আল্লাহ কোর’আনে বোলছেন- কাফেরদের দোয়া নিষ্ফল ও ব্যর্থ। অর্থাৎ তাদের দোয়া আল্লাহ শুনবেন না, কোন ফল হবে না। তা হোলে যে জাতি বা জনসংখ্যার দোয়া, মানত তিনি যে শুধু শুনছেন না তাই না, যা যা দোয়া করা হোচ্ছে সেগুলোর ঠিক বিপরীত ফল দিচ্ছেন সে জাতি বা জনসংখ্যা কি?
আল্লাহ বলেন ‘হও’, অমনি তা হোয়ে যায়
আল্লাহ বোলছেন, “আল্লাহ ইচ্ছা করলে সমস্ত অবিশ্বাসীদের সত্য পথে আনতে পারেন (সুরা আল আনাম ৩৫)।” একথা তিনি একবারই বলেন নি। বিশ্বনবীকে (দ:) সম্বোধন কোরে বলেছেন- “তোমার প্রভু যদি ইচ্ছা করেন, তবে সমস্ত পৃথিবীর মানুষ একত্রে বিশ্বাসী হোয়ে যাবে (সুরা ইউনুস ৯৯)।” তিনি তা ইচ্ছা করেন নি, অথচ ঐ কাজটা করার ভারই তিনি তার নবীকে (দ:) ও তার উম্মাহকে দিয়েছেন। কারণ, তিনি দেখতে চান কারা তার সেই কাজ কোরতে চেষ্টা করে, সংগ্রাম করে, কোরবানি করে। শাস্তি ও পুরস্কার ওর উপরই হবে কেয়ামতে। অবিশ্বাসীদের সঙ্গে যখন বিশ্বাসীদের সংঘর্ষ হয়, সে সময়ের জন্য আল্লাহ বোলছেন, “আল্লাহ ইচ্ছা কোরলেই (তোমাদের কোন সাহায্য ছাড়াই) তাদের (অবিশ্বাসীদের) শাস্তি দিতে পারেন। কিন্তু তিনি তোমাদের পরীক্ষা কোরে দেখতে চান (সুরা আল মোহাম্মদ ৪)।” এই কথা বলার দুই আয়াত পরই তিনি বোলছেন, “হে বিশ্বাসীগণ, তোমরা যদি আল্লাহকে সাহায্য কর তবে তিনিও তোমাদের সাহায্য করবেন (সুরা মোহাম্মদ ৭)।” সেই সর্বশক্তিমানকে আমরা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র মানুষ কি সাহায্য করবো? আমাদের সাহায্যের কোন প্রয়োজন আছে তার? তবে তিনি সাহায্য চাচ্ছেন কেন? এর অর্থ হলো এই যে, এবলিস যে তাকে চ্যালেঞ্জ দিয়েছে ‘সে তার (আল্লাহর) সৃষ্টি আদম অর্থাৎ মানুষকে আল্লাহর দেয়া জীবন-বিধান অস্বীকার কোরিয়ে মানুষকে দিয়েই জীবন-বিধান তৈরি কোরিয়ে মানুষকে ফাসাদ অর্থাৎ অন্যায়-অবিচার-অশান্তি আর সাফাকুদ্দিমা অর্থাৎ যুদ্ধ ও রক্তপাতে ডুবিয়ে দেবে, সেই চ্যালেঞ্জে কারা আল্লাহর পক্ষে থেকে তাকে সাহায্য করে অর্থাৎ আল্লাহর পক্ষ হোয়ে তার রসুলের পক্ষ হোয়ে সংগ্রাম করে, আর কারা করে না বা বিপক্ষে থাকে তা পরীক্ষা কোরে দেখা। আল্লাহ যদি হুকুম কোরেই সমস্ত মানুষকে সত্য পথে এনে এবলিসকে হারিয়ে দেন তবে আর চ্যালেঞ্জের কোন অর্থই থাকে না। তাই আল্লাহ শক্তি থাকলেও তা করবেন না। তিনি দেখবেন আমরা এবলিসের বিরুদ্ধে সেই সংগ্রাম করি কি না। জানমাল দিয়ে সেই সংগ্রাম করলে আমরা আল্লাহকে সাহায্য কোরছি। আর তা না কোরে বসে বসে দফাওয়ারী দোয়া কোরে আমরা এবলিসের দলভুক্ত হোয়ে গেছি। তাই তিনি বোলছেন তাকে সাহায্য কোরতে, এবলিসের বিরুদ্ধে সাহায্য কোরতে, যদিও তিনি সমস্ত সাহায্যের বহু উর্দ্ধে-বেনেয়ায।
এই জাতির দোয়া তো দূরের কথা যত রকমের আমল কোরছে সব আমলই ব্যর্থ হোচ্ছে। এটা আমার কথা নয় স্বয়ং আল্লাহর কথা। আল্লাহ বলেন- “যারা কুফরী কোরেছে তাদের জন্য দুর্ভোগ এবং তিনি তাদের আমল ব্যর্থ কোরে দিবেন। এটা এজন্য যে আল্লাহ যা অবতীর্ণ কোরেছেন তারা তা অপছন্দ কোরেছে। সুতরাং তাদের সমস্ত আমল নিষ্ফল। (মুহাম্মদ ৮, ৯) এ আয়াতদ্বয় মোতাবেক আল্লাহ যা নাযেল কোরেছেন আল্লাহর বিধান, কোর’আন অর্থাৎ কোর’আনের আইন-কানুন, অর্থনীতি, দণ্ডবিধি, বিচারব্যবস্থা প্রভৃতি এই জাতি সম্মিলিতভাবে জেনে শুনে বাদ দিয়েছে। বাদ দিয়ে ইহুদি খ্রিস্টানদের তৈরি বিধান অর্থাৎ দাজ্জালের তৈরি বিধান গ্রহণ কোরে নিয়েছে। সুতরাং আল্লাহর নাযেল করা বিধান বাদ দিয়ে যত নামাজ, রোজা, তাহাজ্জুদ, হজ্ব, যাকাত, দাড়ি, টুপি মোরাকাবা মোশাহেদা জেকের আজকার সব আমল ব্যর্থ, নিষ্ফল। যেখানে সকল আমল নিষ্ফল সেখানে দোয়াও যে ব্যর্থ হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

২৪ বছর পর ভাইরাল নায়ক মান্নার সেই বক্তব্য, ‘আমি কোনো অশ্লীল দৃশ্যে অভিনয় করিনি’

২৪ বছর পর ভাইরাল নায়ক মান্নার সেই বক্তব্য, ‘আমি কোনো অশ্লীল দৃশ্যে অভিনয় করিনি’
২০০২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ফায়ার’ সিনেমা নিয়ে ২৪ বছর পর আবারও আলোচনায় ঢাকাই সিনেমার প্রয়াত চিত্রনায়ক মান্না। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে তার একটি পুরোনো ভিডিও, যেখানে…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

মেসির বিদায়ে বাংলাদেশের তারকাদের আবেগঘন পোস্ট!

মেসির বিদায়ে বাংলাদেশের তারকাদের আবেগঘন পোস্ট!
আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সিতে শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ফেলেছেন লিওনেল মেসি। বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে এক গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করে বিদায়ী ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

বিশ্বকাপ ফাইনালে কী হয়েছিল? এবার মুখ খুললেন মেসি!

বিশ্বকাপ ফাইনালে কী হয়েছিল? এবার মুখ খুললেন মেসি!
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। বিদায়ী ম্যাচে বেনিনকে ৩-০ গোলে হারানোর পর আবেগঘন বক্তব্যে নিজের দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের নানা অধ্যায় তুলে ধরেন…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে নেতা বললেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’!

বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে নেতা বললেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’!
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগরকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অসাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দলীয়…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ইন্দোনেশিয়ায় ওষুধ-তৈরি পোশাকের বাজার বাড়াতে চায় বাংলাদেশ!

ইন্দোনেশিয়ায় ওষুধ-তৈরি পোশাকের বাজার বাড়াতে চায় বাংলাদেশ!
ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে চায় বাংলাদেশ। এ লক্ষ্য অর্জনে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, তৈরি পোশাক, ওষুধ ও কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাড়ানো…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

ওসিকে হুমকি দেয়া সেই বিএনপি নেতা সাগর বহিষ্কার

ওসিকে হুমকি দেয়া সেই বিএনপি নেতা সাগর বহিষ্কার
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) হুমকি দেওয়া এবং জুলাই বিপ্লবের এক শহীদের চাচাকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে বিধবার টিপসই, তৈরি হলো ভুয়া কাবিননামা!

ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে বিধবার টিপসই, তৈরি হলো ভুয়া কাবিননামা!
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে এক বিধবা নারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ছবি ও টিপসই নেওয়ার পর তার নামে ভুয়া কাবিননামা তৈরির অভিযোগ…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

মধ্যরাতে আগুনে পুড়ল ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হল!

মধ্যরাতে আগুনে পুড়ল ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হল!
ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌর শহরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঐতিহ্যবাহী ঝলমল সিনেমা হলসহ অন্তত ২০টি দোকান পুড়ে গেছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে আগুনের সূত্রপাতের পর তা দ্রুত আশপাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু, আরও ৩৫ লাখকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য!

হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু, আরও ৩৫ লাখকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য!
সারা দেশে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে দুই কোটি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এবার টিকাদান থেকে বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করে আগামী এক মাসে…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিতে সংবিধানে আসছে নতুন বিধান!

জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিতে সংবিধানে আসছে নতুন বিধান!
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অংশগ্রহণকারীদের আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা দিতে যাচ্ছে সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সংবিধানের তফসিলে সুনির্দিষ্টভাবে জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারত, দিল্লি-এনসিআরেও তীব্র কম্পন!

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারত, দিল্লি-এনসিআরেও তীব্র কম্পন!
রাতের নীরবতা ভেঙে ৪.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ভারতের উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলা। মঙ্গলবার রাতে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের কম্পন দিল্লি-এনসিআরসহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন এলাকাতেও অনুভূত…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

বিদায়ী ম্যাচে মেসির হাতে উঠল হলুদ-লাল কার্ড!

বিদায়ী ম্যাচে মেসির হাতে উঠল হলুদ-লাল কার্ড!
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচেও লিওনেল মেসিকে দেওয়া হলো হলুদ ও লাল কার্ড। তবে এগুলো কোনো শাস্তির কার্ড নয়; বেনিনের বিপক্ষে বিদায়ী ম্যাচ শেষে বিশেষ স্মারক…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

এক বাড়ির জন্য ৪১ লাখ টাকার সেতু!

এক বাড়ির জন্য ৪১ লাখ টাকার সেতু!
পটুয়াখালীর বাউফলে একটি বাড়ির সামনে মাত্র ১১ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণে ৪১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৯৯ টাকা ব্যয় হয়েছে। সেতুটি নির্মাণের পর এর প্রয়োজনীয়তা, প্রকল্প…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

তুরস্ক গেলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান!

তুরস্ক গেলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান!
আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিতে তুরস্কের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠেয় ‘সেকেন্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

বাংলাদেশ সফরে আসছেন জাতিসংঘের প্রতিনিধি ফরিদা শহীদ

বাংলাদেশ সফরে আসছেন জাতিসংঘের প্রতিনিধি ফরিদা শহীদ
শিক্ষার অধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় আগামী ২৩ নভেম্বর বাংলাদেশ সফরে আসছেন জাতিসংঘের শিক্ষার অধিকারবিষয়ক বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার ফরিদা শহীদ। সরকারের আমন্ত্রণে এ সফরে তিনি ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়